এক ক্লাসেই রাসায়নিক পরিবর্তনের 25 নাম্বার (CQ + MCQ) ।। Saikat Abdullah ।। Oneshot ।। HSC ।।
FULL TRANSCRIPT
হ্যালো এভরিওয়ান, আমরা এখন আমাদের
রাসায়নিক পরিবর্তনের টপ টপ যে এমসিকিউ
গুলো আছে যেগুলো থেকে বোর্ডে সবসময়
প্রশ্ন আসে এবং এ বছরও যেইগুলো থেকে
প্রশ্ন আসবে সেই এমসিকিউ গুলো নিয়ে আমরা
আলোচনা করবো। বাট আমরা এই সিরিজটাতে যেটা
করতেছি সেটা হচ্ছে আমরা প্রতিটা
চ্যাপ্টারের আগে টাইপ ওয়াইজ ভাগ করে
নিচ্ছি। মানে প্রত্যেকটা চ্যাপ্টারের কোন
কোন টাইপ থেকে এমসিকিউ গুলো আসে এবং সেই
টাইপটার বেসিক আমরা আগে ক্লিয়ার করতেছি।
করার পর ওই টাইপে যে এমসিকিউ আসে সেগুলো
তোমাদেরকে দেখাচ্ছি। তার মানে তার মানে
তোমার এই লেকচারটা করার পর কিন্তু তোমার
বেসিকটাও ক্লিয়ার হয়ে যাচ্ছে। একই সাথে
তোমার এমসিকিউর উপরে কিন্তু একটা বেশ ভালো
দক্ষতা অর্জন হচ্ছে। সো তোমরা যদি এই
ক্লাসগুলা ঠিকঠাক মত করো তুমি এই অধ্যায়
থেকে বা আমরা যেই অধ্যায়গুলো নিয়েছি
এখান থেকে যেই প্রশ্নই তোমার বোর্ড
পরীক্ষাতে আসবে সব তুমি ইনশাল্লাহ কমন
পাবা। কারণ এই টাইপগুলোর বাইত আসলে প্রশ্ন
আসার চান্স নাই। রাইট? তো আমরা ওই
টাইপগুলা শুধু সুন্দর মত আগে তোমাদেরকে
বুঝাবো। তারপরে তুমি যে এমসিকউগুলো আসছে
এগুলো তুমি নিজেই উত্তর করতে পারবা। তো
যেখান থেকে আসো যেভাবেই আসো এমসিকউ তুমি
উত্তর করতে পারবা। এটা নিয়ে তোমার টেনশন
করার কোন দরকার নাই। ঠিক আছে? তো আমরা
আমাদের এই অধ্যায়টা শুরু করব এবং তার আগে
তোমাদেরকে একটা কথা বলে নেই যে আমাদের
টার্গেট ডিও 5. এই কোর্সটার নাম তোমরা
অনেকেই শুনে। এটা একটা আমাদের ভার্সিটি
প্রিপারেশন যারা নেয় তাদের জন্য একটা
ডেডিকেটেড ভার্সিটি ডেডিকেটেড কোর্স যার
নাম হচ্ছে টার্গেট DU 5.0 এই কোর্সটাতে
কিন্তু আমরা একদম প্রিসাইজ এবং কম্প্যাক্ট
ক্লাস নেই এবং যতটুকু দরকার ভার্সিটি
স্টুডেন্টদের জন্য মানে ভার্সিটি
প্রিপারেশন যারা নেয় তাদের জন্য যতটুকু
দরকার ঠিক ততটুকুই এই কোর্সে পড়ানো হয় ঠিক
আছে? সো খুব বেশি আজায়রা অন্যান্য অনেক
কিছু আসলে পড়ানো হয় না এই কোর্সটাতে একদম
প্রিসাইজলি টু দ্যা পয়েন্ট পড়ানো হয়। হয়
সো যারা ভার্সিটি প্রিপারেশন আমরা নিব
তারা কিন্তু আমাদের চমৎকার এই কোর্সটাতে
অবশ্যই চোখ রাখতে পারো। সো চলো আমরা
আমাদের লেকচার শুরু করি। তো এই যে এই
অধ্যায় যেটা আছে আমাদের রাসায়নিক
পরিবর্তন এই রাসায়নিক পরিবর্তনের
বেসিক্যালি তুমি দেখবা যে তোমার আটটা টাইপ
আছে। প্রথমেই তুমি দেখবা গ্রীন কেমিস্ট্রি
যেখানে হচ্ছে আমাদের এটম ইকোনমি ইফেক্টর
এগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেকেন্ড
হচ্ছে আমাদের বিক্রিয়ার হার। তারপর হচ্ছে
আমাদের রাসায়নিক সাম্য অবস্থা। তারপর
হচ্ছে সাম্য ধ্রুবক। এরপরে হচ্ছে এসিড
ক্ষার মতবাদ। এরপর হচ্ছে আমাদের বিয়োজন
ধ্রুবক। তারপর হচ্ছে আমাদের পিএইচ
ক্যালকুলেশন এবং সবার লাস্ট হচ্ছে আমাদের
বাফার দ্রবণ। তো মোস্টলি এই টপিকগুলো
থেকেই তোমার বোর্ডে প্রশ্ন আসে এবং একই
সাথে আসলে এই টপিকগুলো থেকে তোমার
এডমিশনের প্রশ্ন আসে। সো তার মানে আসলে এই
বোর্ডের প্রশ্নগুলা ঠিকঠাক মত যদি পড়ো
তোমার এডমিশনের প্রশ্ন তুমি সলভ করতে গেলে
দেখবা সবাই তুমি পারতেছো কারণ আসলে এই
টাইপগুলার বাইরে কোন প্রশ্ন হয় না কারণ
বই মধ্যে আছে এই কয়েকটা জিনিস তো আমরা
প্রত্যেকটা টাইপ নিয়ে আগে তোমাদের আলোচনা
করবো ধারণা দিব এমসিকিউর জন্য যতটুকু
তোমার জানা প্রয়োজন ঠিক ততটুকু তোমাদেরকে
বলব তারপরে তোমাদের প্রতিটা টাইপের
আন্ডারে বিগত বছরে যে এমসিকউগুলো আসছে সব
এমসিকউগুলো টপট টপ এমসিকউগুলো তোমাদেরকে
দেখায় দিব ওকে সো চলো আমরা ফাস্টেই
আমাদের টাইপ ওয়ান অর্থাৎ গ্রীন
কেমিকেস্ট্রি নিয়ে শুরু করি তো এই যে
গ্রিন কেমিকেস্ট্রির মধ্যে আমরা আসলে
তিনটা টপিক নিয়ে আলোচনা করি একটা হচ্ছে
গ্রিন কেমিস্ট্রি একটা হচ্ছে এট এমটম
ইকোনমি আরেকটা হচ্ছে ইফেক্টর এখন এইযে
গ্রিন কেমিকেস্ট্রি এই গ্রিন কেমিস্ট্রি
মানে কি জানি কেমিকেস্ট্রি মানে হচ্ছে যে
আমার আমার একে বলে সবুজ রসন তো সবুজ রসন
মানে কি? পরিবেশ বান্ধব। জিনিসটা কি হবে?
পরিবেশবান্ধব হবে। এখন পরিবেশবান্ধব হবে
কখন? যখন তুমি তোমার উৎপাদের পরিমাণ কোন
একটা বিক্রি উৎপাদের পরিমাণ বেশি হবে।
ওয়েস্টেজ কম হবে বা কম ক্ষতিকর কেমিক্যাল
তুমি ব্যবহার করবা। ঠিক আছে? মানে
পরিবেশটাকে তোমার গ্রিন রাখতে হবে। এই
পরিবেশটাকে গ্রিন রাখার জন্য যাচা করা
সেটা হচ্ছে গ্রিন কেমিস্ট্রি। এবং এই
গ্রীন কেমিকেস্ট্রির কয়টা মূলনীতি আছে? এই
গ্রিন কেমিস্ট্রির মূলনীতি হচ্ছে 12টা।
মূলনীতি কয়টা? মূলনীতি হচ্ছে 12টা। ঠিক
আছে? এই 12টা মূলনীতি। মূলনীতি 12টা। 12টা
মূলনীতি একবার বই থেকে রিডিং করে নিও। ঠিক
আছে? এই গ্রিন কেমিস্ট্রি 12টাই বই থেকে
একবার রিডিং পড়বা বই থেকে রিডিং পড়ে
নিবা ঠিক আছে এটা মাঝে মধ্যে তোমার যে
সিকিউ আছে সেই সিকিউ কাজে লাগতে পারে
মোস্টলি এখান থেকে এমসিকউই আসে তো আমরা
দেখব অবশ্যই সেটা এরপর আমাদের এট ইনকোমি
এবংই ফ্যাক্টর এই দুইটা জিনিস আমাদের একটু
বুঝার জিনিস আছে এখানে ঠিক আছে এটম ইকোনমি
এবং কি ফ্যাক্টর নিয়ে আমরা একটু বুঝবো
তারপরে আমরা হচ্ছে এখান থেকে আমাদের বিগত
বছর এমসগুলো দেখব ওকে তো চল আমরা শুরু করি
এখন ফাস্ট দেখো এটম ইকোনমি এটম ইকোনমি
মানে কি এটম ইকোনমি মানে হচ্ছে কাঙ্খিত
উৎপাদের মোট ভর ইন 100% ডিভাইড বাই মোট
উৎপাদের ভর ঠিক আছে উপরে উপরে যাবে
কাঙ্কিত উৎপাদের ভর ইন 100% 100 ডিবা মোট
উৎপাদের ভর ডিভাইডেড বাই কি হবে মোট
উৎপাদের ভর ঠিক আছে তো এটা করলে আমরা এট
ইকোনমি বের করে ফেলতে পারি তো আমরা একটু
যদি খেয়াল করি আমার কাছে এখানে একটা
প্রবলেম দেওয়া আছে দেখো এটা একটা
বিক্রিয়া দেওয়া আছে যে আমাদের জাইমেজ
দিছি উপরে উৎপাদে অ্যালকোহল পাইছি আর
কার্বন ডাইঅক্সাইড পাইছি এখন তুমি বল
এখানে আবার কাঙ্খিত উৎপাদ কে ভাইয়া
কাঙ্খিত উৎপাদ হচ্ছে অ্যালকোহল দেখো
কাঙ্খিত উৎপাদ কে কাঙ্খিত উৎপাদ হচ্ছে
আমাদের অ্যালকোহল এটা হচ্ছে কাঙ্খিত উৎপাদ
কেমনে আমি বুঝলাম এটা কাঙ্খিত উৎপাদ বিকজ
দেখে দুইটা উৎপাদ আছে এখন এই দুইটা
উৎপাদের মধ্যে নিশ্চয়ই কার্বন ডাইঅক্সাইড
উৎপাদন করার জন্য তুমি এই বিক্রিয়া দিবা
না আমার যদি কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপাদন
করার দরকার হইতো আমি যেকোন একটা দহন
বিক্রিয়া দিয়ে কার্বন ডাক্ট বানাইতে পারি
তাই না তো কার্বন ডাইঅক্সাইড বানানোর জন্য
তোমার এত কষ্ট করে এই বিক্রিয়া দেওয়ার
দরকার নাই তার মানে এই বিক্রিয়া এখানে
বুঝা যাচ্ছে কাঙ্খিত উৎপাদ কে অ্যালকোহল
তাহলে আমাকে এখন কি করতে হবে আমাকে এখন
এটম ইকোনমি বের করতে হবে তো এটম ইকোনমি
কিভাবে বের করব এখান থেকে খেয়াল করো এটম
ইকোনমি কিভাবে বের করবো এটম এ পারসেন্টেজ
এটম ইকোনোমি ইকুয়ালটু হবে উপরে যাবে
কাঙ্খিত উৎপাদ তো কাঙ্খিত উৎপাদকে
অ্যালকোহল তাহলে উপরে যাবে অ্যালকোহলের ভর
দেখ কয় অণু অ্যালকোহল আছে দুই অণু তাই
আমরা লিখবদ ইনটু এবার এইযে এই ইথানলের ভর
বসাইতে হবে তো দেখো দুইটা কার্বন আছে
তাহলে কার্বনের ভর কত 12 ইনটু কত দুইটা
আছে যেহেতু দ তাই না তারপরে প্লাস
হাইড্রোজেনের জন্য কত ওয়ান ইনটু কত কয়টা
হাইড্রোজেন আছে পাঁচটা হাইড্রোজেন আছে
দেখো টোটাল হাইড্রোজেন আছে ছয়টা তুমি দেখ
এখানে পাঁচটা হাইড্রোজেন এখানে একটা ছয়টা
হাইড্রোজেন আমি একবারে আসলে ছয় লিখে দিতে
পারি এখানে ইও ই স প্লাস একটা অক্সিজেন
আছে অক্সিজেনের জন্য হচ্ছে 16 দেখো এটাই
কিন্তু আমার এই ইথানলের ভর সামনে দুই অণু
দুই অণু যেহেতু আছে তাই দুই দারা গুণ ইনটু
কত করব হলে উপরে যাবে কাঙ্কিত উৎপাদের মোট
ভর নিচে আসবে মোট উৎপাদের ভর মানে এইটা
এবং এইটা দুইটা উৎপাদ আছে দুইজনেরই ভর
তাহলে এখানে মোট উৎপাদ কি দেখে 12 * দুই
কার্বনের ভর হচ্ছে 12 * 2 হাইড্রোজেন আছে
ছয়টা তাহলে 1 * 6 অক্সিজেন আছে একটা তাহলে
হচ্ছে 16 হ্যা যোগ আর কি আছে আর কি উৎপাদ
আছে কার্বন ডাইঅক্সাইড কয় দুই অনু কার্বন
ডাইঅক্সাইড ভর কত আমরা জানি 44 44 এইবার
তুমি এখান থেকে ক্যালকুলেশন করো উপরে যাবে
কাঙ্কিত উৎপাদের ভর ইন 100 নিচে আসবে মোট
উৎপাদ অর্থাৎ এইটার ভর যোগ এইটার ভর এটার
ভর যোগ এটার ভর যদি করি এবার যদি আমরা
এখান থেকে ক্যালকুলেশন করি ক্যালকুলেশন
করলে আমার এখান থেকে এই এটম ইকোনমির
পারসেন্টেজ চলে আসবে ওকে এটম ইকোনমি কত
পারসেন্ট সেটা চলে আসবে তো মনে রাখবা এখান
থেকে দেখো এটম ইকোনমির সাথে কাঙ্খিত
উৎপাদের সমানুপাত সম্পর্ক কোন একটা
সমীকরণের কোন একটা সমীকরণ যেটা উপরে থাকে
তার সাথে এটার সমানুপাতিক সম্পর্ক হয় আর
যেটা নিচে থাকে তার সাথে তার সম্পর্ক
উৎপাদন কি ধরনের সম্পর্ক সমানুপাতিক
সম্পর্ক আমি এখান থেকে লিখতে পারি যে
আমাদের এই জিনিসটা মনে রাখতে হবে যে এটম
ইকোনমির মান যত বেশি হবে এটম ইকোনমির সাথে
আমাদের কাঙ্খিত উৎপাদের সমানুপাতিক
সম্পর্ক কাঙ্খিত কাঙ্খিত উৎপাদের কি ধরনের
সম্পর্ক সমানুপাতিক সম্পর্ক ওকে তার মানে
দেখন যত বেশি উৎপাদ তত বেশি উৎপাদের
পরিমাণ যত বেশি হবে বর্যের পরিমাণ তত কি
হবে বর্যের পরিমাণ তত কম তাই উৎপাত যত
বেশি হবে বর্য তত কম হবে তারানে এটমিক যত
বেশি হবে উৎপাত তত বেশি হবে এবং বর্য তত
কম হবে বর্য তত কম হবে এবং এটার সাথে
এটমিক যত বেশি হবে তত বেশি পরিবেশ বান্ধব
হবে কি হবে বলতো পরিবেশ বান্ধব হবে যে যার
এটম ইকোনমি বান্ধব যার এটম ইকোনমি যত বেশি
সেটা তত বেশি পরিবেশ বান্ধব ওকে তো এটা
মনে রাখবে এটমিক মান বেশি হবে সে হচ্ছে
পরিবেশ বান্ধব হবে তারানে যত যত যত যত যত
বেশি কাঙ্কিত উৎপাদ তত বেশি এবং কাঙ্কিত
উৎপাদ বর্য ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক তাহলে
হচ্ছে আমাদের এবং এটা হচ্ছে বর্য যেহেতু
কম উৎপাদ যেহেতু বেশি তাহলে অবশ্যই
গ্রিনস্টির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বেশি ওকে
ওকে জাস্ট দ্যাটস ইট মোটামুটি আমাদের এটম
ইকোনমি থেকে এতটুকু ইনফরমেশন জানলেই হবে
আমি রিটেনের কাজটা ছেড়ে ফেলতে পারবো। এবার
আসো আমরা দেখবো ইফ ফ্যাক্টর। এখন ইফ
ফ্যাক্টর মানে কি? ইফেক্টর মানে হচ্ছে
উপরে যাবে বর্যের ভর। নিচে আসবে মোট
উৎপাদের ভর। বর্য বাদে মোট উৎপাদের ভর।
উপরে যাবে কি? বর্য এর ভর নিচে যাবে মোট
উৎপাদের ভর। যেটা বর্য বর্যটাকে বাদ দিয়া
মোট উৎপাদের ভর। তো ঘটনাটা কি রকম? চল
আমরা একটু দেখি। তো তার আগে একটা জিনিস
তুমি বল সেটা আমি দেখব। বাট দেখো ইফই
ফেক্টরের সাথে বর্যের কি ধরনের সম্পর্ক?
সমানুপাতিক সম্পর্ক। তার মানে আমি বলতেই
পারি আমি বলতেই পারি এখান থেকে আমার যে ই
ফ্যাক্টর আছে আমার যে ই ফ্যাক্টর আছে
বলতেই পারি ই ফেক্টরের সাথে বর্য
সমানুপাতিক সম্পর্ক ই ফেক্টরের সাথে
যেহেতু সমীকরণের উপরে ইস প্রপোরশনাল টু
বর্য তাই না তার মানে বর্য বেশি তার মানে
কে ব্যস্তানুপাতিক বর্য সাথে উৎপাদ
কাঙ্খিত উৎপাদ ব্যস্তানুপাতিক কাঙ্খিত
উৎপাদ কাঙ্কিত উৎপাদটা কি ব্যস্তানুপাতিক
উৎপাদ উৎপাদ কম হবে তাহলে দেখে যত বেশি
বর্য তত বেশি তাহলে উৎপাদের পরিমাণ তত কম
আর উৎপাদ যদি কম হয় তাহলে আমার জিনিসটা
কি পরিবেশবান্ধব হবে অবশ্যই না তাইলে এটা
হচ্ছে পরিবেশবান্ধব হবে না এটা গ্রিন
কেমিস্ট্রির সাথে ভাষা পরিবেশ বান্ধবের
সাথে ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক তাহলে ই
ফ্যাক্টর যত বেশি হবে তত খারাপ আর এটলিমিক
যত বেশি হবে তত ভালো এখন এই ফ্যাক্টরের
কনসেপ্টটা কি চল একটু তোমাদের বুঝাই ধর
আমার কাছে এরকম আছে এ প্লাসবি বিক্রিয়া
করে তৈরি করতেছে প্লাসডি ওকে এখন তোমার
এখানে বলা হয়েছে এইযেডি হচ্ছে বর্য তোমাকে
বলে দিছেডি হচ্ছে বর্য এখন যদি বর্য হয়
তাহলে এখান থেকে এখন আমাদের ফ্যাক্টর কি
হবে নিয়ম হচ্ছে উপরে যাবে বর্যের ভর উপরে
যাবে বর্যের ভর বর্য উপরে যাবেডি এর ভর ডি
এর ভর আর নিচে কি আসবে বর্য বাদে যে উৎপাদ
আছে উৎপাদ আছে দুইটা সি আর ডি বর্য বাদ
দিয়া যেটা আছে বর্য সিলে নিচে যাবে সি এর
ভর নিচে যাবে এর ভর এটাই হচ্ছে আমাদের ই
ফ্যাক্টর এটাই হচ্ছে আমাদের ফ্যাক্টর উপরে
বর্যের ভর নিচে হচ্ছে উৎপাদের ভর বর্যটাকে
বাদ দিয়ে বর্যটাকে বাদ দিয়া এখন তুমি
দেখো আমার
অ্যালকাইল হ্যালাইড অ্যালকাইল হ্যালাইডের
মধ্যে যদি আমরা পানি দেই জল দেই জল দিলে
উৎপাদে নল পাওয়া যায় নরমাল অ্যালকোহল
পাওয়া যায় এটা একটা অর্গানিক কমন
বিক্রিয়া জল দিলে নল পাওয়া যায় হ্যাঁ
এইযে এখানে থাকে আমাদের এই জায়গাতে তোমরা
বিক্রি অনেকে যার অর কেস্ট্রি পড়ছো তাদের
জানার কথা যে অ্যালকালাইডের মধ্যে জল দিলে
নল হয় মানে অ্যালকোহল হয়। তার মানে এখানে
মেইন উৎপাদ কে? মেইন উৎপাদ হচ্ছে তোমার
অ্যালকোহল। তাহলে এখানে এই যে সেল কি?
এইযে বাই প্রোডাক্ট পাইছে হচ্ছে বাই
প্রোডাক্ট। আমি বলব বর্য। এটা আমার দরকার
ছিল না। এটা হচ্ছে আমাদের বর্য। মানে মেইন
উৎপাদ হচ্ছে অ্যালকোহল। তাহলে এইযে এখন
যদি তোমাকে বলা হয় এখান থেকেই ফ্যাক্টর
বের কর। ফ্যাক্টর কেমনে বের কর কি হবে?
এফ্যাক্টর ইকয়ালটু হবে উপরে যাবে বর্যের
ভর। তারানে উপরে কার ভর যাবে? উপরে যাবে
ভর। এই ভর। এই উপরে যাবে আমাদের এই ভর।
নিচে কি আসবে ভাই? নিচে আসবে উপরে যাবে এ
ভর আর নিচে কি আসবে নিচে আসবে আমাদের
হচ্ছে বর্য বাদ দিয়ে যে উৎপাদটা আছে
অর্থাৎ আমাদের অ্যালকোহলের ভর এই CH3
CH2OH
এইটার ভর এর ভর তাহলে এখন তুমি খেয়াল করো
এখন আমার এই ভর কত আমরা জানি 36 পথ
ইথানলের ভর কত 12 আর 16 হচ্ছে তোমার কত 46
টোটাল দেখ কার্বনের 12 24 অক্সিজেন আছে
একটা 24 আর 16 হচ্ছে 40 আর দেখ এখানে ছয়টা
হাইড্রোজেন আছে 46
ডিভাইডেড হবে তোমার 46 ক্যালকুলেশন করো
ক্যালকুলেশন করলেই তোমার উত্তর শেষ বলছে
সবুজ রসময়ের মূল নীতি কয়টি গ্রীন
কেমিস্ট্রি মূল নীতি কয়টি আমরা জানি সবাই
গ্রীন কেমিকে মন নীতি হচ্ছে 12 টি 12 টি
ওকে চলো আমরা তারপরেরটাতে দেখি বলছে গ্রীন
কেমিকেস্ট্রিতে অধিক তাৎপর্যপূর্ণ নীতি
কোনটি ওকে অধিক তাৎপর্যপূর্ণ নীতি কোনটি
গ্রীন কেমিস্ট্রিতে এটম ইকোনমির পরিমাণ কি
হতে হবে বেশি হইতে হবে সর্বোচ্চ এটম
ইকোনমি প্রভাবকের ব্যবহার নিরাপদ দ্রাবক
ব্যবহার দুর্ঘটনার প্রতিরোধ সর্বোচ্চ
গ্রীন কেমিকেস্ট্রিতে অধিক তাৎপর্যপূর্ণ
নীতি হচ্ছে এটম ইকোনমির মান সর্বোচ্চ হইতে
হবে ঠিক আছে ওকে এবার আস সবগুলো এখানে
দেখনা কম হতে হবে এটাও একটা মূল নীতি আছে
নিরাপদ দ্রাবক ব্যবহার করতে হবে এটাও
মূলনীতি প্রহবকের ব্যবহার করতে হবে এটাও
কিন্তু গ্রিন কেস্ট্রির মধ্যে আছে যে
প্রভাব ব্যবহার করে তোমার বিক্রিয়াকে
তাড়াতাড়ি করাইতে হবে কিন্তু এগুলোর
মধ্যে সবথেকে বেশি মানে আমাদের মেইন
প্রায়রিটি এটমিট সম্পর্কে পড়ছো ওকে চল
তারপরে বলছে সবুজ রসায়ন গ্রীন
কেমিকেস্ট্রিতে দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়
বর্য উৎপাদন সর্বনিম্ন রাখা হয় এটা সত্যি
কথা যে বর্যের পরিমাণ কম রাখতে হবে
বিষক্রিয়ামুক্ত দ্রববাদী ব্যবহৃত হয় এখন
বিষক্রিয়া মুক্ত দ্রববাদী মানে যেগুলোতে
লেস পয়জনাস কম ক্ষতিকর তাদেরকে ব্যবহার
করতে হয় অবশ্যই গ্রিন কেমিস্ট্রিতে
অবশ্যই আমি যেই কেমিক্যাল গুলা ব্যবহার
করব সেগুলা কম হারমফুল হবে কম হারমফুল হবে
তাই না এবং দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না
দ্রাবক হিসেবে আমরা সাধারণত গ্রিন মানে
দ্রাবক হিসেবে এরকম কেমিক্যাল আমরা ইউজ
করতে চাই না তাহলে আমাদের কি হবে দুই এবং
তিনদটা হবেদ ঠিক আছে ওকে চল আমরা
তারপরেরটাতে যাইব নিচের বিক্রিয়ায় মূল
যৌগের এটম ইকোনমি কত এখন তুমি বলতো এখানে
আমাদের মূল যৌগটাকে যার বের করতে বলছে
এইযে আমাকে এটমিক বের করতে বলছে এখন এটমিক
মানে কি এটমিক মানে কি এই পারসেন্টে এই
পারসেন্টে উপরে যাবে কাঙ্খিত উৎপাদের ভর
এখন কাঙ্কিত উৎপাদ মানে যেখানে কে কে আছে
কার্বন আছে দেখতে পাচ্ছি চারটা কার্বন আছে
দেখ এক দুই তিন চারটা তাহলে 12 ইট হচ্ছে
চার এবার দেখ অক্সিজেন কয়টা আছে দুইটা তার
মানে 16 ই হচ্ছেদ আর দেখো হাইড্রোজেন কয়টা
আছে এইখানে তিনটা এখানে পাচটা টোটাল আটটা
তাহলেও ই হচ্ছে এ ওকে ইনটু কত 100 এই
পুরাটার সাথে আমরা কি করব এটা হচ্ছে ভর
ইটু হচ্ছে 100 নিচে যাবে আমাদের কার ভর
নিচে যাবে আমাদের এই মোট উৎপাদের ভর তাহলে
এইটার ভর যোগ পানির ভর এটার ভর কত আমরা
দেখলামচ 12 48 যোগ হচ্ছে 32 আর হচ্ছে
তোমাদের আট ওকে ওকে? 88। যোগ হচ্ছে কত?
পানির ভর। পানির ভর কত? 18। সো
ক্যালকুলেশন করো এখান থেকে ক্যালকুলেশন
করলেই তুমি তোমার এটম ইকোনমি
পার্সেন্টেজটা পেয়ে যাবা। ওকে? তাহলে
আমাদের কত আসতেছে দেখোতো। আমাদের আসতেছে
88 যোগ হচ্ছে 16। 104। তাহলে উপরে আসবে
হচ্ছে তোমার
যোগ ক্যালকুলেশন করি 106 তাহলে আসবে হচ্ছে
88 *ভা
106। সো ক্যালকুলেশন করলে 83%। 83% তুমি
ক্যালকুলেশন করে দেখ 83%। ওকে? তো বুঝতেই
পারতে খুবই সহজ অংক এগুলা। তাই না? এগুলা
খুবই খুবই খুবই খুবই সহজ। তো যদি এরকম
এটমিক থেকে পরীক্ষার প্রশ্ন আসে আশা করি
পারবা। এটা খুব ইম্পর্টেন্ট টাইপ। ঠিক
আছে? এবার আমরা দেখব আমাদের রেট অফ
রিয়াকশন। রেট অফ রিশন মানে হচ্ছে আমাদের
বিক্রিয়ার হার। রেট অফ রিশন মানে কি
বলতো? বিক্রিয়ার হার। এখন এই যে
বিক্রিয়ার হার এই বিক্রিয়ার হার জিনিসটা
কি? চল আমরা একটু বুঝার চেষ্টা করি। দেখো
যে কোন কিছুর যখন তোমার হার বের করতে বলে।
হার মানে কি? বের করা মানে হচ্ছে সময়
দিয়ে ভাগ করা। কোন একটা কিছুর হার বের
করতে বলছে। হার বের করতে বলা মানে হচ্ছে
কি করবা? তুমি সময় দিয়ে ভাগ করবা। সময়
দিয়ে ভাগ। কোন একটা জিনিসের হার বের করতে
বললে সেটা কি বুঝায়? সময় দিয়ে ভাগ। তার
মানে আমি এখানে কি করব? সময় দিয়ে ভাগ
করব। এখন এই বিক্রিয়ার হার জিনিসটা কি
রেট অফ রিয়াকশন বা বিক্রিয়ার হার মানে
কি? বিক্রিয়ার হার মানে কি জানো? এই
বিক্রিয়ার হার মানে একটু দেখো।
বিক্রিয়ার হার। বিক্রিয়ার হার ইকুয়ালটু
হবে ঘনমাত্রার পরিবর্তন বা সময়ের
পরিবর্তন। অবশ্যই তুমি সময় দিয়ে ভাগ
করবা। তাহলে নিচে থাকবে সময়। আমরা এটাকে
লিখব সময়ের পরিবর্তন বা সময়। সময়ের
পরিবর্তন। ঠিক আছে? পরিবর্তন।
আর উপরে কি বলতো ভাইয়া? উপরে হচ্ছে
আমাদের ঘনমাত্রার পরিবর্তন। ঘনমাত্রার
পরিবর্তন। ওকে? তাহলে দেখো ঘনমাত্রার
পরিবর্তন ডিভাইডেড বাই সময়ের পরিবর্তন।
এই যে ঘনমাত্রার পরিবর্তন এই ঘনমাত্রার
পরিবর্তনটাকে আমরা এভাবে লিখি ডল সি।
এটাকে আমরা লিখি ডল সি আর সময়ের
পরিবর্তনকে আমরা লিখি হচ্ছে ডলটি। তাহলে
উপরে আছে ঘনমাত্রা নিচে আছে সময়। তাহলে
এখন তোমরাই বল এটার এককটা তাইলে কি হবে?
বলতো তাহলে এটার এককটা কি হবে? একক এই
জিনিসটার একক কি হবে? আমরা একটু দেখি উপরে
আছে ঘনমাত্রা। ঘনমাত্রার একক হচ্ছে মোল
পার লিটার। নিচে আছে সময়। সময়ের একক
হচ্ছে সেকেন্ড। তাহলে এখন দেখো এখান থেকে
আমাদের এককটা কি আসতেছে? মোল পার লিটার
পার সেকেন্ড। ওকে? যদি কখনো বলে বিক্রিয়ার
হারের একক কি? মোল পার লিটার পার সেকেন্ড।
এইটা পরীক্ষাতে আসবে আসে। বিক্রিয়ার হারের
এককটা খুব ইম্পর্টেন্ট। ওকে? এখন এই যে
বিক্রিয়ার হারের একক যে আছে এইযে দেখো
একটু লেখ ঘনমাত্রার পরিবর্তন বা সময়ের
পরিবর্তন। তাই না? তো বিক্রিয়ার হারেরই এই
বিক্রিয়ার হারের রেট অফ রিশনের একটা
বিখ্যাত ইকুয়েশন আছে। সেটা কি জানো? আর
ইকয়াল হচ্ছে মাইনাসডিবাটি
ইকুয়াল হচ্ছেডি বাডি। ওকে? প্লাসডিবা। তো
তুমি দেখো খেয়াল করো এটা এটা মানে কি একটু
তোমাদের বুঝায় দেই। এটাও আমাদের বিক্রিয়ার
হারের একটা ইকুয়েশন হ্যাঁ বিক্রিয়ার হার
বললে আমরা আসলে এই জিনিসটাকে বুঝি
বিক্রিয়ার হার মানে হচ্ছে মাইনাস dc / dt
ইকুয়াল হচ্ছে dx / dt এখন এটা মানে কি?
দেখ সময় পরিবর্তন ঘনমাত্রার পরিবর্তন
ঘনমাত্রার পরিবর্তন তো পরিবর্তনকে দ্বারা
যেমন প্রকাশ করা যায়ডি দ্বারাও প্রকাশ করা
যায়। তো সেখান থেকেইডিবা সেখান থেকেইডিবা।
ঠিক আছে? তো এইযে মাইনাস কখন ইউজ করা?
এখানে কেনডিবা লিখল? তো এখানে এক্স মানেও
ঘনমাত্রা একই জিনিস। মানে যেমন ঘনমাত্র
এখানে মানে ঘনমাত্রা। এই একটা বিক্রিয়কের
একটা উৎপাদের এইযে দেখো এইটা মাইনাস ডি
বাডি হচ্ছে বিক্রিয়কের আর এইযে প্লাস ডি
এক্স বাডি উৎপাদে যখনই বিক্রিয়কের
বিক্রিয়ার হার বলে বিক্রিয়কের বিক্রিয়ার
হার বললে আমরা আসলে এই জিনিসটাকে বুঝি এবং
এই বিক্রিয়কের বিক্রিয়ার হারের আগে আমাকে
একটা মাইনাস সাইন দিতে হয় মাইনাস সাইন
দিতে হয় ঠিক আছে এটা কার বিক্রিয়ার হার
এটা হচ্ছে আমাদের বিক্রিয়কের বিক্রিয়ার
হার এটা হচ্ছে বিক্রিয়কের
বিক্রিয়কের বিক্রিয়ার হার ওকে বিক্রিয়কের
বিক্রিয়ার আর এইযে প্লাসডিবা
এটা কার বিক্রিয়ার হার এটা হচ্ছে আমাদের
উৎপাদের বিক্রিয়ার হার। এটা হচ্ছে আমাদের
উৎপাদের বিক্রিয়ার হার। ওকে? উৎপাদের
বিক্রিয়ার হার। এখন কেন বিক্রিয়কের
বিক্রিয়কের বিক্রিয়ার হারের আগে কেন
মাইনাস সাইন ইউজ করে? কারণ বিক্রিয়কের
বিক্রিয়ার হার সময়ের সাথে সাথে কমতে থাকে।
উৎপাদের বিক্রিয়ার হার সময়ের সাথে সাথে
বাড়তে থাকে। এটার কারণটা কি? কারণটা খুব
সিম্পল। বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা সময়ের সাথে
সাথে কমতে থাকে। যত বেশি সময় যায়
বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা তত কমে। উৎপাদের
ঘনমাত্রা তত বাড়ে। উৎপাদের বিক্রিয়ার
আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। আর বিক্রিয়কের
বিক্রিয় আস্তে আস্তে কমতে থাকে। ওকে? তো
মোটামুটি আমাদের বিক্রিয়ার হারের মোটামুটি
এই ইকুয়েশন দুগুলা মনে রাখবা। বিক্রিয়ার
হারের একক কি? এটা মনে রাখবা বিক্রিয়কের
বিক্রিয়া হারের ইকুয়েশন কোনটা? উৎপাদের
বিক্রিয়া হারের ইকুয়েশন কোনটা? এটাও
বুঝবা। আর এখান থেকে ছোট্ট একটা জিনিস মনে
রাখতে হবে মাঝেমধ্যে একটা বিক্রিয়া দিয়ে
দেয়। এই বিক্রিয়া থেকে তোমাকে বিক্রিয়ার
হার বের করতে বলে। কোন একটা পার্টিকুলার
জিনিসের বিক্রিয়ার হার বের করতে বলবে। তখন
তুমি কিভাবে করবা শোনো। ধর তোমাকে আমি
দিলাম এরকম এ প্লাসটবি। ওকে? আমি দুইটা
বিক্রিয়া দিয়ে তোমাদেরকে বুঝাব এখানে। এটা
থেকেও পরীক্ষায় এমস আসতে পারে এবং এটা
থেকে আসার এ বছর চান্স অনেক বেশি। এ পটবি
এইটা থেকে বিক্রিয়া করে উৎপন্ন করে এ পটবি
থেকে বিক্রিয়া করে উৎপন্ন করে প্লাডি ওকে
এখন তোমাকে যদি বলা হয় ভাই এর বিক্রিয়ার
হার কত এর বিক্রিয়ার হার কত? এ এর
বিক্রিয়ার হার কত? এর বিক্রিয়ার হার কত
হবে? এর বিক্রিয়ার হার হবে এর ঘনমাত্রার
পরিবর্তন। ঘনমাত্রাকে C দ্বারা প্রকাশ করে
থার্ড ব্রকেট দ্বারা প্রকাশ করে। তাহলে
এইযে ঘনমাত্রার পরিবর্তন পরিবর্তন বললে
সেল সাইন ইউজ করে। তাহলে এর ঘনমাত্রার
পরিবর্তন ডিভাইডেড বাই এর সময়ের পরিবর্তন।
যদি বলে ভাইয়াবি এর বিক্রি হার কত? তাহলে
ভাই দেখো বি এর ঘনমাত্রার পরিবর্তন ডিবা
হচ্ছে বি এর সময়ের পরিবর্তন। ওকে? এবার
যদি তোমাকে বলে এর বিক্রিয়ার হার কত? সি
এর ঘনমাত্রার পরিবর্তন ডিভাইডেড বাই সি এর
সময়ের পরিবর্তন। ডি এর বিক্রি হার কত? ডি
এর ঘনমাত্রার পরিবর্তন ডিভাইডেড বাই ডি এর
সময়ের পরিবর্তন। শেষ। তাহলে যেকোনো
জিনিসের যদি বলা হয় যে এর বিক্রি হার কত?
এর ঘনমাত্রা পরিবর্তন ডিভাইডেড বা সময়ের
পরিবর্তন। বি এর বিক্রি হার কত? বি এর
ঘনমাত্রার পরিবর্তন ডিবা সময়ের পরিবর্তন।
সি এর বিক্রি হার কত? এর ঘনমাত্রা
পরিবর্তন বা সময়ের পরিবর্তন। এর বিক্রি
হচ্ছেডি এর বিক্রি হচ্ছে এর ঘনমাত্রা
পরিবর্তন ডিবা সময়ের পরিবর্তন। একটু
খেয়াল করো সি এর বিক্রি কত? আরেকবার
বলতোবা δটি। ওকে? এখন তুমি যখনই এদের
মাঝখানে দেখো এদের মাঝখানে তুমি যখনই
ইকুয়াল সাইন দিবা তুমি যখনই এর
বিক্রিয়াটার সাথে এ বিক্রিয়া সমান লিখবা
বা এর বিক্রিয়াটার সাথে এ বিক্রিয়া সমান
লিখবা বা এটার সাথে এটা যখন তুমি সমান
লেখবা যখনই এদের সাথে তুমি ইকুয়াল সাইন
দিবা তখনই মনে রাখবা এদেরকে সহক দ্বারা
ভাগ করে দিতে হয় যেমন দেখো এ সামনে আছে এক
বিয় এর সামনে আছে দুই এখন এটার মানে হচ্ছে
এ এক মোল বিক্রিয়া করলে বিক্রিয়া করে ওই
সময় দুই মোল। এ দুই মোল বিক্রিয়া করলে বি
ও সময় বিক্রিয়া করে চার মোল। তার মানে এ
বিক্রিয়া হার আর বিয় এর বিক্রিয়া হার সমান
না। বি এরটা বেশি। তো এদেরকে যদি আমি সমান
করতে চাই তাহলে কি করতে হবে? এই বি এর
বিক্রিয়া হারকে দুই দ্বারা ভাগ করতে হবে।
তো তার মানে আসলে এই বিক্রিয়ার হারগুলোকে
আমি যদি সমান লিখতে চাই তাহলে আমাকে কি
করতে হবে যে প্রত্যেকে তাদের সহক দ্বারা
ভাগ করতে হবে তাহলে বিয় সক্ষকে দুই দ্বারা
ভাগ এরা সক তিন এটাকে তিন দ্বারা ভাগ এরা
সক চার এটাকে চার দ্বারা ভাগ অর্থাৎ
প্রত্যেকে তাদের নিজ নিজ সক দ্বারা ভাগ
করতে হবে তুমি যখনই এদেরকে নিজ নিজ সহক
দ্বারা ভাগ করে দিবা তখন এটা কিন্তু আর
নিজের বিক্রিয়ার হার নাই এটা হয়ে যাবে
আমাদের বিক্রিয়ার হার বা গড় বিক্রিয়ার হার
এটাকে আমরা তখন বলব পুরা বিক্রিয়ার হার
বিক্রিয়ার হার বা এটাকে আমরা বলি গড় গড়
বিক্রিয়ার হার বুঝতে পারছো এখন আর এটা
কারো নিজের সম্পত্তি নাই বিক্রিয়ার হার
যখন তুমি সব দ্বারা ভাগ করবা তখন এটা সবার
গর সবার বিক্রিয়ার হার তোমার একটু আগে
জিজ্ঞেস করছিলাম সি এর বিক্রিয়ার হারবা
যখন তুমি সিকে সহক দ্বারা ভাগ করে দিলা
তখন এটা হয়ে গেছে সবার এটা এখন সবার জিনিস
এটা এখন নাই তার মানে সহক ছাড়া হচ্ছে
নিজের বিক্রিয়ার হার আর সহক সহ হচ্ছে সবার
বিক্রিয়ার হার ওকে তো এবার দেখ আর কি
বিক্রিয় আমি বলছি বিক্রয়ের বিক্রি হারে
একটা দিতে হয় মাইনাস আর উৎপাদের বিক্রি
হারের আগে কি দিতে হয় না দিলে হয় বিক্রি
বিক্রিটা মাইনাস সাই দেওয়া লাগে এখন এখান
থেকে এখান থেকে যদি খেয়াল করি আমরা এখান
থেকে কি বলতে পারি যদি এর কত এর হার সি এর
বিক্রিয়ার হার কত হবে? সি এর বিক্রিয়ার
হার কত হবে? তোমরা অনেকেই এই ভুলটা এই
ভুলটা করা যাবে না। সি এরি এর বিক্রিয়ার
হার কত হবে ভাই? সি এর বিক্রিয়ার হার হবে
ডল সি বাই δ সি বাই δলটি। এটা হচ্ছে সি এর
বিক্রিয়ার হার। এটা হচ্ছে সি এর বিক্রিয়ার
হার। যদি তোমাকে বলা হয় বিক্রিয়ার হার কত?
শুধু বিক্রিয়ার হার। শুধু বিক্রিয়ার হার।
বিক্রিয়ার হার। তখন তুমি কি করবা? এই সি
এর হারকে এই δল c / δটি এটাকে কি করবা? সক
দ্বারা ভাগ করবা। সি এর সংখ্যা কত? তিন
দ্বারা ভাগ। এই যখনই কোন একটা জিনিসকে সক
দ্বারা ভাগ করবা। দেখো এটাও সমান সমান
নিবা। তাই না? মানে এটাও বিক্রিয়ার হার।
এটাও কি বিক্রিয়ার হার? এটাও কি
বিক্রিয়ার? তার মানে সবাই এখন ইকুয়াল হয়ে
গেছে। যখনই শহ দ্বারা ভাগ করবা তখন সবাই
ইকুয়াল হয়ে যাবে। ওকে? তো এবার তাহলে একটু
খেয়াল করো। এখন এরকম ভাবে আমি যদি
তোমাদেরকে বলি এরকম ভাবে আমি যদি
তোমাদেরকে এখন দেই যে একটু লক্ষ্য করো
তোমার আমি দিলাম হচ্ছে এখানে এরকম যে আমার
কাছে আছে আমার কাছে এরকম একটা বিক্রিয়া
আছে। যেমন N2O5 ওকে? দুই অণু N2O5 এরা
বিক্রিয়া করে তৈরি করতেছে চার অণু NO2।
ওকে? আর ধর তোমাকে বললাম আমার এখানে আছে
এক অনু অক্সিজেন এরকম তৈরি করল। দুজন এনটফ
এরা বিক্রিয়া করে চরি করল চারজন এনট আর
এনও এক্স এখন তোমাকে বলল এই বিক্রিয়ার
জন্য বিক্রিয়ার হারের ইকুয়েশন কোনটা এখন
দেখতো বিক্রিয়ার হারের ইকুয়েশনটা কি হবে
তুমি চিন্তা করো কি হবে এখানে কি হবে ড
অটফ এর ঘনমাত্রার পরিবর্তন ডিভাইডেড বাই
কি হবে সময়ের পরিবর্তন ওকে বিক্রিয়া কি
হবে অফ NO2 এর ঘনমাত্রার পরিবর্তন
ডিভাইডেড বাই সময়ের পরিবর্তন অক্সিজেনের
বিক্রি হার কি হবে ডল অফ অক্সিজেনের
ঘনমাত্রার পরিবর্তন ডিভাইডেড বাই সময়ের
পরিবর্তন এগুলো নিজ নিজ বিক্রিয়ার হার আর
যখনই তুমি এদেরকে ইকুয়াল সাইন দিবা তখন কি
করতে হবে সহ সহদ তাহলে এটাকে তোমার দুই
দবারা ভাগ করে দিতে হবে এর সহ কত চার
এটাকে চার দ্বারা ভাগ করে দিতে হবে ঠিক
আছে এ সারা ভাগ এখন বল যেটার সামনে দেখ
এটা বিক্রিয় বিক্রিয় সামনে মাইনাস সাই
দিতে হবে এটা উৎপাথে কি করতে হবে প্লাস
সাইন দিতে হবে এবং এই প্রত্যেকটা জিনিসকে
আমরা কি বলতে পারি এগুলা হচ্ছে আমাদের
বিক্রিয়ার বিক্রিয়ার হার এখন তোমাকে যদি
বলতো ভাই এখান থেকে বিক্রিয়ার হার কত
বিক্রি হবা
কিনা বুঝ বিক্রি হার কত দেখি এ25 এর
বিক্রিয়ার হার
যদি বলে এট বিক্রিয়ার হার কত এই এ25 এর
বিক্রিয়ার হার হবে এইটা মাই
ঘনমাত্রার পরিবর্তনবা
হবে নিচে সময়ের পরিবর্তন এটা হচ্ছে আমাদের
বিক্রয় যখন সব ভাগ করবা তখন সেটা হয়ে যাবে
গড়ের সবার বিক্রিয়ার এটাই হচ্ছে আমাদের এই
জায়গাতে ইম্পর্টেন্ট ক্যাচ বিক্রিয়ার থেকে
ইনফরমেশন জানা লাগবে তোমাদের আর কিছু
এখানে জানতে হবে না কোন দরকার নাই এবার আস
এখন দেখ বিক্রিয়ার হার কার উপর ডিপেন্ড
করে এই বিক্রিয়ার হার বিক্রিয়া পৃষ্ঠতলের
ক্ষেত্রফলের উপর ডিপেন্ড করে তাপমাত্রার
উপর ডিপেন্ড করে ঘনমাত্রার উপর ডিপেন্ড
করে প্রভাকের উপর ডিপেন্ড করে চাপের উপর
উপর ডিপেন্ড করে বিক্রয়কের প্রকৃতি আলুর
উপস্থিতি সবার উপর ডিপেন্ড করে এবং মনে
রাখবা এখানে যেটাই চেঞ্জ করো না কেন
বিক্রিয়ার হারের সাথে সমানুপাতিক সম্পর্ক
মানে বিক্রিয়ার হার বেড়ে যায়
সমানুপাতিক ওকে তাপমাত্রা বাড়ালে
বিক্রিয়ার হার বাড়ে চাপ বাড়ালে বিক্রয়
প্রভাব চেঞ্জ করলে বিক্রি হার বাড়ে
ঘনমাত্রার সাথে সম্পর্ক সমানুপাতিক
সম্পর্ক এগুলার সাথে বিক্রিয়ার হারের কি
ধরনের সম্পর্ক সমানুপাতিক সম্পর্ক ওকে
আমরা এই কয়েকটার সাথে লিখে রাখি দেখ
পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল ঘনমাত্রা এগুলার সাথে
সমানুপাতিক বিক্রিয়ার হারের সমানুপাতিক
সম্পর্ক ওকে বিক্রিয়ার হারের সমানুপাতিক
সম্পর্ক এগুলার প্রভাব মনে রাখবা বিক্রি
হারের উপর কার কার প্রভাব আছে তাপমাত্রা
তাপ প্রভাব ঘনমাত্রা বিক্রিয়ার প্রকৃতি
আলোর উপস্থিতি বিশ্বের ক্ষেত্রফল সবার
প্রভাব আছে সবার প্রভাব আছে ঠিক আছে তো
অনেক কিছু জিনিস আছে তোমাদের নাই তোমাদের
আপাতত পড়া লাগতেছে না ঠিক আছেবা এখান থেকে
জিনিস আসবে কার উপর নির্ভরশীল কার সাথে
তাপমাত্রার সাথে কি ধরনের সম্পর্ক ঘনমাত্র
সাথে কি ধরনের সম্পর্ক পৃষ্ঠতলের
ক্ষেত্রফলের সাথে বিক্রিয়ার হারের কি
ধরনের সম্পর্ক ঠিক আছে এই ধরনের কোশ্চেন
তোমার পরীক্ষায় আসতে পারে এরপরে তোমরা
এখান থেকে কি পড়বা তোমরা এখান থেকে এখান
থেকে প্রভাব পড়বা ঠিক আছে এখন প্রভাবের
ক্রিয়াকশ দুই ধরনের একটা সমস সমসত প্রবণ
আর এটাকে বয় অসমসত্ব প্রভাবন সমসত্ব
প্রভাবন কোনটা ভাইয়া বিক্রিয়ক উৎপাদ
প্রভাবক সবাই একই দশায় থাকবে সমসত প্রভাবন
মানে কি বিক্রিয়ক উৎপাদ প্রভাবক সবাই একই
দশায় থাকবে ওকে সবার ভৌত অবস্থা সেম হবে
বিক্রিয়ক উৎপাদ প্রভাবক সবার ভৌতবস্থা কি
হবে সেম হবে এটা মনে রাখবা সমসত প্রভাবনে
বিক্রিয়ক উৎপাদ প্রভাবক বিক্রিয়ক
উৎপাদ
প্রভাবক
প্রভাবক সবাই সবাই একই একই ভৌত অবস্থায়
থাকবে। একই ভৌত অবস্থায়
অবস্থায় থাকবে। যদি সবাই একই ভৌত অবস্থায়
থাকে তাহলে সেটাকে আমরা বলব আমাদের সমসত
প্রভাবন। যেমন দেখো এখানে বিক্রিয়ক এটা
গ্যাস এটা গ্যাস। এই দেখো প্রভাবক এটা
গ্যাস এটাও গ্যাস। সবাই গ্যাসীয় অবস্থায়
আছে তাহলে সমসত প্রভাবন। আর অসমত প্রভাবনে
কি হবে? দেখো এটা গ্যাস। খেয়াল করো এইটা
গ্যাস এইটা গ্যাস। বাট প্রভাবকটার
ক্ষেত্রে খেয়াল করো। দেখো এটা হচ্ছে সলিড।
দেখছো তাহলে যদি এরকম হয় তাহলে কিন্তু হবে
না। ওকে? ওকে এরকম হলে কিন্তু হবে না
তাহলে সমসত প্রভাবন কি অসমত প্রভাবন কি
আশা করি তোমরা সবাই বুঝতে পারছো ওকে চল
আমরা তার পরেরটাতে যাই এখন আমার এখান থেকে
এমসিকউগুলা খুবই ইম্পর্টেন্ট হ্যা কোনটা
ধনাত্মক প্রভাবক কোনটা ঋণাত্মক প্রভাবক তো
ধনাত্মক জাস্ট এক্সাম্পল মনে রাখবা
ধনাত্মক প্রভাবকে এ2 ঋণাত্মক প্রভাব এই
ঠিক আছে তারপরে সপ্রভাবক এইযে দেখ এ2 প
এইযেno4
বিজার বিক্রিয়া আমরা সেকেন্ডারে পড়ি না4
তারপরে সালফিউরিক
সালফেট অথবা যেকন একটা বিজারক দিলে এইযে
যখন বিক্রিয়া করি সেখানে এখানে MN2 প্লাস
তোমার হচ্ছে সপ্রভাবক হিসেবে কাজ করে বলবে
নিচের কোনটি সপ্রভাবক অটো প্রভাবক MN2
প্লাস MN2 প্লাস ঠিক আছে তারপরে কোনটি
আবিষ্ট প্রভাবক Na2 So3 সোডিয়াম সালফাইড
কোনটি প্রভাবক সহায়ক প্রভাবক সহায়ককে
মলিনাম যেমন এইযে হেভারবস পদ্ধতিতে
হেভারবস পদ্ধতিতে আমরা কোন প্রভাবক
ব্যবহার করি আমরা হচ্ছে লৌহ চূর্ণ ব্যবহার
করি এটা হচ্ছে হেভারবস হ্যাঁ হেভারবস
বিক্রিয়া হেবস মানে অ্যামোনিয়া উৎপাদন করে
নাইট্রোজেন নাইট্রোজেন অ্যামোনিয়া উৎপাদন
করেস বিক্রিয়া আর হেভারবস বিক্রিয়াতে
প্রভাবক হিসেবে কাকে ব্যবহার করা হয়
আয়রনকে ব্যবহার করা হয় এই আয়রনকে আরো
মোটিভেট করে কে আয়রনকে আরো মোটিভেট করে
হচ্ছে আরো মোটিভেট করে মলিনাম এজন্য
মলিডনাম হচ্ছে প্রভাবক সহায়ক যে প্রভাবককে
মোটিভেট করে সেটাকে বলে প্রভাবক সহায়ক আর
প্রভাবক বিষ কে যে প্রভাবককে ডিমোটিভেটেড
করে প্রভাবকের কাজ হচ্ছে বিক্রিয়ার হার
দাও বা বিক্রমা দাও ঠিক আছে প্রভাবক
জীবনে দুইটা কাম করতে পারে হয় বিক্রি
বাড়াইতে পারে না বিক্রমাতে পারে আর কোন
কিছু করতে পারে না প্রভাবক ঠিক আছে তো এখন
এই মৌলিক নাম গিয়ে প্রভাবককে মোটিভেট করে
যে ভাই বিক্রি হার দাও আর এই দেখো এই
বিক্রিয়াতে জার্সেনিক অক্সাইড এই দেখো এটা
হচ্ছে আমাদের স্পর্শ পদ্ধতিতে সালফিউরিক
এসিড উৎপাদনের যে বিক্রিয়া এখানে প্রভাবক
হিসেবে প্লাটিনাম কেও ব্যবহার করা যায়
আবার ভেনাডিয়াম পেন্টাক্সাইড কে ব্যবহার
করা যায় প্লাটিনাম অথবা ভেনাডিয়াম পেন্ট
অক্সাইড দুইটা ব্যবহার করতে পারবা স্পর্শ
পদ্ধতিতে সালফিউরিক এসিড উৎপাদন করার জন্য
প্লাটিনাম বা ভ্যানিম পন্ডক্সাইড আমরা
দুইটা প্রভাবকই ব্যবহার করতে পারি এখানে
প্রভাবক বিষ হিসেবে কাকে ব্যবহার করা হয়
আর্সেনিক অক্সাইড একটু জাস্ট এগুলো মনে
রাখতে হবে একটু এগুলো মনে রাখ প্রভাবক বিষ
কে প্রভাবক সহায়ককে আবিষ্ট প্রভাবক কোনটা
অটো প্রভাবক কোনটা হ্যা ধনাত্মক প্রভাবক
ঋণাত্মক প্রভাবককে ধনাত্মক প্রভাবক কি করে
জান ধনাত্মক প্রভাবক বিক্রিয়ার হার বাড়
দেয় আর ঋণাত্মক প্রভাবক কি করে ঋণাত্মক
প্রভাবক বিক্রিয়ার হার কমায়ে দেয় এখন
ধনাত্মক প্রভাক বিক্রিয়ার হার কেমনে
বাড়ায় মনে রাখবা সক্রিয়ন শক্তির মান
কমায়ে দেয় কি করে সক্রিয়ন শক্তির মান
কমায় মানে সক্ি সক্রিয় শক্তির মান যত কম
হবে খুব স্বাভাবিক বিক্রিয়া করতে কষ্ট কম
হবে বিক্রিয়াটা তত তাড়াতাড়ি হবে আর
ঋণাত্মক প্রভাব কি করে ঋণাত্মক প্রভাবক
হচ্ছে কষ্ট দেয় মানে বিক্রিয়ার আর
কমায় দেয় তারানে সক্রিয় শক্তির মান
দেয় বেশি বেশি কষ্ট কষ্ট করে
তারপরে বিক্রিয়া করা লাগবে ওকে বেশি বেশি
কষ্ট করে বিক্রিয়া করা লাগবে এই হচ্ছে
আমাদের ধনাত্মক প্রভাবক এবং হচ্ছে আমাদের
ঋণাত্মক প্রভাবক জিনিস আশা করি বুঝতে
পারছি কি কাজ করে বুঝতে পারছি হ্যাঁ একটা
জিনিস এখানে মনে রাখবা প্রভাবক জগতে দুইটা
কাজ করে প্রভাবক প্রভাবক এই প্রভাবকের কাম
কি প্রভাবকের কাম হচ্ছে বিক্রিয়ার হার
বাড়ায় অথবা বিক্রিয়া হার কমায় প্রভাবক
কি করে প্রভাবক কি করে বিক্রিয়ার হার
বিক্রিয়ার হার হার হ আর বাড়াবে বাড়াবে বা
কমাবে কমাবে কমাবে ঠিক আছে বিক্রিয়ার হার
বাড়ায় বা কমায় দুইটা করতে ধনাত্মক প্রক
বিক্রি হার বাড়ায় ঋণাত্মক প্রহ বিক্রি
কমায় ধনাত্মক প্রবাহ কিভাবে বিক্রি হার
বাড়ায় শুক্র শক্তির মান কমায় দিয়ে কিভাবে
বিক্রি বাড়ি শক্তির মান বাড়ায় দিয়ে তাই
এখন ঋণাত্মক প্রক কিভাবে বিক্রি শক্তি
বিক্রি হার কমায় শুক্র শক্তির মান বাড়িয়ে
ধনাত্মক প্রবাহ কিভাবে বিক্রি হার বাড়ায়
সক্রিয় শক্তির মান কমায় ঠিক আছে এখন
কিন্তু মনে রাখবা বিক্রি বাড়ায় বা কমাবে
কিন্তু কিন্তু সাম্যবস্থার কোন পরিবর্তন
করতে পারে না। এটা মনে রাখবা। সাম্যবস্থার
উপর প্রভাবকের কোন প্রভাব নাই।
সাম্যবস্থার কোন পরিবর্তন কোন পরিবর্তন
সাম্যবস্থার কোন পরিবর্তন করতে পারে না।
করতে পারে না। করতে পারে না। সাম্যবস্থার
উপর কার কার প্রভাব আছে? তাপমাত্রা চাপ
ঘনমাত্রা। লাস্ট ক্লিয়ার নীতি। তাপমাত্রা
চাপ, ঘনমাত্রা এই তিনটা জিনিসের প্রভাব
আছে। ওকে? এবার আসো। এবার আস আমরা একটু
দেখে ফেলি আমাদের যে প্রভাবক বিক্রি বাড়ায়
বা কমায় কিন্তু সাম্য অবস্থার কোন
পরিবর্তন করতে পারে না। সাম্য অবস্থায় কোন
পরিবর্তন করতে পারে না। এবং প্রভাবকের
দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বিক্রিয়া শেষে
নিজে অপরিবর্তিত থাকে। এটাও তোমরা জানো।
বিক্রিয়া শেষে শেষে নিজে অপরিবর্তিত থাকে।
নিজে অপরিবর্তিত
অপরিবর্তিত থাকে। প্রবক বিক্রিয়া শেষে কি
হবে? নিজে অপরিবর্তিত থাকবে। তাহলে প্রবক
দরকম কাজ করতে পারে। সমসত প্রবণত সেটা কি?
প্রবণ এটা বুঝলাম। প্রবকের কাজ কি? এটা
দেখলাম। প্রভ কি কি কাজ করে আমরা সেটাও
দেখলাম। তো চলো এবার আমরা দেখে ফেলি যে
বিক্রিয়ার হারের একক নিচের কোনটি একটু আগে
তোমাদের পড়াইছি বিক্রিয়ার হারের একক কি?
মোল পার লিটার পার সেকেন্ড। মোল পার লিটার
পার সেকেন্ড। কই? মোল পার লিটার পার
সেকেন্ড। সি উত্তর হবে আমাদের সি। মোল পার
লিটার পার সেকেন্ড। আসো এর পরে আসো।
বিক্রিয়ার বেগ গ্রাসের জন্য কোন তথ্যটি
সঠিক? বিক্রিয়ার বেগ হ্রাসের জন্য।
বিক্রিয়ার হার কমাবা। বিক্রিয়ার হার
কমানোর জন্য কিভাবে কমায়? বিক্রিয়ার হার
কমাতে হলে কি করতে হয়? বিক্রিয়ার হার
কমাইতে হলে সক্রিয় শক্তির মান বাড়াইতে হয়।
সক্রিয় শক্তির মান বৃদ্ধ। বিক্রিয়ার হার
তখনই কমে। যদি তুমি সক্রিয় শক্তির মান
বৃদ্ধি করো। ওকে? তাপমাত্রা বাড়ালে
বিক্রিয়ার হার বাড়ে। পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল
বাড়লে বিক্রি বাড়ে ঠিক আছে ঘনমাত্রা
বাড়ালে বিক্রি বাড়ে আমরা দেখি বাড়লে
বিক্রি কমে এবার পদ্ধতি উৎপাদনে কোন প্রভা
ব্যবহিত হয় লচ কোনটা ব্যব
সহায়ক মানে প্রভাব আয়রন মোটিভেট করে
সহায়ক তারপরে স্পর্শ
কোন ব্যবসা অথবা প্লাটিনামডিয়াম
পেন্টাক্সাইড বাটিনাম খুব ইম্পর্টেন্ট
কোনটি প্রকম্প
তুমি ওই এক্সাম্পল পড়বা এর বাইরে তোমাকে
কিছু পড়তে হবে না তোমাকে যে এক্সাম্পল দি
তুমি কেবল সিম্পলি ওই এক্সাম্পল পড়বা আর
কিছু তোমার পড়ার দরকার নাই ঠিক আছে আশা
করি তোমরা বুঝতে পার এবার চল দেখি আমাদের
তারপর অমকসি
বিক্রিয়া কোনটি অটো প্রভাক কাজ করে বলবে
কাজ করে সপ
প্রভাবকের কে কি ধরনের প্রভাব এটা খুব
ইম্পর্টেন্ট এখানে একটা গ্রাফ দেয়া আছে
দেখতেই পাচ্ছ এইযে বিক্রিয় উপরে
প্রোডাক্ট আছে নিচে তারানে বিক্রিয় বিয়োগ
আছে উপরে প্রোডাক্ট আছে নিচে ঠিক আছে তো
বুঝতেই পারতেছো এটা আমাদের তাপ বিক্রিয়া
গ্রাফ এখন বলছে উদ্দীপকের লেখচিত্র দেখানো
হয়েছে তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া সত্যি কথা
বিক্রিয়া তাপ ডকু হচ্ছেই3 মইও এখন আমরা
জানি ইকয় কি তোমরা বল কি হচ্ছেই পি মই
খেয়াল করই মাই এখন দেখো আমার প্রোডাক্টের
শক্তি কত বলে দিই3
এটা হচ্ছে3 আর বিক্রিয়ক শক্তি কত বলেছেইও
তাহলেই3 মইও এটা কি বিক্রিয়তা হচ্ছে এটা
সক্রিয় শক্তি হচ্ছেইট মাইনাসইও দেখতো
সক্রিয় শক্তি সমান সমান আমরা কি জানি
সক্রিয় শক্তি সমান সমান কি সমান সমান
হচ্ছে এক্স ম
এটা হচ্ছে সক্রিয় শক্তি এখন তুমি দেখ এই
মানে এই জায়গা এই জায়গার শক্তি দিয়ে
দিছে এখানেইট ওকে আর শক্তি দিছেওট মও এটা
হচ্ছে শুক্রিয়ন শক্তি দিস অলসো ট্রু
তারানে এখানে উত্তরটা কি হবে উত্তরটা হবে
একদুই তিন তিনটাই এক দুই তিন তিনটাই দেখছো
তো এই পোরশনটুকু থেকে এইযে শুক্রিয়ন
শক্তি কনসেপ্ট থেকে এই বছর প্রশ্ন আসার
চান্স অনেক বেশি তুমি যেই বডি হও না কেন
শুক্র শক্তি কনসেপ্ট থেকে কোন প্রশ্ন আসার
চান্স অনেক বেশি। ঠিক আছে? আমাদের
মোটামুটি বিক্রিয়ার প্রভাবক এই জিনিসগুলো
চলে গেল। এগুলা শেষ হয়ে গেল। এবার আমরা
দেখব আমাদের রাসায়নিক সাম্যবস্থা। তিন
নাম্বার টাইপ। তার পরের টাইপ রাসায়নিক
সাম্য অবস্থা। ওকে? এর আগে যে টাইপ দুইটা
ছিল এই টাইপ দুইটা গেন কেমিকেস্ট্রি এবং
বিক্রিয়ার হার। এর মধ্যে বিক্রিয়ার হারটা
তোমরা অনেকেই কিন্তু টুকটাক স্কিপ করো।
সাম্যবস্থার পোরশন থেকে তোমাদের আবার
কনসেপ্ট অনেকেই ক্লিয়ার থাকে। আমি দেখায়
দিলাম তোমাদের এগুলা। এবার আসো। এখন
সাম্যবস্থায় তোমরা জানো আমাদের যে
রাসায়নিক সাম্যবস্থা। সাম্যবস্থার
বৈশিষ্ট্য কি? একটা উপমুখী বিক্রিয়ার
সাম্যবস্থা হয়। তাই না? অবশ্যই
সাম্যবস্থায় যেতে হলে বিক্রিয়াটাকে উপমুখী
হইতে হবে। তাইতো এটা কিন্তু আমরা জানি
আচ্ছা তারপরে তুমি চিন্তা করো তো সাম্য
অবস্থা কি তারপরে দেখ সাম্য অবস্থায় আমার
এইযে সাম্য অবস্থা এর উপর তাপমাত্রা চাপ
ঘনমাত্রার প্রভাব আছে তাপমাত্রা চাপ
ঘনমাত্রার প্রভাব আছে তিনটা জিনিসের ঘন
প্রভাব আছে তাপমাত্রা চাপ আরটা ঘনমাত্রা
এটা কে বলছে লাতিলের বলছে কে বলছে লাতিলের
বলছে তো লাসাতিলের নীতি অনুযায়ী আমরা
তিনটা জিনিসের প্রব নিয়ে আলোচনা করব কোন
একটা বিক্রিয়ার মধ্যে ওকে আমরা ফারস্ট
দেখব তাপ আমাদের তাপ উৎপাদী বিক্রিয়াতে
আমরা সবাই জানি আমাদের এর মান কি তাপ
উৎপাদী বিক্রিয়া ডের মান হচ্ছে নেগেটিভ আর
আমাদের তাপহারী বিক্রিয়াতে এর মান কি
তাপার বিক্রিয়াতে এর মান হচ্ছে আমাদের
পজিটিভ
তাপ উৎপাদী বিক্রিয়াতে মান নেগেটিভ তাপার
বিক্রিয়াতে মান কি পজিটিভ
তাপ উৎপাদী বিক্রিয়াতে আমরা কিভাবে মনে
রাখব আমরা কিভাবে মনে রাখব আমরা মনে রাখব
যে
ই বাড়ানো বা কমানো বাড়ানো বা কমানো কমানো
ইকুয়াল হচ্ছে দিক এটা মনে রাখবা হচ্ছে
বাড়ানো ইনটু বাড়ানো বা কমানো বাড়ানো বা
কমানো ইকুয়াল হচ্ছে দিক আচ্ছা কিরকম
জিনিসটা এইযে দেখ এই ড কি তাপ বিক্রিয়া ড
কি নেগেটিভ ইনটু তুমি তাপমাত্রা ধর
বাড়াইছো তাপমাত্রা বাড়াইছো তাহলে কি
পজিটিভ ইকুয়ালটু কি হবে প্লাসে মাইনাসে
গুণ করলে কি হয় মাইনাস প্লাসে মাইনাসে গুণ
করলে কি হয় মাইনাস মাইনাস মানে পশ্চাৎমুখী
তার মানে বিক্রিয়া কোন দিকে যাবে
পশ্চাৎমুখী হবে পশ্চাৎ মুখী বুঝছো কিনা
তাপ বিক্রিয়ায় তাপমাত্রা বাড়াইছি বিক্রিয়া
পশ্চাৎমুখী হবে আবার দেখো তাপ উৎপাদী
বিক্রিয়া ডান হচ্ছে মাইনাস আমি কি করব
তাপমাত্রা কমাইছি
কি হবে মাইনাস মাইনাসে কি প্লাস বিক্রিয়া
কোনদিকে যাবে সম্মুখমুখী সম্মুখ মুখী
বিক্রিয়া হবে আমাদের সম্মুখমুখী ওকে এবার
তাড়াতাড়ি বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে তাহলে আমরা
কি জানি আমরা জানি ই বাড়ানো বা কমানো
বাড়ানো বা কমানো ইকুয়াল কিয়া হচ্ছে আমাদের
দিক ইকুয়াল হচ্ছে আমাদের দিক ওকে আচ্ছা
এখন তুমি আসো এখন তুমি আসো খেয়াল করো ইনটু
বাড়ানো বা কমানো ইকুয়ালটু দিক এখন তুমি
দেখি বিক্রিয়া মানে কি পজিটিভ ইনটু
তাপমাত্রা বাড়াইছো পজিটিভ ইকয়ালটু কি
প্লাসে প্লাসে কি প্লাস তার বিক্রিয়া
কোনদিকে যাবে সামনে সম্মুখমুখী
সম্মুখ মুখী তুমি দেখার বিক্রিয়া
তাপমাত্রা কমাই প্লাস মাইনাসে কি মাইনাস
কি হবে পশ্চাৎ মুখী পশ্চাৎ বিক্রিয়া
আমাদের তাপমাত্রার ইফেক্ট শেষ এবার আস
আমরা দেখব আমাদের চাপের প্রভাব এবং
ঘনমাত্রার প্রভাব তো মোটামুটি ঘনমাত্রার
প্রভাব তোমরা সবাই জানো আমি ঘনমাত্রাটা
নিয়ে আগে আলোচনা করি যে ভাই ভাই আমরা জানি
যে উৎপাদের ঘনমাত্রা উৎপাদের ঘনমাত্রা যদি
আমরা কমাই উৎপাদের ঘনমাত্রা কমাইলে
সম্মুখমুখী বিক্রিয়া সম্মুখ মুখী ওকে
সম্মুখমুখী কেমনে হবে সম্মুখমুখী দুইটা
কাজ করলে সম্মুখমুখী হয় জাস্ট একটাই মনে
রাখবা উৎপাদ কমাইলে অথবা বিক্রিয়কের
ঘনমাত্রা বাড়াইলে তুমি হয় বিক্রিয়কের
ঘনমাত্রা বাড়াবা নাইলে উৎপাদের ঘনমাত্রা
তুমি কমাবা দুই ক্ষেত্রে বিক্রিয়া কোন
দিকে যাবে সম্মুখী এটা সবাই জানি
সম্মুখমুখী ওকে তাহলে উৎপাদ কমলে বিক্রিয়া
সামনের দিকে যাবে অথবা বিক্রিয়া ঘনমাত্র
বিক্রিয়া সামনের দিকে যাবে এটা মনে রাখলেই
হবে ওকে আর চাপের প্রভাব কি কার জন্য
প্রযোজ্য? তারপর প্রভাব শুধুমাত্র গ্যাসের
জন্য প্রযোজ্য। শুধুমাত্র শুধুমাত্র
গ্যাসের জন্য গ্যাসের জন্য প্রযোজ্য। ওকে?
শুধুমাত্র কার জন্য প্রযোজ্য হয়? গ্যাসের
জন্য প্রযোজ্য। শুধুমাত্র গ্যাসের জন্য
প্রযোজ্য। ওকে? এখন এখন মনে রাখবা চাপ
বাড়ালে বড় থেকে ছোট হয়। চাপ বাড়ালে বাড়ালে
কি হয়? চাপ বাড়ালে বড় থেকে ছোট। বড় থেকে
ছোট হয়। জাস্ট এটা মনে রাখবা। চাপ বাড়াইলে
বড় থেকে ছোট হয়। আমরা যদি চাপ বাড়াই তাহলে
কি হবে? বড় থেকে ছোট হবে চাপ বাড়াইলে বড়
থেকে ছোট হয় বাড়াইলে বড় থেকে ছোট হয় এখন
চাপ বাড়ালে বড় থেকে ছোট এক্সাম্পল দিয়ে
বুঝানোর চেষ্টা করি তোমাকে আমি বললাম এ
পটবি এরা বিক্রিয়া করে আমাদের তৈরি করতেছে
পকেট
সবাই খেয়াল কর হচ্ছে আমাদের একটা গ্যাসবি
হচ্ছে আমাদের একটা লিকুইড সি হচ্ছে আমাদের
একটা গ্যাস আরডি হচ্ছে আমাদের সলিড তো
তুমি কি করবা শুধুমাত্র গ্যাস নিয়ে কাজ
করবা শুধুমাত্র কি নিয়ে কাজ করবা গ্যাস
বাকি কোন কিছু নিয়ে কাজ করা যাবে না তো
তুমি দেখ তোমার বিক্রিয়কে বিক্রিয়কে
গ্যাসীয় মল সংখ্যা কত? বিক্রিয়কে গ্যাস কয়
মোল আছে? এক মোল। তাহলে বিক্রিয়কে গ্যাসীয়
মোল সংখ্যা হচ্ছে ওয়ান। এই বিক্রিয়কে
আমাদের গ্যাসীয় মোল। গ্যাসীয় মোল। গ্যাসীয়
মোল কত? বিক্রিয়কে গ্যাসীয় মোল। বিক্রিয়কে
কত বল? গ্যাসীয় মোল। বিক্রিয়কে হচ্ছে
আমাদের এইযে এখানে গ্যাসীয় মোল হচ্ছে
আমাদের এক মোল। কয় মোল? এক মোল। এই উৎপাদে
গ্যাসীয় মোল কত? উৎপাদের জন্য আমাদের
গ্যাসীয় মোল কত? তোমরাই বল। উৎপাদের জন্য
আমাদের গ্যাসীয় মোল হচ্ছে দেখো এটা সলিড।
তাহলে এটার মোল সংখ্যা বাদ। গ্যাসকে
কয় মোল আছে? তিন মোল। তাহলে দেখ বিক্রিয়কে
উৎপাদে গ্যাসীয় মল হচ্ছে? তিন মোল। এখন
আমি যদি চাপ বাড়াই চাপ বাড়াইলে কি হবে? বড়
থেকে ছোট হবে। তাহলে এখন আমরা যদি বলি চাপ
বাড়ালে চাপ বাড়ালে চাপ বাড়ালে কি হবে? বড়
থেকে ছোট। চাপ বাড়ালে বড় থেকে ছোট। এখন
তোমরা বল বড় কে ছোট কে? তিন বড় এক ছোট।
তাহলে চাপ বাড়ালে বিক্রিয়া কোন মুখী?
পশ্চাৎমুখী। চাপ বাড়াইলে বিক্রিয়া কোন
মুখী? পশ্চাৎমুখী। ঠিক আছে বুঝতে পারছি
কিনা? যে ভাই আমি শুধুমাত্র গ্যাসীয়
উপাদান নিব। গ্যাসীয় মোল সংখ্যা নিবো।
গ্যাসীয় মোল সংখ্যা নিয়ে তারপরে দেখবো কার
কয় মোল গ্যাস আছে। এরপর চাপ বাড়াইলে বড়
থেকে ছোট হয়। হ্যাঁ। আমরা আরেকটা
এক্সাম্পল দেখি। এখন ধরো তোমাকে আমি বললাম
এরকম যে দুই অণু হাইড্রোজেন আয়োডাইড
গ্যাস এটা বিয়োজিত হয়ে আমাদের তৈরি করে
হাইড্রোজেন প্লাস আয়োডিন হাইড্রোজেন
প্লাস আয়োডিন যেখানে হাইড্রোজেনও আমাদের
একটা গ্যাস আয়োডিনও আমাদের একটা গ্যাস
তাহলে এখন তুমি বলতো আমার এখানে গ্যাসীয়
মোল সংখ্যা কত এই জায়গায় গ্যাসীয় মোল
সংখ্যা দুই এখানে দেখো এটাও গ্যাস এটাও
গ্যাস এটাও এক মোল এটাও এক মোল তাহলে
এখানে গ্যাসীয় মোল সংখ্যা কত দুই তাহলে
দেখো আমি একটু যদি দেখি গ্যাসীয় মোল
গ্যাসীয় মোল গ্যাসীয় মোল কত গ্যাসীয়
মোল কত দুই দুই তাহলে যদি গ্যাসীয় মোল
সংখ্যা সমান হয়ে যায় দুই পাশে তখন তার
উপরে কি থাকবে চাপের প্রভাব নাই। চাপের
প্রভাব নাই। তাহলে এই বিক্রিয়াতে আমাদের
কোন চাপের প্রভাব নাই। ঠিক আছে? তাহলে কোন
বিক্রিয়া চাপের প্রভাব থাকে না? যে
বিক্রিয় বিক্রিয় এবং উৎপাদ দুই পাশে
গ্যাসীয় উপাদানের মূল সংখ্যা সমান সেই
বিক্রিয়াতে আমাদের কোন চাপের প্রভাব থাকে
না। এবার দেখো আমাদের এখান থেকে কি বলছে?
উমুখী বিক্রিয়াকে কিভাবে একমুখী করা যায়?
এটা তোমরা ছোটবেলা থেকে পড়ে আস।
বিক্রিয়াকে কেমনে একমুখী করে? যদি
বিক্রিয়াটাকে তোমার একটি উৎপাদ গ্যাসীয়
হলে একটি উৎপাদ অদক্ষিপ্ত হলে একটি
উৎপাদকে বিক্রিয়া স্থল থেকে সরিয়ে নিবে।
ইয়েস। একটা বিক্রিয়াকে উকি বিক্রিয়া
একমুখী কেমনে করা যায়? যদি উৎপাদটা গ্যাস
হয় কোন উৎপাদ গ্যাস হয় তাহলে খোলা পাত্রে
সংঘটিত করবা। গ্যাসটা চলে যাবে অথবা একটি
উৎপাদ অদক্ষিপ্ত যদি হয় তাইলেও বিক্রিয়াটা
একমুখী হবে রিভার্সেবল বিক্রিয়া হইতে
পারবে না একটি উৎপাদকে বিক্রি থেকে যদি
সরায় নাও কোন একটা উৎপাদ উৎপন্ন সাথে সাথে
সরায় নাও তাইলে বিক্রিয়াটা একমুখী হয়ে যায়
ঠিক আছে উপমুখী বিক্রিয়াকে এইযে তিনটা
প্রসেসে একমুখী করা যায় ওকে চল এটা কিন্তু
আমাদের রিটেনও আসে হ্যা একটা উপমুখী
বিক্রিয়াকে একমুখী করবা উপমুখী বিক্রিয়ার
বৈশিষ্ট্য কি একটা উমুখী বিক্রিয়ার
বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সাম্য অবস্থায় আছে সাম্য
অবস্থায় আসার প্রবণতা সাম্য অবস্থায় আসার
প্রবণতা একটা উমুখী বিক্রিয়া কখনোই শেষ হয়
না উভয় দিকের বিক্রিয়া হার সমান হয় না
সমান হয় প্রভাবকের ভূমিকা আছে না
প্রভাবকের ভূমিকা নাই ঠিক আছে সাম্য
অবস্থায় আসার প্রবণতা যেকোন অণু বিক্রিয়া
সাম্য অবস্থায় আসতে যাবে রাসায়নিক
সাম্যবস্থার বৈশিষ্ট্য কোনটা? রাসায়নিক
সাম্যবস্থার বৈশিষ্ট্য কোনটা? দেখো
সাম্যবস্থা এটা পরীক্ষায় আসে। বিক্রিয়ার
সমাপ্তি একটা রাসায়নিক সাম্যবস্থা কি
বিক্রিয়া শেষ হয়? সাম্য অবস্থায় গেলে
কি বিক্রিয়া শেষ হয়? না। বাইরে থেকে
দেখে মনে হয় বিক্রিয়াটা শেষ। কিন্তু
আসলে ভেতরে ভেতরে বিক্রিয়াটা উঠতে থাকে।
বিক্রিয়া একমুখিতা অবশ্যই উমুখী
বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে সাম্যবস্থায় আসে।
প্রভাবকের প্রয়োজনীয়তা না। সাম্য
অবস্থার আসলে প্রভাবকের কোন প্রয়োজন নাই।
কারণ আমরা জানি যে সাম্যবস্থায় প্রভাবকের
কোন ভূমিকা নাই। আচ্ছা সাম্যের
স্থিতিশীলতা। হ্যাঁ। সাম্যের স্থিতিশীলতা।
যে সাম্যবস্থায় আসলে জিনিসটা স্টেবল
থাকবে। ওকে? স্টেবল সাম্যবস্থা। ওকে।
রাসায়নিক সমস্থার শর্ত না কোনটা? কোনটা
সত্য না বলছে বিক্রিয়ার সম্পূর্ণতা এটা কি
তারপরে প্রভাবকের ভূমিকাহীনতা ওকে উভয়
দিদিকে সুষমতা সামনে স্থায়িত এটা রাসায়নিক
বিক্রিয়ার শর্ত ঠিক আছে এটা ঠিক আছে উভয়
দিকে সুষগমতা উভয় দিকে বিক্রিয়াটা হবে
বিক্রিয়া হবে বিক্রিয়ার সম্পূর্ণতা তোমরা
বল রাসায়নিক বিক্রিয়া কি সম্পূর্ণ হয় মানে
একটা রাসায়িক সাম্য অবস্থায় বিক্রিয়া কি
সম্পূর্ণ হয় বিক্রিয়াটা কিন্তু সম্পূর্ণ
হয় না এবং সাম্যবস্থায় কি প্রভাবকের
ভূমিকা আছে ভূমিকাহীনতা দেখ প্রভাবকের
ভূমিকা এটাও সত্যি সবগুলোই সত্যি খালি এটা
হচ্ছে আমাদের রাসায়নিক সমবস্থার সাথে যায়
না রাসায়নিক সাম্য অবস্থা বাইরে কখনো শেষ
হয় না সাম্যবস্থা গেলে বিক্রি শেষ না
বিক্রি চলতে থাকে ওকে দেখ এগুলা
ইম্পর্টেন্ট সাম্যবস্থা যে বৈশিষ্ট্য না
সাম্যবস্থার বৈশিষ্ট্যটা খুব ইম্পর্টেন্ট
হ্যা এখান থেকে পরীক্ষায় দেখো যে 23 সালে
প্রশ্নগুলো আসছে খেয়াল করছো তোমাদের এ বছর
আসার চান্স অনেক হাই সাম্যবস্থার
বৈশিষ্ট্য কোন পরিবর্তনটি তাপ উৎপাদী
আচ্ছা তাপি মানে কি তুমি একটু চিন্তা কর
এখানে আমাদের অনেকগুলো বিক্রিয়া দেওয়া তো
দেখ পানি সলিড থেকে পানি গ্যাস হচ্ছে মানে
বরফরে তুমি গ্যাস বানাবা বাস বানাবা বরফরে
বাস বানাতে তুমি চিন্তা করতো একটা বরফরে
তুমি বাস বানাতে গেলে তোমাকে তাপ দিতে হবে
নাকি হবে না আমাকে তাপ দিতে হবে যেই
বিক্রিয়াতে তে আমাকে তাপ দিতে হয়। আচ্ছা
পানিরে বাষ্প বানাবি। পানি বা পানি গরম
করা লাগে না। তাহলে আমাকে তাপ দিতে হয়।
যেই বিক্রিয়াতে আমি তাপ দিব সেটা হচ্ছে
আমাদের তাপহারী বিক্রিয়া। তাহলে দেখ এইযে
সলিড থেকে গ্যাস বানাইতেছো তাপ দেওয়া
লাগতেছে। তাপহারী বিক্রিয়া। দেখ সলিড থেকে
বরফে লিকুইড বানাইতেছো। বরফ লিকুইড কখন
হয়? বাইরের তাপ শোষণ করে। তাপ শোষণ করে
তাহলে তাপ ঘরে। তাই না? আচ্ছা এবার দেখো
লিকুইডকে গ্যাস বানাইছো। আচ্ছা এখানে
গ্যাসকে লিকুইড বানাইছো। তুমি চিন্তা করো।
লিকুইড মানে কি? পানি। পানিকে জলে বাস
বানাইছো। পানিকে বাক্স বানাতে গেলে তোমাকে
কি করতে হয়? তাপ দিতে হয়। দেখো আমি পানিকে
বাক্স বানাচ্ছি। আমাকে তাপ দিতে হচ্ছে।
তাহলে এটাও কিন্তু তাপারী বিক্রিয়া। বরফরে
পানি বানাইছে এটাও তাপহারী বিক্রিয়া।
তারপরে দেখ গ্যাস সলিডরে গ্যাস বানাইছে
এটাও তাপার। কারণ প্রত্যেকেই তাপ শোষণ করে
হচ্ছে। তুমি দেখো গ্যাসকে লিকুইড
বানাইতেছো। গ্যাসকে লিকুইড বানাইতেছো।
মানে জলীয় বাষ্পকে পানি বানাইতেছ। এই জলীয়
বাষ্প থেকে যখন পানি হয় তখন দেখো এখানে
তাপ উৎপন্ন হয়। কি হয়? তাপ উৎপন্ন হয়। তো
মনে রাখবা যত ছড়াবে এটা মনে রাখবা। যত
ছড়াবে ছড়াইতে যদি আমি ছড়াই জিনিসটাকে ছড়াই
তাইলে তাপহার হারি। আর জিনিসটা যদি
কমপ্যাক্ট হয় তাহলে তাপ উৎপাদী। যেমন এই
দেখো সলিড গ্যাস বানাইছো। সলিডরে ছড়াইছো।
সলিডে লিকুইড বানাইছো আরো স্প্রেড করছো
এগুলা তাফারি ওকে তারপরে দেখো লিকুইডরে
গ্যাস বানাইছো লিকুইড গ্যাস আরো স্প্রেড
করছো তাপহারি গ্যাসরে লিকুড ছড়ানো অবস্থায়
লিকুইড বানাইছো তাপারিক লিকুইডরে লিকুইডরে
বরফ বানাবা তাপৎপাক ঠিক আছে তাপক কোনটা
কোনটা প্রসেস এবার আস বলছে এই একটা
বিক্রিয়া আছে বিক্রিয়াতে সর্বোচ্চ উৎপাদ
পাইতে চাই তাহলে শর্তটা কি দেখো এইটা
আমাদের একটা কি বিক্রিয়া দেখো মান পজিটিভ
যেহেতু মান পজিটিভ এটা আমাদের একটা
তাপহারী বিক্রিয়া ওকে এখন সর্বোচ্চ উৎপাদ
পাইতে চাই সর্বোচ্চ উৎপাদ মানে কি
বিক্রিয়াটাকে আমাকে সামনে নিতে হবে ওকে
বিক্রিয়াটাকে সম্মুখু মুখ করতে হবে।
সর্বোচ্চ উৎপাদ পাওয়া মানে হচ্ছে
বিক্রিয়াটাকে সম্মুখমুখী করতে হবে। এখন
এটা আমাদের একটা তাপহারী বিক্রিয়া।
তাপহারী বিক্রিয়ায় তাপমাত্রা কি করলে?
সামনের দিকে যাবে। প্লাস প্লাসে প্লাস।
তাপহারী বিক্রিয়া তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে
বিক্রিয়া সামনের দিকে যাবে। ওকে? আচ্ছা
এবার তুমি চিন্তা করো এটা আমাদের একটা
গ্যাস। এটাও আমাদের একটা গ্যাস। এরা
বিক্রিয়া করে আমাদের তৈরি করতেছে এটা।
এটাও আমাদের একটা গ্যাস। এখন তুমি দেখো
তোমার বিক্রিয়কে গ্যাসীয় মোল সংখ্যা দুই
আর তিন মোল। উৎপাদে গ্যাসীয় মোল সংখ্যা
হচ্ছে তোমার দুই মোল। তাহলে চাপ যদি
বাড়াই চাপ বাড়াইলে বিক্রিয়া কোন দিকে
যাবে? বড় থেকে ছোট হয় বিক্রিয়া সামনের
দিকে যাবে। চাপ বাড়াইলে বিক্রিয়া কোন
দিকে যাবে? সামনের দিকে যাবে। ওকে? তাহলে
দেখো চাপ বাড়াইলে বিক্রিয়া সামনের দিকে
যাবে। তার মানে চাপ যদি বাড়াই তাইলেও
বিক্রিয়াটা সম্মুখমুখী হবে। তাপমাত্রা যদি
বাড়াই তাইলেও বিক্রিয়াটা সম্মুখমুখী হবে।
এখন বলছে উচ্চ তাপমাত্রা নিম্নচাপ নিম্ন
তাপমাত্রা নিম্নচাপ। উচ্চ তাপমাত্রা
উচ্চাপ। তাপ বাড়াইলে বিক্রিয়া সামনের দিকে
যাচ্ছে। তাপমাত্রা বাড়াইলেও বিক্রিয়া
কিন্তু সামনের দিকে যাচ্ছে। যেহেতু আমাদের
তাপহারী বিক্রিয়া তাপহারী বিক্রিয়ায়
তাপমাত্রা বাড়াইলে বিক্রিয়া সামনের দিকে
যায়। তাহলে উচ্চতাপচাপ এবং হচ্ছে উচ্চ
তাপমাত্রা। ওকে? চল আমরা তার পরেরটাতে
যাই। এই ধরনের প্রশ্নগুলো পরীক্ষায় আসবে।
হ্যাঁ। এই লাস্ট তিলের নীতি থেকে। এই
বিক্রিয়াতে প্রভাবক ব্যবহার করলে কি হবে?
দেখ তুমি বল এই বিক্রিয়াতে আমি যদি
প্রভাবক ব্যবহার করি তাহলে কি হবে?
বিক্রিয়ার কি হবে? সাম্য অবস্থা পরিবর্তিত
হবে। আচ্ছা সাম্য ধ্রুবক পরিবর্তিত হবে।
বিক্রিয়া থেমে যাবে। বিক্রিয়ার হার
পরিবর্তিত হবে। তোমরা আমাকে বল প্রভাবক কি
করে? সাম্য অবস্থা সাম্য ধ্রুবক এদের কারো
কোন কিছু করতে পারে? কিছুই করতে পারে না।
তাহলে করতে পারে বিক্রিয়ার হার চেঞ্জ করতে
পারে। বিক্রিয়ার হারকে বাড়াইতে পারে অথবা
বিক্রিয়ার হারকে কমাইতে পারে। এছাড়া কি
প্রভাবক আর কোন কাজ করতে পারে? না। এছাড়া
কিন্তু প্রভাবকার কোন কাজ করতে পারে না।
ওকে? চল তার পরেরটাতে যাই। দেখ এই
বিক্রিয়াতে এটা আমাদের একটা কি বিক্রিয়া?
তুমি দেখ এটা আমাদের উৎপাদে প্লাস সাইন
আছে। মানে বিক্রিয়ক থেকে উৎপাদ পাওয়া
যাচ্ছে। প্লাস তাপ পাওয়া যাচ্ছে। তো যদি
উৎপাদের সাথে প্লাস সাইন দেওয়া থাকে তাহলে
ডেলিচের ক্ষেত্রে আমরা লিখব ডেলি হচ্ছে
মাইনাস 44.8
কিলো ক্যালরি এই কথাটা মানে কি এ আমাদেরটা
তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া উৎপাদের সাথে যদি
প্লাস দেওয়া থাকে সবসময় দেওয়া থাকে মাঝে
না দিয়ে উৎপাদের সাথে প্লাস তাপ দিয়ে
বিক্রিয়া যেহেতু বিক্রিয়া তাপ বিক্রিয়াতে
বলছে তাপমাত্রা বাড়াইলে তাপ উৎপাদী
বিক্রিয়া আমি তাপমাত্রা বাড়াইছি তাহলে
বিক্রিয়া কোন দিকে যাবে পেছনের দিকে যাবে
বিক্রিয়া পেছনের দিকে যাবে বিক্রিয়া যদি
পেছনের দিকে যায় তার মানে সালফার
ডাইঅক্সাইডের ঘনমাত্রা কমে যাবে এগুলার
ঘনমাত্রা বেড়ে যাবে এটাই বলছে সালফার
ট্রাইঅক্সাইড উৎপাদন হ্রস পায় সত্যি কথা
ওকে অক্সিজেনের পরিমাণ হ্রাস পায় না
অক্সিজেন বৃদ্ধি পায় তরল সালফেট উৎপন্ন
হয় না আর হচ্ছে বিক্রিয়া সম্মুখমুখী হয়
না বিক্রিয়া পসাদমুখী হয় তাপমাত্রা যদি
বাড়াই তাহলে বিক্রিয়াটা পশ্চাৎমুখী হয়
বিক্রিয়া যদি পশ্চাৎমুখী হয় এই সালফার
ডাইঅক্সাইড উৎপাদন কমে যাবে তোমার এই
লাস্ট দিলে নীতি থেকে তুমি একটা এমসিকউ
পাবা ঠিক আছে এই বিক্রিয়াতে আচ্ছা সেম
বিক্রিয়া তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে কি হয়
আমরা দেখি সেম কোশ্চেন কিন্তু তাপমাত্রা
বৃদ্ধি করলে কি হবে তুমি দেখো তাপমাত্রা
যদি আমি বৃদ্ধি করি এই বিক্রিয়াতে
তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে বিক্রিয়াটা পশ্চাৎ
হবে ওকে এটা আমাদের একটা তাপ উৎপাদী
বিক্রিয়া সরি তাপহারী বিক্রিয়া সরি তাপ
উৎপাদী বিক্রিয়া যে এইচ এর মান নেগেটিভ
তাপমাত্রা বাড়াইছি বিক্রিয়া কোন দিকে
যাবে? পেছনের দিকে যাবে। বিক্রিয়া যদি
পশ্চাৎমুখী হয় তাহলে সালফার ডাইঅক্সাইড এর
পরিমাণ বাড়বে। বলছে সালফার ডাইঅক্সাইড
পরিমাণ হ্রাস পায়। তার মানে এটা মিথ্যা
কথা। এটা যদি মিথ্যা কথা হয় তাহলে অবশ্যই
বাকি দুইটা সত্যি দুই আর তিনসার দুই আর
তিন। ওকে? বুঝছো তো? ওকে। আসো তারপরেরটাতে
যাই আমরা। এবার হচ্ছে আমরা দেখব আমাদের
সাম্য ধ্রুবক। এখন আমরা আমাদের সাম্য
ধ্রুবক নিয়ে আলোচনা করব। ঠিক আছে? তো
সাম্য ধ্রুবক মানে কি? মনে রাখবা। সাম্য
ধ্রুবক হচ্ছে দুইটা। সাম্য ধ্রুবক হচ্ছে
দুইটা। একটা হচ্ছে তোমার কেপি আরেকটা
হচ্ছে তোমার কেসি। ওকে? একটা হচ্ছে কেপি
আরেকটা কি? কেসি। সাম্য ধ্রুবক হচ্ছে
দুইটা। একটা হচ্ছে কেপি আরেকটা হচ্ছে
কেসি। তো এই সাম্য ধ্রুবক সম্পর্কে আমরা
এখন জানবো। হ্যা তো সাম্য ধ্রুবক জানতে
গেলে আমাকে সবার আগে জানতে হয় আমাকে
সক্রিয় ভর কয়টা? মনে রাখবা আমাদের দুইটা
সক্রিয় ভর আছে। সক্রিয় ভর সক্রিয় ভর
হচ্ছে আমাদের দুইটা। কয়টা সক্রিয় ভর?
দুইটা সক্রিয় ভরছে। এখন এই দুইটা সক্রিয়
ভর কি কি? দেখ আমার সক্রিয় ভর হচ্ছে
দুইটা। দুইটা সক্রিয় ভর কি কি? দুইটা
সক্রিয় কি কি? এই দুইটা সক্রিয় একটাকে
আমরা বলি হচ্ছে আমাদের কেপি এবং আরেকটাকে
আমরা বলি হচ্ছে আমাদের। একটা হচ্ছেটা কি?
তো সরি সক্রিয় ভর সক্রিয় ভর হচ্ছে দুইটা
একটা হচ্ছে আমাদের আংশিক চাপ আরেকটা হচ্ছে
ঘনমাত্রা একটা হচ্ছে আমাদের ঘনমাত্রা এবং
আরেকটা হচ্ছে আমাদের আংশিক চাপ ওকে আংশিক
চাপ এই ঘনমাত্রাকে ব্যবহার করে ঘনমাত্রা
ঘনমাত্রাকে ব্যবহার করে আমরা যে
সাম্যদ্রুবকটা পাই সেটাকে বলি আমরা হচ্ছে
কেসি আর আংশিক চাপকে ব্যবহার করে আমরা যে
সামদ্রবকটা পাই সেটাকে বলি আমরা হচ্ছে
কেপি ঘনমাত্রাকে ব্যবহার করে আমরা যে
সামদ্রবটা পাই সেটাকে আমরা বলি কেসি আর
আংশিক চাপকে ব্যবহার করে আমরা যে
সামদ্রবকটা পাই সেটাকে আমরা বলি হচ্ছে
কেপি ওকে ওকে এটা হচ্ছে কেসি এটা হচ্ছে কি
কেপি এখন এখন তুমি খেয়াল করো সক্রিয়
কনসেপ্ট গেল এই যে কেসি এই কেসির কেসির
একক কি কেসির একক হচ্ছে দেখো মোল পার
লিটার টুদি পাওয়ার ড এন একচুয়ালি কিন্তু
একক নাই হ্যা কেপির একক কি কেপির একক
হচ্ছে টমসফিয়ার টু দি পাওয়ার ডন এখন আমরা
এই ডন সম্পর্কেই জানবো কোন অসুবিধা নাই তো
তুমি আমরা ডন কিভাবে বের করতে হয় এটা দেখব
একটা বিক্রিয়াতে কেপির ইকুয়েশন কেমনে লেখে
KC ইকুয়েশন কেমনে লেখে সেটাও দেখব তো
কেপিসি আসলে বুঝছো এখন এই সাম্য ধ্রুবকের
জন্য তুমি একটা ছোট্ট সূত্র মনে রাখবা
দুইটা লাইন মনে রাখবা ওকে সাম্য ধ্রুবক
সাম্যধ্রুবক লিখে রাখবা সম্মুখ বিক্রিয়ার
হার ধ্রুবক এই ফর্মুলাটা মনে রাখবা এ
রিসেন্ট এখান থেকে প্রশ্ন আসে সম্মুখ
বিক্রিয়ার হার ধ্রুবক
সম্মুখ বিক্রিয়ার
বিক্রিয়ার হার ধ্রুবক ডিভেডবা পশ্চাৎ
বিক্রিয়ার হার ধ্রুবকবা
পশ্চাৎ বিক্রিয়ার হার ধ্রুবক ওকে পশ্চাৎ
বিক্রিয়ার হার ধ্রুবক এখন এইযে সমক
বিক্রিয়ার হার ধ্রুবক এটাকে লেখা হয় কে এফ
দিয়ে সম্মুখ বিক্রিয়া আর এটাকে লেখা হয় কে
দিয়ে পশ্চাৎ বিক্রিয়া ওকে এটা হচ্ছে
একটাকে বয় ফরওয়ার্ড রিকশন আরেকটাকে বলা হয়
ব্যাকওয়ার্ড ডিকশনস KB ব্যাকওয়ার্ড
রিডিয়েকশন KF / K কেবি KF / K কেবি ওকে
এবং আরেকটা কথা এখান থেকে মনে রাখবা
সাম্যধ্রুবক শুধুমাত্র তাপমাত্রার উপর
নির্ভরশীল সাম্য ধ্রুবক এটা এটা সবচেয়ে
ইম্পর্টেন্ট লাইন সাম্য ধ্রুবক শুধুমাত্র
শুধুমাত্র
তাপ মাত্রার উপর উপর নির্ভরশীল ওকে
সাম্যধ্রুবক শুধুমাত্র তাপমাত্রার উপর
নির্ভরশীল মানে তুমি যদি শুধুমাত্র
তাপমাত্রা চেঞ্জ করো তাইলে কেবল
সাম্যধ্রুবক চেঞ্জ হবে আর কোনটা চেঞ্জ
করলে চেঞ্জ হবে না তাহলে সাম্যধ্রুবক
তাপমাত্র যেমন দেখ যদি বলে সাম্য অবস্থা
সাম্য অবস্থা কার উপর নির্ভরশীল তাপমাত্রা
চাপ ঘনমাত্রা যদি তোমারে বলা হয়
সাম্যধ্রুবক তখন হচ্ছে শুধুমাত্র
তাপমাত্রা সাম্যবক মানে কি সাম্যবক মানে
এই কথাটা কে বলছে এটা কে বলছে এই জিনিসটা
কোথেকে ভন্ সমীকরণ থেকে আসছে কোত থেকে
তোমাদের ভন্ সমীকরণ মনে রাখি
নাউ জন্য সমীকরণটা কিন্তু ইম্পর্টেন্টের
সমীকরণ ভন্ সমীকরণটা কিলন কেপি ইকয়াল
হচ্ছে মাইবা আর ই 1 /টি পি 1 /টি প্লাস
হচ্ছে সি ধ্রুবক প্লাস হচ্ছে ধ্রুবক এটা
পরীক্ষায় কিন্তু আসে এটা পরীক্ষায় আসে ঠিক
আছে লন k = - δh / r * 1 /টি প্লাস ধ্রুবক
তাহলে সাম্য ধ্রুবক শুধুমাত্র কার উপর
নির্ভরশীল তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল হ্যাঁ
এবং আরেকটা জিনিস মনে রাখতে হবে আমাদের
এখান থেকে সেটা হচ্ছে সাম্য ধ্রুবক সাম্য
ধ্রুবক কখনো শূন্য হবে না সাম্য ধ্রুবক
কখনো অসীম হবে না সাম্য ধ্রুবক কখনো অসীম
হবে না সাম্য ধ্রুবক কখনো শূন্য হবে না এই
দুইটা লাইন আমাদের মনে রাখতে হবে সাম্য
অবস্থা তাহলে সাম্যধ্রুবক কেমনে বের করে
কে এফ বাই কেবি এবং সাম্যধ্রুবক কি
শুধুমাত্র কার উপর নির্ভরশীল শুধুমাত্র
তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল সাম্যধ্রুবকের
মান কখনো শূন্য বা অসীম হইতে পারবে না
সাম্যদধ্রুবকের তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল
এটা কে বলছে এটা তোমার ভ্যান বলছে কে বলছে
ভ্যান বলছে ওকে এবং তাপ উৎপাদী
বিক্রিয়ায় তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া
তাপমাত্রা বাড়ালে সাম্যধ্রুবক কমে তাপ
উৎপাদীর ক্ষেত্রে তাপ উৎপাদী এই তাপ
উৎপাদী বিক্রিয়াতে তাপমাত্রা বাড়াইলে
সাম্য ধ্রুবকের মান কেপির মান কমে তাহলে
তোমরা বল তাপ ক্ষেত্রে কি
তাপ মনে রাখবা তাপহারী বিক্রিয়াতে
তাপমাত্রা বাড়াইলে সাম্যধ্রুবকের মান বাড়ে
এই ইনফরমেশন এমসিকউর জন্য অনেকগুলো
লাগবে একদম কমপ্যাক্টভাবে যা ইনফরমেশন
দরকার সবদি এবার একটু খেয়াল কর এবার এখন
কোন একটা বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে তুমি কিভাবে
লেখবা তোমাকে একটা বিক্রি দিলাম
এখানে দিলাম
এরা বিক্রিয়া করে আমাদের তৈরি করতেছে এখন
ধর তোমারে বললাম এই বিক্রিয়ার জন্য তোমারে
বললাম এইটার জন্য তুমি হচ্ছে কেপির
ইকুয়েশন লেখো কেসির ইকুয়েশন লেখো তো তুমি
এই বিক্রিয়ার কেসি কেমনে লেখবা এই বিক্রিয়
কেসি কেমনে লেখ দেখো কেসি কেমনে বের করে
কেসি হচ্ছে ঘনমাত্রা সাপেক্ষে বের করে কি
দিয়ে ঘনমাত্রা দিয়ে তাহলে কি হবে কেসি কি
হবে ঘনমাত্রা দিয়ে বের করতে হবে তো কার
ঘনমাত্রা উপরে যাবে উৎপাদ উপরে উৎপাদের
ঘনমাত্রা নিচে বিক্রিয়াকের ঘনমাত্রা তাহলে
উপরে যাবে হচ্ছে এই সি এর ঘনমাত্রা সামনে
যদি সড়ক থাকে সেটা কি হয়ে যাবে পাওয়ার হয়ে
যাবে এটাকে কি বলা হয় ভরক্রিয়ার সূত্র
বিক্রিয়ার হার বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা
সমানুপাত একে বলে ভরক্রিয়ার সূত্র নিচে কি
যাবে বিক্রিয়ক যাবে এখন বিক্রিয়ক কে আছে এ
তাহলে কি হবে এ এর ঘনমাত্রা সামনে দুই আছে
স্কয়ার হয়ে যাবে এখানে যোগ আছে যোগ দিব না
দিচ্ছে গুণ নিচে কি যাবে বি এর ঘনমাত্রা
সামনে তিন আছে তিন কি হয়ে যাবে কিউব হয়ে
যাবে যদি বলা হয় এই বিক্রিয়ার জন্য ভাই
কেপির রাশিমালাটা কি হবে যখন তোমাকে কেপি
বের করতে বলবে তখন তুমি আংশিক চাপ নিয়ে
কাজ করবা কি নিয়ে কাজ করবা আংশিক চাপ
তাহলে কি হবে এই দেখো সি এর আংশিক চাপ
সামনে ফোর আছে এটা পাওয়ার হয়ে যাবে তারপরে
দেখো এ এর আংশিক চাপ সামনে টু আছে এটা
স্কয়ার হয়ে যাবে ইনটুবি এর আংশিক চাপ
সামনে থ্রি আছে এটা কি হয়ে যাবে কিউব হয়ে
যাবে কিউব হয়ে যাবে বুঝতে পারছো কিউব হয়ে
যাবে তাহলে দেখো তাহলে দেখো আলমেটলি আমরা
কিন্তু এখন যখন কোন একটা বিক্রিয়া থেকে
তার কেপিএসসির ইকুয়েশন বের করে ফেলতে
পারতেছি তাই না? এবার আসো খেয়াল করো আমরা
যদি একটু দেখি আমরা একটু দেখি যে আমাদের
ধর আমি এরকম একটা বিক্রিয়া দিলাম টপ এল
করাচ্ছে একসাথে এবং এখন আমরা অন্য একটা
স্টুডিওতে যাব।
তোমাকে আমি বললাম নাইট্রোজেন প্লাস তিন
অণু হাইড্রোজেন এরা বিক্রিয়া করে তৈরি
করতেছে দুই অণু অ্যামোনিয়া। ওকে? এখন এই
বিক্রিয়ার জন্য যদি তোমাকে বলা হয় ভাইয়া
এই বিক্রিয়ার জন্য তাহলে তুমি KP এরি
ইয়েশন লেখো। KC এর ইকুয়েশন লেখো। তাহলে KC
কেম বের করবো ভাইয়া? ঘনমাত্রার সাপেক্ষে।
তাহলে কি হবে ভাইয়া? এই যে দেখো
অ্যামোনিয়ার ঘনমাত্রা। সামনে দুই আছে
স্কয়ার হয়ে যাবে। নিচে যাবে আমাদের
নাইট্রোজেনের ঘনমাত্রা ইনটু হাইড্রোজেনের
ঘনমাত্রা। সামনে তিন আছে এটা কিউব হয়ে
যাবে। এখন তোমরা যদি বলা হয় এটার জন্য
তাহলে কেপির ইকুয়েশন কি হবে? আশা করি
তোমরা সবাই পারবা। উপরে যাবে হচ্ছে
অ্যামোনিয়ার আংশিক চাপ। সামনে দুই আছে
স্কয়ার। নিচে যাবে নাইট্রোজেনের আংশিক
চাপ। ইনটু হবে হাইড্রোজেনের আংশিক চাপ।
সামনে তিন আছে। এটা কি হয়ে যাবে? কিউ হয়ে
যাবে। কিউ হয়ে যাবে। ঠিক আছে সো এই হচ্ছে
আমাদের কাহিনী আশা করি তোমরা সবাই
শুক্রিয় ঘরের কনসেপ্টটা বুঝলে কেমনে বের
করে আমি জানি তোমরা জানো আমার কাজ হচ্ছে
তোমাদের রিভিশন দিয়ে দেওয়ানো তোমাদের
জাস্ট একটু একবার একবার করে রিভিশন দেওয়
দিচ্ছি আর কিছু না ঠিক আছে তো সাম্যদ্রবক
সম্পর্কে আশা করি আপনাদের সবার আইডিয়া
হইছে এবার আমরা এখান থেকে যেটা দেখব সেটা
হচ্ছে কেপি সম্পর্ক দেখি একটা বিখ্যাত
সম্পর্ক আছে কেপি সম্পর্কটা কি কেপি
সম্পর্কটা হচ্ছে কেপি
আরটি টুদি পাওয়ার ওকে কেপিটি পাওয়ার
এইযে পাওয়ার এটা কিভাবে লেখা যায় দেখি
ডিবা কে ইকুয়াল হচ্ছে আরটি পাওয়ার
এখন তুমি দেখ এইযে কেপিবা
লেখা যায় কেপি অনুপাত কে ইকয়াল হচ্ছে আরটি
পাওয়ার এইযে পাপ
অনুপাত
অনুপাত মাঝে যদি পরীক্ষায় বলে নিচের কোন
অনুপাত অনুপাত হচ্ছে পালিয়ার এটা কি বলি
আমরা কেপিসির অনুপাত কেপি ও কেসি এর
অনুপাত কেপি ওসি এর অনুপাত ঠিক আছে আশা
করি বুঝলে এটা হচ্ছে হচ্ছে কেপিএস এর
অনুপাত। হ্যাঁ। এখন একটা জিনিস মনে রাখতে
হবে আমাদের এখান থেকে খুবই খুবই খুবই বেশি
ইম্পর্টেন্ট। সেটা হচ্ছে ডল এন কি? ডল এন
ইকুয়ালটু হচ্ছে উৎপাদের গ্যাসীয় মোল।
শুধুমাত্র গ্যাস নিতে হবে। অন্য কোন নিলে
হবে না। বুঝছো? উৎপাদের উৎপাদের গ্যাসীয়
মোল। উৎপাদের গ্যাসীয় মোল। মাইনাস
বিক্রিয়কের গ্যাসীয় মোল। উৎপাদের গ্যাসীয়
মোল মাইনাস বিক্রিয়কের গ্যাসীয় মোল।
বুঝলাম? উৎপাদের গ্যাসীয় মোল মাইনাস
বিক্রিয়কের গ্যাসীয় মোল। গ্যাস হতে অন্য
কোন ইলে হবে না। শুধুমাত্র গ্যাস দিয়ে কাজ
করতে হবে। তাহলে তুমি যখনই ডল এন বের করবা
তখন অলওয়েজ রিমেম্বার যে তোমাকে শুধুমাত্র
গ্যাস নিয়ে কাজ করতে হবে। কি নিয়ে কাজ
করতে হবে? গ্যাস। এটা যেন সবার মাথায়
থাকে। অলওয়েজ রিমেম্বার দেখো খেয়াল করো
উৎপাদের গ্যাসীয় মূল মাইনাস বিক্রিয়কের
গ্যাসীয় মূল। রিমেম্বার আমাদের কি নিয়ে
কাজ করতে হবে ভাইয়া? আমাদের অলওয়েজ
রিমেম্বার গ্যাস নিয়ে কাজ করতে হবে। কি
নিয়ে কাজ করতে হবে? গ্যাস। এইটা এটা খুবই
পিন পয়েন্টে মনে রাখতে হবে। আমরা কয়েকটা
বিক্রিয়া দেখে জিনিসটা বোঝার চেষ্টা করি।
ধর তোমাকে এরকম দিলাম। যে আমার কাছে আছে
হাইড্রোজেন প্লাস আয়োডিন এই হাইড্রোজেন
প্লাস আয়োডিন বিক্রিয়া করে তৈরি করতেছে
দুই অণু হাইড্রোজেন আয়োডাইড ওকে এখন এই
বিক্রিয়াটার জন্য আমরা কিছু জিনিস একটু
ক্যালকুলেশন করার চেষ্টা করি তুমি একটা
জিনিস দেখো এইখানে প্রশ্নের মধ্যে দেওয়া
আছে হাইড্রোজেন একটা গ্যাস আয়োডিনও একটা
গ্যাস হাইড্রোজেন আয়োডও গ্যাস আমাকে বলে
দিছে প্রশ্ন এখন যদি বলেই দেয় যে এরা
সবাই হচ্ছে আমাদের গ্যাস ঠিক আছে আমাকে
বলে দিল এরা প্রত্যেকে হচ্ছে আমাদের গ্যাস
তাহলে এখন আমার প্রথম কাজ প্রথম কাজ এখান
থেকে বের করবো আমার ড এন এর মান কত তোমাকে
যদি এই বিক্রি ডন এর মান কত তুমি দেখো
উৎপাদ মাইনাস বিক্রিয়ক উৎপাদের গ্যাসীয়
মোল মাইনাস বিক্রিয়কের গ্যাসীয় মোল
উৎপাদে কয় মোল গ্যাস আছে দুই মোল মাইনাস
বিক্রিয় কয় মোল গ্যাস আছে দুই মোল
তাহলেট মট ইক কত জির তাহলে এই বিক্রিয়ন
এর মান হচ্ছে শূন্য যদি এই বিক্রিয়াতে এর
মান জিরই হয় তাহলে একটু তুমি খেয়াল করতো
এই বিক্রিয়ায় আমাদের কেপি ইকুয়েশনটা কি
হবে এই বিক্রিয়াতে কেপি কি হবে কেপি আরটি
পাওয়ার জির আসবে তাই না পাওয়ার জপ
মানে কি আসতেছে কে ইকয়ালটু আসতেছে আমাদের
কেসি বলতো ভাইয়া কোন বিক্রিয়ায় আমাদের
কেপি কেসি সমান তোমরা বলতো কোন বিক্রিয়ায়
আমাদের কেপি কেসি সমান কেপিসির মান সমান
হয় কোন বিক্রিয়াতে কেপি কেসি সমান হয়
আমাদের কোন বিক্রিয়াতে যেই বিক্রিয়াতে
আমাদের যেই বিক্রিয়াতে আমাদের ডিএন এর মান
জিরো যদি ডল এN এর মান জিরো হয় যখন আমাদের
ডল এন এর ভ্যালু জিরো হবে তখন আমাদের ওই
বিক্রিয়া কেপিসি কি হবে শূন্য হবে কে পি
কে সি সমান হবে ডিএন এরন এর মান জিরো হলে
কেপিসি সমান হবে। এখন তোমাকে যদি এবার বলি
এখান থেকে ভাইয়া একক বের করো। এখান থেকে
তুমি একক বের করো। বলতো ভাইয়া একক কি হবে?
তুমি বল কেপির একক কি হবে? কেপির একক কি
হবে? কেপির একক হচ্ছে আমরা জানি যদিও কেপি
কিসির একচুয়ালি একক নাই। বাট তারপরও
এটমসফিয়ার টু দি পাওয়ার ডন। এখন তুমি দেখো
টমসফয়ার টু দি পাওয়ার ডন এর মান কত?
শূন্য। শূন্য মানে কত? ওয়ান। মানে একক
নাই। এবার বলসির এক কি হবে? কেসি মানে কি?
কেসির একক কি? সূত্রটা বলছিলাম মোল পার
লিটার টু দি পাওয়ার ডন। ডন মানে কত?
শূন্য। তাহলে আলমেটলি দেখো কত আসতেছে? মোল
পার লিটার। মোল পার লিটার টু দি পাওয়ার
শূন্য। মানে আবার আসতেছে ওয়ান। তার মানে
একক নাই। তার মানে দেখো এই বিক্রিয়া
কিন্তু আমাদের গেছে কোন একক নাই। আচ্ছা
এবার তুমি চিন্তা করতো ধর তোমাকে এরকম
একটা বিক্রি দিলাম থিবাট দিস হ্যা তোমাকে
আমি দিলাম যে আমাদের পিসিএলফ এটা বিয়োজিত
হয়ে তোমার তৈরি করে পি3
প2
এখন তোমাকে আমি বলে দিলাম আমাদের পি এটা
হচ্ছে একটা গ্যাস পথ এটা আমার একটা গ্যাস
আর এখানে আছে ক্লোরিন এটা একটা গ্যাস
তাহলে একটু খেয়াল করতো ভাই এখানে দেখতোমার
সবার আগে কাজ কি প্রথম কাজ তোমার প্রথম
করবা কত উৎপাদের গ্যাসীয় মূল এটাও গ্যাস
এটাও গ্যাস গ্যাসীয় মূল হচ্ছে দুই মাইনাস
বিক্রিয়কের গ্যাসীয় মূল বিক্রিয়কের
গ্যাসীয় মূল কত এক তাহলে কত আসতেছে ওয়ান
ওয়ান তাহলে যদি ওয়ান আসে তাহলে দেখতো এই
বিক্রি কে ইকুয়েশনটা কি আসে এই বিক্রিয়ার
কে ইকুয়েশন আসতেছে কেপি ইক আরটি টুদি
পাওয়ারও এখন তুমি দেখ পাওয়ার ওয়ান এ কে
কার সমান দেখ কেপি কার সমান কের সাথে আরটি
গুণ করলে তার সমান দেখ 10 কার সমান পাচের
সাথে দুই গুণ করলে তার সমান বল কে বড় 10
বড় না পাচ বড় অবশ্যই 10 বড় অবশ্যই কে বড়
10 বড় 10 বড় না পাচ বড় অবশ্যই 10 বড় তাহলে
দেখো কেপি কার সমান কে পাওয়ার ওয়ান তাহলে
কেপি হচ্ছে কে সাথে আরটি গুণ করলে তার
সমান কে বড় কেপি বড় কে বড় কেপি বড় তাহলে
দেখ এই বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে বলতে পারি
আমাদের কেপি গ্রেটার কে কোন বিক্রিয়ায়
কেপি গ্রেটার কেসি বলতো ভাইয়া কোন
বিক্রিয়াতে কেপি গ্রেটার কেসি হয় যেই
বিক্রিয়াতে আমাদের যেই বিক্রিয়াতে আমাদের
কি ডিন এর মান ওয়ান হয় নাকি না যেই
বিক্রিয়ায় ডল এন এর মান পজেটিভ হয় যেই
বিক্রিয়াতে ডিল এন এর মান পজেটিভ হয় যদি
ডিল এন এর মান পজেটিভ হয় তাহলে ওই
বিক্রিয়ায় যেই বিক্রিয়া ডলন এর মান পজেটিভ
ওই বিক্রিয়ায় কি
মান যদি পজিটিভ হয় কেপি গ্রেটার কে হবে
এখন এগুলার একক তোমরা নিজেরাই বের করতে
পারবা কেপির এক কি হবে কি হবে কি হবে
কেপির একক হবে টমসফিয়ার টুদি পাওয়ার
কি হবে মোল পার লিটার টু পাওয়ার ওয় মোল
পার লিটার টুদি পাওয়ার শেষ
লাস্ট আরেকটা এক্সামপল দিব তারপরে আমরা
করতে যাব গিয়ে দেখব কোন লাগতেছে নাট্রোজেন
প্লাস হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে তৈরি করছে
দুই অণু অ্যামোনিয়া। এখন তুমি দেখো এইযে
নাইট্রোজেন নাইট্রোজেন আমাদের হচ্ছে একটা
গ্যাস। এইযে হাইড্রোজেন হাইড্রোজেন আমাদের
একটা গ্যাস। এইযে এমোনিয়া এই অ্যামোনিয়াও
আমাদের কিন্তু একটা গ্যাস। তিনটাই কিন্তু
আমাদের গ্যাস। আচ্ছা এখন তোমাকে তোমার
ফার্স্ট কাজ কি? তোমার ফার্স্ট কাজ হচ্ছে
ভাইয়া। প্রথম কাজ হচ্ছে এইযে দেখো এগুলা
থেকে কি করা? ডল এন বের করে ফেলো।
তাড়াতাড়ি তোমরা ডেন বের করে ফেলো।
তাড়াতাড়ি ডেন বের করে ফেলো। তাহলে দেখতো
এই বিক্রিয়ায় ডেন এর মান কত হবে? এই
বিক্রিয়াতে আমাদের ডেন এর ভ্যালু হবে?
উৎপাদের গ্যাসীয় মূল দুই মাইনাস
বিক্রিয়কের গ্যাসীয় মূল দেখো তিন আর এককে
চার। তাহলে আমার আসতেছে কত? -2। কত আছে
মাইনাস টু। তাহলে দেখোতো আমার এখানে কি
হবে? আমার এখানে হবে কেপি ইকুয়ালটু কে সি
আরটি ইনভার্স টু। এখানে আরটি ইনভার্স টু
মানে কি? এটা সময় লেখা যায় KC ডিভাইডেড
বাই আরটি স্কয়ার। ইনভার্স টু এটা লেখা যায়
না লেখা যায়। তাহলে দেখতো এবার কে বড়?
এইবার কে বড় এবার হচ্ছে KC বড়। কেপি লেস
দে KC। বলো ভাইয়া, KP পপি লেস দেন KC হয়
কোন বিক্রিয়ায়? কেপি লেস দেন KC হয় কোন
বিক্রিয়া? ভায়া কোন বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে
আমাদের কেপি লেস দেন KC, ভায়া যেই
বিক্রিয়াতে আমাদের লন এর মান কি? নেগেটিভ।
তাহলে ডল এন যদি নেগেটিভ হয় ড এন যদি
নেগেটিভ হয় এই ড এনটা নেগেটিভ হলে আমাদের
কেপি কেসি গ্রেটার দেন কেপি হয় সো এগুলা
পরীক্ষায় আসে এগুলা পরীক্ষায় অনেক বেশি
বেশি করে আসে তাহলে এখন আমরা এখান থেকে
এককগুলো লিখে ফেলি গাইস বল একক কি হবে বল
কেপির এককটা কি হবে কেপির একক হবে দেখো
অটমোসফিয়ার টু দি পাওয়ার মাইনাস টু আর
কেসির একক কি হবে একটু খেয়াল করো কেসির
এককটা মোল পার লিটার টু দি পাওয়ার মাইনাস
টু তাহলে আল্টিমেটলি কিন্তু এভাবে লেখা
যায় মোল ইনভারসটু
করে মল ইনভারসটাকে ইচ্ছে লিটার স্কয়ার
মাইস হয়ে যাবে ওকে এগ পরীক্ষায় আসে একচুয়
নাই যেহেতু আমাদের পরীক্ষায় আসে তাই
আমাদের জিনিসটা শেখা লাগবে তাহলে আমরা
কিন্তু সাম্যবক সম্পর্কে কি জানলাম সাম্য
ধ্রুবকের সম্পর্ক জানলাম সাম্যধ্রুবক কার
উপর নির্ভরশীল সাম্য ধ্রুবকের ইনফরমেশন
গুলা দেখ আমরা দেখছি কেমনে কেটি বের করে
কেমনে কেসি বের করে এবং সাম্য ধ্রুবক
সম্পর্কে কয়টা ইনফরমেশন সাম্য ধ্রুবক
তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল সাম্য ধ্রুবকের
মান শূন্য বা অসীম হইতে পারবে না সাম্য
ধ্রুবক তাপ বিক্রিয়া তাপমাত্রা বাড়ালে
সামদ ধ্রুবক কমে তাপী বিক্রিয়াতে
তাপমাত্রা বাড়ালে সাম্য ধ্রুবক বাড়ে এবং
সামধ স্পেশাল ফর্মুলা আছে সম্মুখ বিক্রি
হার ধ্রুবক বা পদ বিক্রিয়ার হার ধ্রুবক
ওকে তো সাম্য ধ্রুবক আমাদের শেষ আমরা এখন
যেটা করব সেটা হচ্ছে একটা মজার জিনিস দেখব
যখন তোমার বলবে বিক্রিয়ার হারের উপর কার
কার প্রভাব আছে সবার প্রভাব আছে যদি বলে
সাম্য অবস্থার উপর কার প্রভাব আছে
তাপমাত্রা ঘনমাতা তিনটা জিনিসের প্রভাব
আছে আর যদি তোমারে বলে সাম্য ধ্রুবকের উপর
কার প্রভাব আছে শুধুমাত্র তাপমাত্রা
আল্লাহর দুনিয়ায় সাম্য ধ্রুবক মানে কেপিসি
উপর শুধুমাত্র তাপমাত্রার প্রভাব আছে আর
কারো প্রভাব নাই আর কারো প্রভাব নাই ঠিক
আছে এটা মাথায় রাখতে হবে চলো এবার আমরা
হচ্ছে দুইটা টাইপ দেখব হ্যাঁ কেস ওয়ান
ইনভার্স রিয়েকশনের ক্ষেত্রে এগুলো এমসিকউর
জন্য ইম্পর্টেন্ট হ্যা ধর তোমাকে বলা হইল
এরকম এ থেকে বি হচ্ছে একটা বিক্রিয়া এ
থেকে বি হচ্ছে একটা বিক্রিয়া এই বিক্রিয়ার
জন্য কে এর মান দিয়ে দিছে কে এখন তোমাকে
বললবি থেকে এ হচ্ছে একটা বিক্রিয়া এই
বিক্রিয়ার জন্য কেসির মান কত এ থেকে বি
হচ্ছে একটা বিক্রিয়া বিক্রিয়া কেসির মান
কেবি থেকে হচ্ছে একটা বিক্রিয়া বিক্রিয়া
কেসির মান কত মনে রাখবা একটা বিক্রিয়া যদি
উল যায় কোন একটা বিক্রিয়া উল গেলে ওই
বিক্রিয়ার সামদ্রবকের মানটা উল্ট যাবে কোন
একটা বিক্রিয়া যদি উল যায় তাহলে বিক্রিয়ার
সামদ্রবকের মানটা উল যাবে ঠিক আছে এবার
আসটা কি ধর এরকম বললাম এ থেকে হচ্ছে একটা
বিক্রিয়া ওকে এই বিক্রিয়ায় সাম্যধ্রুবক
কেপি এর মান দেওয়া আছে ধর এখন তোমাকে বলা
হইল টয়াইস এ থেকে টয়াইসবি হচ্ছে এই
বিক্রিয়ার জন্য কেপির মান কত এই বিক্রিয়ার
জন্য কেপির মান কত মনে রাখবা কোন একটা
বিক্রিয়াকে তুমি যদি একই সংখ্যা দ্বারা
গুণ করো কোন একটা বিক্রিয়াকে তুমি যদি একই
সংখ্যা দ্বারা গুণ করো তাহলে ওই সংখ্যাটা
কি হয়ে যাবে ওই সংখ্যাটা পাওয়ার হয়ে যাবে
তাহলে এই বিক্রিয়ার কেপিটা কি হবে কে
স্কয়ার হয়ে যাবে তাহলে একটা বিক্রিয়া
উল্টা গেলে সামধ উল্টে যাবে আমি যদি কোন
একটা বিক্রিয়া কোনটা একটা সংখ্যা দ্বারা
গুণ করি তাহলে সেই সংখ্যাটা পাওয়ার হয়ে
যাবে সেই সংখ্যাটা পাওয়ার হয়ে যাবে ঠিক
আছে এই দুইটা কনসেপ্ট এই দুইটা কনসেপ্ট
আমদের খুব বেশি ইম্পর্টেন্ট এখন তুমি
খেয়াল কর তোমাকে আমি বললাম আমাদের এরকম ধর
সিম্পল তোমাকে আমি বললাম যে এ থেকে বি
হচ্ছে একটা বিক্রিয়া এই বিক্রিয়ার জন্য
তোমাকে আমি বললাম আমাদের এ এর ভ্যালু
হচ্ছে এ তোমাকে আমি বললাম 1বাথবি থেকেওবা
হচ্ছে এই বিক্রিয়ার জন্য এ মানটা কত মানটা
কত কিভাবে করবা কিভাবে করবা একটু বুঝার
চেষ্টা করি প্রথমে তুমি দেখ এই বিক্রিয়াতে
এ হচ্ছে বিক্রিয়বি হচ্ছে উৎপাদ বিক্রিয়
উৎপাদ পরের বিক্রিয়াটা তুমি দেখো বি
বিক্রিয়ক এ উৎপাদ তার মানে বিক্রিয়াটা
উল্ট গেছে তারানে বিক্রিয়াটা উল গেছে
যেহেতু বিক্রিয়াটা উল্ট গেছে তাহলে এই
বিক্রিয়ার সাম্যদ্রবকের মানটা উল্ট যাবে
আগে ছিল এ থেকে বি এখন দেখবি থেকে একটা
বিক্রি উল্টা যায় সাম্রবকের মানটা উল যাবে
এবার দেখ তুমি এবা গুণ কর এবা একটা সংখ্যা
গু কর যেই সংখ্যা গুণ করব সেই সংখ্যাটা কি
হয়ে যাবে পাওয়ার হয়ে যাবে এখানে পাওয়ার কি
হয়ে যাবে বুঝতে পারবা
এক্সাম্পল দেখলাম কাছে এরকম আছে
নাইট্রোজেন প্লাস তিন অনুড্রোজেন এরা
বিক্রিয়া করে আমাদের দুই অণু এমোনিয়া তৈরি
করে। দুই অণু এমোনিয়া তৈরি করে। ঠিক আছে?
এরা বিক্রিয়া করে দুই এমোনিয়া তৈরি করে।
এখন তোমাকে বলা হইলো হাইড্রোজেন উল্টাটা
উল্টা বিক্রিয়া দেওয়া আছে। এই বিক্রিয়ার
জন্য এই বিক্রিয়ার জন্য মনে করো কেপির মান
দিয়ে দিছে। এই বিক্রিয়া কেপির মান দিয়ে
দিছে কে। এখন তোমাকে বলছে তাহলে
অ্যামোনিয়া থেকে খেয়াল করো অ্যামোনিয়া
থেকে বিক্রিয়াটা উলটায় গেছে। অ্যামোনিয়া
থেকে হাফ নাইট্রোজেন। আগে নাইট্রোজেনের
সামনে কিছু ছিল না। এখন তার সামনে হাফ
আসছে। যোগ আগে ছিল হাইড্রোজেনের সামনে
থ্রি। এখন 3বাট। হাইড্রোজেন হইছে তাহলে এই
বিক্রিয়ার জন্য কেপির মানটা কত তোমাকে বের
করতে বলছে প্রথমেই দেখ বিক্রিয়া যে উল
গেছে তাহলে অবশ্যই এর সামধ্রুবকের মানটা
কি হবে উলটায় যাবে আগে ছিল কে এখন হবেবা
উল গেল এখন তুমি দেখ আগে নাইট্রোজেনের
সামনে কোন সংখ্যাই ছিল না এখনবা
হাইড্রোজেনের সামনে কোন সংখ্যা ছিল এখনবা
সামনে ছিল কত দিয়ে গুণ করলে হয় হাফ দিয়ে
গুণ করলে বুঝ তারানে আসলে সবাই হাফ দ্বারা
গুণ কর যে সবাই হাফ দ্বারা গুণ করবে
পাওয়ার হয়ে যাবে পাওয়ার হয়ে যাবে ওকে এটা
খুব ইম্পর্টেন্ট একটা কনসেপ এটা থেকে
তোমাদের এমসিকউ আসে ওকে এখান থেকে এমসিকউ
আসে এইখান থেকে এমসিকউ আসে এইযে এইযে আগের
যে স্লাইডটা পড়াইলেন সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট
দুইটা স্লাইড এই স্লাইডটা সবচেয়ে বেশি
এখান থেকে আসছে ওকে এই কেপিসি রিলেটেড সকল
প্রবলেমের যত এমসিকউ আছে ম্যাক্সিমাম এখান
থেকে আসছে এখন তুমি অংক করবা না কেপিএসসির
কোন অংক আসলে তোমার করার দরকার নাই ঠিক
আছে এমসিকউর জন্য কেপিসি আসলে কোন অংক
দরকার নাই বাট এগুলা এমস এবং সিউ দুইটার
জন্য ইম্পর্টেন্ট তো পিc বিয়োজিত হয়ে পিএ
প্লাস তৈরি করে এই বিক্রিয়ার জন্য কেপি
রাশিমালাটা কি মুখস্ত করে ফেলাবা আলফা
স্কয়ার পি ডিবা 1- আ স্কয়ার ওকে আফ স্কয়ার
বাই আ স্কয় আলফা মানে কি বিয়োজন মাত্রা পি
মানে কি চাপ পি মানে হচ্ছে চাপ হ্যা এ24
বিয়োজিত হয়ে N2 তৈরি করে এই বিক্রিয়ার
জন্য কি হবে এটার জন্য হচ্ছে আফ স্কয়ার পে
বাই আফ স্কয়ার একই দুইটা সেম দেখো জাস্ট
খালিফ দ্বারা এড হইছে গুণ হয়ে গেছে
তারপরেরটার ক্ষেত্রে এটার ক্ষেত্রে কি হবে
এটার ক্ষেত্রে আমাদের হবেফ আফ স্কয়ার ডিবা
মাই আলফা হোল স্কয়ার ওকে আর তারপরেরটা কি
হবে এ2 থেকে মানে হাইড্রোজেন প্লাস হায়
এটাই তৈরি করে এটার জন্য কেপি রাশিমালা
হচ্ছে এটা ঠাম মুখস্ত করে ফেলবা এগুলা
খুবই ইম্পর্টেন্ট এগুলা সিউতে আসে কিউতে
আসে ওকে দু হাইড্রোজেন থেকে হাইড্রোজেন
প্লাস আয়োডিন হয় এটার জন্য কি হবে আলফা
স্কয়ার ডিবা ইও মাই আলফা হোল স্কয়ার ম
স্কয়ার এই চারটা এই জাস্ট এমস জন্য এগুলা
থেকে পরীক্ষার প্রশ্ন আসবে ঠিক আছে এগুলা
থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসবে চল আমরা এখান
থেকে আসউ দেখি কি বলছে সাম্যকের মান্ন
কোনটির উপর নির্ভর করে সাম্য ধ্রুবক বলছে
সাম্যবক শুধুমাত্র আলাদা কার উপর ডিপেন্ড
করে সাম্যবক আলা কার উপর ডিপেন্ডেন্ড করে
তাপমাত্রা সাম্য অবস্থা বললে হতো
তাপমাত্রা ঘনমাত্রা এটা খুব সাবধানে এটা
একটা এটা বলা যাবে না এই বিক্রিয়া কি
বিক্রি সাম্ক পরিবর্তিত হয় মানে এটা একটা
বিক্রিয়া কিসে বিক্রিয়াটির সাম্যাঙ্ক
পরিবর্তিত হয়? সাম্যাঙ্ক মানে কি? সামক
মানে সাম্যধ্রুবক। এখন সাম্য ধ্রুবক কে
চেঞ্জ হলে সাম্যধ্রুবক চেঞ্জ হয়। কে চেঞ্জ
হলে সাম্যদধ্রুবক চেঞ্জ হয়? তাপমাত্রা
চেঞ্জ হলে কে চেঞ্জ হলে? তাপমাত্রা চেঞ্জ
হলে। সাম্যধ্রুবক শুধুমাত্র তাপমাত্রা
চেঞ্জ করলে হয়। কোন ঘনমাত্রা চাপ কোন কিছু
চেঞ্জ করলে সাম্য ধ্রুবক চেঞ্জ হয় না।
শুধুমাত্র তাপমাত্রা চেঞ্জ করলে সাম্য
ধ্রুবক চেঞ্জ হয়। ওকে? এবার আসো খেয়াল
করো। ভরকে সূত্র নিচের কোনটিকে সক্রিয় ভর
নির্দেশ করা হয়। বল সক্রিয় ভর মানে কি?
সক্রিয় ভর দুইটাই জিনিস। একটা কি?
ঘনমাত্রা আরেকটা আংশিক চাপ। মোলার
ঘনমাত্রা। মোলার ঘনমাত্রা। দেখো সক্রিয় ভর
বলছে। সক্রিয় ভর হচ্ছে আমাদের দুইটা। একটা
হচ্ছে ঘনমাত্রা মোলার একক মোলার মোল পার
লিটার এককে ঘনমাত্রা আরেকটা হচ্ছে আমাদের
আংশিক চাপ আরেকটা হচ্ছে আমাদের আংশিক
আংশিক চাপ কোন এককে আংশিক চাপ অটমোসফেরিক
আংশিক চাপ অ্যাটমসফিয়ার এককে আংশিক আমরা
দেখছি একটু আগে চল তারপর যাই কেসির মানের
ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক কেসির মানের ক্ষেত্রে
কোনটি সঠিক বলছে এর মান প্রবাহকের উপর
নির্ভর করে তোমরাই বল কেসি হচ্ছে একটা
সাম্যধ্রুবক সাম্যবক প্রভাকের উপর
নির্ভরশীল না এর মান চাপের উপর নির্ভর করে
ইমপসিবল এর মান অসীম হতে পারে ইমপসিবল মান
হতে পারে অসীম হতে পারে না হতে পারে হ্যা
এটা হচ্ছে আমাদের উত্তর এটা হচ্ছে আমাদের
উত্তর ঠিক আছে আসো এরপর আমরা দেখি এই এর
সাম্যদধ্রুবক এ এবং থেকে এই বিক্রি
সামধ্রুবক বি হলে কোন সমীকরণটি সঠিক দেখ
এক্স প্লাস ওই থেকে হচ্ছে এর
সাম্যদধ্রুবকের মান এই বিক্রিয়ার এই
বিক্রিয়ার সাম্যদধ্রুবকের মান কিসির মান
দিয়ে দিছে মনে করো a এখন বলছে z থেকে এক্স
ওয়াই হচ্ছে এর সাম্য ধ্রুবক বি হলে কোন
সমীকরণটি সঠিক কোন সমীকরণটি সঠিক তোমরাই
বল তোমরাই বল এই বিক্রিয়ার সাম্যধ্রুবক এই
বিক্রিয়ার সাম্য ধ্রুবক K = ইকুয়ালটু কি
হবে 1 /ই এ আর এটার মানেই বলে দিছি সাম্য
ধ্রুবক বি তার মানে b = 1 / a b = 1 / a b
= 1 / a ঠিক আছে বুঝতে পারছো তাহলে কোন
সমীকরণটি সঠিক কোন সমীকরণ এ এর সামদবি হই
নাই এটা কি উল্টা বিক্রিয়া উলটা
বিক্রিয়া হলে কি হবে কি হবে সম যাবে আগে
ছিল এখনবা স বলে দিবি কোন সমীকরণ সঠিক
তারপর দেখি এই সামবিক্রিয়ার সম
বিক্রিয়ার হারব কেও পশ্চিব হলে সাম্রবক
আমি তোমাদেরকে একটু আগে বলছি যে সাম্রবক
সাম্র কি সম্মুখ বিক্রিয়ার হারব পশ্চাৎ
বিক্রিয়ার হার দ্রুবক বলে দিছে সম্মুখ
বিক্রিয়ার হার দ্রুবক কেওয় পশ্চাৎ
বিক্রিয়ার হচ্ছে তাহলে কি হবেবাটবাট
লিতে পারি এভাবে কেও ইট ইনভারসার হচ্ছে
আমাদেরও ইট ইনভারসবাট
কিনা তারপর যাই কি বলছে নিচের কোন
বিক্রিয়া কে কে কেপি কে কোন বিক্রিয়ার
ক্ষেত্রে হয় যেই বিক্রিয় ডন এর মান হচ্ছে
শূন্য এখানে কোন বিক্রিয় ডনের মান শূন্য
তুমি বাইর করে দেখো এই বিক্রিয়া ডন এর মান
হচ্ছে শূন্য যে বিক্রিয়া ডনের মান শূন্য
এই বিক্রিয়া কেপি সমান চলো তো আমি দেখাই
ফেলছি তোমাদেরকে বলছে বলছে নিম্নের কোন
বিক্রিয়া কেপি গ্রেটার কে? কোন বিক্রিয়াতে
KP গ্রেটার দেন KC হয়? KP গ্রেটার কেসি হয়
কখন? যখন ডিএনটা পজিটিভ হয়। ডিডন যদি
পজিটিভ হয় তাহলে কেপি গ্রেটার দেন KC হয়।
কোন বিক্রিয়া ডিন এর মান পজিটিভ? এই
বিক্রিয়া ডিন এর মানটা পজিটিভ। বের করে
দেখো। বের করে দেখো এই ডিএন এর মানটা
পজিটিভ। বাকি সবগুলো ক্ষেত্রেই ডিএন এর
মান পজিটিভ না। প্রথম বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে
এড এর মান হচ্ছে জিরো। এই বিক্রিয়া ডন এর
মান হচ্ছে তোমার নেগেটিভ। এটার ক্ষেত্রে
এর মান হচ্ছে নেগেটিভ। একমাত্র এখানেই এর
মান হচ্ছে পজিটি। যে বিক্রিয়া মান পজিটিভ।
সেই বিক্রিয়াকে গেছি। তোমাদেরকে দেখাইছি।
ওকে? তারপরে দেখো বলছে এই বিক্রিয়ার
ক্ষেত্রে কোনটি প্রযোজ্য এখন তোমরা বল এই
বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে এন এর মান কত এই
বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে এন মান হচ্ছে শূন্য
যদি মান শূন্য হয় তাহলে কি হবে কেপি কেন
এর মান শূন্য হলে কেপি এইটা তোমার সবচেয়ে
বেশি ইম্পর্টেন্ট টাইপ কেপিসি থেকে তুমি
যদি এমসরউ জন্য কোন অংক রিভিশন নাও দাও
তাও হবে জাস্ট এগুলো দেখে গেলে হবে এখন
তোমাকে বলছে বিক্রি কেপিসি সম্পর্ক কোনটি
দেখ এই বিক্রিয়াতেন এর মান কত উৎপাদের
গ্যাসীয় মোলদ মাই বিক্রিয় গ্যাসীয় মল কত
কত মাইট তাহলে সম্পর্ক কি হবে
ঠিক আছে চল তার পয়েন্টটাতে যাই এগুলা
তোমরা সব পারবা এই বিক্রিয়া কেপির একক কি
এই বিক্রিপির একটার ইনভার্স ইনভার্স কেন এ
মাইট তাহলে কেপির একক কি হবে এটমসফিয়ার
পাওয়ার
বিক্রি একক মোল পার লিটার মোল ইনভার্স
লিটার নিচে কোন বিক্রি এক মোল ইনভার্স
লিটার মোল ইনভস লিটার মানে কি এটা মানে কি
মোল পার লিটার ইনভারস মোল পার লিটার
ইনভার্স মানে কোন বিক্রি মানাই কোন বিক্রি
এর মান মাইনাস ওয়ান যেই বিক্রি এর মান
মাইনাস ওয়ান হবে যে বিক্রি মানাই হবে সেই
ক্ষেত্রেই মল লিটার এই বিক্রিয়ার এলামটা
বের করো। দেখো উৎপাদের মোল সংখ্যা দুই
মাইনাস বিক্রিয়কের মোল সংখ্যা হচ্ছে তিন।
তাহলে আসতেছে মাইনাস ওয়ান। উৎপাদ মাইনাস
বিক্রিয়ক। তাহলে এই বিক্রিয়ার কেসির এককটা
কি হবে? এই দেখো কেসির একক। কেসি এর একক।
কেসির একক কি হবে? আমরা সবাই জানি। কেসির
একক কি হবে? এই দেখ মোল আর লিটার মাইনাস
ওয়ান। তাহলে কি হবে? মোল ইনভার্স ওয়ান।
মোল ইনভার্স ওয়ান তারপর আসবে লিটার। মোল
ইনভার্স লিটার। যে মাই আসবে সেটার
ক্ষেত্রে হবে এটা। প্রশ্নগুলো কেমনে আসে?
সুন্দর প্রশ্ন। এটা সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট
টাইপ। সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট এখান থেকে
পরীক্ষার প্রশ্ন আসে। ওকে এই বিক্রিয়ার
কেসির রাশিমালা কোনটি? তো এইযে কেপি কেসি
অলওয়েজ কার জন্য বের করা যায়? কেপিকেসি
কেপি কেসি এগুলা এগুলা এগুলা শুধুমাত্র
গ্যাসের জন্য আমরা বের করি কার জন্য বের
করি? গ্যাস এবং একুয়াসের জন্য গ্যাস এবং
একুয়াস। সলিডের জন্য সলিড ও লিকুইডের জন্য
সাম্যদ্রবের মান হচ্ছে ওয়ান। সলিড এবং
লিকুইডের জন্য সাম্যদ্রবের মান কত? এটা
ওখানে লিখে দিয়ে এইযে আমরা এখানে লিখে
দেই। সলিড এবং লিকুইডের জন্য সাম্যদ্রবের
মান এজন্য কিন্তু আমরা সাম্যবক বের করি
না। ওকে সলিড এবং লিকুইড জন্য সাম্যদ্রব
না। সক্রিয় ভরের মান হচ্ছে। এটা লিখে রাখ
নোট। সলিড এবং লিকুইডের সক্রিয় ভরের মান
কত? সলিড ও লিকুইডের জন্য
লিকুইডের জন্য সক্রিয় ভরের মান কত? সলিড
এবং লিকুইডের জন্য সক্রিয় ভরের মান হবে
মান হচ্ছে ওয়ান। তাহলে সলিড এবং লিকুইডের
জন্য সক্রিয় ভরের মান কত? সলিড এবং
লিকুইডের জন্য সক্রিয় ভরের মান হচ্ছে
আমাদের। তো যেহেতু তার মানে সলিড এবং
লিকুইডের ক্ষেত্রে আমরা কেপিসি লেখার সময়
একে গুনি না। কেপিসি লেখার সময় এদেরকে
আমরা গুনি না। ঠিক আছে? ওকে আসো। তাহলে
এবার একটু খেয়াল করো আমাকে বলছে এই যে
কোশ্চেনটা। এই কোশ্চেনটাতে কি বলছে দেখতো।
এইযে দেখো আমার এখানে বলছে এই বিক্রিয়ায়
কেসি রাশিমালা এখন আমি কি করব এখানে কেসি
রাশিমালা বের করব তুমি যদি কেসি রাশিমালা
বের করতে চাও উপরে যাবে উৎপাদ উপরে যাবে
উৎপাদ কেসি বের করতে গেলে কি উৎপাতের
ঘনমাত্রা দেখ উৎপাদকে ক্যালসিয়াম অক্সাইড
উৎপাদ ক্লোরিন আমার যাবে হচ্ছে উপরে
ক্লোরিনের ঘনমাত্রা এইযে ক্যালসিয়াম বাদ
কেন বাদ এটা সলিড এজন্য এটা বাদ এইযে
ক্লোরিন এটা আসলে ক্যালসিয়াম অক্সাইড
প্লাস কার্বন ডাইঅক্সাইড ক্যালসিয়াম তাপ
দিলে এখানে ভুলে টাইপ হয়ে গেছে ক্লোরিন আর
কি এটা ক্লোরিন হবে না এটা হবে আমাদের
কার্বন ডাইঅক্সাইড এটা কি হবে কার্বন
ডাইঅক্সাইড তাহলে এখানে কি হবে আমাদের এই
দেখ উপরে যাবে হচ্ছে আমাদের কার্বন
ডাইঅক্সাইডের ঘনমাত্রা নিচে কি এটা সলিড
এটা সলিড দেখি বাদ বাদ নিচে কি আসবে
ক্যালসিয়াম কার্বন এবং ক্যালসিয়াম
কার্বনটা কি সলিড এটাও কি বাদ নিচে থাকবে
কত তাহলে কি আসতেছে কার্বন ডাইঅক্সাইডের
ঘনমাত্রা এই বিক্রিয়ার ইকুয়েশন হচ্ছে
এটা কার্বন ডাইঅক্সাইডের ঘনমাত্রা বুঝ
এরকম কিন্তু মাঝে মধ্যে বিক্রিয়া দিয়ে
বলে এই বিক্রিয়া কেন নিচে কোনটি কেপির
নিচে কোনটি লেখার আশা করি এখন দেখস
তাপমাত্রায় দুইয়ার চাপে এটবিট বিক্রিয়া
এবিট উৎপন্ন করে এটা এরকম হবে এটবিট নাটবি
হবে এখানে বুঝবি
এটবি হবে
ঠিক আছে
বির বিয়োজন মাত্র 15র মান কত বের করতে বের
করতে বলছে এখন এইযেবি কোনটা
বিয়োজিত হয়ে তৈরি করে তোমাদেরকে এটার জন্য
ডিরেক্টর বের বের করে শিখলাম কি আল স্কয়ার
প ডিভেডবাও মাইনাস আফ স্কয়ারফ আ স্কয়ার
তুমি জাস্ট মান বস দাও এখানে দেখো দিয়ে
দিছে ই আলফার মান দিয়েছে 15স তার মানে
আলফা স্কয়ার ই মানসফিয়ার ইদবা
ম স্কয়ার ওকে শেষ এবার আস তারপরেরটা দেখি
ক্যালকুলেশন কর অক শেষ 450 ডিগ্র সেস
তাপমাত্রা হাইড্রোজেন আয়োড 35 কেপি কত দেখ
আবার আলফা দিয়ে দিছে কেপি বের করতে বলছে
তো হাইড্রোজেন আয়োডাইডের জন্য কেপি
রাশিমালা কি হাইড্রোজেন আয়োডাইড বিয়োজিত
হচ্ছে আমরা জানি আমাদের হাইড্রোজেন
আয়োডাইড কেমনে বিয়োজিত হয়। দুই অণু
হাইড্রোজেন আয়োডাইড বিয়োজিত হয়ে তৈরি করে
হাইড্রোজেন প্লাস আয়োডিন। এই বিক্রিয়ার
জন্য কি রাশিমালা যেন কি? আলফা স্কয়ার
ডিবাফ ইও মাই আফ হো স্কয়ার। দেখো
তোমাদেরকে একটু আগে সূত্রটা লিখে দিয়ে
আসছি। একটু আগে দেখ সূত্রটা লিখে দিয়ে
আসছি। তুমি জাস্ট মানগুলো বসা দাও। বসা
দিয়ে ক্যালকুলেশন করলেই অংক শেষ। নিজে
নিজে ট্রাই করো। ওকে? চল আমরা তার
পরেরটাতে যাই। বলছে 25 ডিগ্র সেলসিয়াস
তাপমাত্রায় N2O4 এবং NO2 এর সাম্য মিশ্রণে
তাদের আংশিক চাপ দেওয়া আছে। এত এত N2O4 এর
বিয়োজন বিক্রিয়ক কেপির মান কত? আচ্ছা দেখো
খেয়াল করো কি হইছে? আমাদের এ2o4 এটা
বিয়োজিত হয়ে কি তৈরি করে? 2NO2 উৎপন্ন
করে। ওকে? এখন বলে দিছে সাম্য অবস্থায়
এটার আংশিক চাপ দিয়ে দিছে বুঝলা? শুরুতে
না সাম্য অবস্থায় এই N2 আংশিক চাপ দিয়ে
দিছে কত? N24.69
আর এটা দিয়ে দিছে প3। তো তুমি জিনিস দেখ
আমাকে বলছে কেপি বের করতে। এখন তুমি দেখ
কি? এই বিক্রিয়ার জন্য কেপির ইকুয়েশন কি
হবে? NO2 প2 সাধারণত প2 সামনে স্কয়ার নিচে
কি যাবে? প24 উপরে উৎপাদ নিচে বিক্রিয়।
উৎপাদের আং আশিক চাপ বা বিক্রিয়কের আংশিক
চাচাপ। সামনে দুই আছে তো স্কয়ার। এখন তুমি
বল আমি কেপি বের করবো। তাহলে আমার এখানে
কোন কোন জায়গার ইনফরমেশন কোন আংশিক চাপ
লাগবে? সাম্যবস্থার আংশিক চাপ লাগবে। কি
লাগবে? সাম্য অবস্থার আংশিক চাপ। তুমি
দেখো তোমার প্রশ্নে বলে দিছে সাম্য
অবস্থায় এদের আংশিক চাপ দেওয়া আছে। তার
মানে যেহেতু তোমাকে সাম্য অবস্থায় দিয়ে
দিছে। তার মানে এটা কত?
স্কয়ার নিচে কত? 0.69 শেষ। ক্যালকুলেশন কর
অংক শেষ। মানে সাম্য অবস্থায় আংশিক চাপ
বসানো লাগবে। সাম্য প্রশ্ন দেওয়া আছে। অংক
শেষ। ওকে? এই ধরনের প্রশ্ন পরীক্ষায় আস
সাম্য অবস্থা ইনফরমেশন দিয়ে দিয়েছি বা কর।
সোজা ধরো তোমরা বলছে এই বিক্রিয়ার 25
ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এটমস চাপে
কেপির মান 5.6 হলে কেসির মান কত? কারণ ভাই
অন্ধকার পারে। দেখো আমরা কি জানি কেপি
কেসির সম্পর্ক কেপি ইকুয়ালটু কি কে আর টি
টু দি পাওয়ার ডল এন। এখন তুমি দেখো আর এর
মান সবসময় মনে রাখবা 0.0821। কেপি কেসির
ইকুয়েশনে আর এর মান 0.0821। তো তুমি একটু
খেয়াল করে দেখো এই বিক্রিয়ায় ডল এন এর মান
কত? এই বিক্রিয়ায় ডন এর মান হচ্ছে শূন্য।
যেহেতু ডল এন এর মান শূন্য তাহলে এই
বিক্রিয় কেপি সমান সমান কি? এই বিক্রিয়
কেপি সমান সমান KC। এখন দেখো কেপির মান
দিয়ে দিছে 5.6। তাহলে KC এর মান হবে কি?
5.6। সোজা না একদম সোজা ঠিক আছে চল আমরা
তার পরের কোশ্চেনটা করি বলছে এ আর বিট এবি
তৈরি করে এই বিক্রিয়ার উদ্দীপক অনুসারে এই
বিক্রিয়া আমি দেখতে পাচ্ছি এটার ডিন এর
মান কত মান হচ্ছে শূন্য আচ্ছা বিক্রি
তাপার যেহেতু এর মান পজিটিভ তাহলে বিক্রি
তাপি সামদ বিক্রি মান সমান ইস সাম্য
অবস্থার উপর চাপের প্রভাব নাই হ্যা এই
বিক্রিয়া চাপের প্রভাব নাই যেহেতু এন এর
মান শূন্য চাপের প্রভাব নাই তাহলে দুই তিন
তিনটাই কারেক্ট বুঝ না তাপহারী বিক্রিয়া 0
সমান আর শূন্য হলে এ চাপের প্রভাব নাই শেষ
বিক্রিয়া চাপ যদি রাস করো দেখ এটা আমাদের
একটা তাপহারী বিক্রিয়া এটা আমরা বুঝে গেছি
উৎপাদের গ্যাসীয় অংক সংখ্যা দুই এ গ্যাসি
মৌল সংখ্যা এক তাহলে আমি যদি চাপ বাড়াই
চাপ বাড়াইলে কি হবে বড় থেকে ছোট হবে চাপ
বাড়াইলে বড় থেকে ছোট পশ্চাৎমুখী আর আমি
যদি চাপ কমাই তাইলে ছোট থেকে বড় হবে
সম্মুখমুখী ওকে এখন বলছে চাপ হ্রাস করলে
তুমি যদি চাপটা হ্রাস করো দেখ চাপ বাড়াইলে
কি হয় আমরা জানি সবাই চাপ বাড়ালে কি হয় বড়
থেকে ছোট হয় বড় থেকে ছোট হয় তাহলে তোমরা
বল চাপ যদি কমাই চাপ কমাইলে কি হবে ভাইয়া
চাপ বাড়াইলে যদি বড় থেকে ছোট হয় তাহলে চাপ
কমাইলে কি হবে ছোট থেকে বড় হবে তো এই
বিক্রিয়াতে চাপ হ্রস করলে বিক্রিয়াটা
সামনের দিকে যাবে সামনের দিকে যাবে মানে
ক্লোরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পায় বিক্রিয়া
সম্মুখমুখী হয় এবং কেপির মান বৃদ্ধি পায়
কেপির মান বৃদ্ধি পায় কি সত্যি কথা কেপির
মান বাড়ে কেপির মান বাড়ে উৎপাদের পরিমাণ
বাড়লে অবশ্যই কেপির মান বাড়বে তাহলে
আমাদের উত্তর কি দন তিনটাই তিনটাই
সম্মুখমুখী হচ্ছে একটা বিক্রি সম্মুখমুখী
হলে কেপির মান বাড়বে খুব স্বাভাবিক ওকে চল
তারপর যাই আমরা এই বিক্রি একটা বিক্রিয়া
দেওয়া আছে দেখবি
তৈরি করে ভালো কথা সাম্য বিক্রিয়াতে কেপির
একক কত বের করতে গেলে আগে বের করতে হবে কত
উৎপাদের মূল সংখ্যা দুই বিক্রিয়কের মূল
সংখ্যা তিন তাহলে মাই যেহেতু এই বিক্রিয়া
মান
এবার বলছে কেটি এটা কি সত্যি না তাহলে
আমরা জানি কেপি কি
আটি ইনভারস আটি ইনভারস এইশে চলে আসবে
তাহলে হবে ঠিক আছে তাপমাত্রা পরিবর্তনে
কেপির মান পরিবর্তিত হয় তাপমাত্রা যদি
চেঞ্জ করি তাহলে তাপমাত্রা চেঞ্জ করলে কি
কেপি পরিবর্তিত হয় একমাত্র তাপমাত্রা
চেঞ্জ করলে কেপি পরিবর্তিত হয় এটা আমাদের
একটা তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া তাপমাত্রা
বাড়ালে বিক্রিয়া পশ্চাৎ হবে মান কমে যাবে
তাপমাত্র বাড়ালে যাবে মানে বিক্রিয়া
পশ্চাৎ হবে মানে সামদ মান কমে যাবে। আচ্ছা
আসো এই অংকটা দেখি। খুব সুন্দর একটা অংক।
x2 3y2 বিক্রি করে 2xও3 তৈরি করে। আচ্ছা
বিক্রিয়াটি সাম্য অবস্থায় x2 y2 এবং এক্সও
এর ঘনমাত্রা যথাক্রমে এত এত এত বিক্রি
কেসি বের করো। এই বিক্রিয়া কেসি বের করতে
বলছে। যেহেতু বিক্রিয়া কেসি বের করতে বলছে
তাহলে তুমি কেসির ইকুয়েশন লেখো। কেসির
ইকুয়েশন কি? উৎপাদের ঘনমাত্রা এক্সও3 এটার
ঘনমাত্রা। সামনে দুই আছে স্কয়ার। নিচে
আসবে হ্যালোজেনের ঘনমাত্রা সরি এক্স এর
ঘনমাত্রা ইনটু ওয় এর ঘনমাত্রা। সামনে আছে
তিন এটা হয়ে যাবে কিউ। ঠিক আছে? ওকে। আমি
যখন সাম্য ধ্রুবক বের করবো আমার এখানে
সাম্য অবস্থায় এদের ঘনমাত্রা বসাইতে হবে।
সাম্য অবস্থায় এদের ঘনমাত্রা বসাইতে হবে।
এখন তোমার প্রশ্নটাতে তুমি খেয়াল করে দেখো
সাম্য অবস্থায় দেখো কোথায় বিক্রিয়াটি
সাম্য অবস্থায় এদের প্রত্যেকে ঘনমাত্রা
দিয়ে দিছে। আমার তো সাম্য অবস্থায়
ঘনমাত্রা দিয়েই দিছে ভাই। তুমি মানগুলো
এখানে বস দাও। সিম্পল। ওই দেখ 0.12
স্কয়ার। ওকে? তারপরে এক্স এর ঘনমাত্রা কত?
0.8 0.8
ই 0.56
কিউব। ওকে ক্যালকুলেশন করো অংক শেষ বুঝছো
না যেমন আগের একটা অংক তুমি করছো না এরকম
একটু আগে এরকম একটা অংক তুমি করছো এইযে
কেপির মান দেওয়া ছিল তোমাকে বলছিল
সামদ্রবক বের করতে এইযে এই অংকটা দেখো
এইযে এইযে এই অংকটা দেখে কেপির মান দেওয়া
ছিল বের করতে বলছিল তুমি কিন্তু খুব ইজি
করে ফেল অকটা এইযে এইযে অংকটা এইযে সাম্র
দেওয়া ছিল ঠিক আছে ওকে চল অংক পাশাপাশি
রাখলাম তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে
ঠিক আছে আমি তারপরেরটা দেখি তারপরের অংকটা
কি করছে দেখতো এই অংকগুলো ইম্পর্টেন্ট আছে
কি বলছে পবি তৈরি করে 300 2 লিটার পাত্র
এখানে এবি এবি এর মূল সংখ্যা সাম্য
অবস্থায় যথাক্রমে এত এত এত বিক্রিয়া কে এর
মান কত এ বিক্রয় কে বের করতে বলছে তাহলে এ
বিক্রিয়া কে সমান সমান কি হবে উপরে যাবে
এবি এর ঘনমাত্রা ওকে সামনে দুই এ স্কয়ার
নিচে যাবে এ এর ঘনমাত্রা ইনটু হচ্ছে b এর
ঘনমাত্রা যদি আংশিক চাপ বের করতে বলতো
তাইলে হচ্ছে আমরা কি করতাম আংশিক চাপ নিয়ে
কাজ করতাম সরি বের করতে বলে আংশিক চাপ
নিয়ে কাজ করতাম তাহলে আমার এখানে
সাম্যবস্থায় ঘনমাত্রা লাগবে এখন দেখো এদের
সাম্যবস্থায় কি দেওয়া মূল সংখ্যা সাম্য
অবস্থায় দেওয়া মূল সংখ্যা দেওয়া আছে আমার
লাগবে কি ঘনমাত্রা এখন মূল সংখ্যা দেওয়া
থাকলে ঘনমাত্রা কেমনে বের করে দেখতো আমার
এবি এর মূল সংখ্যা কত? 13। তাহলে আমার
লাগবে কোন জায়গার মূল সংখ্যা? সাম্য
অবস্থায় দেওয়া আছে সাম্য অবস্থার মূল
সংখ্যা 13। কিন্তু 13 তো মূল সংখ্যা। বাট
আমার লাগবে তো ঘনমাত্রা। তো ঘনমাত্রা
কেমনে বের করে মূল সংখ্যা থেকে? আয়তন
দিয়ে ভাগ। কি দিয়ে ভাগ? আয়তন দিয়ে
ভাগ। যেমন তারপরে এটা কত দেওয়া আছে? আট।
বিটা কত দেওয়া আছে? 10। তুমি খেয়াল করো
আমার এদের প্রত্যেকটা মোল সংখ্যা দেও। বাট
আমার লাগবে সামবস্থায় ঘনমাত্রা। তো মোল
সংখ্যাকে যদি আয়তন দ্বারা ভাগ করা হয়
তাহলে ঘনমাত্রা পাওয়া যায়। এখন আমার
প্রশ্নে কিন্তু দেখো আয়তন দেওয়া আছে
2লি। দেখো প্রশ্ন আয়তন দেওয়া আছে দুই
লিটার সামনে স্কয়ার আছে স্কয়ার দিয়ে
ক্যালকুলেশন কর অংক শেষে এইযে বলে দিছেদ
লিটার আয়তন আছে 2 লিটার আগের অংকটাতে কেন
কোন কিছু দ্বারা ভাগ করি নাই বিকজ আমার
এখানে ডিরেক্টলি দরকার ছিল ঘনমাত্রা আমার
প্রশ্ন ঘনমাত্রাই দিয়ে দিছিল প্রশ্নে কি
ছিল আমার দরকার ছিল ঘনমাত্রা প্রশ্নে কি
আছে ঘনমাত্রাই দেওয়া আছে এই দেখো দরকার
হচ্ছে ঘনমাত্রা আমার প্রশ্নে ঘনমাত্রাই
দেওয়া আছে সাম্য অবস্থায় দেখো সাম্য
অবস্থায় ঘনমাত্রা দেওয়া আমার কোন কিছু করা
লাগে নাই আর এই অংকটাতে সাম্যবস্থায়
ঘনমাত্রা না দিয়ে একদম মূল সংখ্যা দিছে
কোন অসুবিধা নাই মূল সংখ্যা দেওয়া থাকলে
ঘনমাত্রা বের করতে আয়তন দিয়ে ভাগ আয়তন
দিয়ে ভাগ ঠিক আছে আশা করি সবাই বুঝতে
পারছো যে আমাদের কিভাবে আমরা হচ্ছে এইগুলা
করবো। আমাদের প্রথম অংশ মানে সাম্য
অবস্থার অংশ আমাদের শেষ হয়ে গেল। আমাদের
মোটামুটি চারটা টাইপ শেষ হয়ে গেছে।
গুরুত্বপূর্ণ চারটা পাঁচটা টাইপ শেষ হয়ে
গেছে। এরপরে আমাদের যেগুলা আছে যে টাইপটা
আছে খুবই সহজ এবং এই টাইপটা তোমরা সবাই
কিন্তু পারো। আমাদের খুব একটা বেশি টাইম
লাগবে না। অল্প কিছু টাইমের মধ্যে বাকিটা
শেষ হয়ে গেছে। আমরা এবার তার পরবর্তী টাইপ
নিয়ে আলোচনা করব। হ্যাঁ। আর এটা হচ্ছে
আমাদের টাইপ ফাইভ। পাঁচ নাম্বার টাইপ এসিড
ক্ষার সাম্যবস্থা। ঠিক আছে? আমরা আমাদের
পাঁচ নাম্বার টাইপ এসিড ক্ষার সাম্যবস্থা
নিয়ে আলোচনা করব। এখন টোটাল আটটা টাইপ
আছে। চারটা শেষ হয়ে গেছে। এই টাইপগুলো
একটু ছোট ছোট। ওকে। তো এই যে এসিড ক্ষার
সাম্যবস্থা এই এসিড ক্ষার সাম্য অবস্থায়
আমাদের সর্বপ্রথমে যেটা করতে হয় সেটা
হচ্ছে আমাদের এসিড ক্ষার মতবাদ নিয়ে একটু
আলোচনা করবো এই এসিডার মতবাদগুলো তোমরা
জানো বাট আবার একটু জাস্ট মনে করে দেই
আমাদের এনিমিনিয়াসের মতবাদে কি ছিল যে
এনিয়াস সাহেব বলছে যে আমার এসিড এসিড
হচ্ছে জলীয় দ্রবণে এইচ পইচ প্লাস দান করে
আর বেইজ হচ্ছে ক্ষার হচ্ছে আমাদের জলীয়
দ্রবণে কি করে জলীয় দ্রবণে আমাদের হচ্ছে
OHচ মাইনাস দান করে বুঝতে পারছো ওচ মাইনাস
দান করে এসিড হচ্ছে জলীয় দ্রবণে এ প্লাস
দান করে ক্ষার হচ্ছে জলীয় দ্রবণে OHচ
মাইনাস দান করে কোথায় এটা বলে দিছে জলীয়
দ্রবণে ওয়ান অফ দা মোস্ট ইম্পর্টেন্ট
মানে পাঞ্চলাইন এইস মতবাদের সেটা হচ্ছে
জলীয় দ্রবণ জীয় দ্রবণ হতে হবে এখন কি
বলছে এসিড এসিড হচ্ছে কি করে এই প্লাস দান
করে এসিড হচ্ছে এ পলাস দান করে ঠিক আছে আর
কষার কি করে ক্ষার হচ্ছে আমাদের এইচ প্লাস
গ্রহণ করে এইচ পলাস গ্রহণ করে ওকে তো
যেহেতু সে দুইটাকে এসিড এবং ক্ষার দুইটাকে
কি করছে এই প্লাস দ্বারা তোমার হচ্ছে
ডিফাইন করছে তাই এটাকে আমরা বলি
প্রোটোনিয়ম মতবাদ বলি এবং এই ক্ষেত্রে
কাহিনী হচ্ছে এবার কিন্তু জলীয় দ্রবণ
হইতে হবে ব্যাপারটা এরকম না। এবার হচ্ছে
আমাদের যে কোন দ্রবণে যে কোন দ্রবণে ওকে
তার মানে আমার জলীয় দ্রবণ হইতে হবে এরকম
না। আগে যেমন দ্রাবক হইতে হবে পানি এখন
হচ্ছে যে কোন দ্রবণে তুমি হচ্ছে এসিড এ
প্লাস দান করে বেস এ প্লাস গ্রহণ করবে। আর
লুইস এসা কমপ্লিটলি ডিফারেন্ট একটা মতবাদ
দিসে সেটা দিয়েছে কি সে কি বলছে সে বলছে
যে এসিড এসিড হচ্ছে সে যে ইলেকট্রন গ্রহণ
করে। যে লোন পেয়ার ইলেকট্রন ইলেকট্রন
গ্রহণ করবে। যারা ইলেকট্রন গ্রহণ করবে
তারা হচ্ছে এসিড। আর বেইজকে বেইজ হচ্ছে
যারা ইলেকট্রন দান করবে। যারা মুক্তজোড়
ইলেকট্রন মানে লোন পেয়ার ইলেকট্রন দান
করে তারা হচ্ছে আমাদের ক্ষার। তারা হচ্ছে
আমাদের ক্ষার। এটা কে বলছে? লুইস বলছে। তো
তোমাদের খুবই কমন একটা এমসিকিউ হচ্ছে
নিচের কোনটি? লুইস এসিড। নিচের কোনটি?
লুইস ক্ষার। এটা পরীক্ষায় আসে খুবই খুবই
খুবই ইম্পর্টেন্ট। হ্যাঁ। লুইস এসিড কারা?
যাদের অষ্টক সংকোচন হয়। মনে রাখবা লুইস
এসিড হচ্ছে যাদের অষ্টক সংকোচন হয়। যাদের
অষ্টক সংকোচন সংকোচন হয়। ওকে? যাদের
অষ্টক সংকোচন হয় তারা হচ্ছে আমাদের লুইস
এসিড। এরকম আমাদের লুইস এসিড এটা কিন্তু
পরীক্ষায় আসে। নিচের কোনটি? লুইস এসিড।
আমাদের এরকম লুইস এসিড এই যেমন আমাদের
Becl2 তারপরে আমাদের BCL3 তারপরে আমাদের
হচ্ছে এ অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড ওকে
তারপরে ধরো আমাদের হচ্ছে এইবিআর3 ওকে
এগুলো হচ্ছে আমাদের কি এসিড লুইস এসিড
যাদের অষ্টক সংকোচন হয় আরেকটা কে আরেকটা
হচ্ছে যাদের যাদের দেখ এরকম আমাদের লুইস
এসিড পরীক্ষায় আসে হ্যাঁ বিc2 বিc3
বিবিআর3 আরো কিছু যাদের ফাঁকা অরবিটাল
থাকে তারাও আমাদের হচ্ছে এরকম লুইস এসিড
যাদের ফাঁকা অরবিটাল থাকে তারাও হচ্ছে
আমাদের লুইস এসিড এবং যখন যত পজিটিভ চার্জ
থাকে যাদের ফাঁকা অরবিটাল আছে যাদের ফাঁকা
ফাঁকা অরবিটাল আছে। ওকে? সেগুলো হচ্ছে
আমাদের লুইস এসিড। যাদের ফাঁকা অরবিটাল
থাকে তারাও আমাদের লুইস এসিড হয়। কিরকম?
যেমন আমাদের দেখো সালফার ডাইঅক্সাইড,
সালফার ডাইঅক্সাইড তারপর ধর এফিএল3
ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে ফাঁকা অরবিটাল আছে।
তাই এগুলো আমাদের কি লুইস এসিড হিসেবে কাজ
করে। আর কোনটা আমাদের লুইস এসিড হিসেবে
কাজ করে ভাইয়া? পজিটিভ চার্জ। সকল পজিটিভ
চার্জ এরাও আমাদের কি? যেমন আমাদের ধরো
সোডিয়াম প্লাস তোমাকে বললাম ক্যালসিয়াম
প্লাস। দেখো এরা কিন্তু ইলেকট্রন গ্রহণ
করতে পারে। সো যারা পজিটিভ তারাও কিন্তু
আমাদের লুইস এসিড হিসেবে কাজ করে। ঠিক
আছে? পজিটিভ চার্জ কি করে? লুইস এসিড
হিসেবে কাজ করে। লুইস কষার কারা? লুইসার
হচ্ছে যাদের মধ্যে মুক্তজোর আছে। ওকে আমরা
মনে রাখব যাদের মধ্যে যাদের মধ্যে
মুক্তজোর আছে তাদেরকে বলা হয় লুইসার।
মুক্তজোর যাদের মধ্যে মুক্তজোর আছে। এখন
এরকম মুক্তজোর আমাদের কার কার মধ্যে থাকে?
যেমন আমাদের হচ্ছে অমোনিয়া। অ্যামোনিয়াতে
দেখ মুক্তজোড় আছে। তারপরে এমিন আর এ2
এগুলার মধ্যে দেখো কি আছে? মুক্তজোড়ো আছে।
যাদের মধ্যে মুক্তজোড় থাকে তারা আমাদের
লুইস ক্ষার হিসেবে কাজ করে। এবং যারা
নেগেটিভ চার্জ যারা ইলেকট্রন দান করতে
পারে তারাই হচ্ছে আসলে লুইস ক্ষার। এভার
তো এইগুলা হচ্ছে লুইস এসিড। এটা সবচেয়ে
ইম্পর্টেন্ট। হ্যাঁ? এই যে নিচের কোনটি
লুইসেসি এইটা মাথায় রাখবা এটা ইম্পর্টেন্ট
এখান থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে আচ্ছা এবার
আমরা যেটা দেখবো সেটা হচ্ছে আমাদের
অনুবন্ধী অম্লক্ষার কারা এখন অনুবন্ধী
অম্লক্ষার কারা একটু বোঝার চেষ্টা করো
অনুবন্ধী অমল ক্ষার হচ্ছে যে আমাদের দেখ
কোন একটা এসিড একটা এসিড যদি একটা এ প্লাস
দান করে কয়টা এ পলাস একটা এসিড একটা এ
পলাস এচ প্লাস দান করলে এসিড একটা এ প্লাস
দান করলে সে হচ্ছে সে হচ্ছে অনুবন্ধী
ক্ষার তৈরি করে কি তৈরি করে বলতো ভাই একটা
এসিড একটা এ প্লাস দান করলে অনুবন্ধী
ক্ষার তৈরি করে অনুবন্ধী ক্ষার ওকে আর
একটা ক্ষার একটা বেস বেস একটা প্রোটন
গ্রহণ করলে একটা এইচ প্লাস যদি গ্রহণ করে
গ্রহণ করে একটা এস যদি গ্রহণ করে তাহলে
সেটা অনুবন্ধী অনুবন্ধী এসিড তৈরি করে
তাহলে দেখো একটা এসিড থেকে একটা ক্ষার
পাওয়া যায় একটা ক্ষার থেকে একটা এসিড
পাওয়া যায় একটা এসিড থেকে একটা ক্ষার
পাওয়া যায় আর একটা ক্ষার থেকে কি পাওয়া
যায় একটা এসিড পাওয়া যায় চল আমরা একটা
এক্সাম্পল দিয়ে জিনিসটা বুঝার চেষ্টা করি
ধর তোমাকে আমি বললাম
এখন এই বান্দা যদি একটা প্রোটন অবশ্যই
একটা প্রোটন হতে হবে একাধিক প্রোটন হলে
হবে না একটা প্রোটন যদি দান করে এ যদি
তোমার একটা প্রোটন দান করে তাহলে এখান
থেকে আমরা কি পাব আমরা পাব CH3 CO- এইযে
CH3CO মাইনাস পাইলাম না এটাই হচ্ছে এটার
অনুবন্ধী ক্ষার এটা হচ্ছে তোমার কি বলতো
এটা হচ্ছে তোমার এসিড আর এটা হচ্ছে এটার
অনুবন্ধী অনুবন্ধী ক্ষার ঠিক আছে তাইলে
ভাইয়া এখন যদি তোমাকে বলা হয় যে ভাই ধর
তোমাকে আমি বললাম অ্যামোনিয়াম আয়ন আছে
আমাদের কাছে অ্যামোনিয়াম আয়ন এখন এইযে
অ্যামোনিয়াম আয়ন এমোনিয়াম আয়ন যদি একটা
প্রোটন গ্রহণ করে এ যদি একটা প্রোটন একটাই
হতে হবে একাধিক হলে হবে না একটা প্রোটন
গ্রহণ করে তাহলে সে কিসে পরিণত হবে এ4
প্লাস এ পরিণত হবে তো দেখ একটা প্রোটন
গ্রহণ করলে এমোনিয়া হচ্ছে আমাদের একটা বেস
কষার তাহলে এইটা একটা প্রণ গ্রহণ করছে
তাহলে সে কি তৈরি করবে সে হচ্ছে আমাদের
অনুবন্ধী এসিড তৈরি করবে কি তৈরি করবে
অনুবন্ধী এসিড তৈরি করবে বুঝতে পারছ কিনা
ওকে তাহলে আমাদের মোটামুটি অনুবন্ধী অমল
অনুবন্ধী ক্ষারের কনসেপ্ট আশা করি তোমরা
বুঝতে পারছো হ্যাঁ এখন তোমাকে যদি এবার
আমি বলি যে আমার কাছে আছে সালফিউরিক এসিড
তাহলে দেখো সালফিউরিক এসিডের এসিডের
অনুবন্ধী অনুবন্ধী ক্ষারকে ধর তোমা বলল
সালফরিক এসিডের অনুবন্ধী ক্ষার কি ওকে
তারপরে তোমাকে বললাম আমি মনে কর তোমাকে
বললাম পানি এ2 পানি এর অনুবন্ধী ক্ষার কি
ওকে তারপরে তোমাকে বললাম পানির অনুবন্ধী
এসিড কি পানির অনুবন্ধী এসিড কি ওকে
তারপরে তোমাকে বললাম এরকম কয়েকটা খেয়াল
করি পরীক্ষায় আসে বাইসালফেট বাইসালফেটের
অনুবন্ধী এসিড কোনটা অনুবন্ধী এসিড কোনটা
বললাম বাইসালফেটের বাইসালফেটের অনুবন্ধী
ক্ষার কোনটা? ক্ষার কোনটা? আবার ধর তোমার
আমি এরকম বললাম বাইকার্বোনেটের
বাইকার্বোনেটের
অনুবন্ধী ক্ষার কোনটা? দেখ আমি অনেকগুলা
কোশ্চেন লিখছি। এখন এই প্রত্যেকটারই
অনুবন্ধীটা বের করার চেষ্টা করব। কেমনে
করব? নিয়ম কি? দেখো অনুবন্ধী ক্ষার কখন
পাওয়া যায়? অনুবন্ধী ক্ষার পাওয়া যায়?
প্রোটন দান করলে। প্রোটন দান করলে কয়টা
প্রোটন? একটা প্রোটন। তাহলে এই যদি একটা
প্রোটন দান করতে হবে। তাহলে এই একটা
প্রোটোন দান করলে কি থাকবে? এইo4। মনে
রাখবা প্রোটন দান করলে মাইনাস সাইন যোগ
করতে হয়। ওকে? প্রোটন দান করলে কি হবে?
মাইনাস সাইন যোগ করতে হবে। ক্লিয়ার? এবার
আসো পানির অনুবন্ধী ক্ষার দেখো অনুবন্ধী
ক্ষার কখন পাওয়া যায়? একটা প্রোটন দান
করলে। তাহলে এই পানি যদি একটা এস প্লাস
দান করে একটা এইচ প্লাস দান করলে। পানি
যদি একটা এস প্লাস দান করে তাহলে আমরা কি
পাবো? OHচ মাইনাস। তাহলে পানির অনুবন্ধী
ক্ষার হচ্ছে OHচ মাইনাস। বলছে পানির
অনুবন্ধী এসিড। অনুবন্ধী এসিড বলছে
অনুবন্ধী এসিড কি? তো এসিড কখন পাওয়া যায়?
প্রোটন গ্রহণ করলে। তাহলে পানি যদি একটা
প্রোটন গ্রহণ করে। পানি যদি একটা প্রোটন
গ্রহণ করে তাহলে আমরা পাবো পানির অনুবন্ধী
এসিড। তো পানি একটা প্রোটোন গ্রহণ করলে কি
হবে? প্লাস। মানে পানির সাথে একটা
হাইড্রোজেন যোগ হইছে। তাহলে কি হয়ে যাবে?
হয়ে যাবে। প্রোটন গ্রহণ করলে প্লাস চার্জ
হবে। প্রোটন ত্যাগ করলে মাইনাস চার্জ হবে।
ওকে? আচ্ছা এবার আসো বাইসালফেটের এসিড কি
বলছে? বাইসালফেট অনুবন্ধী এসিড। আচ্ছা
অনুবন্ধী এসিড পাওয়া যায় কখন? প্রোটন
গ্রহণ করলে। তাহলে কি করবে? একটা প্রোটন
গ্রহণ করবে। তাহলে তুমি যদি একটা প্রোটন
গ্রহণ করো তাহলে দেখো এই বাইসালফেট একটা
প্রোটোন গ্রহণ করছে। তাহলে একটা
হাইড্রোজেন যুক্ত হবে। তাহলে হবে কি? এ2
এ4 আগে ছিল মাইনাস। এখন একটা প্লাস
নিউট্রন হয়ে গেছে। বাইসালফেটের অনুবন্ধী
ক্ষার কি? অনুবন্ধী ক্ষার বের করতে বলছে।
অনুবন্ধী ক্ষার কখন পাওয়া যায়? একটা
প্রোটন দান করলে। তাহলে একটা প্রোটন দান
করে দাও। তাহলে দেখো আগে ছিল একটা
হাইড্রোজেন মানে আরেকটা হাইড্রোজেন দান
হয়ে গেছে তাহলে থাকবে এও4 এও4 আগে ছিল
একটা মাইনাস একটা প্রোটোন দান করলে আরেকটা
মাইনাস বুঝছো কিনা এবার বলছে
বাইকার্বনেটের অনুবন্ধী ক্ষার কি দেখো
অনুবন্ধী ক্ষার কখন পাওয়া যাওয়া যায়
প্রোটন দান করলে পাওয়া যায় একটা প্রোটন
দান করো তাহলে পাব আগে কার্বোনেট এখন দেখ
কার্বনেট আগে ছিল একটা মাইনাস হয়ে যাবে
দুইটা মাইনাস তো বুঝতেই পারতেছো জিনিসটা
কি এটা খুব ইম্পর্টেন্ট পরীক্ষা আসে এটার
অনুবন্ধী এসিড কোনটা অনুবন্ধী ক্ষার কোনটা
আশা করি তোমরা সবাই বুঝতে পারছো এবার দেখ
খেয়াল করার দেখ পদার্থ কারা পদার্থ কারা
যারা এসিড এবং দুই হিসেবে কাজ করতে পারে
পদার্থকে মনে রাখবা পানি উধ পদার্থবা
বাইকার্বনেট একটা উধমি পদার্থ বাই সালফেট
একটা উধমি পদার্থ এইচ এo4 মাইনাস বাইফসফেট
একটা উধমি পদার্থ এইচ2 পিও4 মাইনাস এই কটা
মনে রাখলে হবে ঠিক আছে ইত্যাদি আরো আছে
তুমি খালি এইটা মনে রাখবা এগুলো হচ্ছে
আমাদের কি পদার্থ উধ্বীন পদার্থ ঠিক আছে
ডট ডট ডট ডট আরো কয়েকটা আছে বাট এই সাইট
থেকে পরীক্ষার প্রশ্ন আসে এগুলা হচ্ছে
আমাদের উভধর্মী পদার্থ শেষ ডান এগুলা
হচ্ছে আমাদের উভধ পদার্থ উভয় পদার্থ কারা
যারা একই সাথে প্রোটোন গ্রহণ করতে পারে
আবার প্রোটন দানও করতে পারে ঠিক আছে আর
মনে রাখতে হবে না এবার আসো এসিডের
শক্তিমাত্রা এখন তিন ধরনের এসিডের শক্তি
মামাত্রা দেখবো একটা হচ্ছে অক্সি এসিড
একটা হাইড্রো এসিড আরেকটা হচ্ছে জৈব এসিড
অক্সিসিডের শক্তিমাত্রা কেমনে বের করে মনে
রাখবা অক্সিসি শক্তিমাত্রা অক্সিডেশন
নাম্বার মানে জারণ মান যত বেশি হবে
শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে কি বলতো ভাই জারণ
মান জারণ মান কেন্দ্রীয় পরমাণুর জারণ মান
যত বেশি হবে শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে
শক্তিমাত্রা শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে জারণ
মান যত বেশি হবে শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে
ঠিক আছে ঠিক আছে ওকে এবং জারন মান সমান
হলে জারণ মান জারণ মান সমান হয়ে গেলে
সমান হলে যদি জারণ মান সমান হয় তাহলে
আকার যত ছোট শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে।
সাইজ যত কম হবে শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে।
শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে। ওকে? তাহলে সাইজ
সাইজ যত ছোট হবে শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে।
ওকে চল আমরা একটু দেখি। তোমার আমি বললাম
সাপ মনে কর আমার কাছে আছে এc4
তারপর আছে তোমার কাছে মনে করো এইচ2 এও4।
তারপরে তোমার কাছে আছে এইo3 আর তোমার কাছে
আছে এই H2CO3। Hচ2co3। ওকে? এখন এদের
কেন্দ্রীয় পরমাণু জারমান বের করতে হবে। তো
তুমি এটা পারার কথা যে কেন্দ্রীয় পরমাণু
জারমান এখানে ক্লোরিন সালফার নাইট্রোজেন
আর হচ্ছে কার্বন জারন মান কেম বের করে
ছোটবেলা থেকে দেখে আসছো তো তুমি যদি এটার
জারন মান বের করো দেখবে এর জারন মান আসবে
প্লাস সেভেন এখানে জারন মান বের করে দেখবা
প্লাস সিক্স এটার জারন মান বের করে দেখবা
প্লাস ফাইভ এটার জারন মান বের করে দেখবা
প্লাসফ কি বলছি জারন মান যত বেশি হবে
শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে আর যদি দুইটা
সমান হয়ে যায় জারন মান যদি সমান হয়ে
যায় তাহলে আমাদের কি হবে আমাদের হচ্ছে
যার আকার ছোট যেমন তোমাকে আমি বললাম hচ3
পিo4 আর তোমাকে আমি বললামno3 এই দুইটার
মধ্যে কোনটা শক্তিশালী এসিড ওকে কোনটা
শক্তিশালী এসিড এই দুইটার মধ্যে। হ্যাঁ।
এখন দেখো এটার মধ্যে কোনটা শক্তিশালী
এসিড? কেন্দ্রীয় পরমাণু জারন মান বের করতে
হবে। তুমি দেখো এটার জারন মান কত? প্লাস
ফাইভ। এর জারন মান বের করে দেখো +5। দুইটা
সমান হয়ে গেছে না? যদি সমান হয়ে যায় যার
কেন্দ্রীয় পরমাণুর আকার ছোট? সাইজ যেটা
কম। সাইজ যেটা ছোট শক্তির মধ্যে কত বেশি?
কোনটার সাইজ ছোট? নাইট্রোজেন আর ফসফরাসের
মধ্যে নাইট্রোজেনের সাইজ ছোট। সো এটা বেশি
শক্তিশালী হবে। এটা বেশি শক্তিশালী হবে।
ঠিক আছে? ক্লিয়ার মনে থাকবে তো? ওকে। এখান
থেকে একটা জিনিস মনে রাখবা। শক্তিশালী
অক্সি এসিড। লিখে রাখো শক্তিশালী
শক্তিশালী এসিড। হ্যাঁ। এখান থেকে জিনিস
মনে রাখ শক্তিশালী এসিড কি আমাদের?
শক্তিশালী এসিড হচ্ছে এco4
এ2 এ4 এ3 আর হচ্ছে এ3 এই তিনটা মনে রাখবা
ওকে এই অক্সিডের মধ্যে এই তিনটা হচ্ছে
শক্তিশালী জাস্ট মনে রেখো বেশি শিখার
দরকার নাই এই তিনটা মনে রাখ অক্সিডের
মধ্যে এই তিনটা হচ্ছে শক্তিশালী হ্যা এখন
হাইড্রাসিডের শক্তিমাত্রা কেমনে বের করে
হাইড্রাসিডের শক্তিমাত্রা হচ্ছে এনায়নের
আকার যত বড় হবে এনায়নের
এনায়নের আকার আকারের সাথে শক্তিমাত্রার
সমানুপাতিক সম্পর্ক হবে হাইড্রসিডা অক্সিড
যাদের মধ্যে অক্সিজেন থাকে হাইড্রসিড কারা
যাদের মধ্যে অক্সিজেন থাকে না আমদের
আমাদের এরকম হাইড্রো এসিড কে হাইড্রো এসিড
হচ্ছে আমাদের যেমন হচ্ছে এইচ আই ওকে তারপর
হচ্ছে আমাদের এইচবিআর তারপর হচ্ছে আমাদের
এইচএল আর হচ্ছে আমাদের এইচ এফ এগুলো হচ্ছে
আমাদের হাইড্রো এসিড এখন কোনটার এনায়নের
আকার বড় ভাইয়া আমাদের আমাদের আয়োডিনের
আকার বড় এইটা তারপরে এটা তারপরে এটা
ক্লিয়ার মনে রাখবা এর মধ্যে এইচএফ হচ্ছে
দুর্বল এসিড দুর্বল এসিড কিন্তু
সবথেকে ক্ষয়কারী পদার্থ সবথেকে বেশি বেশি
ক্ষয়কারী পদার্থ এ কিন্তু আল্লাহ দুনিয়ার
সব কষ ক্ষয় করতে পারে বুঝলা ক্ষয়কারী
পদার্থ হ্যা খুবই ডেঞ্জারাস ক্ষয়কারী
পদার্থ সবচেয়ে ক্ষয়কারী পদার্থ হচ্ছে
আমাদের এইচএফ তাহলে এইগুলোর মধ্যে এই
হচ্ছে ক্ষয়কারী পদার্থ হ্যা এবং এই যে
দেখো এইচ আই এচবিআর এইচএই এই তিনটাও
শক্তিশালী এসিড এই তিনটা শক্তিশালী
শক্তিশালী এসিড হিসেবে এদেরকে মনে রাখবা
এরা হচ্ছে আমাদের শক্তিশালী এসিড ঠিক আছে
বাকি যে এসিড আছে সব দুর্বল যেমন কার্বনিক
এসিড দুর্বল ফসফরিক এসিড দুর্বল ঠিক আছে
বাকি এসিড থাকবে সব হচ্ছে দুর্বল এরা
হচ্ছে আমাদের শক্তিশালী এসিড এখন যদি বলা
হয় শক্তিশালী ক্ষার শক্তিশালী সরি দুর্বল
ক্ষার এখান থেকে দুইটা জিনিস লেখো
শক্তিশালী এসিড কারা আরেকটা হচ্ছে দুর্বল
ক্ষার কারা দুর্বল ক্ষার বুঝলা দুর্বল
ক্ষার মনে রাখো এইযে দেখো দুর্বল ক্ষার কে
আমাদের অ্যামোনিয়া দুর্বল ক্ষার
অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড এটা দুর্বল
ক্ষার ওকে তারপরে মনে রাখ এলুমিনিয়াম
হাইড্রোক্সাইড দুর্বল ক্ষার এটা দুর্বল
কষার তারপরে হচ্ছে আমাদের এ3 দুর্বল কষার
এগুলা আমাদের দুর্বল ষার ঠিক আছে
হাইড্রোক্সাইড দুর্বল ষার এগুলা দুর্বল
এটা মনে রাখ এগুলো হচ্ছে দুর্বল কষার আর
এগুলা হচ্ছে আমাদের কি সবল এসিড ওকে এটা
মনে রাখ আর জৈব এসিডের ক্ষেত্রে নিয়মটা
কি এসিডের ক্ষেত্রে আমদের নিয়মটা হচ্ছে
আকার যত বড় হবে শক্তিমাত্রা তত কম হবে
যদিও এটা আমরা অর্গানিক কেমিকে গেলে শিখি
শক্তিমাত্রা তত কম হবে আকার যত বড় হবে
শক্তিমাত্রা তত কম হবে ঠিক আছে এবং আরেকটা
জিনিস এক নাম্বার কথা দুই নাম্বার কথা
হচ্ছে আলফা কার্বনে আলফা কার্বনে
হ্যালোজেন আলফা কার্বনে হ্যালোজেন যত বেশি
হবে শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে আলফা কার্বনে
হ্যালোজেন বাড়লে শক্তিমাত্রা বাড়ে চল
আমরা একটা এক্সাম্পল দিয়ে বোঝার চেষ্টা
করি তোমাকে আমি বললাম এই মিথানোইক এসিড
এইচ সিও এইচ দুর্বল এসিড গডগুলা সাধারণত
দুর্বল সরি দুর্বল এসিডগুলা দুর্বল এসিড
হয় CH3COOH
ওকে আর তোমাকে দিলাম CHইচ3 CH2 তারপরে
দিলাম COOH
ওকে ফাইন এখন বলতো এখানে কোনটা সবচেয়ে
শক্তিশালী এটা তারপরে এটা তারপরে আকার
বাড়লে শক্তিমাত্রা কমে আকার আকার যত বড়
হবে শক্তিমাত্রা তত কম হবে হ্যা আর এখন
যদি তোমাকে এরকম দেই দেখো CHচ3 COOH
আরেকটা দিলাম হচ্ছে CL CH2 COOH এইচ এই
দুইটার মধ্যে কে বেশি সক্রিয়? ভাই এটা
বেশি সক্রিয়। কেন? কারণ আলফা কার্বনে
ক্লোরিন আছে। আলফা কার্বন কোনটা? কার্যকরী
মূলকটা যে কার্বনে যুক্ত সেটাকে বলে আলফা
কার্বন। তো জৈব স্থিতির কার্যকরী মূলক
হচ্ছে cohচ। কোন কার্বনে যুক্ত? এই
কার্বনে যুক্ত? তাহলে এটা হচ্ছে তোমার
আলফা কার্বন। আলফা কার্বনে ক্লোরিন আছে।
তাহলে এটা শক্তিমাত্রা বেশি। এখন তুমি
দেখো এখানে আছে তোমার cl2 পিচ cohইচ।
তুমি বল এখানে কি আছে? ক্লোরিন দুইটা আছে
আলফা কার্বনে। তাহলে আরো বেশি শক্তিশালী।
ওকে? আর ধর এখানে যদি এরকম দেই cl3 cohচ।
তুমি খেয়াল করো এখানে তিনটা আছে। তাহলে
এটা কি আরো বেশি শক্তিশালী। এই হচ্ছে
আমাদের এসিডের শক্তি মাত্রা এখান থেকে
কিন্তু আমাদের পরীক্ষায় অনেক অনেক বেশি
প্রশ্ন আসে অনেক বেশি প্রশ্ন আসে
শক্তিশালী এসিড কে কয়টা মনে রাখবি দুর্বল
দুর্বল ক্ষার কে দুর্বল ষার মনে রাখবি
শক্তিশালী এসিড মনে রাখবি এমোনিয়াম
এমোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড এলুমিয়াম
হাইড্রোক্সাইড এই মনে রাখ এমোনিয়াম
হাইড্রক্স হাইড্রক্সাইড এগুলো দুর্বল
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড পটাশিয়াম হাইড্রক্স
এগুলো সব এগুলা মনে রাখ খালি ঠিক আছে ওকে
আসো এবার আমরা হচ্ছে আমাদের লবণের প্রকৃতি
দেখব এটা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে নিচের
কোনটি অম্লয়ী লবণ নিচের কোনটি ক্ষারীয় লবণ
নিচের কোন লবণের পিএইচ সাতের থেকে কম নিচে
কোন লবণের পিএ সাতের থেকে বেশি এগুলা
কিন্তু আমাদের পরীক্ষায় আসে এখন তুমি দেখ
এসিড এসিডটা যদি সবল
এবং খাটটা যদি তোমার দুর্বল হয় মনে রাখবা
যে সবল লবণটা তার ধর্মী হবে লবণটা কিরকম
হবে লবণের প্রকৃতি হবে অমলীয় লবণ এটা
কিরকম লবণ হবে এটা হবে আমাদের অমলীয় লবণ
ঠিক আছে এখন দেখ এসিড যদি দুর্বল হয় আর
যদি তোমার সবল হয় সবল হয় তাহলে তুমি যে
লবণটা পাবা যে সবল কার ধর্মীয় লবণ লবণটা
হবে আমাদের ক্ষারীয় লবণ কি লবণ ভাইয়া
ক্ষারীয় লবণ আর যদি দুইটাই সবল হয় এটাও
সবল এটাও সবল দুইটাই যদি সবল সবল হয় তাহলে
তুমি যে লবণটা পাবা সেটা হবে তোমার
নিরপেক্ষ লবণ নিরপেক্ষ লবণ দুইটাই যদি সবল
হয় তাহলে সেটা হবে নিরপেক্ষ আর যদি
দুইটাই দুর্বল দুর্বল হয় আসলে এরা
বিক্রিই করে না দুইটাই দুর্বল দুর্বল তখন
যে লবণটা পাবো সেই লবণটা আসলে এটার
ক্ষেত্রে কাইন আছে তোমাদের পরীক্ষায় আসবে
না এটা অমলীয় হইতে পারে এটা ক্ষারীয়
হইতে পারে এটা নিরপেক্ষ হইতে পারে ডিপেন্ড
করে কে কেবির উপর তোমাদের পরীক্ষা কখনো
আসবে না এগুলা ডিপেন্ড করে কে কেবির উপর
যার কে এর মান বেশি যদি কে বেশি হয় কেবির
থেকে পরে শিখাব কি জিনিস কে দরকার নাই
হ্যাঁ তোমরা এক্সাম্পল দেখি ধর আমি তোমাকে
বললাম আমাদের সকল এসিড সল এসিড ধর আমাদের
সকল এসিড হচ্ছে সালফিউরিক এসিড আমরা
কয়েকটা এক্সাম্পল দেখি তারপর তোমার সসি
আমাদের মনে কর এইযে একে তারপর সদ্রিক এসিড
আমরা তিনটা চারটা এক্সাম্পল দেখি দুর্বল
হচ্ছে মনে আমাদের এমোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
এ দুর্বলার অথবা এমোনিয়া একই কথা অথবা
এমোনিয়া মনে আমদের অ্যালুমোনিয়াম
হাইড্রোক্সাইড
তারপরে মনে কর আমাদের এ3
এগুলো আমাদের দুর্বল ওকে তো আমি যদি এখন
এদেরকে বিক্রিয়া করে লবণ বানাই তাহলে
লবণটা কিরকম হবে দেখোনিয়ার সাথে সালফেট
বিক্রিয়া তাহলে আমরা এখানে কি লবণ পাবো?
আমাদের এখানে লবণটা কি হবে? লবণটা হবে
এমোনিয়াম সালফেট। এই দেখো অ্যামোনিয়াম
সালফেট। সালফেটের যোজনই দুই অ্যামোনিয়ামের
যোজনী এক অ্যামোনিয়াম সালফেটের সংকেত হবে
এইটা। তারপর মনে কর ক্লোরিনের সাথে দিলে
অ্যামোনিয়া। তাহলে মনে কর যে অ্যামোনিয়াম
ক্লোরাইড। এগুলো আমাদের একটা অম্লয় লবণ
বুঝলা। তারপর মনে করো আমাদের
অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড। অ্যালুমিনিয়াম
অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড বিক্রিয়া করা।
অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড আর বিক্রিয়া
করা। তারপরে মনে কর যে আমাদের FeC3
ইত্যাদি এরকম আর লবণগুলো আছে এগুলো সব
হচ্ছে আমাদের কি লবণ? এগুলো আমাদের অম্লয়ী
লবণ। এগুলো আমাদের অম্লয়ী লবণ। এখন এবার
দেখ দুর্বল এসিড সবল খায় দুর্বল এসিডকে চল
দুর্বল এসিড কয়েকটা এক্সাম্পল দেখি দুর্বল
এসিডের এক্সাম্পল কি আমাদের দুর্বল এসিড
এক্সাম্পল হচ্ছে লাইক লাইক লাইক লাইক কি
বলা যায় ধর আমাদের এরকম যে দুর্বল এসিড
জৈব এসিডগুলো আমাদের দুর্বল এসিড এটা
দুর্বল এসিড তারপর মনে কর কার্বনিক এসিড3
এটা আমাদের একটা দুর্বল এসিড সবল ক্ষার কি
সবল ক্ষার হচ্ছে আমাদের পটাশিয়াম
হাইড্রোক্সাইড আমাদের সোডিয়াম
হাইড্রোক্সাইড এগুলো হচ্ছে আমাদের সাধারণত
সরল কষার তাহলে এদের যে লবণগুলো আছে
লবণগুলা কি হবে দেখ এইযে CH3
এটা আমাদেরটা কি এটা আমাদের একটা এটার
সাথে এটা বিক্রিয়া করো তারপর সোডিমের সাথে
বিক্রিয়া কর সোডিয়াম কার্বোনেট ওকে এগুলো
হচ্ছে আমাদের ক্ষারী লবণ তারপর মনে কর
পটাশিয়াম কার্বোনেট এগুলো হচ্ছে আমদের
বিক্রিয়া করার সাথে বিক্রিয়া কর দুইটাই সল
সল হয় দুইটাই যদি তোমার সবল সল হয় কিরকম
এখানে দিলাম আমি এ24 তারপরে তোমাকে দিলাম
তারপরে তোমাকে দিলাম নিয়ে কাজ করি এখন
সলার সকলার সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড
বিক্রিয়া করলে লবণগুলা পাওয়া যাবে। যেমন
সোডিয়াম সালফেট এ2 এ4 নিরপেক্ষ লবণ
সোডিয়াম ক্লোরাইড নিরপেক্ষ লবণ। ওকে?
তারপরে মনে কর সোডিয়াম নাইট্রেট নিরপেক্ষ
লবণ। তারপরে মনে করো পটাশিয়াম ক্লোরাইড
নিরপেক্ষ লবণ এরকম আর কি। তো এইযে যেটা
অম্লীয় লবণ অম্লীয় লবণের পিএইচ সবসময়
সাতের থেকে কম হয়। ওকে? ক্ষারীয় লবণের
যে পিএচ ক্ষারীয় লবণের পিএ সবসময় সাতের
থেকে বেশি হয়। নিরপেক্ষতার পিএ কি হয়?
নিরপেক্ষ লবণের পিএ হচ্ছে সাতের সমান। এটা
আমরা মোটামুটি জানি। এগুলো আমরা মোটামুটি
জানি। ওকে আমাদের এইটাই হচ্ছে আমাদের
লবণের প্রকৃতি। হ্যাঁ। এখন মাঝে মাঝে
তোমাকে বলে অক্সাইডের নিচের কোন
অক্সাইডটির পিএইচ এর মান এত থেকে কম অত
থেকে কম এরকম। তো মনে রাখবা ধাতুর অক্সাইড
ক্ষারীয়। ওকে? একটা জিনিস মনে রাখবা অল্প
কিছু জিনিস মনে রাখলে হয়। ধাতুর অক্সাইড
ক্ষারীয়। ধাতুর অক্সাইড অক্সাইড
ক্ষারীয়। ঠিক আছে? ধাতুর অক্সাইড
ক্ষারীয়। ক্ষারীয় মানে কি? ক্ষারীয়
মানে হচ্ছে পিএ গ্রেটার সে। এ ধাতু কে
সোডিয়াম অক্সাইড এ2 পটাশিয়াম অক্সাইড
কেটও ক্যালসিয়াম অক্সাইড ম্যাগনেশিয়াম
অক্সাইড এগুলো সব ধাতুর অক্সাইড ধাতুর
অক্সাইড সবাই ক্ষারীয় আর অধাতুর অক্সাইড
হচ্ছে অম্লীয় অধাতুর
অক্সাইড অম্লীয় অধাতুর অক্সাইড অম্লয়
অধাতুর অক্সাইড অম্লয় তো অম্ল অক্সাইডের
পিএ কি হবে সাতের থেকে কম হবে সাতের থেকে
কম হবে অধাতুর অক্সাইড যেমন ধর আমাদের
নাইট্রোজেন অক্সাইড ফসফরাসের অক্সাইড পট
তারপর তারপর ক্লোরিন ডাইঅক্সাইড, Cl2O7
ইত্যাদি। যে অধাতু যারা আছে কার্বন ডাই
অক্সাইড। হ্যাঁ, কার্বন ডাইঅক্সাইড,
অধাতুর অক্সাইড। কার্বন একটা অধাতু তার
অক্সাইড। এই অধাতুর অক্সাইড হচ্ছে আমাদের
কি বলতো? অধাতুর অক্সাইড হচ্ছে আমাদের
আমাদের হচ্ছে অম্লীয়। আরেকটা হচ্ছে
উভধর্মী অক্সাইড। উভধর্মী
অক্সাইড। এখন উভধর্মী কথাটা নাম হচ্ছে
এমফোটেরিক বামপ্রোটিন। মাথায় উভটা শর্টকাট
মনে রাখবা। সেটা হচ্ছে জানুশোনা এল। জানু
সোনা এল এল।
বেবি পালিয়ে
পালিয়ে গেল জাস্ট এইটুক মনে রাখো ওকে বেবি
পালিয়ে গেল জানু সোনা এল বেবি পালিয়ে গেল
জানু মানে হচ্ছে জিংক জিংকের অক্সাইড সোনা
মানে হচ্ছে টিন এলো মানে হচ্ছে
অ্যালুমনিয়াম বেবি মানে হচ্ছে বেরিলিয়াম
পালিয়া মানে হচ্ছে পিবি গেল মানে হচ্ছে
বেরিলিয়াম এদের যে এদের যে অক্সাইড গুলা
আছে এদের যে অক্সাইড গুলা আছে এগুলো সব
হচ্ছে উধর্মী অক্সাইড তারানে জিংকের
অক্সাইড অ্যালুমিনিয়ামের অক্সাইড লেডের
অক্সাইড এগুলা হচ্ছে উপধর্মী অক্সাইড ঠিক
আছে তো এগুলা কিন্তু ধাতু বাট এগুলা
কিন্তু উপধর্মী তো এটা একটু মাথায় রাখবা
যে উভধর্মী কারা সবার আগে উধর্মী চেক দিবা
ঠিক আছে তারপরে ধাতু অক্সাইড অধাতু
অক্সাইড তো এগুলা থেকে আমাদের পরীক্ষার
প্রশ্ন আসে আমরা একটু দেখে ফেলি চল আমাদের
অক্সাইড থেকে বা এইযে এতক্ষণ যে কনসেপ্টটা
পড়লাম এখান থেকে প্রচুর এমসিকউ আসে এবং
খুবই ইম্পর্টেন্ট একটা টাইপ নিয়ে আলোচনা
করছি এতক্ষণ প্রচুর প্রচুর প্রচুর এমসিকউ
এখান থেকে দেখি বলছে CH3OH পানি এখান থেকে
বিক্রিয়া করলে CH3O বিক্রিয়াতে অনুবন্ধী
ক্ষারক কোনটি তোমরা বল অনুবন্ধী ক্ষারকে
অনুবন্ধী ক্ষার কখন পাওয়া যায় অনুবন্ধী
ক্ষার কখন পাওয়া যায় একটা প্রোটন একটা
প্রোটন দান করলে একটা এসিড যখন একটা এচ
প্লাস দান করে একটা এচ প্লাস যখন দান করে
তখন আমরা একটা অনুবন্ধী ক্ষার পাই। এটা
একটা এ প্লাস দান করলে CH3 সিও মাইনাস
পাওয়া যায়। এই যে CH3 CO মাইনাস এটা হচ্ছে
তোমার অনুবন্ধী ক্ষার। ঠিক আছে? তারপরে
দেখি অ্যামোনিয়া যৌগের অনুবন্ধী অল কোনটি?
কানার ভাই অন্ধকারে একটা প্রোটন গ্রহণ
করতে হবে। এমোনিয়াম আয়ন। এই অনুবন্ধী টপিক
থেকে প্রচুর প্রশ্ন আসছে। আমি দেখছি
বাইসালফারের অনুবন্ধী অমল কোনটি? একটা
প্রোটন গ্রহণ করলে অনুবন্ধী অমল পাওয়া যায়
সালফিউরিক এসিড। ওকে? আচ্ছা তারপরে আসো
দেখাইছি তোমাদেরকে। বাইসাফের অনুবন্ধার
কোন অনুবন্ধী ক্ষার কখন? প্রোটন দান করলে
ার সালফেট আয়ন এখান থেকে একটা কষার একটা
প্রোটন দান করলে ঠিক আছে পানির অল উন্টা
গ্রহণ করলে এ3 পকে চল তারপরেরটাতে যাই
আমরা এরপরে হচ্ছে দেখ নিচের কোনটি উধ পানি
বাইকার্বোনেট বাইসালফেট বাইফসফেট
বাইকার্বনেট অপশনে আছে দেখ চল তারপরেরটাতে
যাই নিচের কোনটি তীব্র বা শক্তিশালী এসিড
এগুলার মধ্যে কোন এসিডের সবচেয়ে শক্তিশালী
যার কে কে কে কে কে কে কে কে কে কে
কেন্দ্রীয় পরমাণু জারমান সবচেয়ে বেশি CLO4
এ জারন মান প্লাস সেভেন ঠিক আছে তারপরে
বলছে এসিডের তীব্রতার সঠিক ক্রম কোনটি
এসিডের তীব্রতার সঠিক ক্রম কোনটি দেখি
আমরা প্লাস সালফিক এসিড না
এটা দেখ সেটাও দেখ কিন্তু আকার ছোট এটা
হচ্ছে প্লাস সদ প্লাস এটা ঠিক আছে সেই
কিন্তু সেন্দু বেশি সক্রিয় যার ছোট আকার
ছোট বৈশি
এখানে দেখে এটা হচ্ছে প্লাসফ্যা আর এখানে
প্লাস সক্স প্লাস প্লাস না হবে না দেখো
খেয়াল করো এটা হচ্ছে প্লাস সে এটাও প্লাস
সে তুমি চিন্তা কর এটা কি ঠিক আছে ঠিক নাই
কেন ঠিক নাই কারণ উলটা দেওয়া আছেসার হবে
আমাদের এখানে বিটা দেখ কতবার আসছে খুবই
ইম্পর্টেন্ট খুবই ইম্পর্টেন্ট এই টপিকগুলা
নিচের কোন স্থিতি সবচেয়ে শক্তিশালী এগুলার
মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী এসিড চাই
হাইড্রোজেন হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী এসিড
এগুলার মধ্যে ওকে চল তারপরেরটা দেখি এ
ধরনের অমল পথে থেকে কম হয় এটা অময় লবণ কি
হবে থেকে কম যদি সোডিয়াম কার্বোনেট ক্ষয়ী
লবণের থেকে বেশি ঠিক আছে থেকে বেশি হবে
কোন অক্সাইডটি পিএচ এর মান সাতের বেশি
তারানে কোনটা সাতের বেশি কোনটা কোনটা
ক্ষারীয় অক্সাইড। কোনটা ক্ষারীয় অক্সাইড।
কারণ ক্ষারী অক্সাইড পেয়ে যদি সব থেকে
বেশি হবে। ধাতুর অক্সাইড। ধাতুর অক্সাইড
ক্ষারীয় সোডিয়াম অক্সাইড। এবার দেখো আমরা
তার পরের টাইপ নিয়ে আলোচনা করতেছি। ঠিক
আছে? আমাদের তার পরের টাইপটা হচ্ছে বিয়োজন
ধ্রুবক। আমাদের ছয় নাম্বার। তো ছয় নাম্বার
টাইপের বিয়োজন ধ্রুবক নিয়ে আলোচনা করব।
খুবই সহজ সহজ জিনিস প্যারা নিও না। বিয়োজন
ধ্রুবক জিনিসটাকে একটু আমাদের কনসেপ্ট
ক্লিয়ার করতে হবে সবার আগে। তো এসিডের
বিয়োজন ধ্রুবক কে দ্বারা প্রকাশ করে?
ক্ষারের বিয়োজন ধ্রুবকে কেবি দ্বারা
প্রকাশ করে। ওকে? বিয়োজন ধ্রুবক মানে
কিছুই না। বিয়োজন ধ্রুবক মানে আসলে হচ্ছে
কেসি। বিয়োজন ধ্রুবক মানে কি বলতো? এই
বিয়োজন ধ্রুবক মানে আসলে হচ্ছে কে। কোন
একটা বিক্রিয়ার কে আমরা বলি বিয়োজন
ধ্রুবক। এখন এ একটা বিক্রিয়া যখন এসিড
বিয়োজিত হয় তখন এসিডের বিক্রিয়ার কেসিকে
বলা হয় এসিডের বিয়োজন ধ্রুবক ক্ষারের
বিক্রিয়া ক্ষার যখন বিয়োজিত হয় ক্ষারের
বিক্রিয়ার এসিকে বলা হয় ক্ষারের বিয়োজনক
চল একটু বুঝাই তোমাকে হ্যা ধর তোমার কাছে
একটা এসিড আছে এসিডের মধ্যে অবশ্যই কি
থাকে হাইড্রোজেন থাকে তাইলে এই একটা এসিড
এখন এই এসিটা যখন বিয়োজিত হয় ভাঙ্গে এটা
ভেঙ্গে কি তৈরি করে এটা ভাইঙ্গা তৈরি করে
এই প্লাস আর তৈরি করে তোমার হচ্ছে এ
মাইনাস এইযে বিক্রিয়া এই বিক্রিয়া যদি
তোমাকে আমি বলি বিক্রি বের করু বিক্রি কি
হবে এই বিক্রিয়া হবে এই দেখ এই প্লাস
ঘনমাত্রা
ইনটু এ মাইনাস এর ঘনমাত্রা নিচে আসবে এইচ
এর ঘনমাত্রা তাই না এই এর ঘনমাত্রা এখন এই
যে কেসিটা এই কেসিটাকে বলা হয় এই
বিক্রিয়ার জন্য কে এসিডের সম্মান করে কে
নামে রাখা হয় তোমার কাছে ক্ষার আছে
ক্ষারের সংকেত কিারের মধ্যে OHচ থাকেটা
কমন ক্ষারের সংকেত হচ্ছে BOH ক্ষার
বিয়োজিত হয়ে কি তৈরি করে ক্ষার বিয়োজিত
হয়ে তৈরি করে বি প্লাস আর তৈরি করে তোমার
হচ্ছে OHচ মাইনাস। তাহলে এখন তুমি দেখো
তোমার যদি বলা হয় এই ক্ষারের বিয়োজন
ঝুমকের মান কি? BOH এটা বিয়োজিত হয়ে কি
সরি এটার জন্য এই বিক্রিয়ার কিসির মান কি?
এই বিক্রিয়ার জন্য কেসির মান বের করতে পার
তাহলে কেক কি উৎপাতের ঘনমাত্রা উৎপাদ কি
বি প্লাস এর ঘনমাত্রা ইটু হচ্ছে
হাইড্রোক্সিলের ঘনমাত্রা নিচে হবে বিচ এর
ঘনমাত্রা নিচে হবেবিচ এর ঘনমাত্রা শেষ খতম
মনে রাখবা একটা জিনিস এখান থেকে যেটা
পড়াইতে চাচ্ছি সেটা হচ্ছে ভাইয়া এই কে এর
মান যত বেশি হবে কে এর মান যত বেশি হবে
এসিড এসিডের শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে
এসিডের শক্তিমাত্রা শক্তিমাত্রা তত বেশি
হবে বুঝতে পারছ মনে থাকবে কে এর মান যত
বেশি হবে এসিডের শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে
এটা জিনিস মনে রাখবা এখান থেকে যে কে এর
মান যত বেশি হবে বেশি হবে pk এর মান ঠিক
তত কম হবে এবং কে এর মান যত বেশি হবে
সেটার শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে পি এর মান
এর মান এর মান এর মান এর মান এর মান এর
মান এর মান এর মান এর মান এর মান যত কম
হবে সেটার শক্তিমাত্রা তত বেশি হবে যদি
প্রশ্নে কে দেওয়া থাকে তাহলে এর মান যে
এর মান বেশি সেটা শক্তিমাত্রা বেশির
প্রশ্নে যদি পদে দেওয়া থাকে যার পি এর
মান কম তার শক্তিমাত্রা বেশি তাহলে
ক্ষেত্রে আমরা কি লিখবের যে এই আদর করে কি
নামে ডাকে কেবি নামে ডাকে তো মনে রাখবা এই
কেবির মান যত বেশি হবে পবির মান যত কম হবে
মান যত কম হবে ওকে পি কেবির মান যত কম হবে
ক্ষারের শক্তিমাত্রা ক্ষারের শক্তিমাত্রা
তত বেশি হবে ক্ষারের শক্তিমাত্রা তত বেশি
হবে ওকে এটা হচ্ছে আমাদের এই এসিড এবং
বিয়োজন ধ্রুবক এগুলা থেকে ছোট ছোট আমি
কিন্তু সব কনসেপ ক্লিয়ার করে দিচ্ছি
তোমাদের একদম রিভিশন হয়ে যাচ্ছে কিন্তু
ঠিক আছে রিভিশন হয়ে যাচ্ছে তোমাদের এবং
এখান থেকে একটা জিনিস মনে রাখবা তোমরা
একটা জিনিস সেটা হচ্ছে ইবি
জিনিস গুণ করলে সামনে দেখাব আরবি গুণ করলে
কি আসে ওকে লিখা দেখবি গুণ করলে আস
সামনে দেখাচ্ছি এখানে এখানে তো এখানে পরে
পেজ দেখাচ্ছি কে আর কে গুণ করলে কি আছে ড
এটা বুঝতে পারছো মনে রাখবা প্রশ্নে
প্রশ্নে কে কেবি দেওয়া থাকলেই দুর্বল হবে
হ্যাঁ প্রশ্নে যদি কে কেবি দেওয়া থাকে
তাহলে সেটা দুর্বল লিখে রাখো প্রশ্নে
কে ও কেবি কে এ ও কেবি দেওয়া থাকলেই
দুর্বল দেয়া থাকলেই দুর্বল মনে রাখবা
যারা দুর্বল তাদেরই কে কেবি দেওয়া থাকে
প্রশ্ন যদি কে কেবি দেওয়া থাকে তাহলে
সেটা কি হবে দুর্বল হবে কোন কথা নাই কোন
গল্প হবে না সেটা সিম্পলি দুর্বল হবে
দুর্বল হবে ওকে চল আমরা একটু দেখি পানির
আয় গুণফল এইযে পানি পানির আয়নিক গুণফল
পানির আয়নিক গুণফল KW দ্বারা প্রকাশ করে
KW মানে কি জানো KW মানে হচ্ছে এইচ প্লাস
এর ঘনমাত্রা ইনটু হচ্ছে ওএস মাইনাস এর
ঘনমাত্রা এই দুইটা জিনিসকে একত্রে বলা হয়
KW এবং এই KW এর মান কত 10 টু দি পাওয়ার
মাইনাস 14 টু দি পাওয়ার মাইনাস 14 কেড একক
কত 10 মাই কত তাপমাত্রা 25 ডিগ্রিতে 25
ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওকে এবং এটার একক কি
যদিও একক নাই কিন্তু পরীক্ষায় যে এক লিখতে
হবে একক হবে মোল পার লিটার মোল মোল পার
লিটার স্কয়ার মোল
পার লিটার এটার ঘনমাত্র ঘনমাত্রা মল পার
লিটার ম লিটার স্কড
বঝা গেছে এখান থেকে মনে রাখেটা জিনিস মনে
রাখবা
হচ্ছে প
এবং এটা সমান কত হবে সবে 14
মনে থাকবে এগ সূত্র আচ্ছা আবার মনে রাখবাড
হচ্ছে আরেকটা সত্র মনে রাখ এখান থেকে সেটা
হচ্ছে
ড হচ্ছে ইবি
এবং এটার মান কত পাওয়ার মাই ঠিক সিমিলার
আগের মত লিখতে পারডা
হবে
মান 14
মাইড মান কত 14 কত তাপমাত্রায় 25 ডিগ্র
সেলসিয়াস
লিখতে পারি
ম
সত্র হচ্ছে 14লিয়ার বুঝতে পারছো সবাই?
এগুলা কিন্তু আমাদের সূত্র। এই সূত্রগুলো
কিন্তু আমাদের কাজে লাগবে। ওকে? এগুলো
খুবই গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। কিন্তু ওকে
ফাইন। গেল এবার এখান থেকে এখান থেকে আর কি
মনে রাখবা? এখান থেকে জিনিস মনে রাখবা এইচ
প্লাস এর ঘনমাত্রা যত বেশি হবে পিএইচ এর
মান তত কম হবে। মানে এই প্লাস এর সাথে
পিএচ এর ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক। ঠিক আছে?
এই প্লাস এর ঘনমাত্রা যত বেশি হবে পিএচ এর
মান তত কম হবে। এবং অম্লধর্মিতা তত বেশি
হবে। অম্ল ধর্মীতা তত কি হবে? বেশি হবে।
অম্লধর্মিতা তত বেশি হবে। ওকে? ক্লিয়ার?
গেল। আরেকটা জিনিস মনে রাখবেন তাপমাত্রা
বাড়াইলে তাপমাত্রা যত বাড়াবা আমরা যত বেশি
তাপমাত্রা বাড়াব তাপমাত্রা বাড়াইলে পানির
বিয়োজন ধ্রুবকের মান কেড আমরা যদি
তাপমাত্রা বাড়াই আমরা যদি তাপমাত্রা বাড়াই
তাহলে আমাদের পানির যে বিয়োজন কেড মান
বৃদ্ধি পায়ড মান বৃদ্ধি পায় পানির
তাপমাত্রা বাড়াইলেড পানির বিয়োজন ধ্রুবকের
মান বৃদ্ধি পায় মনে তাপমাত্রা বাড়াইলে
পিএচ এর মান হ্রস পায় পচ এর মান হ্রস পায়
ওকে কেড মান বৃদ্ধি পায় এবং পিএচ এর মান
হ্রস পায় এটা খুব ইম্পর্টেন্ট একটা লাইন
তাপমাত্রা বাড়াইলে কেড মান বাড়েন্ কিন্তু
পিএইচ এর মান কমে। এগুলো হচ্ছে আমাদের
মোটামুটি কিছু ইম্পর্টেন্ট লাইন প্রাই
আয়নিক গুণফল থেকে যেটা আমাদের প্রায় সময়
অংক টঙ্ক করতে গেলে বা আমাদের বিভিন্ন
এমসিকিউতে কাজে লাগে এখান থেকে। ওকে? চল
আমরা তারপরেরটা দেখি আমাদের বিয়োজন
ধ্রুবকের রাশিমালা বা সল্টের লোহকরণের
সূত্র। আমাদের বিয়োজন ধ্রুবকের রাশিমালাটা
কি জানো? বিয়োজন ধ্রুবক ধর একটা এসিড আছে।
এইযে এই এসিডটা ভেঙ্গে কি তৈরি করে? এ
প্লাস আর হচ্ছে এ মাইনাস তৈরি করে। এখন
এটার জন্য তোমরা যদি বলি এ বিয়োজন
ধ্রুবকের রাশিমালাটা কি? সমান সমান কি? এই
বিক্রিয় সমান সমান হচ্ছে এ প্লাস এর
ঘনমাত্রা
ই এ মাইনাস এর ঘনমাত্রা তাই না নিচে কি
আসবে এইচ এর ঘনমাত্রা এইচ এ এর ঘনমাত্রা
এখন কথা হচ্ছে এটাকে আমরা যখন একটু
ক্যালকুলেশন ক্যালকুলেশন করবো তখন এই এর
মান আসবে কত জানো α স্কয়ার ই সি ডিবাও মাই
আলফা স্কয়ার ওকে মাই আফা সরি আ স্কয় মাই
আফা এবং দুর্বলের জন্য এই ইকুয়েশনটা গিয়ে
দাড়ায় দুর্বল এসিডের জন্য এই দুর্বল
এসিডের জন্য কি হয় জান দুর্বল এসিডের জন্য
এই রাশিমালাটা হয় গিয়ে শুধু আলফা স্কয়ার
ইনটু সি আলফা স্কয়ার ইট সি ওকে এটা কি
আমরা বলি আমাদের দুর্বলের জন্য কে এর
রাশিমালা ওকে এটা পরীক্ষা আসতে পারে নিজের
কোনটি শর্ত খুবই ইম্পর্টেন্ট হ্যা এগুলো
তোমাদের জানার কথা এখন এই জিনিসটাকে
মডিফাই করি দেখ এভাবে লিখতে পারি কিনা
এটাকে এভাবে লিখতে পারি কিনা আলফা হচ্ছে
আফবা
রটভার অফ লেখা যায় সেখান থেকে দেখ লেখা
যায় না আলফা সমান সমান রটভার অফ ইবা রট
লেখা যায় তাই এখন এখন দেখতো তাহলে এখান
থেকে লেখা যায় না আলফা এই দেখো কে কি
বিয়োজন ধ্রুবক এটা ধ্রুবক নামই তো ধ্রুবক
তাহলে এটা একটা ধ্রুবক আর এটা উঠায়ে ফেলে
এখানে কি সমানুপাতিক সাইন বসানো যায় 1 /
রুট সি তার মানে কি যে বিয়োজন মাত্রা
ঘনমাত্রার বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক এবং
এটাকেই বলা হয় অসয়ালদের লঘুকরণ সূত্র
এটাকেই বলা হয় অসওয়ালদের
অসওয়ালদের
লঘুকরণ সূত্র লঘুকরণ সূত্র ঠিক আছে
অসয়ালের লঘুকরণ সূত্র এখন এখান থেকে একটা
জিনিস মনে রাখবা এই দুর্বলের জন্য
দুর্বলের আলফা টেন্স টু জির আর সবলের
বিয়োজন মাত্রা আলফার মান হয়ও যেটা দুর্বল
যখন তোমাকে দুর্বল এসিড তার জন্য আলফার
মানে জ আর সকলের জন্য আলফার মান হবে এখান
থেকে এই সূত্রটা মনে রাখতে হবে এখান থেকে
এই সূত্রটা মনে রাখতে হবে মনে থাকবে না যে
জন্য এখান থেকে এস ঘনমাত্র হবে এস
ঘনমাত্রা হবে কি রটভার অফ কে ই রটভার অফ
কে ইবা
আফ এইটা মনে রাখবা এস ঘনমাত্র হবে রটভার ই
অথবা আলফা তো যদি কোন কখনো প্রশ্ন এর মান
দেওয়া থাকে বুঝবে এটা হচ্ছে দুর্বল আর
এটাকে আমরা কি বলি অসলের লোহকরণ সূত্র
সেটা কি বিয়োজন মাত্রা ঘনমাত্রার
বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক ওকে ডান তাহলে
চল আমাদের ছয় নাম্বার টাইপের আমরা আমাদের
যে এমসিকু আছে সেগুলো দেখি কি বলছে
অম্লবাারের বিয়োজন মামাত্রার সাথে লবণের
ঘনমাত্রার সম্পর্ক কি বর্গের
ব্যস্তানুপাতিক বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক
বর্গমূলের ব্যস্থানুপাতিক তার পরেরটা দেখি
কি বলছে বলছে অসু সূত্রের গাণিতিক প্রকাশ
কোনটি অসুস্থ গিণিত প্রকাশ রই আট অফ কেবা
বাবা বা ঠিক আছে বাই তো সূত্র আচ্ছা চল
তারপরটা দেখি পানির আয়ন গুণফলের মান কত
পানির আয় গুণফল মান হচ্ছে 10 পায়ার মাই 14
মাই তাই ভাই অন্ধ পারে তারপরটা দেখি কি
বলছে বলছে পানির আয় গুণফলড একক কোনটি মোল
পার লিটার স্কয়ার মোল স্কয়ার ইনভার্স মোল
স্কয়ার লিটার ইনভার্স মোল পার লিটার
স্কয়ার ওকে চল তারপরে দেখি কি বলছে দেখতো
25 ডিগ্র সেস পকেড মান কত 14 25 ডিগ্র
পিকেড মান কত 14 আমরা জানি আসো তারপরটা
দেখি তারপরে কি বলছে দেখি হ্যাঁ এবার আস
তুল সংখ্যা সম্পর্কে জানব যেটা তুমি আগে
থেকেও পড়ছো তুল্য সংখ্যা সম্পর্কে তোমরা
আগে থেকেও জান তোমাদেরকে অনেকবার পড়ানো
হয়েছে এসিডের তুল্য সংখ্যা হচ্ছে
প্রতিস্থাপনী এ প্লাস এর সংখ্যা যদি
তোমাকে বলে ভাই এই তুল্য সংখ্যা কত এই
জন্য তুল্য সংখ্যার মান হচ্ছে ওয়ান
সালফিউরিক এসিডের জন্য তুল্য সংখ্যার মান
কত সালফিউরিক এসিডের জন্য তুল্য সংখ্যার
মান হচ্ছে দুই কারণ দুইটা এস দান করতে
পারে যদি তোমাকে বলা হয় ch3
এর তুল্য সংখ্যার মান কত ভাই দেখ এখানে
চারটা হাইড্রোজেন আছে কিন্তু জৈব এসিডের
ক্ষেত্রে আমরা জানি যে আমাদের এসিডের এই
হাইড্রোজেনটা কেবল প্রতিস্থাপিত হতে পারে
এইযে যদি হাইড্রোজেন থেকে এটা
প্রতিস্থাপিত হইতে পারে। তাহলে হাইড্রোজেন
আছে চারটা বাট প্রতিস্থাপিত হইতে পারে
একটা। তাহলে তুল্য সংখ্যা ওয়ান। তোমাকে
যদি বলা হয় ভাইয়া H3PO4 এর জন্য কত? এই
H3P পিও4 এর এটার তুল্য সংখ্যার মান কত?
এটার তুল্য সংখ্যার মান হচ্ছে তিন। এই
পিo2 এটার তুল্য সংখ্যার মান কত ভাইয়া?
PO3। এটার তুল্য সংখ্যার মান হচ্ছে দুই।
আর যদি বলে H3PO2 এটার তুল্য সংখ্যার মান
কত? এটার তুল্য সংখ্যার মান হচ্ছে ওয়ান।
দেখো এগুলা প্রত্যেকটাতেই তিনটা করে
হাইড্রোজেন আছে। আর সবগুলো প্রতিস্থাপিত
হইতে পারে না। এগুলা ব্যাখ্যা তোমাদেরকে
একাডেমিকে পড়াইছি হয়। বাট এখন আসলে এগুলা
ব্যাখ্যা দেওয়ার কিছু নাই। মনে রাখবা।
ক্ষারের ক্ষেত্রে কি? প্রতিস্থাপনে ওই
সংখ্যা অথবা গত এ প্লাস এর সংখ্যা। তো
ক্ষার ধর তোমাকে আমি বললাম সোডিয়াম
হাইড্রোক্সাইড এটার তুল্য সংখ্যার মান কত?
এর তুল্য সংখ্যার মান হচ্ছে ওয়ান। কারণ
একটাই ওয়েচ আছে। তোমারে বললাম ভাইয়া
ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এটার তুল্য
সংখ্যার মান কত? দুই। কারণ দুইটা ওয়েচ
আছে। সো এটার তুল্য সংখ্যার মান হবে দুই।
তো তোমাকে বললাম অ্যামোনিয়া অ্যামোনিয়ার
তুল্য সংখ্যা কত? তোমরা অনেকেই বলবা
শূন্য। কিন্তু দেখো এমোনিয়া একটা ক্ষার
অ্যামোনিয়া ওই মাইনাস দান করতে না পারে
না। কিন্তু এমনি কিন্তু এই প্লাস গ্রহণ
করতে পারে। তো হয় ওইচ মাইনাসের সংখ্যা
তাহলে গৃহীত এই প্লাস একটা প্লাস গ্রহণ
করে অ্যামোনিয়ার তুল্য সংখ্যা ওয়ান।
ধাতু ও ধাতুর ক্ষেত্রে সক্রিয় যোজনী। ধরো
ম্যাগনেশিয়ামের যদি বলে তুল্য সংখ্যা কত?
দুই। ক্যালসিয়ামের তুল্য সংখ্যা কত? দুই।
দুই বুঝতে পারছো যা দুজনই যা লবণ অক্সাইড
বা ক্ষারীয় যৌগের তুল্য সংখ্যা কি
ক্যাটায়নের চার্জ ইটু ক্যাটায়নের সংখ্যা
ধর তোমাকে বললাম সোডিয়াম কার্বোনেটের
তুল্য সংখ্যার মান কত সোডিয়াম কার্বোনেট
এখানে ক্যাটায়ন কে সোডিয়াম সোডিয়ামের
চার্জ কত প্লাস ওয়ান এখন তোমরাই বল তাহলে
কি ক্যাটায়নের চার্জ হচ্ছে প্লাস ওয়ান
ইনটু ক্যাটায়ন সোডিয়াম কয়টা আছে এখানে
দুইটা ইনটুট ইকুয়ালটু হবে দুই ধর তোমার
আমি বললাম এখানে আছে আমাদের ম্যাগনেশিয়াম
কার্বোনেট এমজিও3 তোমরা বল ক্যাটায়ন কে
ম্যাগনেশিয়াম ম্যাগনেশিয়ামের চার্জ কত
প্লাসট তাহলে কি হবে ক্যাটায়নের চার্জ
হচ্ছে প্লাসটু এরকম কয়টা ম্যাগিশিয়াম
আছে কয়টা আছে ম্যাগনেশিয়াম একটাই আছে তুল
সংখ্যকের মান হবে দুই তোমারে বললাম ভাইয়া
অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড
তুমি খেয়াল করো এখানে ক্যাটায়ন কে
অ্যালুমিনিয়াম এলুমিনিয়ামের চার্জ কত
প্লাসথ এরকম কয়টা এলুমনিয়াম আছে প্লাসথ
এরকম দুইটাই এলুমিনিয়াম আছে তাহলে তুল্য
সংখ্যার মান কত হবে তুল্য সংখ্যার মান কত
হবে বঝা গেছে কিনা তাহলে এভাবে আমরা তুল্য
সংখ্যা বের করে ফেলতে পারি আশা করি সবাই
বুঝতো দেখ তোমাকে মাঝে মাঝে প্রশ্ন অমৃত্ত
কত ক্ষারক বের করতে মনে রাখবা সোজাটা কথা
যখন যেটা বলুক অমৃত বলার যাই বলুক না কেন
অঙ্গ বলক ক্ষারকত্ব বলক যাই বলুক কেন
অলওয়েজ রিমেম্বার এটা মানে তুল্য সংখ্যা
চাইছে H3 পিও2 এর ক্ষারকত্ব কত মানে H3PO2
এর তুল্য সংখ্যা কত এটার তুল্য সংখ্যা
হচ্ছে ওয়ান তুল্য সংখ্যা কত তুল্য সংখ্যা
হচ্ছে ওয়ান ঠিক আছে তারপরে বলছে দেখো
অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের অম্লত্ব নিচের
কোনটি এত মানে কি তুল্য সংখ্যা তুল্য
সংখ্যা কত অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের ছয়
অ্যালুমিন অক্সাইড কত ছয় এই ধরনের প্রশ্ন
তোমার পরীক্ষায় অনেক আসছে এটা খুব হট টপিক
মাঝে মধ্যে অম অল ক্ষারকত্ব বের করতে বলে
যদি করে আশা করি তোমরা পারবা আশা করি
তোমরা পারবা ঠিক আছে ঠিক আছে কার্বন
ডাইঅক্সাইডের জন্য কত দুই মনে রেখো কার্বন
ডাইঅক্সাইডের জন্য কতদ ওকে আসো আমরা এবার
আমাদের পিএস ক্যালকুলেশন দেখব আমাদের টাইপ
সেভেন সাত নাম্বার টাইপ যেখানে আমরা পিএস
কিভাবে ক্যালকুলেট করতে এটা দেখবার তোমরা
জানো পিএস ক্যালকুলেশন আসলে আমার শিখানোর
কিছু নাই এটা তোমরা জানো তবে পিএস
ক্যালকুলেশন করতে গেলে তোমাদের কিছু জিনিস
মাথায় রাখবা কয়েকটা সূত্র যেমন ঘনমাত্রার
সূত্রটা কি একা একা হচ্ছে আমরা সবাই
মোটামুটি জানি ঘনমাত্রা বের করার সূত্র
হচ্ছেড 1000 বা ইভি এই সূত্রটা মনে আছে তো
সবার তাই না ঘনমাত্রা যদি ভর আর আয়তন
দেওয়া থাকে তাহলে এই সূত্রটা ব্যবহার করে
আমরা কি করতে পারি আমরা ঘনমাত্রা বের করে
ফেলতে পারি ওকে তারপরে আমাদের যখন
পারসেন্টেজ দেওয়া থাকে ধর তোমাকে বললাম
এক্সটডবা
দে থাকে তখন তার জন্য আমাদের ঘনমাত্রা
আমরা কিভাবে বের করি এই ঘনমাত্রা কোন আসে
লিখে মোলারিটিকে আসে মোলারিটিকে মোলারিটি
এবার দেখ যখন পারসেন্টে থাকে তখন তার জন্য
ঘনমাত্র বের সূত্রটা কিবা
আবিক ভর আচ্ছা আমাদের এক নাম্বার সূত্র
যদি কখন এরকম এক্সসেডবা
তখন তোমাদের মনে আছে সূত্রটা কি হবে তখন
ঘনমাত্রা বের করার সূত্রটা হবেট
রবা এ ঠিক আছে প্রত্যেকটা কোণ এককে আসবে
প্রত্যেকটা আমাদের হচ্ছে মোলারিটি এককে
আসবে কোন এককে আসবে মোলারিটি এককে আসবে এই
প্রত্যেকটারই একক হবে মোলার একক হবে মোলার
কোন এককে আসবে মোলার এককে আসবে ঠিক আছে
বুঝতে পারলে এটা হচ্ছে আমাদের এক নাম্বার
সূত্র আমরা একটু লিখে রাখি এটা হচ্ছে
আমাদের দুই নাম্বার সূত্র এটা হচ্ছে
আমাদের দুই নাম্বার টপিক এরপরে তিন
নাম্বার আরেকটা জিনিস মনে রাখ সেটা হচ্ছে
নরমালিটি এন ইকুয়াল নরমালিটি এন ইকুয়াল
হচ্ছে এস ইনই মোলারিটিকে তুল্য সংখ্যা
দ্বারা গুণ করতে হয় মোলারিটিকে তুল্য
সংখ্যা দ্বারা গুণ করলে নরমালিটি পাওয়া
যায় ওকে আর আমাদের চার নাম্বার আরেকটা
জিনিস মনে রাখবা সূত্র হচ্ছে লুঘুকরণের
সূত্র। লঘুকরণ
লঘুকরণ বলতো লঘুকরণের সূত্রটা কি মনে আছে
তোমাদের নিশ্চয়ই। লঘুকরণ মানে কি? লঘুকরণ
কথাটার মানে হচ্ছে লঘুকরণ মানে হচ্ছে পানি
যোগ করা। ওকে? লঘুকরণ মানে কি? এইযে লঘু
করণ। লঘুকরণ মানে কি? লঘুকরণ মানে হচ্ছে
পানি যোগ করা। পানি যোগ করা। তো পানি যোগ
যোগ। পানি যোগ করলে কি হয়? পানি যোগ করলে
আয়তন বেড়ে যায়। এতে আমাদের ঘনমাত্রা
কমে যায়। ঘনমাত্রা কমে যায়। ঠিক আছে?
পানি যোগ করলে কি হয়? আয়তন বাড়ে। আয়তন
বাড়লে আয়তন বাড়লে আমাদের ঘনমাত্রা কমে।
এইযে ঘনমাত্রাটা কমে গেল সেই ঘনমাত্রা
আমরা কোন ফর্মুলা দিয়ে বের করি লোক
ফর্মুলাটা কি? এওভি ইকয় এ2ভিট। ওকে এগুলো
আমাদের কমন কিছু ফর্মুলা। যে ফর্মুলাগুলো
আমাদের পরিমাণগত রসায় কাজে লাগে। আবার
রাসায়নিক পরিবর্তনে তুমি যখন পিএস এর অংক
করবা তখনও তোমার কিন্তু এই ফর্মুলাগুলা
কাজে লাগবে। চল আমরা একটু পিএস এর কিছু
বেসিক জিনিস দেখি। তো দেখো আমরা যখন পিএস
ক্যালকুলেশন করবো তো স্ট্রং এসিডের জন্য
যখন তুমি পিএস বের করবা পিএক কি হবে?
মাইনাস লগ অফ এ সূত্রটা কি? মাইনাস লগ অফ
এ প্লাস। কিছুই না মানে এই প্লাস আয়নের
ঘনমাত্রা। মাইনাস লগ অফ এ প্লাস। মাইনাস
লগ অফ এ প্লাস। বোঝা গেছে? মাইনাস লগ অফ এ
প্লাস। এবং আমরা মোটামুটি জানি এই এ প্লাস
এর ঘনমাত্রার সাথে পিএস এর কি ধরনের
সম্পর্ক? ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক।
অমূলধর্মিতা এই পান যত কম হবে অমলধর্মিতা
তত বেশি হবে। উইকের জন্য পের করার সূত্র
কি? উইকের জন্য পের সূত্র হচ্ছে মাইনাস লগ
এ প্লাস। এটাও মাই লগ এ প্লাস বা একটু আগে
তোমাদেরকে দেখাইছি উইকের এই প্লাস এর
জায়গায় আমরা লিখতে পারি মাইনাস লগ অফ আলফা
আলফা মানে বিয়োজন মাত্রা ই ঘনমাত্রা এটা
সমান সমান আবার আমরা লিখতে পারি মাই লগ
সূত্রটা লিখে দিছিলাম রটভার অফ কে ই
তোমাদের মনে পড়ে কিনা দেখো আমি একটু আগে
লিখে দিয়ে আসছিলাম তোমাদেরকে এই প্লাস এ
ঘনমাত্রা এই প্লাস এর ঘনমাত্রা বের করার
নিয়মটা কি প্লাস ঘনমাত্রা ইকয় হচ্ছে আলফা
সি ইয়া হচ্ছে রটার ইটা মুস্ত করে ফেলবা কে
ই এবং আরেকটা জিনিস মনে রাখবা কে ইকয়
হচ্ছে আলফা স্কয়ার শেষ দুর্বলের ক্ষেত্রে
এই জিনিসগুলো মনে রাখবা আর সকলের ক্ষেত্রে
পিএই হচ্ছে মাইনাস লগ অফ এ প্লাস চল আমরা
কয়েকটা অংক করে জিনিসটা বুঝার চেষ্টা করি
একদম সোজা এগুলা পরীক্ষায় আসে সালফিউরিক
এসিডের এ প্লাস এর ঘনমাত্রা এত হলে পিএচ
কত হবে প ইকয়ালটু হবে এই দেখ মাই লগ অফ এ
প্লাস মানে আমার দরকার এই প্লাস এর
ঘনমাত্রা তুমি প্রশ্ন দেখ ডিরেক্টলি এই
প্লাস এ ঘনমাত্রাই দেওয়া আছে তাহলে কি হবে
মাই লগ 0
ঠিক আছে এখান থেকে একটা জিনিস মনে রাখবা
আর এ কি হবে শর্টকাট এখানে মাথায় রাখবা
এইচ প্লাস এর ঘনমাত্রা হবেট টু দি পাওয়ার
মাইনাস পিএইচ ওকে ধর বলল পিএইচ এর মান তিন
তোমাকে বলল পিএ ইকথ তাহলে এ প্লাস এর
ঘনমাত্রা কতটু পাওয়ার মাইথ ওকে এগিউতে
খুব কাজে লাগে এমসতে খুব কাজে লাগে এগুলা
হ্যা ওকে আর হচ্ছে কত গুণ বেশি অমলীয় যদি
কখনো বলে কতগুণ
বেশি অম্লীয় বেশি অম্ যদি কখন এরকম আসে
কতগুণ বেশি অম্লীয় ইকুয়ালটু হবেট টু দি
পাওয়ার ড এগুলো কিন্তু শর্টকাট ফর্মুলা
বুঝ পাওয়ার ড মনে রাখবা টু দি পাওয়ার ড
যদি বলে কত বেশি অম্লীয় সেটা হবে 10 টু
দি পাওয়ার ডল পিএইচ এগুলা দেখাব একটু পরে
এগুলা একদম কাজে লাগবে ছোট ছোট কিছু জিনিস
কাজে লাগবে তো সালফিউরিক এসিড এস এর
ঘনমাত্রা তাহলে পিএ কত পু কত মাইনাস লগ এ
প্লাস কেমন লাগবে এ প্লাস এর ঘনমাত্রা দেখ
ঘনমাত্রাই দেওয়া আছে তাহলে এটাই বস দিবা
এখন 0.025 সালফিউরিক এসিডের পিএইচ কত 0.02
সালফিক এসিড পত কত হবে প হবে দেখ মাই লগ
মাইনাস লগ অফ এ প্লাস এর ঘনমাত্রা বোঝার
চেষ্টা করো এ প্লাস এর ঘনমাত্রা এখন
প্রশ্নে কি এ প্লাস এর ঘনমাত্রা দেওয়া আছে
তুমি দেখ প্রশ্নে কি প্লাস এর ঘনমাত্রা
দেওয়া আছে না প্রস্তায় দেওয়া সালফিউরিক
এসিডের ঘনমাত্রা। যদি এসিডের ঘনমাত্রা
দেওয়া থাকে তাহলে এই যে 0.25 এটাকে এসিডের
তুল্য সংখ্যা দ্বারা গুণ করতে হবে। কি
বলছি? যদি এসিডের ঘনমাত্রা দেওয়া থাকে
মোলারিটি এককে তাহলে তাকে তুল্য সংখ্যা
দ্বারা গুণ করতে হবে। এরপর দেখো 0.025
নরমাল সালফিক এসিডের পিএইচ কত? এটার পিএইচ
কত হবে? আমরা জানি পিএচ ইকয়াল হবে মাইনাস
লগ অফ মাইনাস লগ অফ এ পলা। বুঝলা? মাই লগ
এই প্লাস। এখন শোনো কি হবে? দেখো মাইনাস
লগ এইচ প্লাস এর ঘনমাত্রা। এটা কোন এককে
দেওয়া? নরমালিটি এককে দেওয়া। কার
ঘনমাত্রা? এসিডের ঘনমাত্রা দেওয়া। যদি
নরমালিটি এককে দেওয়া থাকে তাহলে তোমার আর
তুল্য সংখ্যা দ্বারা গুণ করতে হবে না।
ওকে? মনে রাখবা নরমালিটি এককে দেওয়া থাকলে
তুল্য সংখ্যা দ্বারা গুণ করতে হয় না।
নরমালিটি
আর দেখো যদি মোলারিটি এককে দেওয়া থাকে
তাহলে তুল্য সংখ্যা দ্বারা গুণ করতে হবে।
কার? এসিডের। এটা কেন তুল্য সংখ্যা দ্বারা
গুণ করো নাই? কারণ ডিরেক্টলি এসটা দেওয়া।
যদি এসিডের ঘনমাত্রা দেওয়া থাকতো তাহলে
তুল্য সংখ্যা গুণ করতাম। নরমালিটি একক
থাকলে থাকলে তুল্য সংখ্যা দ্বারা তুল্য
সংখ্যা
তুল্য সংখ্যা দিয়ে গুণ করার দরকার নেই।
তুল্য সংখ্যা দিয়ে গুণ করার করার দরকার
নাই। যদি নরমালিটি নরমালিটি একক থাকে
তাহলে তুল্য সংখ্যা দিয়ে গুণ করার কোন
দরকার নাই। ঠিক আছে? আস কি বলছে? 100 মিলি
0.2 সালফরিক এসিডের সাথে 50 মিলি পানি যোগ
করলে পিএ কত? তুমি দেখ কি করছো? তুমি সাথে
পানি যোগ করছো। যখনই পানি যোগ করছো তখন
ঘনমাত্রা কমে গেছে। ঘনমাত্রা কমে যাবে। এই
ঘনমাত্রাটা কমে কত হবে? এটাই আমাকে বের
করতে হবে। তার মানে পানি যোগ কর মানে কি?
লঘুকরণ হইছে। তো লঘুকরণ হলে আমার ফর্মুলা
কি? এওভিও ইকুয়াল s2ভি2
sও এর মান কত 0.2ভিওয়
এর মান কত 100 এখন এই s2 বের করতে হবে
ভিটর মান কত দেখ 50 মিলে পানি যোগ কর
তাহলে 150 আগে ছিল 100 আমি ঘনমাত্রা আয়তন
দিছি 150 তাহলে এখান থেকে আমি পাইয়া
যাব এ2র মান হচ্ছে বাক্স মোলার ওকে বাক্স
মোলার যেটা এটা কার ঘনমাত্রা সালফিউরিক
এসিডের ঘনমাত্রা মোলার সালফিউরিক এসিড এখন
তোমাকে বলছে পিএচ বের করতে তুমি বল পচ কত
হবে সুতরাং প জানি আমরা পবে - লগ অফ দেখো
এটা কি এসিডের ঘনমাত্রা দেওয়া। কোন এককে?
মোলারিটি এককে। তাহলে কি করতে হবে? এই যে
বাক্সটা আছে এটা সালফিউরিক এসিডের
ঘনমাত্রা মোলারিটি এককে। তাহলে কি করতে
হবে? দুই দ্বারা গুণ করতে হবে। কি করতে
হবে? দুই দ্বারা গুণ করতে হবে। বুঝছো
কিনা? বুঝছো কিনা? ওকে ফাইন। আশা করি
বুঝছো এগুলো কিন্তু এমসিকিউতে আসে। এই
টাইপের কোশ্চেন দেখো পারসেন্টেজ দেওয়া
আছে। পারসেন্টেজ দেওয়া থাকলে আমরা আগে
ঘনমাত্রা বের করে নিব। সূত্রটা কি?
সূত্রটা হচ্ছেট এক্সবা এম যেহেতু
ডব্লিউবাভি বলে নাই। ডব্লিউবাড বলে নাই।
কোন কিছু দেওয়া নাই মানে
আশা করি তোমরা পারবে
2.5
কত? 40 আণবিক ভর কত 40 ওকে তাহলে এবার
ক্যালকুলেশন করলে কত আসে 0625
মোলার এত মোলার সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
দেখ এটা কার ঘনমাত্রা ঘনমাত্রা তাহলে
যেহেতুের ঘনমাত্রা ক্ষেত্রে কি পের করা
যায় না পচ বের করা যায়ের ক্ষেত্রে পচ
বের করা যায় তাহলে পচ কি হবেের ক্ষেত্রে
হবে পম
বের করে মাই লগ হাইড্রোক্সিলের ঘনমাত্রা
সিম্পল এখন হাইড্রোক্সিলের ঘনমাত্রা কত
দেখ ঘনমাত্রা হবে মাইসলগ এই দেখ সফ এটা
হচ্ছে এখানে এটার তুল সংখ্যা কত দারা গু
ক্যালকুলেশন করলে তুমি এখান থেকে পচ পাবা
প্রশ্ন প বের করতে বলছে সুতরাং প কেমনে
বের করব সুতরাং দেখ পবে
কেমনে বের করব 14 ম প কেমনে কারণ আমরা
একটু লিখে আসছি প আর যদি যোগ করি তাহলে
হবে 14 এবার কি করব এই 14 থেকে এই বাক্সকে
বিয়োগ করে দিব যোগ করে দিলেই আমরা কিন্তু
এটা এখানে পের ফেতে পারব ঠিক আছে কিনা
সবাই বুঝতে পারছেন আসেন একটু দেখে ফেলিব
এ ওবি দুটি জলীয় দ্রবণের এ দ্রবণের পিএচ3
বি দ্রবণের পিএচ6 এ ও বি দ্রবণের মধ্যে
কোনটি বেশি অম্লীয় এবং কত গুণ বেশি
অম্লীয় আমরা জানি আমরা জানি আমাদের পিএইচ
এর মান যত কম হয় পিএইচ এর মান যত কম হয়
তত বেশি অম্লীয় হয় এটা তুমি জানো
অম্লীয় এখন কত গুণ বেশি অম্লীয় কত গুণ
বেশি একটু তোমাদের দেখাইছি কত গুণ বেশি
বেশি অম্লীয় এটার জন্য সূত্রটা কি
শর্টকাট নিয়মটা হচ্ছেট টু দি পাওয়ার
পিএইচ পিএইচ ওকে এখন দেখ পাওয়ার পচ কতছয়
আর তিন তাহলে পার্থক্য কত সক্স মথ তাহলে
কত আসছে পাওয়ার তারানে বেশি মানে বেশি
অময় ঠিক আছে
এগুলো আমাদের পরীক্ষায় আসে এবার আমরা এখান
থেকে দুর্বলের পিএ ক্যালকুলেশন করব খুবই
সোজা কানার ভাই অন্ধকার এসব জিনিস মোলার
এসি এসিডের পিএ কত দেওয়া আছে ভাই কি মানেই
কি দুর্বল দুর্বলের জন্য পিএ বের করার
সূত্র কি দুর্বলের জন্য পিএ সূত্র দেখো
মাই লগ অফ কোন ফর্মুলায় রুটওভার অফ কে ই
মনে আছে রুটার অফ কে ই দেখ প্রশ্নে কে
দেওয়া আছে তাহলে রটভার অফ কে ই শেষ যদি
বুঝ কিনা একদম সিম্পল এর মান বস দাও এর
মান প্রশ্নে দেওয়া আছে ঘনমাত্রার প্রশ্ন
দেওয়া আছে জাস্ট ক্যালকুলেটর বসা দিবা
রুটার অফ 1.8 * 10 পাওয়ার মাইফ ইটু হচ্ছে
সি মানে কত 0.0 জওয় শেষ ক্যালকুলেশন কর
অংক শেষ চল আমরা তারপরেরটা যাই কি বলছে
দেখতো 0.02 মোলার অমোনিয়া এর 2.5 2.5%
বিজিত হলে পিএচ কত? দেখো অ্যামোনিয়া।
এমোনিয়াটা কি? এটা একটা হচ্ছে আমাদের
ক্ষার। এখন তুমি দেখো ক্ষারের ক্ষেত্রে কি
পিএইচ হয় না পিচ হয়? পচ ইকয়ালটু কি হবে?
মাইনাস লগ অফ দেখো এবার খেয়াল করো এখানে
দেওয়া এটা দুর্বল নাকি সবল। দুর্বল কষার।
যেহেতু এমোনিয়া একটা দুর্বল কষার। তাহলে
এর জন্য কি করব আমরা? দুইটা জিনিস বসাইতে
পারি। একটা হচ্ছে হয় আলফা। রুটওভার অফ
কেবি ইারের ক্ষেত্রে হবে। এখন তুমি বল এটা
ার জন্য কি বসাবা? এখন এখন কেবি বসাবা?
প্রশ্ন আলফা দেওয়া আছে তাহলে মাইলগ আলফার
মান দেওয়া। এই যে 2.5 ডিভাইডেড বাই হবে
100। ইনটু হচ্ছে সি এর মান হচ্ছে 0.2
ক্যালকুলেশন করো অংক শেষ। তুমি এখান থেকে
পিohচ পাবা। সুতরাং পিএইচ বের করতে বলছে
পিএইচ কত হবে? পিএচ হবে 14 - poস
ক্যালকুলেশন করলে অংক শেষ। বুঝছো না?
এগুলা আমার মনে হয় তোমরা সবাই পারো। কেন
আমি এই ফর্মুলা বসাইছি কারণ আলফা দেওয়া।
যদি কেভি দেওয়া থাকতো তাহলে ফর্মুলা
বসাইতাম। কেবি ফর্মুলা বসাইতাম। ওকে। তো
এমসিকিউ তে রাসায়নিক পরিবর্তনের এই
জিনিসগুলা বেশি বেশি আছে। নিচের কোন পিএইচ
মানে দ্রবণটিতে প্লাস এর ঘনমাত্রা বেশি?
এখন তুমি কি জানো যে ভাই আমরা জানি পিএইচ
এর মানের সাথে পিএইচ প্লাস এর সাথে দেখো
পিএচ এর ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক আমরা জানি
এইচ প্লাস এর ঘনমাত্রার সাথে আমাদের পিএস
এর কি ধরনের সম্পর্ক ব্যস্তানুপাতিক
সম্পর্ক তার মানে কি তার মানে হচ্ছে
যেখানে পিএইচ এর মান কম সেখানে এইচ প্লাস
এর ঘনমাত্রা বেশি পিএচ এর মান যত কম হবে
এস এর ঘনমাত্রা তত বেশি হবে পিএচ এর মান
যত কম সেখানে এ প্লাস এর ঘনমাত্রা তত বেশি
ওকে সিম্পল চল আমরা তার পরেরটাতে যাই কি
বলছে দেখতো বলছে 0.05
সালফিক দ্রবের পচ কত তোমরা নিজেরা করো এটা
আমার করা দিতে হবে না এগুলা সব তোমরা এখন
নিজেরা করবা আমি সবগুলা টাইপ তোমাদের দেখা
দিছি এমস যেসব টাইপগুলা আসে দ্রবণের পিএইচ
আয়নের ঘনমাত্রা কত প্লাস আয়নের ঘনমাত্রা
বের করতে বলছে এ ঘনমাত্র শর্টকাটটা কি
টুদি পাওয়ার মাইনাস পিএইচ তো বসা দে
পাওয়ার ম5 ক্যালকুলেটরে বসার পছে
ক্যালকুলেটরে বস উত্তর চলে আসছে ওকে চল
তারপরে দ্রবণে হাইড্রোসিল ঘনমাত্রা এত হলে
পত হাইড্রোসিল ঘনমাত্রা দেওয়া তাহলে আমরা
পচ বের করতে পারব পিও ইকুয়ালটু কত হবে
আমাদের মাইনাস লগ অফ মাইনাস লগ অফ 3.5 *
10 টু দি পাওয়ার মফ ওকে ক্যালকুলেশন করো
অংক শেষ এখান থেকে পিওচ পাবা হাইড্রোসিল
ঘনমাত্র দিয়ে পচ পাবা সুতরাং পিচ কত হবে
এই জিনিসটা অনেকেই ভুল করো হ্যাঁ পিএ 14
মক্লা
তুমি দেখবা এটা দিয়ে বের কর অপশনে থাকে
এবং করে লাগা দাও করে লাগা দিলে হবে না
ঠিক আছে লাগা দিবে 14 তারপরেরটা এত মোলার
সালফিউরিক এসিড 15 পানি যোগ কর কর আমি করা
এ ধরনের পিএচ কত হবে কনসেপ্ট আসবে এ বছর
কোন না কোন বোর্ডে এরকম একটা পিএচ অংক
দিয়ে দিবে ওকে 125% সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
দ্রবণের পিএচ কত নিজে নিজে করো এগুলা কি
করাব তোমাদের আস তারপরটা দেখি দ্রবণের
পিএইচ কত ট্রাইল ট্রাই পারসেন্টেজ দেওয়া
আছে তাহলেবা ট্রাই করেন ট্রাই করে পিএচ
বের করেন দ্রবণের পিএইচ এবং বি দ্রবণের
পিএ দ্রবণের অপেক্ষা দ্রবণ কত গুণ বেশি
অমলীয় কত গুণ বেশি অময় ট্রাইট ইরসেলফ
নিজেরা করো একটার পিএচ একটার পিএ তার থেকে
কত বেশি অমলীয় ওকে ওকে? আচ্ছা তারপরটা।
ওয়ান মোলার অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
দলের পিএইচ এর মান কত? Kবির মান দেওয়া
আছে। দেখো এটা একটা ক্ষার। ক্ষারের
ক্ষেত্রে হয় POH। POH সমান সমান কত? POH
সমান সমান হচ্ছে মাইনাস লগ অফ। দেখো এবার
KB দেওয়া আছে। তাহলে KB হলে কি হবে? রুট
ওভার অফ কেবি ইন সি। Kবি ইন সি। ওকে?
তাহলে সুতরাং পিএইচ কত হবে? আমাকে পিএইচ
বের করতে বলছে তাহলে 14 পচ। খুব
ইম্পর্টেন্ট এটা। এই লাইনটা ভুল করিও না।
প্লিজ তোমরা ক্যালকুলেটরে যখন লাগা দিবা
তখন ভুল হয়ে যাবে। তখন ভুল হয়ে যাবে। ঠিক
আছে? এই ভুলটা করা যাবে না। 0.3
পচ কত? দেখার পারবে। কে দেওয়া থাকলেই
দুর্বল। আর দুর্বলের পিএইচ কেমনে বের করে?
সেটা কানার ভাই অন্ধও জানে। এবার আমরা
আমাদের একদম লাস্ট টাইপ নিয়ে আলোচনা করবো।
সবার শেষের টাইপ অর্থাৎ বাফার দ্রবণ। ঠিক
আছে? বাফার দ্রবণ কোন দ্রবণ? বাফার দ্রবণ
এমন একটা দ্রবণ যেই দ্রবণের পিএইচ তেমন
একটা চেঞ্জ হয় না। তাই না? যেই দ্রবণের
পিএইচ সামান্য পরিমাণ hচ প্লাস ও বাচ
মাইনাস যোগ করলে পিএইচ চেঞ্জ হয় না সেটাকে
আমরা বলি বাফার দ্রবণ। তো এই যে বাফার
দ্রবণ। বাফার দ্রবণ আমাদের কয় ধরনের বাফার
দ্রবণ দুই ধরনের। একটা অম্লীয় বাফার দ্রবণ
আর একটা ক্ষারীয় বাফার দ্রবণ। এখন বাফার
দ্রবণ কিভাবে হয়? একটা দুর্বল এসিড থাকবে।
মানে অম্লয়ী বাফার দ্রবণের ক্ষেত্রে কি
থাকবে? দুর্বল এসিড এসিড প্লাস ওই এসিডের।
ওই দুর্বল এসিডের এসিডের অনুবন্ধী ক্ষার
অনুবন্ধী
ক্ষার ক্ষার অথবা ওই দুর্বল এসিডের লবণ
থাকবে তাহলে সেটাকে আমরা বলব অম্লীয় বাফার
ওকে একটা এক্সাম্পল দিয়ে জিনিসটা বুঝাই
তোমাদেরকে ধর দুর্বল এসিড যেমন ধর CH3 এটা
একটা দুর্বল এসিড তাহলে এই দুর্বল এসিড
থাকবে প্লাস তার সাথে এই এসিডের অনুবন্ধী
ক্ষার থাকবে এটার অনুবন্ধী ক্ষার কে CH3
CO মাইনাস এটা হচ্ছে তার অনুবন্ধী ক্ষার
অনুবন্ধী ক্ষকে একটা প্রোটন দান করলে
অনুবন্ধী ক্ষার পাওয়া যায় তাই না এটাও
থাকতে পারে অথবা CH3 CO এর একটা লবণ CO এ
থাকতে পারে তাইলে এটাকে আমরা বলব বাফার জব
ওকে তারপরে দেখো ধর তোমাকে কাছে দিলাম
তোমাকে আমি দিলাম এরকম যে মিথানোইক এসিড
দেখো এটাও আমাদের একটা জৈব এসিড জৈব এসিড
মানে কি দুর্বল এসিড তাহলে এই যে এটার
সাথে কি থাকবে এর অনুবন্ধী ক্ষার থাকবে
এটার অনুবন্ধী ক্ষার কি এই যে cohচ এর যে
এটা আছে এটা যদি বের হয়ে যায় এটা
অনুবন্ধী ক্ষার অথবা এর একটা লবণ হ্যাঁ এই
যেমন এইo এখানে সোডিয়াম থাকতে পারে
পটাশিয়াম থাকতে পারে যেকোন একটা
ক্যাটায়ন থাকবে তো ধর এখানে পটাশিয়াম
দিলাম কোন সমস্যা নাই এটা আমাদের একটা
বাফার দ্রবণ তারপরে ধরো তোমার কাছে আছে
কার্বনিক বা কার্বন এইযে hচ2coh এটা
আমাদের একটা দুর্বল এসিড হ্যাঁ দুর্বল
এসিড তাহলে যেহেতু দুর্বল এসিড তাহলে এর
অনুবন্ধী ক্ষার আর এর অনুবন্ধী খাতটা কি?
একটা প্রোটন দান করবে। তাহলে HCO3 মা-না
এটাও হইলো বাফার দ্রবণ হবে। অথবা তুমি যদি
এর সাথে একটা ক্যাটায়ন বসায় দাও সোডিয়াম
বাইকার্বনেট এটাও কিন্তু তোমার একটা বাফার
দ্রবণ। এটাও কিন্তু বাফার দ্রবণ। এবং এই
বাফার দ্রবণটাই কিন্তু আমরা কোথায় দেখি?
আমাদের রক্তে। এটাই কিন্তু আমরা রক্তের
মধ্যে দেখি। রক্তের বাফার দ্রবণের মধ্যে
আমরা কিন্তু এটা দেখি। ঠিক আছে? বুঝতে
পারছো? ওকে। এবার আমাদের ক্ষারীয় বাফার
দ্রবণ। ক্ষারীয় বাফার দ্রবণটা কি থাকি? বা
একটা দুর্বল ক্ষার থাকবে। দুর্বল ক্ষার
ক্ষার প্লাস কি থাকবে? ওই ক্ষারের লবণ।
প্লাস ওই ক্ষারের দুর্বল ক্ষার প্লাস ওই
ক্ষারের লবণ। অনুবন্ধী এসিড ওই ক্ষারের
দেখো দুর্বল ক্ষার অথবা কি হবে দুর্বল
ক্ষার অথবা হবে আমাদের ওই ক্ষারের দুর্বল
ক্ষার ক্ষার প্লাস হবে ওই ওই ক্ষারের ওই
ক্ষারটারই ওই ক্ষারের অনুবন্ধী অনুবন্ধী
এসিড ওই ক্ষারের অনুবন্ধী এসিড অথবা লবণ
এখন সেটা কেমনে করে চল এক্সাম্পল দিয়ে
বুঝাই দুর্বল ক্ষার যেমন তোমার হচ্ছে
অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড এটা আমাদের
একটা দুর্বল ক্ষার এর অনুবন্ধী এসিড থাকবে
এর অনুবন্ধী এসিড কি যদি একটা মাইনাস দান
করে তাইলে আমরা তার অনুবন্ধী এসিড পাব
অথবা এটার লবণ সাপোজ এমোনিয়াম ক্লোরাইড
এর একটা লবণ তাহলে এটা আমাদের খারিফার
দ্রবণ অথবা মনে কর তোমার এখানে দুর্বল
খারা আছে এমোনিয়া আছে অ্যামোনিয়ার সাথে
কি থাকবে এর অনুবন্ধী এসিড অনুবন্ধী এসিড
এমোনিয়াম আয়ন বা এর লবণ মানে এমোনিয়াম
ক্লোরাইড যদি হয় তাহলে সেটাকে আমরা বলি
আমাদের বাফার দ্রবণ এগুলো হচ্ছে আমাদের
বাফার দ্রবণ এগুলো এক্সাম্পল পরীক্ষা আছে
নিচের কোনটি অম্বাফার দ্রবণ নিচের কোনটি
তোমার ক্ষারীয় বাফার দ্রবণ এখন বাফার
দ্রবণ প্রস্তুতির শর্ত কি বাফার দ্রবণ
কিভাবে প্রস্তুত করে হ্যা মনে রাখবা তোমার
যদি কোন একটা দুর্বলের সাথে মনে রাখবা যে
দুর্বল এসিড বাফার কিভাবে প্রস্তুত করে
দুর্বল এসিড একটা দুর্বল এসিডের সাথে তুমি
যদি একটা সবল ষার মিশা দাও সবল কষার মিশায়
দাও তাহলে এরা বিক্রিয়া করে বাফার দ্রবণ
তৈরি করে দুর্বল এসিডের সাথে যদি সবল কষার
মিশা দেই তাহলে এরা বিক্রিয়া করে বাফার
দ্রবণ তৈরি করে এখন দুর্বল সবলার বিক্রিয়া
করলে তোমার অমলীয় বাফার দ্রবণ পাওয়া যাবে
অম্লীয় বাফার দ্রবণ হ্যা এটা বাফার দ্রবণ
বানায় অমলীয় বাফার দ্রবণ পাওয়া যায় আর যদি
যদি দুর্বল ক্ষার দুর্বল ক্ষার আর সবল
এসিড মিশা দাও অথবা ধর তুমি দুর্বল ক্ষার
তার সাথে কি মিশ দিবা সবল এসিড সবল এসিড
মিশায়ে দাও তাহলে তার জন্য তুমি পাবা
হচ্ছে তোমার ক্ষারীয় বাফার দ্রবণ মনে
রাখবা যে দুর্বল তার ধর্মী বাফার হয় যে
দুর্বল তার ধর্মী বাফার হয় আমরা পাব
আমাদের ক্ষারীয় বাফার দ্রবণ ঠিক আছে এখন
এখানে শর্তটা কি শর্তটা হচ্ছে যে দুর্বল
শর্তটা হচ্ছে শর্তটা হচ্ছে দুর্বলের মূল
সংখ্যা দুর্বলের মূল সংখ্যা এ দুর্বলুবি
গ্রেটার এ সবল দুর্বলের মূল সংখ্যা সবলের
মূল সংখ্যা থেকে বেশি হতে হবে দুর্বল যে
দুর্বল হবে তার মোল সংখ্যা সবলের থেকে
বেশি হইতে হবে। তাইলেই বাফার দ্রবণ হবে।
আদারওয়াইজ হবে না। তাইলে বাফার দ্রবণ হবে।
আদারওয়াইজ হবে না। শর্তটা কি? যে দুর্বল
তার মোল সংখ্যা সবলের থেকে বেশি হইতে হবে।
ওকে? কিরকম? ধর আমরা একটা এক্সাম্পল দিয়ে
জিনিসটা বুঝাই। তোমাকে আমি দিলাম। দেখ
CHচ3
এটা দুর্বল এসিড। এর সাথে আমরা একটা সবল
ক্ষার মিশাব। মনে কর সোডিয়াম
হাইড্রোক্সাইড মিশা। ওকে? মিশানোর পর এরা
বিক্রিয়া করে কি তৈরি করে? আমরা জানি CHচ3
আর পানি। লবণ আর পানি তৈরি করে। হ্যা এখন
এটা কখন? এরকম এরা দুজন বিক্রিয়া করে কখন
বাফার দ্রবণ তৈরি করবে? যদি দুর্বলের মোল
সংখ্যাটা বেশি হয়। মনে করো এটার মূল
সংখ্যা হচ্ছে 50। আর এটার মোল সংখ্যা
হচ্ছে 30। এর মূল সংখ্যা এটা 50 মোল। আর
এটা মনে করো তোমার 30 মোল। তো দুর্বলের
মোল সংখ্যা সবলের থেকে বেশি। সবলকে
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড। দুর্বল এটা
দুর্বলের মোল সংখ্যা সবলের থেকে বেশি আছে।
তাহলে এটা তোমার একটা বাফার দ্রবণ হবে।
এটা একটা বাফার দ্রবণ। তোমার নিচে মাঝে
মধ্যে বলে নিচের কোনটি বাফার দ্রবণ।
হ্যাঁ। তো এরকম আমরা কয়েকটা এক্সাম্পল
দিয়ে একটু বুঝার চেষ্টা করি। হ্যা দেখো
এটা আমাদের একটা কি? এটা আমাদের একটা
দুর্বল এসিড। এটা আমাদের একটা সবলার। এখন
দেখ দুর্বল এসিডের মোল সংখ্যা 20 মোল।
সবলারের 20 মোল সংখ্যা 15 মোল। তাহলে
দুর্বলের মোল সংখ্যা সবলের থেকে বেশি আছে।
তাহলে এইটা আমাদের একটা বাফার দ্রবণ হবে।
ওকে? এবার দেখো এটা আমাদের একটা দুর্বল
এসিড। আর দেখো এটা আমাদের একটা সবল ক্ষার।
এখন তুমি দেখো দুর্বলের মোল সংখ্যা 20,
সবলের মোল সংখ্যা 30। তাহলে এটা কিন্তু
বাফার দ্রবণ হবে না। বুঝতে পারছো কিনা?
কেন? কারণ সবলের মূল সংখ্যা বেশি। এবার
দেখো এটা আমাদের একটা দুর্বল এসিড। এটা
আমাদের একটা সবল এসিড। এটা বাফার দ্রবণ
হবে না। কেন হবে না? একটু খেয়াল করে দেখো।
দুর্বল এসিড, সবল এসিড। এটা কি? এটা দেখো
তুমি খেয়াল করো এটা কি দুর্বল এসিড?
দুর্বল এসিড। এটা কি? সবল এসিড। সবল এসিড।
এখন তুমি বল এসিড এসিড মিশ দিলে কি বাফার
দবন হয় না এসিড এসিড মিশায় দিলে বাফার দবন
হয় না ওকে এবার দেখো এটা আমাদের একটা
দুর্বল ক্ষার তুমি একটু খেয়াল করে দেখো
এটা আমাদের একটা দুর্বল ক্ষার এটা আমাদের
সবল এসিড দুর্বল ক্ষার সবল এসিড ক্ষারীও
বাফার দ্রবণ ক্রিয়েট করবে শর্ত কি
দুর্বলের মোল সংখ্যা বেশি নিতে হবে এটা 20
মোল এটা 10 মোল তাহলে এটা বাফার দ্রবণ হবে
বুঝছো তো দুর্বল ষার সবল এসিড এবং ক্ষারের
মোল সংখ্যা দুর্বলের মোল সংখ্যা বেশি আছে
আচ্ছা 200 মিলি 0.2 মোলার এসিটিক এসিড 0
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড দেখ এটা কি একটা
দুর্বল এসিড এটা কি একটা সবলার তাহলে হতে
পারে শর্ত কি দুর্বল মোল সংখ্যা বেশি হতে
হবে এখন তুমি দেখ এটা দেওয়া 200 মোলার
এটা দেওয়া 1000 মোলার কার মোল সংখ্যা
বেশি কেমনে বের করব মোল সংখ্যা আগের
ডিরেক্ট দিয়ে দিছি এখানে কিন্তু মোল
সংখ্যা দেয় নাই দেয় নাই কোন সমস্যা নাই
আমরা মোল সংখ্যা বের করে নিতে পারব যদি
আয়তন ঘনমাত্রা দেওয়া থাকে তাহলে মোল
সংখ্যা বের করার ফর্মুলা হচ্ছে এ ইভি
তাহলে এস এর মান প2ভি এর মানও প2 তাহলে
গুণ করলে কত আসে 0.04
মোল। এখানে দেখো এটাও কিন্তু দুর্বল। সবল।
এখন এটার আয়তন ঘনমাত্রা দেওয়া। তাহলে এর
জন্য মোল সংখ্যা বের করতে পারি। আয়তন
ঘনমাত্রা দেওয়া থাকে। মোল সংখ্যা বের
করার ফর্মুলা হচ্ছে s * ইভি। এস এর মান
হচ্ছে. আর ভি এর মানও আসবে. তাহলে আসতেছে
0.01। তুমি খেয়াল করে দেখো। দুর্বলের
দুর্বল আর সবল মিশায় দিছো। দুর্বল এসিড
সবল ক্ষার। তাহলে বাফার দ্রবণ হবে হইতে
পারে। চেক দিতে হবে দুর্বলের মোল সংখ্যা
বেশি কিনা। দেখো দুর্বল যেটা তার মোল
সংখ্যাটা বেশি আছে। তাহলে এটাও কিন্তু
তোমার বাফার দ্রবণ হয়। ঠিক আছে? তাহলে
বাফার দ্রবণ কারা কেমনে হয়? আশা করি সবাই
বুঝতে পারছি। এখন এবার আসো এবার দেখো
বাফার দ্রবণের পিএইচ তো বাফার দবনে পিএইচ
বের করার জন্য একটা এটা বিখ্যাত ফর্মুলা
আছে এটাকে বলা হয় হেন্ডারসন হেসেলবার্গ
ফর্মুলা হেন্ডারসন
হ্যাসেলবার্গ হেসেলবার্গ হেন্ডারসন
হ্যাসেলবার্গ ফর্মুলা হ্যা হ্যান্ডারসন
হ্যালবার্গ ইকুয়েশনটা কি হেন্ডারসন
হ্যাসেলবার্গ ইকুয়েশন ওকে হেন্ডারসন
হ্যাসেলবার্গ ইকুয়েশন ভাই আমাদেরসনবার্গ
ইকুয়েশন এই ইকুয়েশন দিয়ে বাফারের পিএইচ
বের করি তোম বাফার পের করার সূত্রটা কি
পিএইচ ইকুয়ালটু হচ্ছে পিকে পিএচ ইক পিকে
প্লাস লগ লগ লগ উপরে যাবে সল্টের ঘনমাত্রা
নিচে আসবে এসিডের ঘনমাত্রা ওকে সল্টের
ঘনমাত্রা নিচে কি আসবে এসিডের ঘনমাত্রা এই
ফর্মুলাটাকে আমরা এভাবে লিখতে পারি পি কে
প্লাস লগ উপরে তুমি লিখতে পারো এ মানে
সল্টের মোল সংখ্যা নিচে লিখতে পারো এন অফ
এসিডের মোল সংখ্যা তুমি মোল সংখ্যা দিয়েও
করতে পারবা আবার তুমি ঘনমাত্রা দিয়েও
করতে পারবা কোন সমস্যা নাই এই দুইটাই
হচ্ছে আমাদের হ্যান্ড্রোসন স্যালভার
ইকুয়েশন কার জন্য অমলীয় বাফারের জন্য আর
তাহলে ক্ষারীয় বাফারের জন্য সূত্রটা কি
হবে ক্ষারের জন্য হবে পিohচ
বল পি এর জায়গায় কি হবে? পি কেবি প্লাস লগ
উপরে যাবে সল্টের ঘনমাত্রা সল্টের
ঘনমাত্রা নিচে কি আসবে? নিচে আসবে ক্ষারের
ঘনমাত্রা। তো তুমি ঘনমাত্রা দিয়েও করতে
পারবা। আবার তুমি মোল সংখ্যা দিয়েও করতে
পারবা। কোন অসুবিধা নাই। লগ তুমি লিখতে
পারো উপরে যাবে এন অফ সল্ট। মোল সংখ্যা
দিয়ে করা সহজ। ডিভাইডেড বা আসবে এন অফ
বেস। ইকুয়াল ওকে? এইটা হচ্ছে আমাদের
ক্ষারীয় বাফারের জন্য হেন্ডারসন
হ্যাসেলবার্গ ইকুয়েশন। তো দুইটার জন্য
ইকুয়েশনটা কি একটু জানবা। এগুলা থেকে ছোট
ছোট এমসিকউ আসে। খুব বেশি এমসিকিউ এখান
থেকে আসে না। এটা খুব ইম্পর্টেন্ট। বাফার
দ্রবণের বৈশিষ্ট্য মনে রাখবা বাফার
দ্রবণের একটা নির্দিষ্ট পিএইচ থাকবে এবং
এই পিএইচটা সাধারণত চেঞ্জ হয় না।
দীর্ঘক্ষণ রেখে দিলেও পিএচ চেঞ্জ হয় না।
লঘুকরণ অর্থাৎ পানি যোগ করলেও পিএইচ চেঞ্জ
হয় না। সামান্য পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ
করলে পিএইচ এর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়
না। ওকে? এখন তোমাকে যদি বলা হয় একটা
বাফার দ্রবণের পিএইচ এর রেঞ্জ কত? বাফার
দ্রবণের পিএইচ রেঞ্জ কত? ইফেক্টিভ বাফার
রেঞ্জ। ইফেক্টিভ বাফার রেঞ্জ কি জান?
জিনিসটা হচ্ছে এইযে সল্ট। এইযে আমরা বলি
না সল্ট বাই এসিড। সল্ট বাই এসিড। এইযে
ঘনমাত্রা। সল্ট বাই এসিডের যে রেশিওটা
ঘনমাত্রাটা এই মানটা সবসময় মনে রাখবা
এইটা কত থেকে কত মধ্যে থাকবে জানো এটা
হচ্ছে এইযে এই অনুপাতটা 0.1 থেকে 10 এর
মধ্যে থাকতে হবে মানে 0.1 সমান বা এর থেকে
বেশি এবং এর সমান বা থেকে কম বুঝতে পার
সর্বোচ্চ 10 এই অনুপাতটা এর বেশি কম হওয়া
যাবে না এটা হচ্ছে আমাদের বাফারের রেঞ্জ
অথবা অথবা এটা একদম এমসিকউ জন্য মনে রাখবা
যে আমাদের বাফার দানের পিএচ কি হবে বাফার
দোকানের পিএচটা হবে এইযে পি
মাইনাস ও অথবা প্লাসও
পকে প্লাস ওয় প্রশ্নে প মান দেওয়া থাকে এর
থেকে এক কম বা বেশি পচ এর রেঞ্জ হবে এটা
হ্যা কিরকম ধর আমি তোমাকে বললাম আমি
তোমাকে বললাম এটা এমস জন্য খুব
ইম্পর্টেন্ট হ্যাঁ তোমার আমি বললাম যে পি
এর মান পি এর মান হচ্ছে 4.74 হলে হলে হলে
পিএইচ এর রেঞ্জ কত হইতে পারে বাফার
দোকানের পিএচ এর রেঞ্জ কত নিচের কোনটা
বাফার দোকানের পিএচ এর রেঞ্জ তাহলে
রেঞ্জটা কত হবে 3.74 থেকে সমান বা ইকুয়াল
আর কত হবে বলতো এখানে 5.74
মানে এক বেশি বা এক কম মানে এক কম বেশি এর
মাঝখানে মাঝামাঝি হবে এর মাঝামাঝি হবে ওকে
বুঝতে পার ম্যাক্সিমাম বাফার ক্যাপাসিটি
কি একটা উত্তম বাফার সবচেয়ে সর্বশ্রেষ্ঠ
বাফার কখন এই যখন সল্টবা এসিডের ঘনমাত্রার
অনুপাত সলবা এসিডের ঘনমাত্রার অনুপাত এই
অনুপাতটা যদি তোমার ওয়ান হয় এই অনুপাতটা
যদি ওয়ান হয় তখন পিএইচ ইকুয়াল পি হয় প
আর পি সমান হয় কেমনে এই দেখ স এ ঘনমাত্র
তুমি সূত্রটার মধ্যে বসা দাও তোমার যে
সূত্রটা এই দেখো এই দুটার অনুপাত যদি ওয়ান
লগ ওয়ান লগ ওয়ান এর মান কত শূন্য তাহলে
পিএইচ ইকুট কি আসতেছে পি কে পিএচ ইকুট পি
কে কখন হয় যখন এই সল বা এসিডের অনুপাতটা
ওয়ান হয় এবং এইটাকেই বলা হয় বেস্ট বাফার
উত্তম বাফার এটাই হচ্ছে বেস্ট বাফার মানে
যদি বলে সর্বোত্তম বাফারের শর্ত নিচের
কোনটি একটা বাফার দ্রবণ বেস্ট হবে
সর্বোত্তম হবে কখন যখন তার পিএই পি কে হবে
অথবা সল্ট বাই এসিডের রেশিওটা ওয়ান হবে
ওকে সলভ বা এসিডের রেশিটা ওয়ান হবে তখন
সেই বাফারটাকে আমরা বলব বেস্ট বাফার চল
নিচের কোনটি ক্ষারী বাফার দ্রবণ দুর্বল
ক্ষার আর ওই ক্ষারের লবণ দুর্বল ক্ষার ওই
কষারের লবণ অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
এমোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড দুর্বলারের লবণ
আচ্ছা নিচের কোনটি নিচের কোনটি ক্ষারীয়
বাফার দ্রবণ দুর্বলার লবণ ঠিক আছে
দুর্বলার এমোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
এমোনিয়াম ক্লোরাইড দুর্বলতার
দেখি আমাদের নিম্ন কোন অমী বাফার দ্রবণ
তৈরি করে বাফার দ্রবণ তৈরি করে অম্লীয়
বাফার দ্রবণ অমলীয় বাফার দ্রবণ তৈরি কখন
হয় অমলীয় বাফার দ্রবণ তৈরি হয় দুর্বল
এসিড এসিড প্লাস সবলার মিলায় আমাকে বলছে
বাফার দ্রবণ তৈরি কর সবলার তো দুর্বল এসিড
আর সবলার মিলা দিলে তার বাফার দ্রবণ তৈরি
করে এখন দেখ কোথায় দুর্বল এসি নাম্বার
অপশনে দুর্বল এসিড সবল ক্ষার ওকে দুর্বল
এসিড সবল ক্ষার তাহলে এটা আমাদের অমলীয়
বাফার দবন তৈরি করবে দেখো এটা সবল ক্ষার
সবল এসিড হবে না দুর্বল ক্ষার সবল এসিড
এটা ক্ষারীয় বাফার হবে দুর্বল এসিড সব
দুর্বল এসিড দুর্বল ক্ষার হবে না ঠিক আছে
বুঝতে পারছো ওকে সো এগুলার কোশ্চেন
পরীক্ষায় আসে আচ্ছা এবার আসো তারপরেরটা
আমরা দেখি অমলীয় বাফার দ্রবণের পিএচ
নির্ণয় সমীকরণ কোনটা এই পিএইচ ইক পলগ লবণ
বা অম প্লাস লগ লবণের ঘনমাত্রা বা এসিড
সলভ বা এসিড এ লবণ বা এসিড ক্লিয়ার বুঝ
তারপরেরটাতে আমরা যাই তারপরেরটা বলছে একটি
বাফার দ্রবণে 0 মোলার এসিড আছে দেখো
এসিডের মল দিয়ে দিছে 0.2 মোল পি এর মান
4.8 এবং 0.02
উক্ত পটাশিয়াম লবণ আছে পিএ কোনটি আয়রে
কি হবে প্লাস
লগ উপরে কি যাবে উপরে যাবে সল্টের মোল
সংখ্যা নিচে আসবে এসিডের মোল সংখ্যা এখন
তুমি দেখ পয়ে দিছে 48 প্লাসগের মল সংখ্যা
বলে দিছে পটাশিয়াম লবণ আছে 0
আর এসিডের মোল সংখ্যা কত 0
ক্যালকুলেশন করে অংক শেষ তার পরেরটা দেখি
তারপরে কি বলছে মনে রাখবা তিন ধরনের বাফার
কিয়া আছে বাইকার্বন বাফারিয়া ফসফেট
বাফারিয়া প্রোটিন বাফার কিয়া এবং এটাকে
আমরা বলি রক্তের বাফার ক্রিয়া এটাকে আমরা
কি বলি রক্তের বাফারিয়া রক্তে তো রক্তের
মধ্যে আমাদের কোন বাফার ক্রিয়া কাজ করে
এইযে কার্বনিক এসিড এ2co3 আর সোডিয়াম
বাইকার আগে তোমাকে বলছিলাম দুর্বল এইযে
দুর্বল এসিড এবং এইটা হচ্ছে আমাদের রক্তের
মধ্যে কাজ করে ওকে এটা এবং রক্তের পিএইচ
কত রক্তের পিএইচ কত রক্ত সম্পর্কে জিনিস
জানতে হবে বুঝছো রক্তের পিএইচ বলতো ভাইয়া
রক্তের পিএইচ কত 7.35 থেকে 7.45
পর্যন্ত বা আমরা বলতে পারি 7
ওকে এটা হচ্ছে রক্তের পিএ রক্তে কোন ধরনের
বাফার আছে এটা জানতে হবে আর যদি কখনো বলে
মানবদেহে কি বাফারি আছে বাফারি প্রবাকার
বাফারিউ
থেকে কিছু আসে না তো এত মেকানিজম রিটেনের
জন্য আসে মানে জন্য এমনিতে তোমার দরকার
নাই মানবদেহে মানব রক্তে কোন বাফার দ্রবণ
আছে মানব রক্তে কোন বাফার দ্রবণ আছে মানব
রক্তে আমাদের রক্তের মধ্যে বাইকার্বনেট
কার্বনিক এসিড বাফার আছে ওকে চল
তারপরেরটাতে যাই মানুষের রক্তের পিএ রে কত
735 থেকে 745 ওকে তারপর একটু দেখি কি বলছে
দেখতো মানুষের রক্ত সভাবিক 7.4 এর বেশি
হইলে রোগটির নাম কি? মানে 7.45 এর বেশি
হয়ে গেছে মানে ক্ষারীয় হয়ে গেছে। তাহলে
নাম কি? অ্যালকালিসিস। ইন্টারভিনোসিস
এসিডোসিস এসি এসিকোনোসিস
অ্যালকালিসিস। অ্যালকালিস মানে ক্ষারী হয়ে
গেছে। ক্ষার মানে কি? অ্যালকালিস
অ্যালকালিসিস। ঠিক আছে? ওকে চলো।
তারপরেরটা আমরা একটু দেখি আমাদের এরপরে
এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটা পরীক্ষায়
প্রচুর আসছে। ঠিক আছে? প্রচুর মানে
প্রচুর। কৃষি ক্ষেত্রে মানে পিএইচ যদি
মাটির পিএইচ কমে গেলে কোন কোন সার ব্যবহার
করতে হয়? মাটির পিএইচ বেড়ে গেলে কোন কোন
সার ব্যবহার? খুবই ইম্পর্টেন্ট এটা। খুবই
খুবই খুবই ইম্পর্টেন্ট। কৃষি ক্ষেত্রে
পিএইচ এর গুরুত্ব। হ্যাঁ। তুমি মাটির
পিএইচ কমে গেলে কোনটা কোনটা ব্যবহার করবা?
মাটির পিএইচ বাইরে গেলে কোনটা কোনটা
ব্যবহার করবা? কোন কোন সার ব্যবহার করবা?
অনেক বেশি ইম্পর্টেন্ট। পিএইচ যদি কমে
যায় তাহলে তোমাকে ক্ষারীয় লবণ ব্যবহার
করতে হয়। আর পিএইচ যদি বেড়ে যায় তাহলে
তোমার অম্লীয় লবণ ব্যবহার করতে হয়। ঠিক
আছে? তো এগুলো আমি তোমাদেরকে যেখানে
এক্সাম্পল দিয়ে দিছি। তোমাকে এখন তোমাকে
বলবে যে হচ্ছে যেমন এইযে এমসিকউ যদি তুমি
দেখো কি বলছে? ও মাটির অম্লীয় মাটির
পিএইচ বৃদ্ধি করার জন্য মানে পিএইচ কমে
গেছে। পিএই বাড়াইতে চাও। এন্ড পিএইচ
বাড়াইতে গেলে তুমি কি নিবা? কোনটা
ব্যবহার করবা? তাহলে দেখতো পিএইচ বৃদ্ধি
করার জন্য। যে পিএইচ কমে গেলে মাটির পিএইচ
যদি কমে যায়। দেখো আমার মানে কৃষি
ক্ষেত্রে কৃষি ক্ষেত্রে একটা অপটিমাম
পিএইচ লাগে। এখন পিএস কমে গেছে। তোমার
কালো পিএস বাড়াবা কেমনে বাড়াবা? ক্ষারী
লবণ যোগ করবা। যেমন এইযে ডলোমাইট যোগ
করবা। ঠিক আছে? ডলোমাইট যোগ করবা। তাহলে
হচ্ছে কি করবো আমরা? ডলোমাইট জুন এগুলা
এগুলা এপ্লাই করবো। ক্ষারীয় লবণ ব্যবহার
করবো। এখন তোমাকে বলছে যে মাটির পিএইচ এর
মান কমানোর জন্য মানে মাটির পিএইচ এর মান
কমানোর জন্য পিএচ বেড়ে গেছে কমাইতে চাও।
তো পিএইচ কমানোর জন্য মানে পিএচ এর মান
যদি বৃদ্ধি পায়। অম্ল লবণ ব্যবহার করতে
হবে। আমাদের অম্লব ফসফেট লবণ। এমোনিয়াম
বাইফসফেট। এমোনিয়াম বাইফসফেট। ঠিক আছে?
বুঝতে পারছো? সো খুবই ইম্পর্টেন্ট, খুবই
খুবই খুবই খুবই ইম্পর্টেন্ট এই টপিকটা। তো
তোমাদের কিন্তু ভাইয়া এরই মাধ্যমে টাইপ
ওয়াইজ ভাবে প্রত্যেকটা টাইপের বেসিক
আলোচনা করে তারপরে তোমাদেরকে কিন্তু
এমসিকিউ সলভ করাইছি। সো যেই টাইপগুলো
আলোচনা করছি, যেই টাইপের যে বেসিক
জিনিসগুলা তোমাদের সাথে আলোচনা করছি। এই
টাইপের বেসিক জিনিসগুলো যদি তোমরা পারো,
যদি বুঝে থাকো তাহলে এখান থেকে যত প্রশ্ন
তুমি পারবা। আমি হয়তো তোমাকে এখানে 70 টা
মত প্রশ্ন সলভ করাইছি। এই অধ্যায় থেকে
রাসায়নিক পরিবর্তন এমসিকউ। কিন্তু তুমি
আসলে এখান থেকে 700 করতে পারবা। তুমি আসলে
700 মানে যত এমসিকউ আসুক না কেন তুমি
এন্সার করতে পারবা কেন পারবা কারণ তোমাদের
তোমাকে আমি টাইপ ওয়াইজ ভাবে আলোচনা করে
দিছি জিনিসটা বুঝতে পারছো একদম টাইপভাবে
আলোচনা করে দিছি সো আমরা মোটামুটি তোমাদের
এই সিরিজের মাধ্যমে চেষ্টা করতেছি যে
তোমাদের যতগুলো জিনিস আছে মানে একদম তোমরা
যেন টাইপওয়াইজভাবে টাইপটা যেন ভালোমতো
আয়ত্ত করে নিতে পারো টাইপটা আয়ত্ত নেওয়ার
পরে যে এমসিকউগুলো আছে এগুলো তুমি
অটোমেটিক্যালি সলভ করতে পারবা সো আমরা
ট্রাই করেছি রাফলি 200 এর মতো 200 এর
কাছাকাছি বা 200 থেকে একটু বেশি এমসিকিউ
হয়তো তোমাদের সলভ করে দিছি কারণ আমাদের
উদ্দেশ্য ছিল আসলে তোমাদের টাইপগুলা বুঝায়
দেওয়া টাইপগুলা কমপ্লিট ভাবে তোমাদেরকে
বুঝায় দেওয়া। সো একটা চ্যাপ্টার কেউ যদি
এভাবে পড়ো এভাবে টাইপওয়াইজ যখন তুমি
প্রত্যেকটা কনসেপ্ট বেসিকগুলো একটু
রিভিশনও হয়ে গেল যদি একটু একটু করে দেখে
যাও আমার মনে হয় যে তোমরা কখনোই এই
অধ্যায়ের কোন এমসিকউতে আটকাবা না। হ্যালো
এভ্রিওয়ান সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমাদের
রাসায়নিক পরিবর্তনের সিকিউ সাজেশন ক্লাসে।
তো আজকের ক্লাসে আমি তোমাদেরকে সাজেশনই
দিব এরকম না। একই সাথে আমি তোমাদেরকে
এমনভাবে সিকিউগুলো সলভ করা দিব যেন তুমি
এখান থেকে আসা সব সিকিউ খুব সহজেই উত্তর
করতে পারো। তো তোমরা সবাই জানো যে আমাদের
এই অধ্যায় থেকে দুইটা সিকিউ আসে এবং
দুইটাই ম্যাথমেটিক্যাল সিকিউ। সো এখান
থেকে নাম্বার উঠানো খুব সহজ এবং আমরা সবাই
চেষ্টা করি এই অধ্যায় থেকে যেন আমরা
উত্তরটা করতে পারি। তা আমি তোমাদেরকে
এমনভাবে সবকিছু বুঝায় দিব যত এঙ্গেল থেকে
প্রশ্ন হোক না কেন যেভাবেই প্রশ্ন হোক না
কেন যেন তুমি ইনশাল্লাহ উত্তর করে আসতে
পারো ঠিক আছে? সো আশা করি তুমি এই ক্লাসটা
করার পর এই অধ্যায় থেকে যে সিকিউগুলো
আসবে এগুলো একদম হুবুহু কমন পেয়ে যাবা।
সো চলো আমরা আমাদের ক্লাসটা শুরু করে দেই।
তো শুরুতেই তোমাদেরকে একটা কথা মনে করায়
দেই। আমাদের যে টার্গেট ডিউ 5. ভার্সিটি
কোর্সটা আছে। তোমরা সবাই জানো এটা হচ্ছে
বাংলাদেশের ওয়ান অফ দ্যা ফাইনেস্ট
ভার্সিটি কোর্স। এবং এখানে যে টিচারদেরকে
দেখতে পাচ্ছ সবাই কিন্তু ভার্সিটির স্টার
টিচার। তো এই কোর্সটাতে তোমরা 1250 টাকা
ডিসকাউন্টে কিন্তু এখনো এনরোল করতে পারবা
ভার্সিটি 1250 এই প্রোমো কোডটা ইউজ করলে
মাত্র 4250 তোমরা কোর্সটা এনরোল করতে
পারবা। আর তোমাদের যাদের টার্গেট মেডিকেল
এবং যাদের টার্গেট হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং
তোমরা এই দুইটা কোর্স দেখতে পারো। যাদের
ইঞ্জিনিয়ারিং টার্গেট তারা হচ্ছে আমাদের
ইফোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং প্লাস ভার্সিটি
বায়োলজি। এই কোর্সটাতে এনরোল করতে পারো।
আর যাদের টার্গেট হচ্ছে মেডিকেল তারা
আমাদের মেরিটস এই কোর্সটাতে এনরোল করতে
পারো। ঠিক আছে? তো আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং
যে কোর্সটা আছে ইঞ্জিনিয়ারিং প্লাস
ভার্সিটি বায়োলজি এই কোর্সে তোমাদের জন্য
যে প্রোমো কোডটা থাকতেছে সেটা হচ্ছে ইএনজি
আই 1500। তো এই প্রোমো কোডটা যদি ইউজ করো
তাহলে 1500 টাকা ডিসকাউন্টে তোমরা কোর্সটা
কিনতে পারবা 4500 টাকায়। ঠিক আছে? সো
দেরি না করে যাদের টার্গেট ইঞ্জিনিয়ারিং
তারা তাড়াতাড়ি এই কোর্সে যুক্ত হয়ে
যাও। আশা করি তোমাদের সাথে চমৎকার একটা
জার্নি হবে। সো চলো আমরা আমাদের ক্লাসটা
শুরু করি। প্রথমেই আমরা দেখব আমাদের গ্রীন
কেমিস্ট্রি। এখন গ্রীন কেমিস্ট্রি থেকে
কোন সিকিউ আসতে পারে। এখান থেকে আদ সিকিউ
আসে বা আসবে কিনা? ভাই দেখো আমার কাছে কেন
জানি মনে হয় যে গ্রিন কেমিস্ট্রি এ বছরের
জন্য একটা হট টপিক। সো এইখান থেকে একটা
সিকিউ আসার চান্স আছে। ঠিক আছে? গ্রীন
কেমিকেস্ট্রি একটা হট টপিক বারবার বলতেছি।
এখান থেকে সিকিউ আসার একটা ভালো চান্স
আছে। এবং সিকিউটা কি? এইযে এই সিকিউটা।
এইযে এই সিকিউটা তুমি দেখতে পাচ্ছ এই
সিকিউটাই আসার চান্স সব থেকে বেশি। এখন
ভাইয়া কথা হচ্ছে আমাদের এই সিকিউটাতে কি
বলছে। দেখো আমি দেখতে পাচ্ছি আমার এখানে
দুইটা বিক্রিয়া দেওয়া আছে। এইটা একটা
বিক্রিয়া। এটা একটা বিক্রিয়া। দুইটা
বিক্রিয়া দেওয়া আছে। আচ্ছা এখন এই দুইটা
বিক্রিয়া থেকে তারপর আমার প্রশ্নটা করছে
কি? এক নাম্বার প্রশ্ন। ইথানল উৎপাদনের,
ইথানল উৎপাদনের দুটি পদ্ধতির মধ্যে দুটি
পদ্ধতির মধ্যে কোনটি গ্রীন কেমিস্ট্রির
সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? তো যখন তোমাকে বলবে
যে এই দুইটা পদ্ধতির মধ্যে যে দেখো আমি
দুইটা পদ্ধতিতে ইথানল উৎপাদন করতেছি তুমি
খেয়াল করো এখানেও আমাদের ইথানল উৎপাদন
উৎপাদ ইথানল থাকতেছে এটাতেও দেখো উৎপাদে
কি আছে ইথানল আছে দেখছো তার মানে c2 এ5
মানে অ্যালকোহল দুই কারণ বিশিষ্ট
অ্যালকোহল তার নাম হচ্ছে ইথানল এখন এইযে
দুইটাতেই তুমি দেখতে পাচ্ছি যে দুই
জায়গাতে আমাদের কি আছে ইথানল আছে দুইটা
বিক্রিয়াতেই এখন বলছে কোনটা আসলে বেটার
ইথানল উৎপাদন করার জন্য কোনটা বেটার মানে
কোনটা গ্রীন কেমিস্ট্রির সাথে
সামঞ্জস্যপূর্ণ মানে কোন জায়গাতে আমাদের
বেশি উৎপাদ পাওয়া যাবে সোজা সাপটা কথা
এখন এটা কিভাবে বের করে যখনই তোমাকে বলবে
যে ভাই কোনটি গ্রীন কেমিস্ট্রির সাথে
সামঞ্জস্যপূর্ণ এই কথাটা আসলেই মনে রাখবা
আমাকে কি করতে হবে এটম ইকোনমি দিয়ে এটম
ইকোনমি বের করে উত্তর করতে হবে কি করতে
হবে ভাই বলতো এটম ইকোনমি এটম এটম ইকোনমি
বুঝ ইকোনমি তোমার পরীক্ষায় আসার মত মানে
তুমি কোন না কোন বোর্ডে হয়তো এখান থেকে
একটা প্রশ্ন পেয়ে যাবা তোমাকে কি করতে হবে
এটম ইকোনমি বের করতে হবে এটম ইকোনমি বের
করতে হবে যখন বলবে গেমিস্ট্রির সাথে
সামন্ত কিনা কি করব এটম ইকোনমি বের করতে
হবে ওকে আচ্ছা এক নাম্বার কোশ্চেনটা আগে
দেখি তো আমাদের প্রথম এক নাম্বার
কোশ্চেনটা এখন এই এক নাম্বার কোশ্চেন দেখ
আমার দুইটা বিক্রিয়া আছে দুইটা বিক্রিয়া
আছে। ঠিক আছে? আমি একটা নাম দিলাম সে এটার
নাম দিলাম আমি এ। এটার নাম দিলাম সে আমি
বি। তো আমি আমাদের এ নাম্বার বিক্রিয়া
ক্ষেত্রে খেয়াল করি। এ এর ক্ষেত্রে খেয়াল
করি যে আমাদের এ কি ধরনের মানে এর এটম
ইকোনমির মান কত? তো এই এর এটম ইকোনমি এখন
এটম ইকোনমি মানে হচ্ছে এই পারসেন্টেজ। এটম
ইকোনমি মানে হচ্ছে এই পারসেন্টেজ। হ্যাঁ।
এটমিক ইকোনমি কিভাবে বের করে? এটম ইকোনমি
বের করার নিয়ম হচ্ছে কাঙ্খিত উৎপাদের ভর।
কাঙ্খিত উৎপাদ ইথানোল আছে। এই কাঙ্খিত
উৎপাদের মোট ভর। ডিভাইডেড বাই মোট উৎপাদের
ভর। কাঙ্খিত উৎপাদের মোট ভর ডিভাইডেড বাই
মোট উৎপাদের ভর। সূত্রটা কি বলতো? কাঙ্খিত
উৎপাদের মোট ভর ডিভাইডেড বাই মোট উৎপাদের
ভর। তাহলে আমি এখান থেকে বলতে পারি এটম
ইকোনমি পারসেন্টেজ ইকুয়ালটু হচ্ছে কাঙ্খিত
উৎপাদ কাঙ্খিত উৎপাদ উৎপাদ ডিভাইডেড বাই
কি বলতো ভাইয়া? মোট উৎপাদ মোট উৎপাদ
কাঙ্খিত উৎপাদের ভর ডিভাইডেডবা মোট
উৎপাদের ভর ইটু 100% ই 100% ঠিক আছে? এটা
হচ্ছে আমাদের ফর্মুলা। তাহলে এটমিক
পারসেন্টেজ কি? কাঙ্কিত উৎপাদকে ইথানল। কয়
মোল আছে? দুই মোল। তাহলে আমি কি লিখব? ইদ
মোল ইথানলের ভর। তো এক মলি ইথানুলের ভর
হচ্ছে 46 আণবিক ভর 46 তুমি বের করে দেখো
দুইটা কার্বন ছয়টা হাইড্রোজেন একটা
অক্সিজেন যোগ করে দেখো 46 আসবে ঠিক আছে
নিচে কি আসবে নিচে আসবে আমাদের মোট
উৎপাদের ভর অর্থাৎ এই উৎপাদ প্লাস এই
উৎপাদ দুইটা উৎপাদের ভর তাহলে আমি লিখতে
পারি 2 * 46 প্লাস দুই অণু কার্বন
ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হচ্ছে 2 * 44 ইনটু
হচ্ছে 100% ইনটু 100% সো এখান থেকে
ক্যালকুলেশন করে দেখো তোমার ভ্যালুটা কত
আসে তুমি যদি এখান থেকে ক্যালকুলেশন করো
তাহলে আমাদের আসতেছে 2 * 46 2 * 46 * 44
ইনটু হচ্ছে হো আমরা পাব এখান থেকে মোস্ট
5স কত আসতেছে 5% 51%
ওকে তাহলে প্রথম বিক্রিয়াতে এটম ইকোনমির
মান হচ্ছে 51% আমি যদি আমার সেকেন্ড
বিক্রিয়াটার কাছে যাই সেকেন্ড বিক্রিয়াটা
থেকে আমরা এটমিন এই পারসেন্টেজ বের করব তো
কি হবে উপরে কি যাবে কাঙ্খিত উৎপাদ আমাদের
কাঙ্খিত উৎপাদকে আমরা সবাই জানি আমাকে
বলেই দিছে ইথানল উৎপাদনের তারমানে ইথানল
হচ্ছে কাঙ্খিত উৎপাদ তাহলে এখানে কয় মোল
ইথানল আছে এক মল তাহলে উপরে যাবে হচ্ছে
ইথানল 46 নিচে কি আসবে মোট উৎপাদের ঘর মোট
উৎপাদ কে এইটা এবং এইটা তাহলে কি হবে 46
যোগ পটাশিয়াম ব্রোমাইডের ভর পটাশিয়াম
ব্রোমাইডের ভর কত 119 119 দেখ পটাশিয়ামের
হচ্ছে পটাশিয়াম 39.1 আর ব্রোমিনের হচ্ছে
79.9 যোগ করে দাও 79.9
9 যোগ করে দিলে আসবে 119 এখান থেকে আমরা
যদি ক্যালকুলেশন করিস করি মোস্ট আমি কত
পাব এখানে দেখি 46
প9
প9
করলে কত 2787
তাহলে প্রথম বিক্রি এট ইনকোমির মান 5স
দ্বিতীয় বিক্রিটার এটম ইকোনমিন মান 2787%
মনে রাখবা ভাইয়া এই পারসেন্টেজ অর্থাৎ
এটম ইকোনমির পারসেন্টেজ এই পারসেন্টেজ যত
বেশি হবে এই পারসেন্টেজ যত বেশি হবে হ্যা
সেটা গ্রীন কেমিস্ট্রির সাথে তত বেশি
সামঞ্জস্য হবে কি বলতো এই এটমিক
পারসেন্টেজ যত বেশি হবে গ্রীন কেমিস্ট্রির
সাথে তত বেশি সামঞ্জস্য হবে গ্রীন
কেমিস্ট্রি কেমিস্ট্রি গ্রীন কেমিস্ট্রি
এর সাথে
কি হবে গ্রীন কেমিস্ট্রির সাথে
সামঞ্জস্যতা সামঞ্জস্য পূর্ণ হবে বুঝন
কেমিস্ট্রির সাথে সামঞ্জস্যতা
এই গ্রীন কেমিস্ট্রিতে সামঞ্জস্যতা তত
বেশি হবে তাহলে এটম ইকোনমি পারসেন্টেজ যত
বেশি জিনিসটা তত বেশি গ্রিন কেমিস্ট্রির
সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে হ্যা
সামঞ্জস্যপূর্ণ
গ্রনকে সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণতা
সামঞ্জস্যপূর্ণতা তত বেশি হবে তাহলে যেটা
যেটার এটমিক মান বেশি সেটার গ্রেকে সাথে
তত বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ আমাদের কোন
বিক্রিয়াটা সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ এক
নাম্বার বিক্রিয়াটা ঠিক আছে ওকে এবার আস
এখান থেকে আমরা আর কি দেখব এখান থেকে
আমাদের তার পরের টপিকটা দেখো কি বলছে
আমাদের পরের টপিকটা বলছে যে ইথানল
উৎপাদনের দুটি পদ্ধতির মধ্যে কোনটি গ্রীন
কেমিস্ট্রির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণই
ফ্যাক্টরের সাহায্যে বের করো মানে এবার
কিন্তু তোমাকে এটম ইকোনমি বের করতে বলবে
দেখো আগেরটাতে কিভাবে ভাবে বের করবো বলেই
নাই। তো কোনটি গ্রিন কেমিস্ট্রির সাথে
সামঞ্জস্যপূর্ণ যদি বলে আমরা অবভিয়াসলি
এটম ইকোনমি বের করে করব। বাট পরেরটা দেখো
আমাকে স্পেসিফাই করে দিছে যে আমাকে ই
ফ্যাক্টরের সাহায্যে বের করতে বলছে।
ফ্যাক্টরের সাহায্যে বের করতে বলছে যে
কোনটা গ্রিন কেমিকেস্ট্রির সাথে
সামঞ্জস্যপূর্ণ ফ্যাক্টরের সাহায্যে
ব্যাখ্যা কর। তার মানে এবার আমাকে কি করতে
হবে? এবার আমাকেই ফ্যাক্টর বের করতে হবে।
কি করতে হবে? ফ্যাক্টর বের করতে হবে। এখন
হোয়াট ইজ ফ্যাক্টর। আগে একটু একটু দেখি।
ফ্যাক্টর মানে কি? দেখ ফ্যাক্টর মানে কি
জান? ফ্যাক্টর মানে কি? ফ্যাক্টর ইকয়াল
হচ্ছে ফ্যাক্টর। ফ্যাক্টর ইকয় হচ্ছে উপরে
যাবে হচ্ছে আমাদের বর্য। ডিভাইডেড বাই
বর্যবাদে উৎপাদ উপরে যাবে কি বর্য
ডিভাইডেড বাই নিচে কি যাবে বর্যবাদে
বাদে উৎপাদ বর্যবাদে বাদে উৎপাদ ঠিক আছে
আমাদের কাঙ্খিত উৎপাদ উপরে যাবে বর্য নিচে
যাবে বর্যবাদে বাকিটা বর্যবাদে যে উৎপাদটা
থাকে সেটা মানে কাঙ্খিত উৎপাদ ঠিক আছে
আমরা সোসাবটা সহজভাবে বলতে পারি কি উপরে
যাবে বর্য নিচে কি যাবে কাঙ্খিত উৎপাদ
কাঙ্কিত উৎপাদ উৎপাদের ভর হ্যা একটু লিখে
নিও যে বর্যপাদে উৎপাদের ভর উপরে যাবে
বর্যের ভর বর্য এর ভর নিচে যাবে বর্যবাদ
উৎপাদ বা কাঙ্খিত উৎপাদের ভর আমরা এখন
আমাদের এক নাম্বার এ নাম্বার বিক্রিয়ার
জন্য কই এই নাম্বার বিক্রি দুই নাম্বার
অংকটা করতেছি আমাদের দুই নাম্বার অংকটা
করতে গেলাম এখন কি করব ফস্ট এর জন্যই
ফ্যাক্টর বের করব এর জন্যই ফ্যাক্টর কেমনে
বের করবই ফ্যাক্টর কি হবে খেয়াল করতো আমার
এখানে বর্য কে আর কাঙ্খিত উৎপাদ কে দেখো
আমরা সবাই জানি আমার কাঙ্খিত উৎপাদ হচ্ছে
ইথানল তাহলে এইটা বাদে যেটা থাকবে সবই
বর্য কাঙ্খিত উৎপাদ বাদে যা থাকবে সবই
বর্য তাহলে এইটা যদি আমাদের কাঙ্খিত উৎপাদ
হয় তাহলে বর্য কার্বন ডাইঅক্সাইড বর্য
কার্বন ডাইঅক্সাইড তাহলে কয় কার্বন
ডাইঅক্সাইড দুই কার্বন ডাই অক্সাইড তাহলে
উপরে যাবে কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভর তাহলে 2
ই 44 2 ই 44 নিচে কি আসবে নিচে আসবে
আমাদের ইথানলের ভর নিচে কি আসবে ইথানলের
ভর আমাদের কাঙ্কিত উৎপাত ইথানল ইথানলের ভর
কত 2 ই 46 সো আমাদের আসবে 0.9 সামথিং 96
আই গেস দেখি 2 * 44 আসবে 2 * 46 সো 0
956 ওকে 0.956 956 এটা হচ্ছে ইফেক্টরের
মান এবার আমরা আমাদের দুই নাম্বার অংকের
জন্য ইফেক্টর বের করব দুই নাম্বার অংকে
আমার তোমরাই বল যেভ বর্যকে এবং কাঙ্খিত
উৎপাদকে আমরা সবাই জানি কাঙ্কিত উৎপাদ
হচ্ছে ইথনল কারণ বলেই দিছি ইথনল উৎপাদনের
দুটি পদ্ধতি অবশ্যই ইথল কাঙ্কিত উৎপাদ
তাহলে উপরে যাবে পটাশিয়াম ব্রোমাইডের ভর
এটার ভর হচ্ছে কত 119 নিচে আসবে আমাদের
ইথানলের ভর ইথানলের ভর কত আমরা জানি 46
তাহলে উপরে যাবে বরের ভর নিচে আসবে আমাদের
কি মোট কাঙ্কিত উৎপাদের ভর এখান থেকে যদি
আমি ক্যালকুলেশন করি তাহলে আমার আস ভাগ
হচ্ছে 46 গেট 2.58
আগের এখানে কোন বিক্রি
নাম্বারটা এখানে সাহাে ব্যাখ্যা করতে দেখি
সাথে কি আসে আমরা সবাই আমরা একটা জিনিস
মনে রাখব্যাক্টর
ভালো খারাপ যত বেশি হবে্যা
ফ্যাক্টরের সাথে ফ্যাক্টরের সাথে বর্য এটা
সমীকরণের উপরে আছে তার মানে এর সাথে
সমানুপাতিক সম্পর্ক দেখ ফ্যাক্টরের সাথে
বরের কি সমানুপাতিক সম্পর্ক তার মানেই
ফ্যাক্টরের মান যত বেশি বর্য তত বেশি আর
বর্য আমরা চাই একটা বিক্রিয় বর্যের পরিমাণ
কম হোক। সো গ্রিন কেমিস্ট্রির সাথে
সামঞ্জস্যতা গ্রীন কেমিস্ট্রি
গ্রীন কেমিস্ট্রি এর সাথে এর সাথে
সামঞ্জস্যপূর্ণতা কি হবে বলতো?
সামঞ্জস্যপূর্ণতা
তত কি হবে? তত কম হবে। তত কম হবে। তাহলে
দেখো এই গ্রিন কেমিস্ট্রির সাথে
সামঞ্জস্যপূর্ণতা তত তত কম হবে। তাহলে বিফ
ফ্যাক্টর যত বেশি হবে এই গ্রিন
কেমিস্ট্রির সাথে সামঞ্জস্য পপূর্ণতা তত
কম হবে। তাহলে এখন তুমি বল কোনটার ইফ
ফ্যাক্টর বেশি? দুই নাম্বার বিক্রিয়ার ই
ফ্যাক্টর বেশি। তার মানে ই ফ্যাক্টরটা
পরিবেশবান্ধব না। ইফ দুই নাম্বারটাতে
বর্যের পরিমাণ বেশি। তার মানে দুই
নাম্বারটা খারাপ বিক্রিয়া। অর্থাৎ এক
নাম্বারটা আমাদের ভালো বিক্রিয়া। দেখো আগে
গ্রীন এটমিক ইকোনমি দিয়ে যখন বের করছি
তখনও দেখছি এক নাম্বারটা ভালো বিক্রিয়া।
এখন বর্য দিয়ে যখন বের করে দেখতেছি তখনও
দেখতেছি আমাদের এই এক নাম্বারটা ভালো
বিক্রিয়া। ঠিক আছে? তো তোমার এইরকম প্রশ্ন
পরীক্ষায় আসতে পারে। ঠিক আছে? কোন না কোন
বোর্ডে হয়তো তুমি গ্রীন থেকে একটা প্রশ্ন
পেতে পারো। আচ্ছা চলো এবার আমরা আমাদের
রাসায়নিক সাম্য অবস্থার প্রবলেমগুলো সলভ
করবো। রাসায়নিক সাম্যবস্থা থেকে কি ধরনের
প্রবলেম আসে? বা মেইনলি কেপিকেসি রিলেটেড
প্রশ্ন আসে। কেপি এন্ড কেসি। কেপিকেসি
রিলেটেড প্রশ্নগুলা আমাদের এই টপিক থেকে
আসতে পারে। হ্যা এখন কেপিকেসি রিলেটেড
প্রশ্ন আসলে কিভাবে করবো? মানে কি কি
টাইপের প্রশ্ন হইতে পারে? কি ধরনের প্রশ্ন
হইতে পারে? তো আমি তোমাদেরকে একটু কিছু
জিনিস দেখাই। কিছু জিনিস বুঝানোর চেষ্টা
করি। আমি তোমাকে একটা প্রশ্ন দেখাই। ওই
একটা প্রশ্নের আন্ডারে কত ধরনের প্রশ্ন
হইতে পারে বোর্ডে কত ভেরিয়েশন হইতে পারে?
একটা দিয়া যখন তোমারে সব বুঝায় দিব না।
যেকোনটার ক্ষেত্রে তুমি বের করতে পারবা।
চল আমরা একটু ট্রাই করি প্রথমটা। হ্যাঁ।
দেখো কি বলছে। আমার এখানে একটা বিক্রিয়া
দেওয়া আছে। নাইট্রোজেন প্লাস তিন
হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে দুই অ্যামোনিয়া
তৈরি করে। এবং এই বিক্রিয়া ডিচ এর মান
দেওয়া মাইনাস 92 কিলোজ। ফাইন। এখন এই যে
বিক্রিয়াটা এই বিক্রিয়াটার নাম কি? এই
বিক্রিয়াটাকে আমরা বলি হেবার বস বিক্রিয়া।
এই বিক্রিয়াটার নাম কি বলতো? এটাকে কি
বলে? এটাকে বলা হয় হেবার বস। হেবার বস
পদ্ধতিতে অ্যামোনিয়া উৎপাদন। এই যে আমাদের
হেবারস বিক্রিয়াটা আছে। নাইট্রোজেনের
সবচেয়ে কমন বিক্রিয়া। এবং এটা থেকেই
সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্নটা থেকে
এইটা থেকেই সো ফার সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন
আসছে। ওকে? এটা থেকেই সো ফার সবচেয়ে বেশি
প্রশ্ন আসে। সো তোমাদের এইটা এটা খুব ভালো
করে এইটা রিলেটেড যতগুলা প্রশ্ন আছে
সবগুলা পইড়া যাইতে হবে। তুমি যদি এইটা
রিলেটেড সবগুলা প্রশ্ন পড়ে যাও মানে পারো
তাহলে তুমি বাকিগুলোও পারবা। প্যারা নিও
না আমি এমন ভাবে তোমাদের পড়াই দিবো যেন
সবগুলো উত্তর তোমরা করতে পারো। ঠিক আছে?
একদম চিমড়ে থাকো তোমাদের কনফিউশন সব দূর
হয়ে যাবে। অনেকগুলো অংক আছে যেগুলো এখানে
কনফিউশন আছে সেগুলো তোমাদের ইনশাল্লাহ
ক্লিয়ার হয়ে যাবে। ঠিক আছে? আমি যেভাবে
করাবো যেটা তুমি ঠিক একইভাবে করবা। তো এখন
এই হ্যাভারগের হ্যাঁ এটা তো এইভাবে
পরীক্ষায় আসে। আসলে তো ভালো। কিন্তু মোস্ট
অফ দ্যা টাইম এভাবে না এসে পরীক্ষায় এভাবে
আসে। a2 প্লাস বিট 2ab3। এক্সটু প্লাসথওট
ইক এক্সও3 পিট প্লাসথ কিউট বিক্রিয়া করে
আসে হচ্ছেট পি কিউথট প কিউ অথবা এভাবে
বিক্রিয়াটা আসতে পারে একটু খেয়াল করে দেখ
এটা এভাবে আসতে পারে যে এ পথবি
বিক্রিয়া করে তৈরি করতেছে এ পথ বিক্রিয়া
করে তৈরি করতেছেট এভাবেও আসতে পারে এ পথ
বিক্রিয়া করে তৈরি করতেছেটু স
একই জিনিস মিন করে একই জিনিস ইন্ডিকেট করে
ঠিক আছে তো তুমি ফরমেশনটা দেখবা এরকম কিনা
দুই কিনা যদি একদ ফরমেশন ফলো করতে তাহলে
তুমি বুঝবা যে এটা আসলে আমদের এই বিক্রিয়া
এবারজ বিক্রিয়া। ঠিক আছে? তুমি যদি দেখো
যে এটার সামনে সহগ এক, এটার সামনে তিন,
এটার সামনে দুই। এক তিন, দুই যদি রেশিও
মেন্টেইন করে তাইলে তুমি বুঝবা যে ভাই এটা
আসলে আমাদের এই বিক্রিয়ার কথাই বলছে। সো
প্যারা নিও না। এইটা তুমি পারো তার মানে
তুমি এগুলাও পারবা এবং এটা সবচেয়ে কমন
সবচেয়ে কমন তোমার এবং এটাই সবচেয়ে বেশি
পরীক্ষায় আসছে। পরীক্ষায় সবসময় যেভাবে
বিক্রিয়া দিয়ে দেয় এরকম না। এই ফরমেটে
মোস্ট অফ টাইম বিক্রিয়া দেয়। ঠিক আছে? এখন
আমরা আগে প্রশ্নগুলো দেখি। প্রথমটা বলছে
উদ্দীপকের বিক্রিয়ায় সর্বোচ্চ পরিমাণ
উৎপাদ পাওয়ার শর্তগুলো লেখো। এ যখনই
তোমাকে বলবে সর্বোচ্চ পরিমাণ উৎপাদ পাওয়ার
শর্তগুলো লেখ। তার মানে তোমাকে আসলে
লাসাথিয়ারের নীতি বলছে মানে লাসাতিলের
নীতি ব্যাখ্যা করতে বলছে। খুবই কমন
কোশ্চেন পরীক্ষায় প্রচলে আসে। ওকে?
সেকেন্ড উদ্দীপকের বিক্রিয়ার
সাম্যদধ্রুবকের উপর তাপমাত্রা প্রভাব
লেখচিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো।
সাম্যদধ্রুবক সাম্যদধ্রুবক বলতে হচ্ছে
কেপিএসসির উপর তাপমাত্রা প্রভাব। এটাকে
আমরা বলি ভ্যান হপের সমীকরণ। কার সমীকরণ?
ভ্যান হপের সমীকরণ। যাই হোক উদ্দীপকের
বিক্রিয়ার জন্য স্থিতিশক্তির গ্রাফা অঙ্কন
করে কিভাবে বিক্রিয়া তাপ সম্পর্কে ধারণা
পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো। আমাকে
স্থিতিশক্তির গ্রাফ আখতে বলছে। এই
বিক্রিয়াটার জন্য। কোন প্যারা নাই। আমি সব
দেখায় দিব তোমাদের। প্রমাণ করো উদ্দীপকের
বিক্রিয়ার সামদ্রবকের মান কখনোই শূন্য বা
অসীম হতে পারে না। মানে সাম্যদ্রবক
কেপিকেসির মান কখনোই শূন্য হইতে পারবে না।
কখনোই অসীম হতে পারবে না। ওকে? তারপরে
উদ্দীপকের বিক্রিয়ার কেপির মান 0.1 হলে
অ্যামোনিয়া থেকে হাফ নাইট্রোজেন প্লাসথ বা
হাইড্রোজেন হচ্ছে এই বিক্রিয়ার কেপি কত?
এই বিক্রিয়ার কেপিটা বের করতে বলছে। এবার
বলছে উদ্দীপকের বিক্রিয়ার জন্য কেপিসি
রাশিমা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করো। সেকেন্ড
বলছে 250 ডিগ্র সেসিয়াস তাপমাত্রা
উদ্দীপকের বিক্রিয়ার কেসি এত হলে কেপি কত?
উদ্দীপকের বিক্রিয়ার জন্য কেপিএ রাশিমালা
প্রতিষ্ঠা করো। উদ্দীপকের বিক্রিয়কের 20%
বিয়োজিত হলে বা 20% উৎপাদে রূপান্তরিত
হলে এবং সাম্য অবস্থায় মোট চাপ দুই
এমটময় হলে কেপি নির্ণয় করো। উদ্দীপকের
বিক্রিয়ায় 20% বিয়োজিত হলে এবং 20%
উৎপাদে রূপান্তরিত হলে এবং মোট আয়তন 2
লিটার হলে কেসি নির্ণয় করো। 2 লিটার
আয়তনের তারপরে বিক্রিয়া সাম্যবস্থায়
বিক্রিয়া পাত্রে 20% অ্যামোনিয়া থাকলে
বা সাম্যবস্থায় 20% অ্যামোনিয়া উৎপন্ন
হলে এবং মোট চাপ দুই হলে কেপি নির্ণয়
করো। 2 লিটার আয়তনের পাত্রে তিন মোল
নাইট্রোজেন ও পাঁচ মোল হাইড্রোজেন
বিক্রিয়া করলে সামবস্থায় মোট দুই মোল
অ্যামোনিয়া উৎপন্ন হয়। কেসি নির্ণয়
করো। দুই লিটার আয়তনের পাত্রে তিন লিটার
নাইট্রোজেন ও পাঁচ মোল হাইড্রোজেন
বিক্রিয়া করলে সাম্য অবস্থায় 20%
নাইট্রোজেন বিজিত হয় কিসি নির্ণয় করো
দুই লিটার আয়তনের পাত্রে তিন মোল
নাইট্রোজেন ও পাঁচ মোল হাইড্রোজেন
বিক্রিয়া করলে সাম অবস্থায় 20%
হাইড্রোজেন বিভোজিত হয় কিছু নির্ণয় করো
দুই লিটার আয়তনের পাত্রে তিন মোল
নাইট্রোজেন পাঁচ মোল হাইড্রোজেন বিক্রিয়া
করলে সামদ নয় সাম্য অবস্থার প্রত্যেকের
ঘনমাত্রা নির্ণয় করো তাই না ভয় পেয়ে
গেছ নাই দেখ এই টাইপের সবগুলো প্রশ্ন
পরীক্ষা আসতে পারে কোন সময় এটারে গতে
দিবে এটারে গতে দিবে অথবা এইটা গতে এটা
গতে এটা গতে এটা গতে এরকমভাবে তোমার
পরীক্ষা আসতে পারে বাট এর বাইরে থেকে
প্রশ্ন আসবে না এর বাইরে বাইরে থেকে
প্রশ্ন আসবে না ঠিক আছে এর বাইরে থেকে
প্রশ্ন আসবে না আমি এগুলার মধ্যে একটু
স্টার মার্কিং দেই তোমাকে খেয়াল করো এর
মধ্যে এইটা হচ্ছে তোমার থ্রি স্টার ঠিক
আছে এটা হচ্ছে থ্রি স্টার এটা এ বছর আসার
চান্স যে কোশ্চেন কঠিন করতেছে এটা আসার
চান্স একটু বেশি তারপরে হচ্ছে এইযেটা
গ্রাফ অংকন কর এটা আছে আচ্ছা তারপরে হচ্ছে
কেপিসি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করো দিস ওয়ান
উদ্দীপকের বিক্রি কেপি রাশিমালা প্রতিপাদন
করো ঠিক আছে উদ্দীপকের বিক্রিয়া 20 উৎপাদন
সম এত এইযে 11 নাম্বারটা ও বাবা এ ফাইভ
স্টার মেরে রাখো 11 নাম্বারটা। ঠিক আছে?
11 নাম্বারটা ফাইভ স্টার মেরে রাখো। তো
মোটামুটি এগুলা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি
ইম্পর্টেন্ট। মানে এখানে যে কটা আছে এক
দুই তিন চার পাঁচ ছয়টা। এই ছয়টা হচ্ছে আরো
বেশি ইম্পর্টেন্ট। একদম মানে সবচেয়ে বেশি
করা। আর বাকি সবগুলাই ইম্পর্টেন্ট।
ইম্পর্টেন্ট না হলে তো আমি লিখতাম না। তো
প্রশ্ন কঠিন তো হচ্ছে এ বছর। এটা করলে
তোমার কেপিসি কনসেপ সব ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
ওকে? তো চল আমরা শুরু করি। একটা করে টেনশন
করো না। এই একটা সিকউ করার পর যত তুমি
পারবা। যত সিকুয়ে তুমি পারবা। ঠিক আছে?
একটু ওয়েট করো। খালি দেখো ভাইয়া করা
যাচ্ছে তোমাদের। হ্যা চল আস। প্রথমে বলছে
উদ্দীপকের বিক্রিয়া সর্বোচ্চ পরিমাণ উৎপাদ
পাওয়ার শর্তগুলো লেখ। সর্বোচ্চ পরিমাণ
উৎপাদ পর শর্ত মানে লাসা তিলের নীতি। এখন
যখনই লাসা তিলের নীতি আসবে তখন তোমাকে
তিনটা জিনিস নিয়ে আলোচনা করতে হবে। তিনটা
জিনিস হ্যা প্রথমত তুমি তাপমাত্রার কি
করবা? তুমি তাপমাত্রা কি করতে হবে?
দ্বিতীয়ত তোমার চাপের কি পরিবর্তন করতে
হবে? তৃতীয়ত তোমার ঘনমাত্রার কি পরিবর্তন
করতে হবে? তাপমাত্রা, চাপ আর কি?
ঘনমাত্রা। আমরা ফাস্টেই দেখব আমাদের
তাপমাত্রার প্রভাব। আমরা অলওয়েজ দেখব
তাপমাত্রার প্রভাব। তো তিনটা জায়গায়
তোমাকে কথা বলতে হবে। তাপমাত্রার প্রভাব।
হ্যাঁ। এখন তুমি খেয়াল করো তোমার যে
বিক্রিয়াটা আছে তোমার যে বিক্রিয়াটা আছে
এটা কি? কি তাপৎপাদী বিক্রিয়া না তাপহারী
বিক্রিয়া একটু বলো আমার এখানে যে
বিক্রিয়াটা আছে এটা কি আমাদের তাপদী
বিক্রিয়া নাকি এটা আমাদের ভাইয়া তাপহারী
বিক্রিয়া দেখো ড এর মান -92 kজ অর্থাৎ এটা
আমাদের একটা তাপৎপাদী বিক্রিয়া কি
বিক্রিয়া তাপৎপাদী বিক্রিয়া আচ্ছা তাপী
বিক্রিয়া মানে কি তাপৎপাদী বিক্রিয়া মানে
হচ্ছে আমাদের সম্মুখমুখী বিক্রিয়াটা তাপ
উৎপাদী পশ্চাৎমুখী বিক্রিয়াটা হচ্ছে
তাপহারী তাপ বিক্রিয়া মানে কি তাপৎপাদী
বিক্রিয়া এটা উলটা সাইন সম্মুখমুখী
বিক্রিয়াটা তাপৎপাদী পশ্চাৎমুখী
বিক্রিয়াটা হচ্ছে তাপহারী ঠিক আছে
সম্মুখমুখী বিক্রিয়াটা তাপী পশ্চাৎমুখী
বিক্রিয়াটা তাপহারী আচ্ছা এইটা একটু খেয়াল
করো এই সাইনটা সাইনটা উলটা হ্যাঁ এটা ঠিক
করে নিও এই যে এটা ওকে এই হচ্ছে কাহিনী
তোম সবগুলার ক্ষেত্রেই সেম হবে হ্যা
এইদিকে এটা দিবা এইদিকে এটা দিবা এইদিকে
এটা দিবা এইদিকে দিবা উল্টা হয়ে গেছে
সাইনটা টাইপিং এর প্যারা নাই তোমরা বুঝতে
পারতেছো এটা সমস্যা নাই এখন এখন সর্বোচ্চ
পরিমাণ উৎপাদপ শর্তগুলা লেখো এই তাপমাত্রা
পাও তাপ উৎপাদী বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে এটা
একটা তাপ বিক্রিয়া ডল এইচ নেগেটিভ আমরা
দেখতে পাচ্ছি আমাদের ডচ কি মাইনাস 92
কিলোজ এইচ এর মান 92 কিলোজ সুতরাং এটা কি
বিক্রিয়া তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া তাপ উৎপাদী
এখন তাপ উৎপাদী বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে আমরা
কি জানি তাপমাত্রা বাড়াইলে তাপদী
বিক্রিয়ায় আমরা যদি তাপমাত্রা বাড়াই
তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি
করলে বিক্রিয়া কোন দিকে যায়? তাপমাত্রা
বৃদ্ধি করলে বিক্রিয়া কোন দিকে যায়? তাপদী
বিক্রিয়ায় তাপমাত্রা যদি বৃদ্ধি করি তাপদী
বিক্রিয়ায় তাপমাত্রা বাড়াইলে বিক্রিয়া
পেছনের দিকে যায়। তাপ বিক্রিয়ায় তাপমাত্রা
বাড়াইলে বিক্রিয়া পেছনের দিকে যায়। তাহলে
তাপ বিক্রিয়া তাপমাত্রা বাড়াইছে। বিক্রিয়া
কোন দিকে যাবে? বিক্রিয়া বিক্রিয়া পেছনে
যাবে। পেছনে যাবে। ঠিক আছে? বিক্রিয়া
পেছনে যাবে। তাহলে আমাকে কি করতে হবে?
তাহলে আমাকে কি করতে হবে? আমাকে একটু
বুঝার ট্রাই কর। আমার টার্গেট কি? আমার
টার্গেট কি? আমার টার্গেট হচ্ছে সর্বোচ্চ
পরিমাণ উৎপাদ উৎপাদ পাওয়া। তো সর্বোচ্চ
পরিমাণ উৎপাদ পাওয়া মানে কি? আমাকে
সর্বোচ্চ পরিমাণ উৎপাদ বিক্রিয়াটাকে
সম্মুখমুখী বানাইতে হবে। এরই হওয়া
বিক্রিয়াটাকে সম্মুখমুখী বানাইতে হবে। তো
সুতরাং আমি লিখতে পারি সুতরাং সর্বোচ্চ
পরিমাণ উৎপাদ পেতে হলে সর্বোচ্চ পরিমাণ
সর্বোচ্চ পরিমাণ আমি যদি উৎপাদ পেতে চাই
উৎপাদ উৎপাদ পেতে হলে পেতে হলে সর্বোচ্চ
পরিমাণ উৎপাদ পেতে হলে কি করতে হবে?
তাপমাত্রা তাপমাত্রা কমাতে হবে। কমাতে
হবে। আমরা জানি দেখতে পাচ্ছি। তাপমাত্রা
যদি বাড়াই তাহলে বিক্রিয়া পেছনে যাবে তাপ
উৎপাত বিক্রিয়ায় তাপমাত্রা বাড়াইলে
বিক্রিয়া পেছনে যায়। তোমরা জানো তাহলে
সর্বোচ্চ পরিমাণ উৎপদ আমাকে দরকার হচ্ছে
বিক্রিয়াটাকে সামনে নেওয়া। বিক্রিয়া সামনে
নিতে হলে কি করতে হবে? তাপমাত্রা কমাইতে
হবে। তাহলে তাপমাত্রা বাড়াইলে বিক্রিয়া
পেছনে যাবে। তাহলে তাপমাত্রা কমাইলে কি
হবে? বিক্রিয়া সামনে যাবে। তাপমাত্রা
কমাইলে বিক্রিয়া সামনে যাবে। তাই না? তাপ
উৎপাদী বিক্রিয়া তাপমাত্রা বাড়ালে
বিক্রিয়া পেছনে যাবে। তাহলে সর্বোচ্চ
পরিমাণ উৎপাদ পেতে হলে তাপমাত্রা কমাতে
হবে। এই যে আমাদের এই সর্বোচ্চ পরিমাণ
উৎপাদ পেতে তাপমাত্রা কমাইতে হবে। সুতরাং
তাপমাত্রাটা কত হবে? অত্যণকূল তাপমাত্রা
কত? এই বিক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত অত্যন্ত
তাপমাত্রাটা মনে রাখতে হবে।
নকুল
তাপমাত্রা এটা মনে রাখতে হেবার বস বিখ্যাত
এটা হচ্ছে 450 থেকে 450 ডিগ্রি সেলসিয়াস
400 থেকে 500 ডিগ্র সেলসিয়াস তো 450
ডিগ্র সেলসিয়াস তার মানে এই বিক্রিয়ার
তাপমাত্রা 450 ডিগ্র সেস তুমি বলতে পারতো
অনেক বড় তাপমাত্রা অনেক বেশি তাপমাত্রা
তুমি বলতেই পারো কিন্তু আসলে কি এটা কি এত
বেশি তাপমাত্রা না এই বিক্রিয়া
নাইট্রোজেন ভাঙতে হলে তোমার আসলে অনেক
বেশি তাপমাত্রা দেওয়া লাগে নাইট্রোজেন
একটা নিষ্ক্রিয় টাইপের গ্যাস অনেক বেশি
তাপমাত্রা 1000 ডিগ্র ডিগ্র ডিগ্র
সেলসিয়াস তাপমাত্রা নিয়ে যেতে হয়
কিন্তু আমরা জানি তাপমাত্রা বাড়বে বাড়লে
বিক্রিয়াটা কোন দিকে যাবে পেছনের দিকে
যাবেন তাপমাত্রায় কম নিয়ে আসতে হয় কম
নিয়ে লোয়েস্ট আমরা সর্বনিম্ন কত আনতে
পারি 450 ডিগ্র তাই বিক্রিয়াটা করতে পারি
বুঝতে পার তাপমাত্রা হচ্ছে 400 থেকে 500
ডিগ্র আমরা বলতে পারি 450 ডিগ্র সেলসিয়াস
তাহলে তাপমাত্রা কি করতে হবে কমাইতে হবে
তাপমাত্রা কমাতে হবে তাপমাত্রা কমাতে হবে
সেকেন্ড এবার আসো এরপরে এরপর আছে চাপের
প্রভাব তাপমাত্রার প্রভাব তারপর আমরা দেখব
চাপের প্রব আশা করি তোমরা এগুলা পারো
এটলিস্ট এই জিনিসগুলো পারো তারপর আমি একটু
জাস্ট রিভিশন দিয়ে দিচ্ছি চাপের প্রভাবটা
কি চাপের প্রভাবটা হচ্ছে ভাই মনে রাখবা
গ্যাসীয় উপাদানের মোল সংখ্যা গ্যাসীয়
উপাদানের মূল সংখ্যা যেখানে কম চাপ বৃদ্ধি
করলে বিক্রিয়া সেইদিকে যাবে। চাপ বাড়াইলে
চাপ বাড়াইলে যেই জায়গায় চাপ চাপ দিলে বড়
থেকে ছোট হয়। এবার মনে রাখতে পার চাপ দিলে
চাপ দিলে দিলে কি হয়? চাপ দিলে বড় থেকে বড়
থেকে ছোট হয়। ছোট হয়। তাই যেন চাপ দিলে কি
হয়? বড় থেকে ছোট হয়। চাপ দিলে বড় থেকে ছোট
হয়। জিনিসটা কি? জিনিসটা হচ্ছে তুমি দেখো
যে বিক্রিয়কে আমার বিক্রিয়কে নাইট্রোজেন
প্লাস তিন অণু হাইড্রোজেন। বিক্রিয়কে
গ্যাসীয় উপাদানের মোল সংখ্যা কত? দুই অণু
অ্যামোনিয়া। হ্যা। এখন তুমি দেখো
বিক্রিয়কে আমাদের নাইট্রোজেন একটা গ্যাস
হাইড্রোজেন একটা গ্যাস অমোনিয়া আমাদের
একটা গ্যাস তাহলে আমাদের এখন দেখো এখানে
গ্যাসীয় উপাদানের মূল সংখ্যা কত বিক্রিয়কে
গ্যাসীয় মূল সংখ্যা হচ্ছে চার আর উৎপাদে
দেখো গ্যাসীয় উপাদানের মূল সংখ্যা কত দুই
আমরা কি জানি চাপ দিলে চাপ দিলে বড় থেকে
ছোট হয় তার মানে আমার বিক্রিয়াকে চাপ দিলে
বড় থেকে ছোট হয় তাহলে আমি যদি চাপ বৃদ্ধি
করি চাপ বৃদ্ধি করি তাহলে কি হবে বড় থেকে
ছোট বড় থেকে ছোট হয় অর্থাৎ চার থেকে দুই
হবে চার থেকে দুই হবে অর্থাৎ বিক্রিয়া
সামনের দিকে যাবে চার থেকে দুই হবে অর্থাৎ
বিক্রিয়া কোন দিকে যাবে সামনের দিকে যাবে
তাহলে চাপ বাড়ালে বিক্রিয়া সামনে যায় এখন
তোমার টার্গেট কি? তোমার গোল কি?
বিক্রিয়াকে কোন দিকে নেওয়া। তোমার গোল
হচ্ছে বিক্রিয়াকে সামনের দিকে নেওয়া।
তোমার গোল কি? বিক্রিয়াকে সামনের দিকে
নেওয়া। তাই না? তাহলে চাপ দিলে বিক্রিয়া
বড় থেকে ছোটবে। তাহলে বিক্রিয়া কই যাবে?
সামনে যাবে। সুতরাং চাপ কি করতে হবে?
সুতরাং চাপ বৃদ্ধি করতে হবে। চাপ বৃদ্ধি
করতে হবে। তুমি যদি চাপ বৃদ্ধি করতে হবে।
এখন এই জায়গাতে চাপের মানটা কত? চাপের
আদর্শ মানটা কত? এখানে চাপ কত? এই
বিক্রিয়া চাপ হচ্ছে 200ফিয়ার। 200
তাপমাত্রা কত? 450 ডিগ্র। এবং এই চাপটারে
বাড়ায় কত করবা? 200। এই বিক্রিয়ার জন্য
তাপমাত্রা চাপটা মুখস্ত করতে হবে। এই
বিক্রিয়ার জন্য তাপমাত্রা চাপটা মুখস্ত
করতে হবে। ঠিক আছে? এবার আসো ঘনমাত্রার
প্রভাব। এখন ঘনমাত্রার প্রভাব। এই তিনটা
জিনিস নিয়ে তোমাকে এভাবে আলাদা করে
আলোচনা করতে হবে। ঠিক আছে? তাহলে কার কার
কি চেঞ্জ করতে হবে? সার দেখবে তিনটা
জিনিস। সার দেখবে তিনটা জিনিস। তাপমাত্রার
কথা কি বলছো? তাপমাত্রা কমাইতে হবে। চাপের
কথা কি বলছো? চাপ বাড়াইতে হবে। আর দেখবে
ঘনমাত্রার কথা কি বলছো? এখন ঘনমাত্রা কি?
সর্বোচ্চ পরিমাণ উৎপাদ পেতে চাও তাহলে
বিক্রিয়াটাকে তুমি সম্মুখমুখী করতে চাও।
এখন এই বিক্রিয়াটাকে তুমি যদি সম্মুখমুখী
করতে চাও। এই বিক্রিয়াকে তুমি যদি
সম্মুখমুখী করতে চাও তাহলে তোমাকে কি করতে
হবে? এই ইদার বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা
বাড়াইতে হবে অথবা উৎপাদের ঘনমাত্রা
কমাইতে হবে। ঠিক আছে? তা বিক্রিয়াকে
সম্মুখমুখী করতে হলে বিক্রিয়াকে
বিক্রিয়াকে সম্মুখমুখী করতে হলে যেহেতু
সর্বোচ্চ পরিমাণ উৎপাদ তার মানে
সম্মুখমুখী মুখী করতে হলে করতে হলে কি
করতে হবে? আমাকে হয় বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা
বাড়াইতে হবে। নালে উৎপাদের ঘনমাত্রা
কমাইতে হবে। যদি এটাকে সম্মুখমুখী করতে
হলে কি করতে হবে? বিক্রিয়কের
বিক্রিয়কের
ঘনমাত্রা
ঘনমাত্রা বৃদ্ধি করতে হবে। বৃদ্ধি করতে
হবে করতে হবে অথবা অথবা অথবা উৎপন্ন
এমোনিয়া গ্যাসকে উৎপন্ন অ্যামোনিয়া
গ্যাসকে গ্যাসকে পাত্র থেকে সরিয়ে নিতে
হবে। কারণ উৎপাদের ঘনমাত্রা কমাইলে
বিক্রিয়া সামনের দিকে যায় অথবা বিক্রিয়
ঘনমাত্রা বাড়াইলে বিক্রিয়া সামনের দিকে
যায়। তাহলে উৎপন্ন অ্যামোনিয়াকে পাত্র
থেকে সরিয়ে নিতে হবে। সরিয়ে নিতে হবে। ঠিক
আছে? এই তিনটা পয়েন্টে তোমাকে কথা বলতে
হবে সুন্দর মত করে। একদম সুন্দর মত করে
এরকম সেপারেশন করে খাতার মধ্যে তিনটা
জায়গার মধ্যে তিনটা সেগমেন্ট করে তারপর
তুমি কথাগুলো বলবা। শুধু একটা বিক্রিয়ার
জন্যই তুমি তাপটা মনে রাখতে পারো। সেটা
হচ্ছে এই হেভারবস বিক্রিয়া। ঠিক আছে? হে
সবচেয়ে বেশি ইম্পর্টেন্ট এটার তাপমাত্রা
কত চাপ কত ওকে চল আমরা তারপরেরটাতে যাই
বলছে উদ্দীপকের বিক্রিয়ায় সাম্যদ্রুবকের
উপর তাপমাত্রার প্রভাব লেখচিত্রের
সাহায্যে ব্যাখ্যা করো উদ্দীপকের
বিক্রিয়ায় সাম্য ধ্রুবকের উপর
তাপমাত্রার প্রভাব লেখচিত্রের সাহায্যে
ব্যাখ্যা করো খেয়াল করো কার উপর বলছে
ভাইয়া সাম্য ধ্রুবকের উপর সাম্যদধ্রুবকের
উপর কার প্রভাব তাপমাত্রার প্রভাব এখন
খেয়াল করো সাম্য ধ্রুবকের উপর তাপমাত্রা
প্রভাব ব্যাখ্যা করে কে সাম্য ধ্রুবকের
উপর তাপমাত্রা প্রভাব ব্যাখ্যা করার জন্য
আমরা একটা বিখ্যাত সমীকরণ নেই সেই
সমীকরণটাকে বলা হয় ভ্যানফের সমীকরণ
ভ্যান্টফের সমীকরণ এই ভ্যান্টফের সমীকরণ
হচ্ছে হচ্ছে আমাদের সাম্য ধ্রুবকের উপর
তাপমাত্রা প্রভাব ব্যাখ্যা করে। মনে রাখবা
সাম্য ধ্রুবক মানে হচ্ছে কেপিকেসি।
কেপিকেসির উপর আল্লাহর দুনিয়ায়
শুধুমাত্র তাপমাত্রা প্রভাব আছে।
কেপিকেসির উপর আল্লাহর দুনিয়ায়
শুধুমাত্র তাপমাত্রা প্রভাব আছে। আর কোন
কিছু চেঞ্জ নাই। সাম্যবস্থার উপর
তাপমাত্রা চাপ ঘনমাত্রার প্রভাব আছে।
সাম্যবস্থার উপর তাপমাত্রা চাপ ঘনমাত্রা।
লাশ তীরের নীতি। আর যদি বলে সাম্য ধ্রুবক।
সাম্য ধ্রুবক হইলে শুধুমাত্র তাপমাত্রা
ভ্যান্টফের সমীকরণ। মনে রাখবা। ওকে। তাহলে
ভ্যানটোফের সমীকরণটা কি? দেখো এটা একটা
বিখ্যাত সমীকরণ ভেন্ট হবে সেটা হচ্ছে এরকম
যে আমাদের লন কেপি ইকুয়ালটু মাইনাস δ এইচ
বা আর ইনটুও বাটি প্লাস সি ওকে লন কেপি
ইকু মাইনাস δ এইচ বা ইও বাটি প্লাস সি এখন
এইটার গ্রাফ গ্রাফের গ্রাফটা কি দেখো আমি
এখন যদি একাডেমিক ক্লাস হইতো বা অন্যান্য
সময় হইতো তোমাদেরকে বুঝায় দিতাম যেহেতু
তোমাদের এখন সময় খুবই কম অল্প রাশ আওয়ার
সো আমি তোমাদের জাস্ট সিম্পলি এখন গ্রাফটা
দেখায় যেটা শর্টকাট ট্রিক্স রেখে দেই বলে
দেই তোমাদের হ্যাঁ শর্টকাট ট্রিক্স বলে
দেই সেটা হচ্ছে সবসময় গ্রাফ আখবা লন কেপি
ভারসেস ওবাটি গ্রাফটা কার রাখবা লন কেপি
ভারসেস ওবাটি এর গ্রাফ লন কেপি ভসেসবাটি
গ্রাফ আমরা অলয়েজ কার গ্রাফ ভাইয়া লন কেপি
ভারসেসবাটি
তো ভাইয়া কাকে কোন অক্ষে দিব ভাইয়া মনে
রাখবা লন কেপি দিব অক্ষেবাটি দিব এক্স
অক্ষে কেমিস্ট্রিতে সবসময় যেটা আগে থাকে
সেটাকেও অক্ষে যেটা পরে থাকে সেটাকে এক্স
অক্ষে তোমাকে যখনই সামদ্রবের উপর
তাপমাত্রা গ্রাফা রাখতে বলবে তুমি এই
গ্রাফ রাখবা এভাবে রাখবা লন কেপি ভার্সেস
ওয়ান বাটি আমি শর্টকাট শিখায় দিতেছি তুমি
ফার্স্টে ভ্যানটপের সমীকরণটা লিখবা লিখে
বলবা এটি একটি কি বিক্রিয়া তাপ উৎপাদী
বিক্রিয়া সো এর জন্য লন কেভি ভারসেসবাটি
এর গ্রাফটা কি হবে এর জন্য লন কেভি
ভারসেসবাটি এর গ্রাফ কি হবে রিমেম্বার
অলওয়েজ রিমেম্বার অলয়েজ অয়েজ অলয়েজ
রিমেম্বার আমাদের এই গ্রাফটা কেমন হবে
ভাইয়া গ্রাফটা আমাদের সোজা এরকম যাবে দেখ
তাপ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে এমনে খাড়া হবে তাপ
বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে খাড়া এইযে এরকমভাবে
খাড়া রাখবা ছেদ করাবা না এই জায়গায় লাগা
দিও না একটা ডিস্টেন্স রাখবা এখানে একটু
ফাঁকা জায়গায় রাখবা কেন লাগানো যায় না কি
করা যায় না এত কিছু ব্যাখ্যা করার তোমার
দরকার নাই জানারও দরকার নাই তুমি লন
কিভাবে বাটি রাখবা তাপ উৎপাদীর ক্ষেত্রে
খাড়া তাপ উৎপাদী নাম শুনে তো মনে হচ্ছে
তাপ উৎপাদী তাহলে কি তাপ উৎপাদীর ক্ষেত্রে
খাড়া ঠিক আছে আর যদি বল তাপহারি তাহলে
নামা যদি বলে তাপহারি বিক্রিয়া তাহলে
গ্রাফটা কেমন এরকম ছেদ করাব না ছেদ করানো
যাবে না ঠিক আছে যদি বলে তাপারি তাহলে হবে
এরকম আর যদি বলে তাপ তাহলে হবে এরকম বুঝলে
খারাপ তাপ হলে নামা খারাপ তাপ হলে নামা
শেষ শেষ ঠিক আছে বুঝতে পার এখন এখন এই যে
বিক্রিয়াটা এইযে বিক্রিয়াটা এই বিক্রিয়ায়
দেখ এটা কি খাড়া উপরের দিকে উঠতেছে এটা
উপরের দিকে উঠতেছে ঠিক আছে এটা উপরের দিকে
উঠতেছে তো এইযে দেখ উপরের দিকে উঠতেছে
উপরের দিকে যখন কোনটা রেখা উঠে তখন তার
ঢালের মান কি হয় পজিটিভ হয় তার ঢালের মান
কি হয় পজিটিভ আর যদি কোন একটা রেখা যদি
এরকম নিচের দিকে নামে তাহলে তার ঢালের মান
হয় নেগেটিভ। খাড়া উঠলে ঢালের মান পজেটিভ।
যদি এরকম নিচের দিকে নামে তাহলে ঢালের মান
হচ্ছে নেগেটিভ। তো এই জায়গাতে ঢালের মান
কত? শোনো এইখানে ঢালের মান কত? একটু বোঝার
চেষ্টা করো। ঢালের মান কত? আমাদের এইখানে
ঢাল। এই জায়গাতে ঢালের মান কত? ঢালের মান
হচ্ছে এইযে এখানে ডবা দেখছো না? ডবা আর এই
জায়গাতে তুমি জাস্ট বা বসাবা। সবার আগে
ডবা বসাবা। শোন এই জায়গাতে নিয়মটা কি?
বসাবা। বসানোর পর এটা কি ঢাল কি পজিটিভ না
নেগেটি? বল খারা ঢাল কি পজিটিভ নেগেটিভ?
পজিটিভ। তাহলে এখানে তুমি প্লাস দিয়ে দিবা
তাহলে এ ঢালের মান কত ডবা আমার গ্রাফ আকা
শেষ এখন তুমি খেয়াল করো এবার তোমারে যদি
বলি দেখ তুমি খেয়াল করো তাপের গ্রাফ কেমন
হইতো ধর এরকম তাপেরাতে তোমার কি মনে হয়
তাপের গ্রাফটা কেমন হইতো লন কেপি এখানেও
বাটি তাহলে কি রাখতে এরকম নিচের দিকে দিতা
না এরকম নিচের দিকে বল তাহলে ঢালের মান কত
হইতো ঢালের মান কেমনে লিখবা ঢালের মান
ইকুয়ালটু কি হবে বল তোমরাই বল এখানে লন
কেপি এখানে 1 / t তারপর ঢাল কত হবে ঢাল কি
বলছি এই ডে বা টাকে লেখবা ড লেখো ড / r
লেখার পর লেখার পর এখন তুমি বল এটা কি
গ্রাফ কি উপরের দিকে নিচের দিকে নিচের
দিকে গ্রাফ যদি নিচের দিকে হয় ঢালের মান
নেগেটিভ শেষ তাহলে তাপ উৎপাদ ক্ষেত্রে
খাড়া তাফারের ক্ষেত্রে নামা ঢাল কোনটা বা
ঢাল কোনটা বা লিখব রেখা উপরের দিকে উঠছে
ঢালের মান পজিটিভ দেখ নিচের দিকে না মান
নেগেটিভ শেষ গ্রাফ শেষ এত কিছু বুঝার
দরকার নাই তোমার এখন আর তোমার এত কিছু
বোঝার দরকার নাই বুঝতে পারছো বুঝতে পারছো
এটা আমি এখানে দিলাম না আশা করি তোমরা এখন
তাপহার ক্ষেত্রে কি হবে নিজেরা পারবা ঠিক
আছে তাপার ক্ষেত্রে গাফটা কেমন হবে নিজেরা
পারবা ওকে ফাইন এবার আসো এবার আসো ওকে তা
আমরা এবার এখান থেকে দেখব আমাদের এখান
থেকে দেখব যে তাপমাত্রা বাড়লে আমাকে বলছে
সামদ্রবকের উপর তাপমাত্রা প্রভাব
লেখচিত্রের সাথে জাগাতে আমি লেখচিত্র তো
দেখাইলাম এবার আমার তাপমাত্রা প্রভাব
আলোচনা করতে তো দেখো তুমি একটা জিনিস
খেয়াল করো এই দেখো এইবাটি এর মান যত
বাড়তেছে ধরো তোমার এখানে বাটি নাই মনে করো
তোমার এখানেওবাটি নাই ঠিক আছেবাটি নাই ধরে
নাওবাটি নাই ধরে নাও এখানে এক্স আছে
তুমিবাটি এর জায়গায়বা এর জায়গায় তুমি মনে
কর এক্স ধর ধর কথার কথা আছে এখন তুমি বলতো
এক্স এর মান যত বাড়বে তুমি এদিক তাকাও
এক্স এর মান যত বাড়বে লন কেপির মান কি
বাড়তেছে না কমতেছে দেখো খাড়া উপরের দিকে
উঠতেছে না উপরের দিকে উঠতেছে এই এক্স এর
মান যত বাড়তেছে লন কেপির মান তত উপরের
দিকে উঠতেছে তাহলে আমি বলতেই পারি আমি
বলতেই পারি আমার এইযে লন কেপি এই লন কেপির
সাথে আমার এই এক্স এর সমানুপাতিক সম্পর্ক
ভাই এক্স এর মান যত বাড়বে লন কেপির মান
কত বাড়তেছে উপধি করতেছে লন কে সাথে কি
সমানুপাতিক সম্পর্ক সমানুপাতিক সম্পর্ক
এখন তুমি বল এক্স কারে ধরছিলা এক্স কারে
ধরছিলা জায়গায় আসলে কি ছিল এক্স এর
জায়গায় ছিল তোমারবাটি তার মানে কি আমি
বলতেই পারি লন কেপির সাথে বাটি এর
সমানুপাতিক সম্পর্ক এক্স এর জায়গায় কে
ছিল বাটি তাহলে আমি এখানে বসা দিব বাটি
তার মানে বলতেই পারি লন কেপির সাথেও বাটি
এর সমানুপাতিক সম্পর্ক তাহলে বলতো কেপির
সাথেটি এর কি ধরনের সম্পর্ক এর সাথে টি এর
কি ধরনের সম্পর্ক? ব্যস্তানুপাদিক
সম্পর্ক। এই ধরনের সম্পর্ক
ব্যস্তানুপাদিক। তার মানে বলতেই পারি যে
তাপমাত্রা বাড়লে কেপির মান কমবে। কোন
বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে? তাপদী বিক্রিয়ার
ক্ষেত্রে। তাহলে তাপমাত্রা বাড়ালে কেপির
মান কমবে? কার ক্ষেত্রে? তাপ বিক্রিয়ার
ক্ষেত্রে। তাহলে তাপহারী ক্ষেত্রে কি হবে?
তাপমাত্রা বাড়ালে কেপির মান বাড়বে। শেষ।
উলটা। এটার ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বাড়লে
কেপির মান কম। সুতরাং আমরা গ্রাফ থেকে
দেখতে পাচ্ছি গ্রাফ থেকে দেখতে পাচ্ছি
কেপির সাথে তাপমাত্রার ব্যস্তানুপাতিক
সম্পর্ক। সুতরাং তাপমাত্রা বাড়লে
সামদ্রবকের মান কমবে। তাপহার ক্ষেত্রে কি
হবে? কোনটা? তাপমাত্রা বাড়লে সামদ্রবকের
মান কেপির মান বাড়বে। গ্রাফটা কেমন হবে?
গাফটা খারা নিচের দিকে নামবেন নিচেবা
নিচের দিকে নামতেছে ঠিক আছে আশা করি এইটা
যদি আসে পরীক্ষায় পারবা এটা এ বছর আসার
চান্স অনেক বেশি ঠিক আছে সাম্যদ্রবকের
প্রভাব মানে লাসাতিলের নীতি না দিয়ে অনেক
বোর্ডে হয়তো এভাবে সাম্যদ্রবকের উপর
তাপমাত্রার প্রভাব বলতে পারে তো যদি বলে
তখন আমরা ভ্যানের সমীকরণটা লিখব লিখে সেই
ভ্যানটের সমীকরণের জন্য আমরা গ্রাফ আখবো
তারপর ভসবাটি গ্রাফা তাপীর ক্ষেত্রে খাড়া
তাপহার ক্ষেত্রে নামা তাপ ক্ষেত্রে খারা
তাপ ক্ষেত্রে নামা ঢালের মানটা কেমনে লিখব
এবা লিখবো খাড়া হলে প্লাস দিব নামা হলে
মাইনাস দিব এরপরে তাপ ক্ষেত্রে
ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক তাপমাত্রার সাথে
সমধকের আর তাপের ক্ষেত্রে সমানুপাতিক
সম্পর্ক ডান তাহলে এই ধরনের প্রশ্ন যদি
আসে আশা করি মুখস্ত হয়ে যাার কথা তোমাদের
ওকে আমি এখন এত ব্যাখ্যা দিব না তোমাদেরকে
জিনিসটা কেমনে মাথায় সেট করে দেওয়া যায়
মুখস্ত করে ফেলানো যায় সেটা দেখতেছি চল
তারপরেরটাতে যাই উদ্দীপকের বিক্রিয়ার জন্য
স্থিতিশক্তির গ্রাফ অংকন করে কিভাবে
বিক্রিয়া তাপ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়
স্থিতিশক্তির গ্রাফ হ্যা এটা আমাদের কি
বিক্রিয়া এটা আমাদের কি বিক্রিয়া হবে এটা
আমাদের তাপোৎপাদী বিক্রিয়া এটা আমাদের কি
বিক্রিয়া তাপোৎপাদী বিক্রিয়া ঠিক আছে এই
চিহ্নটা কিন্তু উলটা হবে একটু সবাই
আরেকবার বলে দিতেছি চিহ্নটা কিন্তু উল্টা
হবে হ্যাঁ আমরা এখানে উল্টা বলতে এটা
সম্মুখে বসা উল্টা হয়ে গেছে আর কি এখন
স্থিতিশক্তি ভারসেস স্থিতিশক্তির গ্রাফটা
স্থিতিশক্তির গাফটা মানে আমাদের এই অক্ষে
থাকবে স্থিতিশক্তি এই অক্ষে থাকবে আমাদের
স্থিতিশক্তি আর নিচের অক্ষে থাকবে আমাদের
সময় বা বিক্রিয়ার বিক্রিয়ার অগ্রগতি এই
অক্ষে থাকবে আমাদের স্থিতি শক্তি এই অক্ষে
থাকবে স্থিতিশক্তি আর এক্স অক্ষে থাকবে
বিক্রিয়ার অগ্রগতি বা সময় হোয়াট এভার
এখানে আমরা বলি বিক্রিয়ার অগ্রগতি বা
বিক্রিয়া কক্ষ বলি হোয়াট এভার ওটার দরকার
নাই অক্ষে স্থিতিশক্তি থাকবে আচ্ছা এখন
বলছে উদ্দীপকের বিক্রিয়ার জন্য
স্থিতিশক্তির গ্রাফ অঙ্কন করে কিভাবে
বিক্রিয়া তাপ সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়
হ্যা তো এটা আমাদের একটা উদ্দীপকের
বিক্রিয়ার জন্য আখতে বলছে তো উদ্দীপকের
বিক্রিয়াটা কি দেখ উদ্দীপকের বিক্রিয়াটা
আমাদের তাপদী বিক্রিয়া তো তাপপাদী
বিক্রিয়ার জন্য স্থিতিশক্তির গ্রাফটা কেমন
দেখ তাপ বিক্রিয়াতে তাপৎপাদী বিক্রিয়াতে
আমাদের উৎপাদ থাকে উপরে তাপ বিক্রিয়াতে
বিক্রিয়ক থাকে উপরে উৎপাদ থাকে নিচে
বিক্রিয়ক থাকবে উপরে তাপ বিক্রিয়ার
ক্ষেত্রে কি হবে আমাদের বিক্রিয়কটা থাকবে
উপরে উপরে আর আমাদের উৎপাদ আছে উৎপাদ
থাকবে নিচে তাপ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে
বিক্রিয়ক থাকবে উপরে উৎপাদ থাকবে নিচে ঠিক
আছে তো এইযে এখানে থাকবে হচ্ছে আমাদের
উৎপাদ এই জায়গায় থাকবে হচ্ছে আমাদের উৎপাদ
উৎপাদ তো দেখো এই যে হচ্ছে কাহিনী এখন আমি
যদি এবার গ্রাফটা আকি তাহলে দেখ গ্রাফটা
কেমন হবে এইযে বিক্রিয়ক থেকে উৎপাদ কি
করবে অলওয়েজ এরকম একটা জাম্প করবে বিক্রিয়
থেকে উৎপাদ কি করবে অল এরকম একটা জাম্প
করবে জাম্প করবে এইভাবে জাম্প করে উৎপাদে
পরিণত হবে কোন একটা বিক্রিয়ক এইভাবে জাম্প
করে উৎপাদে পরিণত হবে ঠিক আছে নরমালি সোজা
নামবে না একটা জাম্প করে তারপরে নামবে ঠিক
আছে বুঝতে পারছো এটাই হচ্ছে আমাদের এই
স্থিতিশক্তির গ্রাফ কার জন্য তাপ উৎপাদী
বিক্রিয়ার জন্য এটা কার জন্য এটা হচ্ছে
আমাদের তাপ উৎপাদী বিক্রিয়ার জন্য আচ্ছা
তাহলে এখন একটু এখান থেকে আমরা কিছু জিনিস
ফাইন্ড আউট করব দেখ খেয়াল কর এইযে এইযে
এটা কার শক্তি এটা কি উৎপাদন উৎপাদ এই
বরাবর আছে না তাহলে এই বরাবর স্থিতিশক্তি
এটা কার স্থিতিশক্তিবা এই বরাবর এটা হচ্ছে
আমাদের উৎপাদের স্থিতিশক্তি তাহলে এটাকে
আমরা লিখি পি মানে প্রোডাক্ট এজন্য ইপি
এটা কার শক্তি এটা হচ্ছে আমাদের
বিক্রিয়কের স্থিতিশক্তি তাহলে এটাকে আমরা
বলি হচ্ছে আর বুঝছো এটাকে কি বলা হয় আর
হ্যা এখন এই যে চূড়াটা এই চূড়াটাকে বলা হয়
সক্রিয়নকৃত জটিল অবস্থা নাম কি বলছি বলতো
সক্রিয়নকৃত জটিল অবস্থা একদম চুড়া এইযে
টপ গেল না এই টপকানোর যে পয়েন্টটা এই
পয়েন্টটাকে আমরা বলি এই পয়েন্টটাকে আমরা
বলি সক্রিয়নকৃত জটিল অবস্থা কি বলা হয়
সক্রিয়নকৃত
কৃত জটিল অবস্থা ওকে অথবা এর আরেকটা নাম
হচ্ছে অবস্থান্তর অবস্থাটা নাম কি
অবস্থান্তর
অবস্থান্তর অবস্থা ওকে এর আরেকটা নাম
হচ্ছে আমাদের অবস্থান্তর অবস্থা এইযে
পয়েন্টটা এই পয়েন্টটাকে বলা হয়
শুক্রনকৃত জটিল অবস্থা অবস্থান্তর অবস্থা
এবং এই পয়েন্টটাকে আমরা এক্স দ্বারা
ডিনোট করি এটাকে কি দ্বারা ডিনোট করি এক্স
এক্স দ্বারা ডিনোট করি তাহলে বলতো এই
পয়েন্টের যে শক্তি এই পয়েন্টের এই
সক্রিয়কৃত জটিল অবস্থার যে শক্তি এটাকে
আমরা কি দ্বারা প্রকাশ করব এটাকে আমরা
এক্স দ্বারা প্রকাশ করব একে আমরা কি
দ্বারা প্রকাশ করব এক্স দ্বারা প্রকাশ করব
ঠিক আছে তাহলে এবার একটু আমরা খেয়াল করব
এখান থেকে হ্যাঁ এখান থেকে চমৎকার জিনিস
আমরা খেয়াল করব এখন আস এখন আসতো এইযে
বিক্রিয়ক এটা হচ্ছে আমাদের বিক্রিয়কের
শক্তি এই লেভেলে আছে আর উৎপাদ আমাদের এই
লেভেলে আছে তাই না বিক্রিয়ক আমাদের এই
লেভেলে উৎপাদ আমাদের এই লেভেলে আছে এই
বিক্রিয়ক থেকে খেয়াল করবা কি বলছি
বিক্রিয়ক থেকে সক্রিয়নকৃত জটিল অবস্থা
পর্যন্ত বিক্রিয়ক থেকে সক্রিয়নকৃত জটিল
অবস্থা এই অবস্থা পর্যন্ত এই যে লাইনটা
আছে এইযে গ্যাপটুকু আছে এই যে শক্তিটুকু
আছে বিক্রিয়ক থেকে সক্রিয়নকৃত জটিল
অবস্থা পর্যন্ত যে গ্যাপটুকু আছে এই
গ্যাপটুকুকে আমরা বলি সক্রিয়ন শক্তি
বাঅক্টিভেশন এনার্জি এতটুকু গ্যাপকে আমরা
বলি সক্রিয়ন শক্তি বিক্রিয়ক থেকে
বিক্রিয়ক থেকে বিক্রিয়ক থেকে এই চূড়
পর্যন্ত বিক্রয় থেকে চূড় পর্যন্ত যে
গ্যাপ এটাকে আমরা বলি সক্রিয় শক্তি ঠিক
আছে আর এই বিক্রিয়ক থেকে উৎপাদ পর্যন্ত
যে মানে এইযে যে বিক্রিয়ক এবং উৎপাদের
মাঝের যে গ্যাপটা আছে বিক্রিয়ক এবং
উৎপাদের মাঝের যে গ্যাপটা আছে এই বিক্রিয়ক
এবং উৎপাদের মাঝের যে গ্যাপটা বিক্রিয়ক
এবং উৎপাদের মাঝের যে গ্যাপটা মাঝের যে
গ্যাপটা এই গ্যাপটাকে আমরা বলি ডল এইচ। এই
গ্যাপটাকে আমরা বলি ডল এইচ। ওকে? বিক্রিয়ক
এবং উৎপাদের মাঝে যে গ্যাপটা আছে এই
গ্যাপটাকে আমরা বলি হচ্ছে ডল এইচ। এটাই
হচ্ছে আমাদের বিক্রিয়া তাপ। তার মানে আমি
দেখলাম যে বিক্রিয়া তাপ হচ্ছে আমাদের এই
গ্যাপটা। তো দুইটা জিনিস মনে রাখতে হবে
আমাদের এখান থেকে। দুইটা জিনিস মনে রাখতে
হবে। সেটা কি? সেটা হচ্ছে এটা আমাদের তাপ
উৎপাদী বিক্রিয়া। তাপ উৎপাদী বিক্রিয়াতে
কার স্থিতিশক্তি বেশি? তাপ উৎপাদী
বিক্রিয়াতে কার স্থিতিশক্তি বেশি?
বিক্রিয়ক না উৎপাদ দেখ বিক্রিয়ক উপরে আছে।
তাপ উৎপাদী বিক্রিয়াতে এই বিক্রিয়কের
স্থিতিশক্তি এই উৎপাদের স্থিতিশক্তি
অপেক্ষা বেশি। তাপ দেখতেই পাচ্ছি
বিক্রিয়কের শক্তি উৎপাদ থেকে বেশি। ঠিক
আছে? এটা আমাদের তাপ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে
এবং দুইটা জিনিস আমাদের মাথায় রাখতে হবে।
নাম্বার ওয়ান নাম্বার ওয়ানড
হচ্ছে ইপি মাইনাস।
হচ্ছে পি মাই
মাই
ঠিক আছে মাই আর সক্রিয়ন শক্তি ইকয়াল
হচ্ছে এক্স ম
সক্রিয় শক্তি এটা না শক্তি থেকে শক্তি
বিয়োগ করলে গ্যাপটা পাওয়া যাবে এটাকে
আমরা বলি সক্রিয় শক্তি আমাকে এখানে
সক্রিয় শক্তি সম্পর্কে ধারণা দিতে বলে
নাই আমাকে এখানে বলছে বিক্রিয়া তাপ
সম্পর্কে ধারণা ব্যাখ্যা করতে বিক্রিয়া
তাপ ডেলি ডেলি সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে এটা
হচ্ছে ডেলি আমরা যদি এই উৎপাদের শক্তি
থেকে এই বিক্রিয়কের শক্তি বিয়োগ করে দেই
তাহলে আমি আমাদের ডেলি পেয়ে যাব এখন
তোমরা বল তাপ উৎপাদী বিক্রিয়াতে এর মান
পজিটিভ না নেগেটিভ নেগেটিভ কেন নেগেটিভ
কেন বলি নেগেটিভ বিকজ কিপি ম আমি দেখতে
পাচ্ছি আমার উৎপাদের শক্তিটা কিন্তু এখানে
কম এখানে কিন্তু উৎপাদের শক্তিটা কম
বিক্রিয়কের শক্তিটা বেশি একটা কম জিনিস
থেকে যদি একটা বেশি জিনিস বিয়োগ করিদুই
থেকে পা বিয়োগ করসার কত হবে মাইথ মানে
নেগেটিভ আসবে এইজন্য আমরা বলি যে আমাদের
মান নেগেটিভ উৎপাদ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে
ঠিক আছে তো এটাই তোমাকে বলছে যে
স্থিতিশক্তি ভারস স্থিতিশক্তির গ্রাফ আকো
এই বিক্রিয়ার জন্য স্থিতিশক্তি গ্রাফটা
আকো এবং সেইখান থেকে বিক্রিয়া তাপ এই ডেলি
সম্পর্কে ধারণা দাও। এইযে এটা হচ্ছে
আমাদের ডেলি। এখান থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি
বিক্রিয়ক এবং উৎপাদের মাঝখানে যে
ব্যবধানটা আছে গ্যাপটা আছে এটাকে আমরা বলি
হচ্ছে আমাদের বিক্রিয়া তাপ ডলিচ। এবং
এখানে দেখা যায় আমরা জানি ডকুয়াল হচ্ছেই
পপি মাইনাসই। অর্থাৎ উৎপাদের স্থিতিশক্তি
থেকে বিক্রিয়কের স্থিতিশক্তি বিয়োগ করলে
ডেলিচ পাওয়া যায়। সো এখানে আমাদের উৎপাদের
স্থিতিশক্তি কম। বিক্রিয়কের স্থিতিশক্তি
বেশি। সুতরাং আমরা এখানে ডেলি এর মান পাবো
নেগেটিভ। এটাই তোমাকে ব্যাখ্যা করতে বলছে।
আমরা আরেকটু এবার একটু সুন্দর করে দেই।
আমাদের বিক্রিয়ক কে ছিল এই জায়গায় ভাইয়া?
আমরা একটু দেখি আমাদের এখানে বিক্রিয়ক ছিল
আমাদের নাইট্রোজেন প্লাস তিন অনুড্রোজেন
আর আমার এখানে উৎপাদ কি ছিল উৎপাদ ছিল
এমোনিয়া সো দিস শুডবি এইযে দুই অনু
এমোনিয়া এইটা হচ্ছে আমাদের এটার গ্রাফ
তোমাকে এই গ্রাফটা রাখতে বলছে এখন এটাই
যদি এটাই যদি তোমাকে এবার বলতো যে ভাইয়া
তাহলে তাপ উৎপাদ এটা তাপ হারির ক্ষেত্রে
তাপ উৎপাদ ক্ষেত্রে রাখো তাহলে তাপহারির
ক্ষেত্রে গ্রাফটা কেমন হবে আমি একটু রাফ
দেখাই এখানে তাপহারির ক্ষেত্রে কেমন হবে
তাহলে এখানে যাবে আমাদের স্থিতিশক্তি আর
এইখানে হচ্ছে বিক্রিয় কষ আমরা একটু দেখি
বিক্রিয়ার অগ্রগতি এখন এবার বল কার শক্তি
বেশি হবে এইযে আমাদের বিক্রিয়ক থাকবে নিচে
আর আমার প্রোডাক্ট বা উৎপাত থাকবে উপরে
এবং এরা কি করবে এরা এভাবে নরমালি লাভ
দিবে না এ এরকম টুপুস করে লাভ দিবে এরকম
টুপ করে লাভ দিবে এই যে চুরা এই চুরাটাকে
আমরা কি বলি তোমরা বল এই চুরাটাকে কি বলা
হয় এই চুরাটাকে কি বলা হয় এইযে এখানে যে
চুরাটা আছে এই চুরাটাকে আমরা বলি
সক্রিয়নতৃত জটিল অবস্থা বা অবস্থান্তর
অবস্থা তাহলে এই জায়গার শক্তিটাকে বলব
আমরা উৎপাদ এবার এই বরাবর আছে তাহলে
উৎপাদের এই বরাবর শক্তিটাকে আমরা বলব আমার
বিক্রিয় বরাবর আছে তাহলে বিক্রিয়কের
শক্তিটাকে বলব হচ্ছে আমাদের তাই এখন এখন
তোমরা আমাকে এখান থেকে বলবা যে আমার
সক্রিয়ন শক্তি কতটুকু? সক্রিয়ন শক্তি
কোনটা? সক্রিয়ন শক্তি হচ্ছে ভাইয়া
সক্রিয়ন শক্তি হচ্ছে এই বিক্রিয়ক থেকে
এই চূড় পর্যন্ত। আরেকবার খেয়াল করো
বিক্রিয়ক থেকে চূড় পর্যন্ত যে গ্যাপ
বিক্রিয়ক থেকে এই যে সক্রিয়নকৃত অবস্থা
পর্যন্ত যে ডিস্টেন্সটা এই যে শক্তির
পার্থক্য এই বিক্রিয়ক থেকে এই
সক্রিয়নকৃত জটিল অবস্থা পর্যন্ত এই যে
শক্তির পার্থক্য এইটা আমরা বলি হচ্ছে
সক্রিয়ন শক্তি। এটাকে বলা হয় সক্রিয়ন
শক্তি। তো সক্রিয়ন শক্তির ডেফিনেশনটা ক
নাম্বার প্রশ্নে আসতে পারে। তো মনে রাখবা
যে কোন একটা বিক্রিয়কের উৎপাদে পরিণত হতে
নূন্যতম যে শক্তিটুকু প্রয়োজন সেটাকে বলা
হয় সক্রিয় শক্তি সক্রিয় শক্তি অলওয়েজ
রিমেম্বার বিক্রিয়ক থেকে চুড়া পর্যন্ত
ওকে আচ্ছা ফাইন এখন এইখান থেকে আমাদের
ডেলি ধারণা নিতে হবে কোনটা কোন কি বলছি
বিক্রিয়ক আর উৎপাদের শক্তির যে পার্থক্য
এই বিক্রিয় উৎপাদ শক্তি আমাদের
বিক্রিয়কের শক্তি এখানকার যে পার্থক্য
এদের মাঝখানে যে পার্থক্য বিক্রিয়কের
শক্তির উৎপাদ শক্তির মাঝখানে যে পার্থক্য
সেটাকে আমরা বলি হচ্ছে আর আমরা জানি
আমাদের সমান সমান কি মাই ড ইকুয়ালটু কি
বলতো আমরা জানি আমাদের ডচ ইকুয়ালটু কি ড
ইকুয়ালটু হচ্ছে ইপি মাইনাস ই তোমরা সবাই
জানো ড ইকুয়ালটু ইপি মাইনাস ই আমাদের
এখানে ড ইকুয়ালট কি ই মাইনাস ইআর সো এই
গ্যাপটুক এখন বলে এবার কার শক্তি বেশি
উৎপাদের শক্তি বেশি বিক্রিয়কের শক্তি কি
কম তাহলে ইপির মান বড় ইআর এর মান ছোট
বিয়োগ করলে কি আসবে পজেটিভ আসবে এইজন্যই
আমরা বলি তাপহারী বিক্রিয়াতে ডিএলএচ এর
মান হচ্ছে পজেটিভ তাহলে তাপহারী বিক্রিয়ায়
আমাদের কার শক্তি বেশি ইপির শক্তি বেশি
ইআর এর শক্তি কম ঠিক আছে খুবই
গুরুত্বপূর্ণ দুইটা গ্রাফ একটু নিজেরা
সুন্দর মতো করে এগুলা সব আইডেন্টিফাই করো
তোমরা কিভাবে পরীক্ষায় বলবে এটা সম্পর্কে
গ্রাফ আকো এবং এখান থেকে তোমাকে উত্তর
করতে বল আশা করি তোমরা পারবা ঠিক আছে আমি
তাফারিটা মুছে দিচ্ছি তাপারিটা মুছে
দিচ্ছি তোমাদের দেখা দিলাম নাকি রেখে দেই
থাক এটা রেখে দিচ্ছি এখানে এটা হচ্ছে
তাপহারির জন্য এটা আবার কিন্তু এার উত্তম
না এটা হচ্ছে তাপহারির জন্য
কি আমরা জানি আমাদের ইপি গ্রেটার
গ্রেটার এখান থেকে আমরা যা জেনে গেলাম
এভাবে গ্রাফ আখতে বলবে এবং এখান থেকে
বিক্রিয়া সম্পর্কে ধারণ ব্যাখ্যা করতে
বলবে আশা করি তোমরা বুঝতে পার এটা বেশি
ইম্পর্টেন্ট এখান থেকে উদ্দীপক
এটাকে উদ্দীপক আকারে দিয়ে তোমাকে বলবে না
বিক্রিটা তাপ না তাপার ডিরেক্ট উদ্দীপক
দিয়ে দিবে ডিরেক্টর উদ্দীপক দিয়ে দিবে ঠিক
আছে
প্রমাণ কর উদ্দীপকের বিক্রি সাম্যদ্রবকের
মান কখনই শূন্য বাণী হতে পারে না সাম্যবক
বলতে কি বুঝায় সাম্যধ্রুবক বলতে বুঝায় বা
দুইটারই বুঝায় মান কখনই শূন্য বা অসীম
হইতে পারে না এটা ব্যাখ্যা করতে বলছে তো
এখন উদ্দীপকের বিক্রিয়া দিয়ে বুঝাইতে এরকম
না এভাবে মনে রাখতে পারি যে দেখ বিক্রিয়ক
বিক্রিয়ক থেকে কি হচ্ছে বলতো বিক্রিয়ক
থেকে এখানে কি উৎপাদ হচ্ছে এরা কি উপমুখী
উপমুখী অবস্থায় থাকে উৎপাদ্যা উৎপাদ
বিক্রিয় থেকে কি হচ্ছে উৎপাদ হচ্ছে আচ্ছা
এখন এই সাম্যদ্রুবক কেপিসির মান কখনোই
শূন্য হইতে পারবে না কখনোই তোমার অসীম
হইতে পারবে না কখনোই শূন্য হতে পারবে না
কখনো অসীম হতে পারবে না এটা সাধারণত
অনুধাবন মূলক প্রশ্ন আসে এটা অনুধাবন মূলক
প্রস্তাবে আসে চলে আসে হ্যা এখন খেয়াল করব
বলছে সাম্যবের মান কখনো শূন্য বা অসীম হতে
পারে না ব্যাখ্যা করতে কেমনে করবা
সাম্যদ্রবের মান শূন্য অসীম হতে পারে না
আমি ধরে নিলাম ধরি এভাবে বলি যে ধরি ধরি
ধরি সাম্যধ্রুবক
সাম্যধ্রুবক
সাম্যধ্রুবক কেসি ইকুয়ালটু হচ্ছে শূন্য
ধরে নিলাম সাম্যধ্রুবক কেসির মান হচ্ছে
শূন্য কারণ আমরা জানি সাম্যদধ্রুবক দুইটা
হয় একটা কেপি একটা কেসি আমরা ধরে নিলাম
সামধ্রুবক কেক হচ্ছে শূন্য এখন কে যদি
শূন্য হয় তো কেপি কেম বের করে উপরে থাকে
উৎপাদ নিচে থাকে বিক্রিয়ক যখন তুমি কে
লিখতেছো তার মানে তুমি ঘনমাত্রার সাপেক্ষে
বের করবা যদি তুমি কেপি লিখতা তার মানে
হচ্ছে আংশিক চাপের সাপেক্ষে বের করবা আমি
যেহেতু লিখছি তার মানে আমি ঘনমাত্রার
সাপেক্ষে বের করব তাহলে উপরে উৎপাদ নিচে
বিক্রিয়কতা আমি লিখতেই পারি উৎপাদের
ঘনমাত্রা
ডিভডেড বাই বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা
বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা ওকে উৎপাদবা
বিক্রিয়ক এখন এটার মান কত শূন্য আমরা যদি
আর গুণ করে দেই আর গুণ করে গুণ করে দিলে
দেখতো কি থাকতে আমাদের উৎপাদের ঘনমাত্রা
শূন্য উৎপাদের ঘনমাত্রা শূন্য তার মানে
উৎপাদের ঘনমাত্রা শূন্য মানে কি উৎপাদের
ঘনমাত্রা শূন্য মানে বিক্রি হয় নাই
উৎপাদের ঘনমাত্রা শূন্য মানে বিক্রি হয়
নাই অর্থাৎ উৎপাদের ঘনমাত্র শূন্য মানে কি
অর্থাৎ বিক্রি হয় নাই অর্থাৎ অর্থাৎ
বিক্রিয়ায়
বিক্রিয়ায়
হয়নি নি অর্থাৎ বিক্রিয়াই হয়নি ঠিক আছে
বিক্রিয়াই হয় নাই তোমার ওকে তোমরা
আরেকটা প্রশ্ন এটা পড়বা খ নাম্বারের জন্য
রাসায়নিক সাম্য অবস্থায় একটি গতিশীল
অবস্থা ব্যাখ্যা করো রাসায়নিক
সাম্যবস্থায় একটি গতিশীল অবস্থা ব্যাখ্যা
করো এটা কোন না কোন প্রশ্নের খ নাম্বার
অনুধবন মূলকে চলে আসবে ঠিক আছে দেখো
রাসায়নিক সমবস্থা একটি গতিশীল সাম্যবস্থা
কথাটা দেখ অর্থাৎ বিক্রিয়া বিক্রিয়াই
হয় নাই এ জায়গাতে বিক্রিয়াই হয় নাই
দেখ উৎপাদ নাই উৎপাদ নাই মানে কি
বিক্রিয়া হয় নাই আমি যদি সামদ্রবকের মান
শূন্য হয় এটা কি সম্ভব উৎপাদই হয় নাই
তার বিক্রিয়াই হয় নাই উৎপাদ নাই মানে কি
বিক্রিয়াই হয় নাই বিক্রিয়া যদি না হলে
বিক্রিয়া সামদ্রব্য করতে হবে কোত্থেকে?
তার মানে সামদ্রবকের মান কেসির মান কখনোই
শূন্য হওয়া সম্ভব না। যদি শূন্য হয়
উৎপাদের মান হবে শূন্য। দ্যাট
রিপ্রেজেন্টস যে বিক্রিয়াই হয় নাই। এটা তো
পসিবল না। ওকে ফাইন। এবার আসো এবার আমরা
ধরি এবার আমরা ধরি যে ধরি সামধ্রুবকের মান
কেসির মান হচ্ছে ইনফিনিটি। তো এবার আমরা
লিখি ধরি ধরি কে ইনফিনিটি। হ্যা ধরি সাম্য
ধ্রুবক। সাম্যধ্রুবক
কেসির মান হচ্ছে অসীম। মান হচ্ছে অসীম।
ইনফিনিটি। অসীম হতে পারে না। আমি ধরে
নিলাম অসীম। যদি অসীম হয় তাহলে আবার এখানে
উৎপাদ বিক্রিয়ক। আমি লিখতে পারি আমাদের
উৎপাদের ঘনমাত্রা ডিভাইডেড বাই বিক্রিয়কের
ঘনমাত্রা এখন উৎপাদ বা বিক্রিয়ক এই দুইটার
ঘনমাত্রা এখন দেখো কোন কিছু মান অসীম মানে
কি কোন কিছু অসীম মানে কি অসীম মানে
সামথিং বাই জিরো কোন কিছু জিরো দ্বারা ভাগ
করা তো আমি বললাম বা জিভারও বা জি সামথিং
বা জির বাবা বা জির তাহলে এখন এখান থেকে
কি লিখতে পারি গুণ করলে দেখো আর গুণ করলে
কি আসতেছে গুণ করে দেখো আসবে বিক্রিয়কের
ঘনমাত্রা জির আর গুণ করলে আসতেছে আমার
বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা জির বিক্রিয়কের
ঘনমাত্রা জির মানে কি বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা
জির মানে মানে একমুখী বিক্রিয়া কোন
বিক্রিয়ায় বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা জির থাকে
বিক্রিয়ক থাকে না একমুখী বিক্রিয়ায় কোন
বিক্রিয়া একমুখী বিক্রিয়া ঠিক আছে অর্থাৎ
একমুখী বিক্রিয়া এটা রিপ্রেজেন্ট করতেছে
অর্থাৎ একমুখী মুখী বিক্রিয়া এখন তুমি বল
ভাইয়া সাম্য ধ্রুবক কোথায় হয় একমুখী
বিক্রিয়া সাম্য ধ্রুবক কোথায় হয় সাম্য
ধ্রুবক সাম্য অবস্থায় হয় এখন সাম্য অবস্থা
কোথায় উমমুখী বিক্রিয়া হয় একমুখী বিক্রিয়া
সাম্য অবস্থায় হয় একমুখী বিক্রিয়া সাম্য
অবস্থা হয় না কোনদিন শূন্যতে পারবে না
কখনো শূন্য নিতে পারবে না বুঝতে পার বুঝতে
পার খুবই ইম্পর্টেন্ট কোশ্চেন এবং আরেকটা
কোশ্চেন নাম্বারের জন্য মনে রাখবা একটি
উমুখী বিক্রিয়াকে কিভাবে একমুখী করা যায়
ঠিক আছে একটি বিক্রিয়া কিভাবে একমুখী করা
যায় অনুধবনের মূলকের জন্য রাসায়নিক
সাম্য অবস্থা একটি গতিশীল অবস্থা
রাসায়নিক সমধ কখনো শূন্য বাতে পারে না
ব্যাখ্যা করো আরেকটা হচ্ছে যে একটি উমুখী
বিক্রিয়াকে কিভাবে একমুখী করা যায় ঠিক
আছে এই তিনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ খুবই
গুরুত্বপূর্ণ গুণধন মূলকের জন্য মাথায়
রাখবা সবাই সো দিস ইজ দা থিং যে শূন্য হবে
না অসীমও হবে না ওকে তাহলে আমরা তার
পরেরটা দেখি বলছে উদ্দীপকের বিক্রিয়ার
কেপির মান 0.1 ওয়ান হলে অ্যামোনিয়া থেকে
হাফ নাইট্রোজেন ও 3বা2 হাইড্রোজেন এই
বিক্রিয়ার কেপির মানটা কত? এই বিক্রিয়ার
কেপির মান বের করতে বলছে। এখন উদ্দীপকের
বিক্রিয়ার কেপি01 উদ্দীপকের বিক্রিয়াটা কি
ভাইয়া? উদ্দীপকের বিক্রিয়াটা হচ্ছে
নাইট্রোজেন প্লাসথ হাইড্রোজেন। ওকে? এরা
বিক্রিয়া করে আমাদের তৈরি করতেছে। এরা
বিক্রিয়া করে আমাদের কি তৈরি করতেছে দেখো।
উদ্দীপকের বিক্রিয়ায় নাইট্রোজেন প্লাস
থ্রি হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে তৈরি করে
দুই অ্যামোনিয়া। ওই যে উদ্দীপকের
বিক্রিয়া। এবং এই বিক্রিয়ার জন্য কেপির
ভ্যালু তোমাকে প্রশ্ন দিয়ে দিল 0.1। এই
বিক্রিয়ার জন্য কেপির ভ্যালু দিয়ে দিল
0.1। এখন তোমাকে বলছে তোমাকে বলছে এই
বিক্রিয়ার জন্য কেপির মান যদি 0.1 হয়
তাহলে এই বিক্রিয়াটার জন্য কেপির মান কত?
অর্থাৎ অ্যামোনিয়া থেকে অমোনিয়া থেকে হাফ
নাইট্রোজেন প্লাসথ বাট হাইড্রোজেন শোনো
এইযে আমার যতগুলা চিহ্ন আছে এগুলা সব
উল্টা হইছে আর কি হ্যা ওটা তোমরা ধরে নিবা
যে 3বাট হাইড্রোজেন হাইড্রোজেন এই
বিক্রিয়ার জন্য কেপি কত এই বিক্রিয়ার জন্য
কেপির ভ্যালু বের করতে বলছে এই বিক্রিয়ার
জন্য কেপির ভ্যালু বের করতে বলছে তো এই
বিক্রিয়ার জন্য কেপির মান কত হবে চল আমি
তোমাদেরকে এখান থেকে একটু জিনিসটা দেখ
সেটা হচ্ছে যে ধর এরকম যে আমার কাছে আছে
আছে এখানে দেখ নাম্বার ওয়ান কেস নাম্বার
ওয়ান নাম্বার ওয়ানটা হচ্ছে এ থেকে বি
হচ্ছে একটা বিক্রিয়া। এই বিক্রিয়ায় এই
বিক্রিয়ায় মনে কর তোমারে বললাম কেপির মান
হচ্ছে কে। যদি তোমাকে বলে বি থেকে এ হচ্ছে
একটা বিক্রিয়া। এই বিক্রিয়া কেপির মান কত?
এই বিক্রি কেপির মানবা। যদি কোন একটা
বিক্রিয়া উল যায় তাহলে বিক্রি সামদ্রবকের
মানটা উল যায়। একটা বিক্রিয়া যদি উল যায়
তাহলে বিক্রিয় সামদ্রবের মানটা উল যাবে।
এবার কেস নাম্বার? দুই নাম্বার। নাম্বারটা
কি থেকে হচ্ছে একটা বিক্রিয়া। এই
বিক্রিয়ায় এই বিক্রিয়া তোমাকে বললাম মান
হচ্ছে কে। মান হচ্ছে কে। তাহলে তোমাকে বলা
হল টয়াই থেকেই
হবে। এই বিক্রিয়ায় কেসির মান কত? এই
বিক্রিয়ায় কেসির মান কত হবে ভাইয়া? তো মনে
রাখবা কোন একটা বিক্রিয়াকে বিক্রিয়ক এবং
উৎপাদ উভয়কেই যদি তুমি একই সংখ্যা দ্বারা
গুণ করো তাহলে সেই সংখ্যাটা পাওয়ার হয়ে
যাবে। তুমি যদি পুরো বিক্রিয়াকে কোন একটা
সংখ্যা দ্বারা গুণ করো তাহলে সেই সংখ্যাটা
কি হয়ে যাবে? সেই সংখ্যাটা পাওয়ার হয়ে
যাবে। ঠিক আছে? সেই সংখ্যাটা পাওয়ার হয়ে
যাবে। তাহলে এই বিক্রিয়ায় দেখো আমি একটু
আরেকবার খেয়াল করি। আরেকবার খেয়াল করি।
তোমাকে বলছে প্রথম বিক্রিয়ায় কেপির মান
কে? তাহলে একটা বিক্রিয়া যদি উল্ট যায় ওই
বিক্রিয় কেপির মান কি হবে? এই বিক্রিয়
কেপির মান কি হবে? কেপি হবে বা বিক্রিয়ার
কেপির মানটা উল্টয় যাবে। আগে যা ছিল আগে
ছিল কে? এখন উলটা হছে বা এখন কোন একটা
বিক্রিয়ায় তুমি যদি একটা সংখ্যা দ্বারা
গুণ করো এই সংখ্যাটা কি হয়ে যাবে ভাই এই
সংখ্যাটা তোমার পাওয়ার হয়ে যাবে আগে ছিল
কে তাহলে এখন এটা হয়ে যাবে কে স্কয়ার
কোন যদি তিন দারা গুণ করতা তাহলে কিউ আগে
যা ছিল তার উপরে পাওয়ার হয়ে যাবে তাহলে
আমরা একটা এক্সাম্পল করে ফেলি এখন এখান
থেকে তোমাকে বললাম এরকম দেখবি হচ্ছে একটা
বিক্রিয়া এই বিক্রিয়ায় কেপি এর মান
দিলাম কেপি এর মান দিলাম কে তোমাকে বলা
হয়েছেবাথবি
থেকেবা
হচ্ছে এই বিক্রিয়ার জন্য কেপির মানটা কত
এবি এই বিক্রিয়া কেপির মান কত? A থেকে বি
হচ্ছে একটা বিক্রিয়া। এই বিক্রিয়া কেপির
মান কে? তাহলে 1 / 3 b / 3 এ হচ্ছে। এই
বিক্রিয়ায় কেপির মান কত? তুমি খেয়াল করো
তো। প্রথমে একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করো।
একদম সহজভাবে চিন্তা করো। এ থেকে বি
হচ্ছে। এই বিক্রিয়াটা এটা কি? বি থেকে এ
হচ্ছে। দেখো এই বিটা এখানে। এ থেকে বি
হচ্ছে। এখানে বি থেকে এ হচ্ছে। তাহলে তুমি
দেখতো কি হচ্ছে? উল্টায় গেছে না? এটা
হচ্ছে এ থেকে বি। এটা হচ্ছে বি থেকে এ।
উল্টা বিক্রিয়া না। তাহলে প্রথম কাজ
যেহেতু বিক্রিয়া উল্টায় গেছে। তাহলে আমার
সাম্য ধ্রুবকের মানও কি হবে? উল্টায় যাবে।
সাম্যধ্রুবক। তাহলে এই নতুন বিক্রিয়ার
সাম্যধ্রুবক কি হবে? আগের বিক্রিয়ার জন্য
ছিল কে। তাহলে এই বিক্রিয়ার জন্য 1 / কে।
এ থেকে বি এটার জন্য কে এটা হচ্ছে বি থেকে
এ তাহলে এটার জন্য বা কে এখন তুমি দেখো
কোন কিছু দ্বারা গুণ করছো কিনা দেখো
এইযেবি থেকে এটাকে কি দ্বারা গুণ করছো বাথ
দ্বারা গুণ করছো না তাহলে যেই সংখ্যা
দ্বারা তুমি গুণ করবা সেটা তোমার পাওয়ার
হয়ে যাবে তাহলে এটা হয়ে যাবে 1বাথ তাহলে
এই বিক্রিয়ার কেপি কত হবেও বাট
পাওয়ারবাথ তো ঠিক সিমিলারলি এই
বিক্রিয়াটার দিকে যদি তুমি তাকাও আমার
প্রথম যে বিক্রিয়াটা যে উদ্দীপকে দেওয়া
ছিল বলে দিছে প্রশ্নে এইটার কেপির মান
আমাকে বলছে তাহলে উলটা বিক্রিয়ার কেপির
মান কত হবে আমরা কি জানি আমরা জানি একটা
বিক্রিয়া যদি উলটা যায় তাহলে ওই
বিক্রিয়ার সামদকের মানটা উল্টা যায়
তাহলে আমাদের এই নতুন বিক্রিয়ার কেপির মান
কত হবে দেখ আগে একটু খেয়াল করো নাইট্রোজেন
আর হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে এমোনিয়া তৈরি
করতেছে একটু খেয়াল করে এদিকে থাকো
নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে
এমোনিয়া তৈরি করতেছে আর এখানে এমোনিয়া
থেকে নাইট্রোজেন আর হাইড্রোজেন উৎপন্ন
হচ্ছে এই বিক্রিয়া এমোনিয়া হচ্ছে এই
বিক্রিয়া হচ্ছে বিক্রিয়ক তার মানে কি এটা
উলটা বিক্রিয়া যেহেতু উলটা বিক্রিয়া তাহলে
আমার সাম্যদ্রবকের মানটা উলয় যাবে
আগে ছিল 0 এখনবা0 তাহলে একটা বিক্রিয়া যদি
উল যায় তাহলে বিক্রিয়ার সামদ্রবকের মানটা
উলটা যাবে এবার তুমি খেয়াল কর কোন কিছু
দারা গুণ কর কিনা দেখ আগে এমোনিয়ার সামনে
দ ছিল এখন এমোনিয়ার সামনে কোন কিছু নাই এক
আছে আগে ছিল দুই এখন আছে এক তুমি খেয়াল কর
আগে এমোনিয়ার সামনে ছিল দুই এখন আছে এক
এখন বল দুই কে কত দ্বারা গুণ করলে এক
পাওয়া যায় দুই কে কত দ্বারা গুণ করলে এক
পাওয়া যায় দুইকে হাফ দ্বারা গুণ করলে এক
পাওয়া যায় দেখো নাইট্রোজেনের সামনে ছিল
আগে এক এখন তার সামনে আছে হাফ
হাইড্রোজেনের সামনে ছিল তিন এখন তার সামনে
আছে 3বাট তার মানে কি আমি সবাইকেই হাফ
দ্বারা এখানে আগে ছিল দুই হাফ দ্বারা গুণ
করছো সবাইকে কি তুমি হাফ দ্বারা গুণ করছো
যেহেতু তুমি সবাইকে কি করছো হাফ দ্বারা
গুণ করছো তাহলে এই হাফ হাফ কি হয়ে যাবে?
পাওয়ার হয়ে যাবে। হাফ কি হয়ে যাবে? পাওয়ার
হয়ে যাবে। আমরা যদি কোন একটা বিক্রিয়াকে
একই সংখ্যা দ্বারা গুণ করি সেটা পাওয়ার
হয়ে যায়। তো আমি দেখতে পাচ্ছি এখানে
অ্যামোনিয়া থেকে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন
হচ্ছে। তার মানে বিক্রিয়া উল্টায় গেছে।
তাহলে সাম্যদ্রবক উল্টায় যাবে। আগে
নাইট্রোজেনের সামনে ছিল দুই। এখন
নাইট্রোজেনের সামনে আছে এক। তার মানে
দুইটা কত দ্বারা গুণ করলে? হাফ দ্বারা গুণ
করলে। তার মানে হাফ দ্বারা গুণ করছি।
তাহলে হাফ পাওয়ার হয়ে যাবে। ঠিক আছে? তো
এই ধরনের প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে। ওকে?
এগুলো আসতে পারে। আমি এখন সব ধরনের
ভেরিয়েশন দেখায় দিচ্ছি। একটা সিকিউ করায়
দিচ্ছি। তোমার আশা করি কেটে গেছি। সকল
কনসেপ্ট ক্লিয়ার হয়ে যাবে। যেখান থেকে
প্রশ্ন আসুক তুমি উত্তর করতে পারবা
ইনশাআল্লাহ। হ্যাঁ। আমরা আরো প্রবলেম দিয়ে
তোমাদেরকে দেখাবো। অলওয়েজ রিমেম্বার
এইভাবে যে সবসময় বিক্রিয়া আসবে এরকম না।
এইভাবেও আসতে পারে। এইভাবেও আসতে পারে।
তুমি রেশিওটা খেয়াল করবাও টুটু আছে কিনা।
যদি দেখো টুটু রেশিও তাহলে বুঝবা এটা
এমোনিয়া এই বিক্রিয়ার কথা বলছে তোমাকে।
ওকে চল আমরা আমাদের ছয় নাম্বারটাতে যাই।
বলছে উদ্দীপকের বিক্রিয়ার জন্য কেপিও কে
এর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করো। এখন কেপিসির
সম্পর্ক। কেপিসির সম্পর্ক কি? ওই যে কেপি
ইকুয়াল কে আরটি টু দি পাওয়ার এন। আমাকে
সামহা ওই জায়গাতে এরকম একটা ফরমেশনে নিয়ে
যেতে হবে। তো এই সম্পর্কটা আমরা কিভাবে
প্রমাণ করতে পারি? দেখো দুইটা ওয়ে আছে এই
সম্পর্ক প্রতিপাদন করার। ঠিক আছে? আমি আগে
একচুয়াল নিয়মটা শিখাচ্ছি যেটা করলে তুমি
ফুল মার্কস পাবা একটা শর্টকাট নিয়ম
শিখাচ্ছি যদি দুই নাম্বারের অনুধাবন মূলকে
আসে তাহলে তার জন্য শর্টকাটটা দেখাবো ঠিক
আছে ওকে আমার প্রথম কাজ হচ্ছে এই যে
বিক্রিয়াটা আছে এটার জন্য কেপিসি সম্পর্ক
বের করতে বলছে আমার বিক্রিয়াটা আমরা আগে
একটু লিখি যে আমাদের বিক্রিয়াটা এখানে কি
দেওয়া বিক্রিয়াটা দেওয়া আছে নাইট্রোজেন
প্লাস হাইড্রোজেন এরা বিক্রিয়া করে তৈরি
করতেছে অ্যামোনিয়া ঠিক আছে এখন এই যে
বিক্রিয়াটা এটার জন্য এই বিক্রিয়ার জন্য
বলা হয় এই বিক্রিয়ার ইকুয়েশন লেখ ভাই বলতো
এই বিক্রিয়ার কেসির ইকুয়েশন কি হবে? খেয়াল
কর এই বিক্রিয়ার কেসির ইকুয়েশন কি হবে?
কেসি আমরা কেসি বের করতেছি। কেসি কেমনে
বের করে? উৎপাদের ঘনমাত্রা ডিভাইডেড বা
বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা। তাহলে এই
বিক্রিয়াসিটা কি হবে? উৎপাদের ঘনমাত্রা।
অর্থাৎ অ্যামোনিয়ার ঘনমাত্রা।
হ্যা। তো কোন একটা জিনিসের সামনে যদি সহক
থাকে সে সহকটা পাওয়ার হয়ে যায়। সকটা কি
হয়ে যায়? পাওয়ার হয়ে যায়। তাহলে এমোনিয়ার
ঘনমাত্রা। এমোনিয়ার সামনে দুই আছে। সহটা
পাওয়ার হয়ে যাবে। নিচে যাবে বিক্রিয়কের
ঘনমাত্রা। বিক্রিয়কে নাইট্রোজেন। তাহলে
আমরা লিখব নাইট্রোজেনের ঘনমাত্রা। ইনটু
আমরা লিখব হাইড্রোজেনের ঘনমাত্রা। ইনটু
হাইড্রোজেনের ঘনমাত্রা। এটা যোগ দিবা না
অনেকে এখানে ভুলে যোগ দিয়া যোগ না গুণ হবে
হ্যাঁ উপরে উৎপাত নিচে বিক্রিয়ক এখন সামনে
সহক তিন আছে হাইড্রোজেনের তাহলে এটা কি
হয়ে যাবে পাওয়ার হয়ে যাবে এটা হচ্ছে এই
বিক্রিয়ার কেসির ইকুয়েশন এখন তোমাকে যদি
বলা হয় এই বিক্রিয়ার জন্য কেপির ইকুয়েশনটা
কি হবে লেখ তুমি আসো এটার জন্য তাহলে
কেপির ইকুয়েশনটা কি হবে ইকুয়েশন লিখলাম
তাহলে এখন আমি এই জিনিসটার জন্য কেপির
ইকুয়েশন লিখতে চাই কি হবে খেয়াল কর হবে
মানে কে কার সাপেক্ষে বের করি ঘনমাত্রার
সাপেক্ষে কেপি আংশিক চাপের সাপেক্ষে তাহলে
উপরে কি যাবে উপরে যাবে আমার এমোনিয়ার
আংশিক চাপ সামনে আছে দুই তাহলে এটা স্কয়ার
নিচে আসবে নাইট্রোজেনের আংশিক চাপ ইনটু
হাইড্রোজেনের আংশিক চাপ সামনে আছে তিন এটা
হয়ে যাবে পাওয়ার থ্রি ওকে ফাইন তো
মোটামুটি কেমনে বের করে কেমনে বের করে
বিক্রি জন্য দেখে নিলাম হ্যা এখন এই
বিক্রিয়ার জন্য একটু খেয়াল কর এইযে এইযে
ঘনমাত্রা কোন একটা জিনিসকে ঘনমাত্রাকে
ঘনমাত্রাকে দুইটা জিনিস দিয়ে প্রকাশ করা
যায় একটা হচ্ছে থার্ড ব্রকেট আরেকটা হচ্ছে
এরকম দ্বারা প্রকাশ করা যায় কি দারা
প্রকাশ করা যায় এইযে এমোনিয়ার ঘনমাত্রা
স্কয়ার এটাকে এভাবে লিখতে পারি সি অফ
অ্যামোনিয়া এটা মানেই থার্ড ব্র্যাকেট অফ
এমোনিয়া তো উপরে দিয়ে দিলাম স্কয়ার নিচে
নাইট্রোজেন আছে না নাইট্রোজেনের ঘনমাত্র
এটাকে আমি লিখতে পারি সি অফ নাইট্রোজেন
ইনটু হাইড্রোজেনের ঘনমাত্র এটাকে আমি
লিখতে পারি সি অফ হাইড্রোজেন এখানে আছে
কিউ দিয়ে দিলাম কিউ
এবার দেখ আমরা মোটামুটি এটাও তোমরা সবাই
জানো মোটামুটি তোমরা সবাই জান এখান থেকে
খেয়াল কর আমরা সবাই জানি আমাদের পয় হচ্ছে
এনরটি জান আদর্শ গ্যাসের সমীকরণ বল কি
লেখা যায় এবা বা আরটি
মোলবা আয়তন এটা এই সূত্রটা সবাই জান হচ্ছে
এভিক
কিবা মোলবা আয়তন এইযে মোলবা আয়তন এটা মানে
আমার আসলে ঘনমাত্রা এটাকে আমি লিখতে পারি
কত লিখতে পারি এটা লিখতে পারি তাহলে দেখ
এখানে আমি প এর পরিবর্তে দেখ এই জায়গাতে
এই প এর পরিবর্তে প এর পরিবর্তে লিখতে
পারি দেখ লিতে পারি এভাবে
সি আরটি অফ অ্যামোনিয়া সি আরটি অফ
অ্যামোনিয়া উপরে যাবে স্কয়ার নিচে কি আসবে
সিটি প এর পরিবর্তে লেখা যায় এর পরিবর্তে
অফ নাইট্রোজেন
লিখতে পারি এখানে প হাইড্রোজেন আছে প এর
পরিবর্তে লিখতে পারিটি অফ হাইড্রোজেন
হাইড্রোজেন উপরে আছে কিউ এইযে যা দরকার তা
বস দিলাম ঠিক আছে এখন শোন এবার একটু খেয়াল
কর দেখ এবার এগুলোকে আলাদা করে ফেলব এবার
এগুলোকে কি করে ফেলব আলাদা করে ফেলব এই যে
বিক্রিয়াটা এটা কি একটা পাত্রের মধ্যে
হচ্ছে না একটা বদ্ধ পাত্রের মধ্যে
নাইট্রোজেন তিন নাইট্রোজেন এমোনিয়া উৎপন্ন
করতেছে এখন তুমি ক তুমি বাইরে থেকে গরম
করতেছো তুমি বাইরে থেকে গরম করতেছো এখন
তুমি এটা কি গরম নাকি নাইট্রোজেন একটা
পাত্রের মধ্যে রাইখা তুমি বাইরে গরম করতে
পাত্রের মধ্যে যদি সবাই রাইখ বাড়িতে গরম
কর নাইট্রোজেনের জন্য তাপমাত্রা আলাদা
হাইড্রোজেনের জন্য তাপমাত্রা আলাদা
এমোনিয়া লেখে তাপমাত্রা আলাদা হবে নাকি
সবার জন্য তাপমাত্রা সেম থাকবে সবাই তো
একটা পাত্রের মধ্যেই আছে তাহলে কি সবার
জন্য তাপমাত্রা কি সেম তাহলে তাপমাত্রাকে
কি আলাদা করে টি অফ অ্যামোনিয়াটি অফ
হাইড্রোজেনটি অফ নাইট্রোজেন লেখার দরকার
আছে নাই আবার বল মোলার গ্যাস ধ্রুবক।
মোলার গ্যাস ধ্রুবক। মোলার গ্যাস ধ্রুবক
মানে কি? মানে মোলার গ্যাস ধ্রুবক তো একটা
ধ্রুবক। এটা নাইট্রোজেনের জন্য যা
হাইড্রোজেনের জন্য তা অ্যামোনিয়ার জন্য
তাহলে কি সবার জন্য সেম। তাহলে এটারে
আলাদা করে আর অফ নাইট্রোজেন, আর অফ
হাইড্রোজেন, আর অফ অ্যামোনিয়া লেখার দরকার
আছে? নাই। তাহলে এগুলাকে আলাদা করে লেখার
দরকার নাই। এইজন্য কাকে আলাদা করে লিখব?
শুধুমাত্র ঘনমাত্রাকে। কারণ ঘনমাত্রাটাই
কেবল ডিফারেন্ট হয়। আমি এটাকে লিখতে পারি।
দেখো সি অফ অমোনিয়া। এভাবে আমি এভাবে
লিখলাম। হ্যা এখান থেকে আলাদা করে ফেললাম।
অফ অমোনিয়া। অফ অমোনিয়া। এই যে সি অফ
এমোনিয়া উপরে স্কয়ার আছে স্কয়ার হ্যা ইনটু
ইনটু আমি এখানে লিখতে পারি দেখতো এটা
কিন্তু এভাবে লেখা যায় না ইনটু আরটি আরটি
স্কয়ার সি স্কয়ার আরটি স্কয়ার স অফ
এমোনিয়া লিখলাম আরটির সাথে কি এমোনিয়া
লেখার দরকার আছে তোমরা কও আরটি এটা কি
সবার জন্য সেমটি তো সবার জন্য সেম আর সবার
জন্য সেম এটা আলাদা করে লেখার দরকার নাই
এজন্য আমরা এই আলাদা করে এমোনিয়া লিখব না
জাস্ট খালি আরটি স্কয়ার এই স্কয়ারটাকে দুই
পাশে ডিভাইড করে দিলাম ঘনমাত্রাটা এমোনিয়া
ঘনমাত্র লিখছি ঠিক সিমিলার এখানে আমি
লিখতে পারি এই জায়গাতে এখানে এভাবে লিখতে
পারি সি অফ নাইট্রোজেন
ইনটু এখানে লিখতে পারি সি অফ হাইড্রোজেন
এটার উপরে দেখো পাওয়ার আছেথ ইটু হচ্ছে
কিউব এবার বাকিটাকে আমি লিখে দিতে পারি
এখানে ইটু এই দেখ আরটি শুধু আরটি আছে আরটি
অফ নাইট্রোজেন নাইট্রোজেন ার দরকার আছে
তোমরা বলটি অফ নাইট্রোজেন এ পাওয়ার কত
পাওয়ার ওয়ানই থাকবে আরটি পাওয়ার ইট এখানে
বল এখানে বলটি অফ হাইড্রোজেন আলাদা করে
হাইড্রোজেন নিচে দরকার আছে নাই উপরে আছে
পাওয়ার পাওয়ার দিয়ে এখন তুমি একটা জিনিস
খেয়াল কর জিনিস খেয়াল করতো এই যে জিনিসটা
পি অফ এমনি স্কয়ার c অফ এ2 c অফ এইচ2
দেখতো এই জিনিসটা কি এই জিনিসটা কি আমাদের
কে না এটা কি আমাদের কেসি না তাহলে এইটার
পরিবর্তে আমি কি লিখতে পারি দেখতো তুমি
দেখতো ভাইয়া এটার পরিবর্তে আমি লিখতে পারি
না এটার পরিবর্তে আমি লিখতে পারি না কে
লিখতে পারি না কে তাহলে আমি কি দেখলাম আমি
দেখলাম আমার কেপি ইকুয়ালটু কি আসতেছে কেপি
ইকুয়ালটু আসতেছে KC ইনটু এই যে আরটি দেখো
খেয়াল কর এইযে Rটি আরটি উপরে দেখো উপরে
আরটি নিচে আরটি নিচে আরটি তাহলে এখানে
লেখা যায় কতটু ম 2 মাইফ লেখা যায় নাট মাইফ
এইযেট মাইফ এটা কি আমরা এভাবে লিখি যে
আমাদের কে এটাকে আমরা এভাবে লিখি আমাদের
কেপি ইকয়ালটু কত কেপি হচ্ছে কে তারপরে কত
আরটি ইনভারসট আটি ইনভ
আরটি ইনভারস ঠিক আছে আরটি ইনভারসট
থিং আশা করি সবাই বুঝতে পারপি
হচ্ছে সম্পর্ক তোমাকে এটাই বের করতে বলছে
তোমাকে এটাই বের করতে বলছে
সম্পর্ক বের কর যদি কখন এরকম কোন বিক্রি
সম্পর্ক বের করতে তুমি এক্সাক্টলি এভাবে
বের করবা এবং আশা করি তোমরা এটা সবাই পারো
এবং খুবই ইম্পর্টেন্ট প্রায় সময়
পরীক্ষায় আসে হ্যাঁ এখন এবার আসো এটার
অল্টারনেট ওয়ে অল্টারনেট অল্টারনেট না
অল্টারনেট হ্যা অল্টারনেট এটা তুমি কোথায়
ইউজ করবা যদি তোমার অনুধাবন মূলক প্রশ্নে
আসে ক নাম্বারের প্রশ্নে আসলে তুমি যদি
এভাবে দাও তাহলে তোমার দুই নাম্বার দিবে
তিন নাম্বার দিবে না তিন পাইতে এভাবে দিতে
হবে তো কেপি সম্পর্ক বের করতে তুমি লিখবা
আমরা জানি
আমরা জানি আমরা কি জানি কেপি ইক কে আটি
পাওয়ার ডিটি পাওয়ার এটা আমরা জানি হ্যা
এখন আবার আমরা এটাও জানি যে ইকয়ালটু হচ্ছে
উৎপাদের গ্যাসীয় মূল উৎপাদের কি মূল
উৎপাদের গ্যাসীয় মূল গ্যাসীয় মৌল
মাইনাস
বিক্রিয়কের গ্যাসীয় মূল উৎপাদের গ্যাসীয়
মূল মাইনাস বিক্রিয়কের গ্যাসীয় মল উৎপাদ
মাইস বিক্রিয়ক এখন আমার যে বিক্রিয়াটা আছে
আমার যে বিক্রিয়াটা আছে আমাদের বিক্রিয়াটা
একটু খেয়াল করি আমরা আমাদের বিক্রিয়াটা
হচ্ছে এরকম নাইট্রোজেন
প্লাস হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে আমাদের দুই
এমোনিয়া তৈরি করতেই এই বিক্রিয়াতে
নাইট্রোজেন একটা গ্যাস হাইড্রোজেন একটা
গ্যাস অ্যামোনিয়াও কি একটা গ্যাস আমরা
সবাই জানি এখন এখানে তাহলে আমাদের ডল এন
কত হবে বের করি ডল এন কত ডন মানে কত
উৎপাতের গ্যাসীয় মূল উৎপাদকে অ্যামোনিয়া
অ্যামোনিয়ার গ্যাসীয় মৌলের সংখ্যা হচ্ছে
দুই মাইনাস বিক্রিয়ক কে বিক্রিয়ক হচ্ছে
নাইট্রোজেন আর হাইড্রোজেন নাইট্রোজেনও
গ্যাস হাইড্রোজেনও গ্যাস নাইট্রোজেনের মোল
সংখ্যা এক হাইড্রোজেনের মোল সংখ্যা তিন
তাহলে মোট গ্যাসীয় মৌলের সংখ্যা হচ্ছে চার
তাহলে এন এর মান আসতেছে মাইনাস টু তাহলে
আমরা লিখতে পারি সুতরাং সুতরাং কেপি
ইকুয়ালটু কি হবে কে পিপি হবে কে তারপরে কি
আরটি মাইনাস টু আরটি টু দি পাার মান হচ্ছে
মাইট শেষ তুমি যদি এভাবে দাও এভাবে দিলে
তুমি খ নাম্বারে যদি আসে তাহলে এটা ঠিক
আছে বাট এই প্রশ্নটা মোস্ট অফ দা টাইম
তোমার গতে আসে যদি গভ বাগ হতে আসে তাহলে
এইভাবে লিখলে তুমি দুই নাম্বার পাবা দুই
নাম্বার পাবা ঠিক আছে আর তুমি যদি পুরা
মার্ক পেতে চাও তাহলে তোমাকে এভাবে
প্রতিপাদন করে আসতে হবে ঠিক আছে আশা করি
তোমরা সবাই বুঝতে পারছো হ্যাঁ যে কিভাবে
আমরা কেপিসি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে পারি
এবার আসো তোমাকে বলছে 250 ডিগ্র সেলসিয়াস
তাপমাত্রায় উদ্দীপকের বিক্রিয়ার কেসির
মান এত হলে কেপি কত এটা কানার ভাই অন্ধ
পারবে আমার মনে হয় না এটা তোমাদের কারো
কোন সমস্যা হবে করতে আমরা সবাই জানি কেক
কে কে আরটি টুদি পাওয়ার
কে আরটি পাওয়ার ঠিক আছে এখানে আমাদের আর
মান সবসময় কত বয়ে
রিমেমবার আর মান কত হবে 08
এই বিক্রিয়াতে আমরা সবাই জানি মোটামুটি
আমাদের এখান থেকে আমাদের কেপি বের করতে
হবে ভ্যালু তোমাকে দিয়ে দিছে 0.4
ই আর এর মান জানি 0.082 08 *টি এর মান কত
250 250 এর সাথে 273 যদি যোগ করি তাহলে
523 কেলভিন 523 পাওয়ার ডান এই বিক্রিয়া
মাই আমরা সবাই জানি বসা দাও ক্যালকুলেশন
করলে অংক শেষ এটার জন্য ডন এর মান জানি
এখান থেকে কেপির মান বের করতে বলছে একদম
সোজা একদম সোজা তুমি সাইড নোট দিয়ে দিবা
যে এখানে ডন এর মান হচ্ছে মাইনাসট এর মান
হচ্ছে 250 ডিগ্রি সেলসিয়াস তার মানে 523
কেলভিন 523 কেলভিন যোগ করে দিবা যেটা আসবে
আর এর মান কত 0.082
মান কত দেওয়া আছে 0.4 ওয়ান ওয়ান ফোর ওকে
এগুলা সাইড নোট দিয়ে দিবা সাইড নোট দিয়ে
তারপর অংক করে ফেলবা ডান ঠিক আছে আশা করি
সবাই পারবা চলো উদ্দীপকের বিক্রিয়ার জন্য
কেপির রাশিমালা প্রতিষ্ঠা করো খুবই
ইম্পর্টেন্ট কেপিকেসির সম্পর্ক কেপিকেসির
রাশিমালা এখান থেকে একটা প্রশ্ন আসবে
উদ্দীপকের বিক্রিয়ার জন্য কেপি এর
রাশিমালা প্রতিষ্ঠা করতে বলছে এখন
রাশিমালা কেমনে প্রতিষ্ঠা করে চলো
তোমাদেরকে শিখায় দেই প্র্যাকটিস করবা
হ্যাঁ ধরো তোমাকে বলছে যে নাইট্রোজেন
প্লাস তিন অণু হাইড্রোজেন এরা বিক্রিয়া
করে তৈরি করতেছে দুই অণু অ্যামোনিয়া হ্যাঁ
দুই অণু অ্যামোনিয়া তো এই বিক্রিয়ার জন্য
কেপি রাশিমালা বের করব কোন অসুবিধা নাই
কেপি রাশিমালা বের করব অলওয়েজ েমবার
রাশিমালা বের করতে গেলে সবসময় মনে রাখবা
রাশিমালা বের করতে গেলে তুমি প্রথম কাজ
প্রথম কাজটি সেকেন্ডে সেকেন্ডে তুমি এটার
সহগ সহগ যত সহ কত না তুমি এখানে ধরে নিবা
সহ কত তিন না এখানে ধরে নিবা ত আর উৎপাদের
ক্ষেত্রে শুরুতে থাকে সবসময় শূন্য উৎপাদের
ক্ষেত্রে শুরুতে কত থাকে সবসময় শূন্যতাটিক
শ্য সেকেন্ডে নাইট্রোজেনের মোল সংখ্যা আমি
ধরে নিব হাইড্রোজেনেরটা ধরে নিব তিন আর
উৎপাদেরটা কত শূন্য কারণ শুরুতে কোন উৎপাদ
থাকে না একদম শুরুতে
এখন আমি যখন ইকুলিব্রিয়ামে যাব যখন আমি
ইকুলিব্রিয়ামে যাব তখন আমি কি লিখবো তখন
আমি কি লিখব তো তুমি যখন রাশিমালা
প্রতিষ্ঠা করবা তখন এখানকার মোল সংখ্যা
এখানকার সহগ আর এখানকার মোল সমান ধরে নিবা
সহ তাহলে মূল সংখ্যা সহ তিন মূল সংখ্যা
তিন তুমি ধরে নিবা ধরে রাশিমালা প্রতিপাদন
করবা যখন তুমি রাশিমালা প্রতিপাদন করবা
মনে রাখবা অলওয়েজ এখানকার মোল আর সহক যদি
সমান হয় অলওয়েজ রিমেম্বার এই সহগ আর মোল
এই সহগ আর মোল যদি সমান হয় তাইলে আলফা
বিয়োজন মাত্রা দিয়ে অংক করতে হয়
বিয়োজন মাত্রা দিয়ে রাশিমালা বের করতে
হয় কি দিয়ে বিয়োজন মাত্রা দিয়ে
বিয়োজন মাত্রা দিয়ে বিয়োজন মাত্রা মানে
আলফা বিয়োজন মাত্রা মানে কি আলফা আমি একটু
আরো ডিটেল বলব তুমি মনে রাখ আল দিয়ে কাজ
করতে হবে তো দেখো এখানে আছে এক মোল সহগ
হচ্ছে এক মোলও এক সহক তিন মূল তিন তাহলে
আমি আলফা ধরে অংক করব এক্স না যদি এখানকার
সহগ আর এখানকার মোলগুলা ভিন্ন হইতো ধর এটা
এক মোল এটাও এক মোল তাহলে দেখ এটার সহগ এক
ঠিক আছে বা এটার সহক তিন এটার মূল সংখ্যা
এক তাহলে আর আমি আলফা লিখতে পারবো না তখন
আমাকে লিখতে হবে এক্স কি লিখতে হবে এক্স
তা আমি অংক করতে করতে তোমাদেরকে এগুলা
বুঝা দিব আলফা এক্স এর মধ্যে ডিফারেন্স
হ্যা তো মূল সংখ্যা আর সহক যদি সমান হয়
তাহলে আলফা লিখব তাহলে এটা এটা তাহলে আলফা
দিয়ে লিখব এখন এখানে সহক যত তত সংখ্যক
আলফা বিয়োগ করবা তাহলে ওয়ান মাইনাস এখানে
সহক কত এক তাহলে একটা আলফা বিয়োগ করবা ওকে
এখানে কত আছে থ্রি এবার এখানে সহ কত তিন
তাহলে তিনটা আলফা বিয়োগ করবাথ আলফা এবার
এখানে দিবা উৎপাদের ক্ষেত্রে দিবা যোগ
বিক্রিয়কের ক্ষেত্রে বিয়োগ উৎপাদের
ক্ষেত্রে যোগ বিক্রিয়কের ক্ষেত্রে বিয়োগ
উৎপাদের ক্ষেত্রে কি যোগ এবার আমরা এখানে
যোগ দিব কার সাথে অ্যামোনিয়ার সাথে কার
সাথে অ্যামোনিয়ার সাথে এখন এমোনিয়া সহ কত
দুই তাহলে এখানে আমি দুইটা আলফা যোগ করে
দিব দুইটা আলফা যোগ করে দিব ঠিক আছে আমি
কি করব দুইটা আলফা যোগ করে দিব ওকে আচ্ছা
এখন যখন রাশিমালা প্রতিপাদন করতে যাবা
তোমাকে কি করতে হবে একটু শোন তুমি কি করবা
এখান থেকে কেপি রাশিমালা প্রতিপাদন করবা
তাই না কি করবা কেপির রাশিমালা প্রতিপাদন
করবা তো এই বিক্রিয়ার জন্য কেপির
ইকুয়েশনটা সবার আগে লিখে ফেল কি দেখতো এই
দেখ পমোনিয়া মানে এমোনিয়ার আংশিক চাপ উপরে
যাবে স্কয়ার নিচে আসবে পি অফ নাইট্রোজেন ই
পি অফ হাইড্রোজেন হাইড্রোজেনের সামনে আছে
এ হয়ে যাবে কিউ এগুলো সব হচ্ছে আংশিক চাপ
আংশিক চাপ বের করতে গেলে সবসময় আগে মোট
মোল বের করতে হয় যদি তুমি আংশিক চাপ বের
করে আংশিক চাপ বের করতে চাও এপি বের করতে
চাও তাহলে তোমাকে আগে মোট মোল বের করতে
হয় কারণ মোল ভগ্নাংশ লাগবে তোমার তো সেটা
কিভাবে করে এজন্য আমরা কি করব সবার আগে
এখানে মোট মোল বের করব কি করব মোট মোল বের
করব হ্যা ইকুলিব্রিয়াম মানে সাম্যবস্থা
সুতরাং আমরা লিখব সাম্য অবস্থায় অলওয়েজ
কেপি বের করতে গেলে যদি তুমি কখনো কেপি
বের করো তাহলে সবসময় মনে রাখবা
সাম্যবস্থায় মোট মূল লাগবে কেসি বের করতে
গেলে লাগবে না হ্যা বাট যদি কেপি বের করতে
যাও তাহলে সাম্যবস্থায়ার মোট মূল লাগবে
ইকুলিব্রিয়াম মানে হচ্ছে সাম্য অবস্থা তো
সাম্যবস্থার মোট মূল কত সবগুলো আমরা যোগ
করে দিব তাহলে কত মাই আফা প্লাথ মাইথ আলফা
প্লাস হচ্ছেট আলফা যদি এখান থেকে
ক্যালকুলেশন করি তাহলে আমার আসবে কতফ
মাইস
মচ
মাই আফ
আমাকে কি করতে হবে এবার সাম্য অবস্থায়
নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন এমোনিয়ার আংশিং চাপ
বের করতে হবে বের করে এই সমীকরণে বসাইতে
হবে আমরা এবার আংশিক চাপ বের করব ভাইয়া
আংশিকচাপ কেমনে বের করে দেখ খেয়াল কর আমরা
দেখব ফস্ট প অফ নাইট্রোজেন আমি
নাইট্রোজেনের আংশিক চাপ বের করতে চাই
কিভাবে করব ভাই নিয়মটা নিয়মটা হচ্ছে এইযে
এখানে যে মানটা আছে নাইট্রোজেনের এইখানে
যে ভ্যালুটা আছে মাই আফা সাম্য অবস্থায়
নাইট্রোজেনের যে মান আছেও মাই আলফা এই
সাম্য অবস্থায় মানটাকে আমরা মোট মোল মানে
এই মোলটাকে মোট মোল দ্বারা ভাগ করব এগুলা
সব মোল সংখ্যা এই মোল সংখ্যাকে মোট মোল
দ্বারা ভাগ করব তো মোট মোল কতফ মাইট আফ
তাহলে এখানেফ মাইট আল দ্বারা ভাগ করব ঠিক
আছে করার পর এই জিনিসটাকে এটা হচ্ছে মোল
ভগ্নাংশ নিজের মোলকে মোট মোল দ্বারা ভাগ
করলে যে কোন জিনিসের নিজের মোলকে মোট মোল
দ্বারা ভাগ করলে মোল ভগ্নাংশ পাওয়া যায়
সেই মোল ভগ্নাংশকে যদি মোট চাপ দ্বারা গুণ
করো মোট চাপ এই পুরো পাত্রের মোট চাপ
দ্বারা যদি গুণ করি তাহলে আমরা আংশিক চাপ
পেয়ে যাই কার আংশিক চাপ নাইট্রোজেনের এবার
আমরা এখান থেকে হাইড্রোজেনের আংশিক চাপ
বের করব কেমনে হাইড্রোজেনের আংশিক চাপ বের
করব ভাইয়া নিয়মটা কি নিয়মটা হচ্ছে এইযে
দেখ হাইড্রোজেনের নিজের মোল সাম্য অবস্থায়
নিজের মোল হাইড্রোজেনের নিজের মোল কত 3 ম
আ ঠিক আছে এটাকে আমরা কি করব মোট মোল
দ্বারা ভাগ করব মোট মোল কত 4 মরা ভাগ করব
করলে আমি হাইড্রোজেনের মোল ভগ্নাংশ পেয়ে
যাব এবার এটাকে আমি কি করব মোট চাপ দ্বারা
গুণ করব মোট চাচাপ দ্বারা গুণ করলে আমি
হাইড্রোজেনের আংশিক চাপ পেয়ে যাচ্ছি এখন
আমার কাজ হচ্ছে এমোনিয়ার আমি কি করব এবার
এই পি অফ অ্যামোনিয়া বুঝছো? অ্যামোনিয়ার
আংশিক চাপ বের করব। তো অ্যামোনিয়ার আংশিক
চাপ কেমনে বের করবো ভাইয়া? আমরা কি
লিখবো? অ্যামোনিয়ার মোল সংখ্যা
সম্যবস্থা। অ্যামোনিয়ার মোল সংখ্যা কত?
টু αফা। এটাকে আমরা মোট মোল দ্বারা ভাগ
করবো। 4 - 2 α ইনটু মোট চাপ p দ্বারা গুণ
করে দিব। ইনটু মোট চাপ p দ্বারা গুণ করে
দিব। ঠিক আছে? নিজের মোলকে নিজের মোলকে
মোট মোল দ্বারা ভাগ করবো। নিজের মোল
সমস্থার মোট মোল এটা মানে নিজের
প্রত্যেকের নিজের মোল 1 - α। এটা 3 - α
এটা কত? আলফা। এদেরকে আমি মোট মোল দ্বারা
ভাগ করে দিব। ইটু মোট দ্বারা গুণ করে দিলে
আংশিকটা পেয়ে যাচ্ছি। এবার এই যে মানটা
এই মানটা আমি এখানে বসা দিব। এই মানটা আমি
এখানে বসা দিব। ঠিক আছে তাহলে পি অফ
এমোনিয়া কত আসতেছেটু আলফা ডিভাইডেড বাইফ
মাইনাসট আলফা ঠিক আছে ইনটু হচ্ছে পি এটাকে
আমরা কি করব স্কয়ার করে দিব ওকে নিচে কত
যাবে দেখতো নিচে যাবে নাইট্রোজেন
নাইট্রোজেনের জন্য কত মাই আলফাবাফ
মাইনাসট আফ ওকে হচ্ছে পু হচ্ছে
নিচে কি যাবে হাইড্রোজেনেরটা মবা
কত আসবে ম ইনটু হচ্ছে পি এ আমরা কি করে
দিব কিউব করে দিব কি করে দিব কিউব করে দিব
এবার এখান থেকে আমাকে কিছু ক্যালকুলেশন
করতে হবে আমি কি করব এখান থেকে এক দুই
লাইন এক দুই লাইন ক্যালকুলেশন করবা তুমি
বেশি না বেশি করতে যাও না হ্যা যত বেশি
পাকনামি করবা তত বেশি ধরা খাবা এখান থেকে
তোমাকে কি করতে হবে এক দুই লাইন তুমি
তোমার মত করে ক্যালকুলেশন করবা এক দুই
লাইন ক্যালকুলেশন করবা এক দুই লাইন
ক্যালকুলেশন কেমনে ধর এইয এরকমভাবে তুমি
মনে কর লেখলা এখানে এভাবে লেখলা যে আলফা
স্কয়ার হ্যা ইটু প স্কয়ার আফ স্কয়ার ই প
স্কয়ার এই দেখো নিচে থাকতেছে কত নিচে
থাকতেছে কত দেখো 4 মাইনাসট আলফা স্কয়ার
এখানে থাকতেছে কত দেখও মাইনাস আলফা ই পি
নিচে থাকতেছে 4 মট আলফা গু উপরে থাকতেছে
কত এখানে দেখে তিন যদি তুমি কমন মাই আবার
কিউ এখান থেকে তিন কমন এখান থেকে তিন কমন
মাই আট উপরে কিউব আছে কি লিখতে পারি আমি
লিখতে পারি না ইও মাই আলফা হ কিউব নিচে
থাকতে আমাদের ম
এটার উপরে একটা কিউব ইটু থাকতে প কিউ
এইটুক এইটুক করবা জাস্ট নরমাল একটু বেসিক
ক্যালকুলেশন করবা এটার উপরে স্কয়ার করে দি
এগুলো স্কয়ার করে দি এখানে যাই লিখছি এমন
নিয়ে কিউ করে লিখছি ঠিক আছে লেখবা লেখার
পর তার পরের লাইনে জাস্ট পরের লাইনে
লাইনটা লিখে দিবা পরের লাইনে তুমি লাইনটা
লিখে দিবা পরের লাইনে লাইনটা কি হবে আফ
স্কয়ার আলফা স্কয়ার ইফ মাইনাসট আফ স্কয়ার
নিচে যাবে কত
মাই আলফা কিউব ইটু প স্কয়ার এই হচ্ছে
কাহিনী আলফা স্কয়ারফ মাইনাসট আলফা
স্কয়ারট7 মাই আলফা মাই আারফ কিউ আর এখানে
মাই আলফা টু পাওয়ারফু
হবে প স্কয়ার প স্কয়ার ক্যালকুলেশন করলে
ক্যালকুলেশন করো করলে এটাই আসবে বেসিক
ক্যালকুলেশন করো করলে এটাই আসবে ঠিক আছে
এই হচ্ছে আমাদের রাশিমালা এটা হচ্ছে রাশি
সবচেয়ে কঠিনটা এটা হচ্ছে সবথেকে কঠিন
ভাইয়া বুঝছো এটা হচ্ছে সবথেকে কঠিনটা
তোমার সবথেকে কঠিনটা এইটা পারো তাহলে তুমি
বাকি সব পারবা নিয়মটা খুবই সিম্পল ফাস্টে
আমরা কি করব সবগুলোকে সেম ধরে নিব তারপরে
আলফা ধরব আলফা দিয়ে অংক করব তো যখন আমি
কেপির মান বের করতে যাব সবসময় মোট মূল বের
করতে হবে তো মোট মূল বের করে নিলাম করে
নিজের মূলকে সবার মূল দ্বারা ভাগ করব মোট
চার চার গুণ করে দিব আমি পেয়ে গেলাম এই
মানটারে আমি ইকুয়েশনের মধ্যে বসা দিব বসা
দিয়ে এক দুই লাইন ক্যালকুলেশন করলেই আমি
এই ফরম্যাটে চলে আসতে পারবো তো তুমি চাইলে
এটা মুখস্ত করতে পারো মুখস্ত করার দরকার
নাই তুই চাইলে একটু ঠান্ডা মাথায় জাস্ট
নরমাল এক দুই লাইন ক্যালকুলেশন করবা যদি
এখানে গিয়ে আটকাবাসার লিখে দিবা ধর এখানে
গিয়ে আটকে গেছ তাহলে এখানে এন্সার লিখে
দিব কোন অসুবিধা নাই কোন অসুবিধা নাই ঠিক
আছে যতটুকু কম্পেট করতে পারো তো অলওয়েজ
রিমেমবার্ এইটুক পর্যন্ত আসা বেটার ঠিক
আছে এটা এটুকু পর্যন্ত আসা বেটার 4 * 4 -
2 স্কয় 27-বি
স্কয়ার এই হচ্ছে আমাদের এটা কেপি এর
রাশিমালা প্রতিপাদন করা এখানে আমাদের আলফা
কি বলতো আলফা হচ্ছে আমাদের বিয়োজন মাত্রা
লিখে ফেলি আলফা হচ্ছে আমাদের বিয়োজন
মাত্রা এখানে মনে রাখবা আলফাক হচ্ছে
বিয়োজন মাত্রা বিয়োজন মাত্রা আল কি বিয়োজন
মাত্রা এ পারসেন্ট দিয়ে প্রকাশ করে একে
পারসেন্টেজ দিয়ে দিয়ে প্রকাশ করে প্রকাশ
করে এবং মনে রাখবা যে পারসেন্টের সাথে
পারসেন্টের সাথে বিয়োজিত
বা রূপান্তরিত
রূপান্তরিত
এই টাইপ ওয়ার্ড থাকতে হবে। এই টাইপ ওয়ার্ড
থাকতে হবে। ওয়ার্ড থাকতে হবে। ঠিক আছে?
বিয়োজিত বা রূপান্তরিত এই ওয়ার্ড থাকতে
হবে। যদি থাকে তাহলে সেটা আলফা। আদারওয়াইজ
না সবসময় পার্সেন্ট দেখলে আলফা বইলো না হু
আলফার সাথে যদি দেখো পারসেন্টের সাথে
বিয়োজিত বা রূপান্তরিত এরকম কথা আছে তাহলে
সেটা আলফা বিয়োজিত বিয়োজন রূপান্তরিত
পরিণত এই টাইপের যদি কথাবার্তা শোনো তাহলে
সেটা হচ্ছে আলফা আলফা বিয়োজন মাত্রা হ্যা
আর এক্স মানে কি এক্স মানে হচ্ছে বিয়োজনের
পরিমাণ এক্স মানে হচ্ছে বিয়োজনের বিয়োজনের
পরিমাণ ঠিক আছে এক্স মানে বিয়োজনের পরিমাণ
ওকে এটাকে কি দ্বারা প্রকাশ করে এক হচ্ছে
মোলক কি একক হচ্ছে মল বিজনের পরিমাণ একই
মদ মজিত হয় তিন মোল বিজিত হয় এরকম এটার
একক হবে মোল অলওয়েজ মনে রাখবা যে বিয়োজন
মাত্রা ইকুয়ালটু হচ্ছে বিয়োজনের পরিমাণ বা
মোট পরিমাণ একটা জিনিস আমরা সবসময় মনে
রাখবো সবাই সেটা হচ্ছে আমাদের আলফা
ইকুয়ালটু আলফা ইকুয়ালটু হচ্ছে বিয়োজনের
পরিমাণ ডিভাইডেডবা মোট পরিমাণ বিয়োজনের
পরিমাণ বিয়োজনের পরিমাণ
ডিভাইডেড বাই মোট পরিমাণ মোট পরিমাণ
বিয়োজনের পরিমাণ ডিভেডবা মোট পরিমাণ ঠিক
আছে ধর তোমাকে আমি বললাম এখানে যেফ
মাইনাসট এটা থেকে বল আলফার মান কত আলফা
হবে দেখ হচ্ছে মোট বিয়োগ চিহ্ন আগে যেটা
থাকে এটা হচ্ছে মোট পরিমাণ বিয়োগ চিহ্ন
পরে যেটা থাকে এটা হচ্ছে বিয়োজনের পরিমাণ
বিয়োগ চিহ্ন পরে হচ্ছে বিয়োজনের পরিমাণ
বিয়োক চিহ্নের আগে হচ্ছে মোট পরিমাণ কি
লিখব
এখন যদি তোমাকে বলা হয় মথ
এখান থেকে বল আলফার মান কত মফার মান কত
বিয়োগ চিহ্নের আগেরটা মোট পরিমাণ আর বিয়োক
চিহ্নের পরেরটা বিয়োজনের পরিমাণ তাহলে কত
হবে বলতো বিয়োচনের পরে আছে বিচি আগে আছে
তাহলে 3বা এভাবে হচ্ছে আমরা আলফার মানটা
বের করব। ঠিক আছে? এভাবে হচ্ছে আলফার মান
বের করব। তাহলে আশা করি মনে এটা ধারণা পাই
আলফা কি জিনিস। তো অলওয়েজ মনে রাখবা যে
যখন রাশিমালা প্রতিপাদন করতে বলবে আমরা
আলফা দিয়ে অংক করব। আমরা কি দ্বারা অংক
করব? আলফা দ্বারা অংক করব। ঠিক আছে?
রাশিমালা প্রতিপাদন করব। তো আশা করি
রাশিমালা প্রতিপাদন বুঝতে পারছো। তাহলে
আমরা তার পরেরটাতে যাই। কি বলছে দেখো।
উদ্দীপকের বিক্রিয়কের উদ্দীপকের
বিক্রিয়কের 20% বিয়োজিত হলে বা 20% উৎপাদে
রূপান্তরিত হলে এবং সাম্য অবস্থার মোট চাপ
দুই এমসফিয়ার হলে কেপি নির্ণয় করো।
উদ্দীপকের বিক্রিয়কের 20% বিয়োজিত হলে
একটু খেয়াল করো ব্যাপারটা। কথাটা শোনো।
কথাটা শোনো উদ্দীপকের বিক্রিয়কের কি হছে
20% বিয়োজিত হবে সো দেখো 20% বিয়োজিত হবে
দট মিন্স আলফা ইকয় 20% 20% মি বা 20%
উৎপাদে রূপান্তরিত হবে খেয়াল কর 20%
বিয়োজিত বা 20% উৎপাদে রূপান্তরিত খেয়াল
করে ওয়ার্ডটা খেয়াল করো পারসেন্ট সাথে
রূপান্তরিতটা আছে পারসেন্ট সাথে বিয়োজিত
ওয়ার্ডটা আছে ঠিক আছে বিয়োজিত যদি থাকে
তাহলে সেটা হচ্ছে কি আমাদের আলফা সেটা
হচ্ছে আলফা এবং আমাকে দিয়ে দিছে সাম্য
অবস্থায় মোট চাপার হলে কেপি এর মান নির্ণয়
কর মান নির্ণয় তার এখানে আলফা জানি আমি
এখানে চাপের মান জানি আমি কেপির মান বের
করব কেপির মান বের করব কিভাবে করব আমি
একটু লিখে দেই তোমাদেরকে আট নাম্বার অংকের
মত করে আট নাম্বার অংকের মত করে আট নং
থেকে পাই আমি লিখলাম নং থেকে পাই তুমি
একদম আট নং মত করে করবা আট নং মত করব আট
নং মত করব আট নং মত করব ঠিক আছে করে করে
কতজন আমরা বের করছিলাম বলতো কতজন বের
করছিলামফ আ স্কয়ার তাই না আমরা কত বের
করছিলাম আগেরটাফ আলফা স্কয়ারফ মাইনাস টু
আলফাফ মাইনাস টু আলফা হোল স্কয়ার নিচে কত
ছিল নিচে ছিল আমাদের 27 ইটও মাইনাস আলফা
টু দি পাওয়ারফ ইট প স্কয়ার দেখতো এটা ছিল
না আমাদেরফ আফ স্কয়ার ইফ মাইট আফ হোল
স্কয়ার 27 তারপরে কত 1- আল টু পাওয়ারফ ইট
প স্কয়ার তো এবার তুমি দেখো তুমি এখানে
আলফার মান জানো এইটুক পর্যন্ত তুমি প্রমাণ
করে আনবা তুমি এইটুক পর্যন্ত প্রমাণ করে
এনে আলফার মান বসাবা 0.2 প এর মান বসা
দিবা দুই টমসফিয়ার দেখ তুমি সবকছু জানের
হয়ে যাবে তোমার এখানে দুইটা জিনিস লাগবে
আফ দেওয়া আছে মানগুলো বস দাও আমি এখান
থেকে লিখব ই আলফার মান কতট ই কতফ মাইট ইট
স্কয়ার নিচে যাবে 27 ম2 পাওয়ারফ ইট পি এর
মান কতটু পাওয়ার টুট স্কয়ার শেষ
ক্যালকুলেশন করো অংক শেষ ঠিক আছে মজা না
সোজা একদম সোজা ওকে তো তুমি একদম আগের মত
করে যে আগে যে অংকটা করাইলাম রাশিমালা
প্রতিপাদন ঠিক রাশিমাল আগে প্রতিপাদন করবা
করে তারপর আফ মান বসাবা এগুলা গ নাম্বার
বা ঘ নাম্বারে আসে তো যদি গ নাম্বার বাঘ
নাম্বারে আসে ডিরেক্টলি ফর্মুলা লিখে করবা
না তুমি কি করবা আগে রাশিমালা প্রতিপাদন
করবা করে তারপরে মান বসাবা যেহেতু আলফা
দেও চাপ দেও রাশিমালা প্রতিপাদন করে মান
বসাবাবির মান এবার তারপরেরটা কি বলছে
উদ্দীপকের বিক্রিয়া 20% বিয়োজিত হলে বা
20% উৎপাদ রূপান্তরিত হলে মোট আয়তনদলি
লিটার হয় কেসি নির্ণয় করো হ্যা তো আমাকে
এবার কিন্তু বলছে কেসি বের করতে তো যদি
মনে রাখবা সবসময় ভাইয়া প্রশ্নে যদি চাপ
দেওয়া থাকে তাহলে কেপি বের করা সহজ হয়
কেপি বের করা সহজ আর যদি চাপ দেওয়া না
থাকে তাহলে তাহলে কেসি বের করা সহজ। তো
এটা মাথায় রাখবা। যদি কোন প্রশ্নে চাপ
দেয় তাহলে কেপি বের করা সহজ। আর যদি চাপ
দেওয়া না থাকে তাহলে কেসি বের করা সহজ।
তো দেখতেই পাচ্ছ আমার এই প্রশ্নে আসলে চাপ
দেওয়া নাই এবং আমাকে প্রশ্নে ডিরেক্ট
বলেই দিছে কেসি নির্ণয় করতে। তো আমরা
কেসি নির্ণয় করব। কোন অসুবিধা নাই। এখন
আসো আমার বিক্রিয়াটা কি খেয়াল করি আমরা।
হ্যাঁ। বিক্রিয়াটা কি আমাদের? নাইট্রোজেন
প্লাস তিন অণু হাইড্রোজেন এরা বিক্রিয়া
করে আমার তৈরি করতেছে দুই অণু
অ্যামোনিয়া। হ্যাঁ। আচ্ছা। এখন একদম
শুরুতে দেখো t সেকেন্ডে আমাকে এবার কিন্তু
রাশিমালা প্রতিপাদন করতে বলে নাই।
রাশিমালা প্রতিপাদন করতে বলে নাই। বাট
স্টিল শুরুতে বিক্রিয়কের মোল সংখ্যা কত
সেটাও বলে দেয় নাই। আমাকে রাশিমালাও
প্রতিপাদন করতে বলে নাই। আবার বিক্রিয়কের
বিক্রিয়ার শুরুতে মোল সংখ্যা কত সেটাও
বলে দেয় নাই। তো আমার সুবিধা কি? যদি বলে
না দেয় আমি সবসময় সহকার মোল সংখ্যা সমান
ধরে নিব। তাহলে এটা এক মোল এটা তিন মোল।
আর উৎপাদ জানি কত সবসময় শূন্য। এখন
ইকুলিব্রিয়ামে গেলে সাম্য অবস্থায় গেলে
আমরা এটাকে কত লিখবো? দেখো 1 মাইনাস
বিক্রিয়কের ক্ষেত্রে মাইনাস উৎপাদের
ক্ষেত্রে প্লাস। সহগ তাহলে একটা আলফা।
এখানে 3 মাইনাস সহ তাহলে তিনটা আলফা। উপরে
এখানে কত যাবে? জ প্লাসট আলফা। ওকে? এগুলা
সব কি সংখ্যা? মূল সংখ্যা। এবার তুমি দেখো
খেয়াল করো তোমাকে কি বের করতে বলছে? একটু
একটু বুঝার চেষ্টা করো। তোমাকে এই অংকে কি
বের করতে বলছে বলতো? তোমাকে এই অংকে কেসি
বের করতে বলছে। তাহলে তুমি কি করবা? এখানে
কেসির ইকুয়েশনটা লিখবা। তোমার কেসি লিখবা।
তো কেসি কি হবে ভাইয়া? এই দেখো
অ্যামোনিয়ার ঘনমাত্রা। অ্যামোনিয়ার
ঘনমাত্রা। উৎপাদের ঘনমাত্রা। সামনে উপরে
যাবে স্কয়ার। নিচে যাবে বিক্রিয়কের
ঘনমাত্রা। ইনটু হচ্ছে হাইড্রোজেনের
ঘনমাত্রা। হাইড্রোজেনের সহ কত? তিন তুমি
কিউব করে দিবা। ওকে। আমাকে এবার কেসি বের
করতে? কেপি বের করতে বলে নাই। আমি এবার
কেসি বের করতেছি। হ্যা। কেসি কেমনে বের
করে? কেসি বের করার জন্য কি লাগে?
বের করার জন্য কিছুই লাগে না বের করার
জন্য কিছুই লাগে না তুমি দেখ তোমার এখানে
কিন্তু আলফার মান দিয়ে দিছে তোমার এখানে
কিন্তু আলফার মান দিয়ে 20 তুমি খেয়াল কর
দেখ 20% বিয়োজিত হলে 20 রপান্তরিত হলে
এগুলা কি এগ আল না কি আল না আল দেওয়া আছে
না তোমার কিন্তু প্রশ্ন দেখ আল দেওয়া আছে
আলফা কত 20% মানে কত 0 আমার আলফা দিয়ে
দিছে এটা হচ্ছে আল আমাকে এবার কেপি বের
করতে না বলে বের করতে বলছে কোন সমস্যা নাই
এখন তুমি দেখি মানে কি সাম্য ধ্রুবক খেয়াল
করম বের করে মানে কি সাম্য ধ্রুবক। তাইলে
এখানে যে ঘনমাত্রা বসাবো দেখ সাম্য ধ্রুবক
কোথায় পাওয়া যায়? সাম্য অবস্থায়
পাওয়া যায়। তাহলে তুমি যে এখানে
ঘনমাত্রাগুলো বসাবা সেটা কোন জায়গার
ঘনমাত্রা? সেটা তোমার সাম্য অবস্থার
ঘনমাত্রা। এখন তুমি দেখ ইকুইলিব্রিয়ামের
বাংলা কি? সাম্যবস্থা। এখানে সাম্যবস্থায়
আমি কি পাইছি? মোল সংখ্যা পাইছি। মূল
সংখ্যাগুলো কিন্তু আমি এম লিখতেই পার।
দেখতো 1 ম2 লেখা যায়। আলফার মান এখানে
লেখা যায় কিনা? 3 ম2 লেখা যায় লেখাই
যায়। এখানে লেখা যায় কিনা? ইলে যায়
লেখা যায়। এগুলা সব কি সংখ্যা? এগুলা সব
আমাদের মূল সংখ্যা। তাহলে দেখো সাম্য
অবস্থায় কিন্তু আমি প্রত্যেকের মোল সংখ্যা
পেয়ে গেছি। এই মূল সংখ্যার মান গুলা কত?
একটু খেয়াল করো এটা আসবে 0.8। এটার মোল
সংখ্যার মান কত আসবে? 0.6 তাহলে আসবে 2.4।
এটার মোল সংখ্যা কত আসবে? 0.4। এগুলা সব
মোল সংখ্যা। এখন তুমি আমাকে বল আমি এই
মানগুলা এখানে বসাবো। হ্যাঁ। তাহলে আমার
অ্যামোনিয়ার মানটা বসা দেই। 0.4 একটু
খেয়াল কইরো। এখানে এটার মান বসাই দিচ্ছি
0.4 আমি একটু মানগুলো বসাই। এই
অ্যামোনিয়ার ঘনমাত্র মূল কত? 0.4
হাইড্রোজেন নাইট্রোজেনের কত? 0.8
হাইড্রোজেনের কত 2.4
একটু খেয়াল করো একটু খেয়াল করো এগুলো সব
কি সংখ্যা মোল সংখ্যা তোমার লাগবে কি
ঘনমাত্রা তোমার লাগবে কি ঘনমাত্রা এই মোল
সংখ্যা থেকে ঘনমাত্রা কেমনে বের করে ভাই
আয়তন দিয়ে ভাগ কি দিয়ে ভাগ আয়তন দিয়ে ভাগ
দেখ প্রশ্ন আয়তন দিয়েমার
এখানে আমাকে আয়তন দ্বারা ভাগ করতে হবে এই
প্রত্যেকটাকে আমি কি করব আয়তন দ্বারা ভাগ
করব তাইলে এটা ঘনমাত্রাতে কনভার্ট হয়ে
যাবে তাহলে এইবার তুমি খেয়াল করো এখানে
ভাইয়া এবার আসো দেখি আমরা এইযে এইযে
এমোনিয়া স্কয়ার নাইট্রোজেনের কোন কিছু নাই
হাইড্রোজেনটা কি হয়ে যাবে কিউব
হাইড্রোজেনটা কি হয়ে যাবে কিউব ঠিক আছে
বুঝতে পার এবার এখান থেকে ক্যালকুলেশন করো
ক্যালকুলেশন করলে তুমি কেসির মান পেয়ে
গেছ। এখান থেকে ক্যালকুলেশন করলে যে মানটা
পাবা সেটাই হবে তোমার উত্তর। সেটাই হবে
তোমার উত্তর। বোঝা গেছে? বুঝা গেছে? যদি
কেপি বের করে দিল কেসি বের করতে বললে। একই
অংক। কিন্তু 20% বিয়ে হইছে আলফা জানি। তো
কি আলফা জানি কোন সমস্যা নাই। আলফা থেকে
আমরা অংক করে ফেললাম। হুম। তো একই অংক।
একই অংক। সেইম অংক। সেম অংক। বাট
ডিফারেন্সটা হচ্ছে আগেরটাতে কেপি বের করতে
বলছে, এটা কিছু বের করতে বলছে। তো যখন KP
বের করবা কেমনে একই অংক। কিন্তু একই রকম।
এইযে একই রকম এখানে যাবা। তুমি চাইলে
এখানে মান গুলা বসায় দিতে পারো। তো কেপি
বের করার নিয়মটা কি? ফাস্টে মোট মূল বের
করতে হয়। তারপর সবগুলাকে এইযে করে করে করে
এই মানগুলো আগেই বসা দিবা বুঝছো তাহলে
তোমার ক্যালকুলেশন করা সহজ হয়ে যাবে আগে
থেকেই মানগুলা বসা দিবা এখানে মানগুলা
বসাই নিবা বসা নিলে ক্যালকুলেশন করতে ইজি
হয়ে যাবে দেখো এই যে যদি যখন কেপি বের
করতে বলছে আমি তোমার রাশিমালা প্রতিপাদন
করে বলছি করতে তুমি অল্টারনেট এভাবেও করতে
পারো মানগুলো এখানে বসা দাও আলফার মান
তুমি জানো 20% এখানে বস দাও2 এটাকে বস 3
*2
তাহলে মান পেয়ে গেছো মোট মোল বের করে
ফেললা এই মোলটাকে মোট মোল দিয়ে ভাগ করলাম
মোট চাপ দেওয়া গুণ করলা মানগুলা পেয়ে
যাবা তারপরে বস দিবা আরো সহজ হয়ে যাবে
তুমি আশা আশা করি বেসিক বুঝে গেছো এখন
তুমি পারবা যে নিয়োগ ওকে আশা করি বুঝছো যে
কেপি কেমনে বের করবো কেসি কেমনে বের করবো
হ্যাঁ চলো আমরা তার পরেরটাতে যাই বলছে
সাম্য অবস্থায় বিক্রিয়া পাত্রে 20%
অ্যামোনিয়া থাকলে বা সাম্যবস্থায় 20%
অ্যামোনিয়া উৎপন্ন হলে এবং মোট চাপ দুই
দটমস হলে কেপি কত হ্যাঁ শোনো এই অংকটা
তুমি ধরেই রাখো তোমার পরীক্ষায় আসছে কোন
না কোন বোর্ডে কোন না কোন বোর্ডে তুমি এই
অংকটা পাচ্ছ ঠিক আছে এই অংকটা পাচ্ছ এবং
মজার ব্যাপার হচ্ছে কোন না কোন বোর্ডে আমি
এই অংকটা পাচ্ছি এটা যেমন সত্যি কথা এই
অংকটা যে মেজরিটি জায়গায় ভুল করানো এটাও
আমরা মানে আমরা পাচ্ছি আর কি ভুলটাই আমরা
পাচ্ছি তার মানে আমরা পরীক্ষা হলে ভুলটাই
দিয়ে আসব এবং আমাদের নাম্বারও কাটা যাবে
বারবার বলতেছি এটা বোথ সাপ্লিমেন্টে ভুল
লেখা ভুল করা বো টিচার ভুল করছে টিচার ভুল
করে পড়ায় এখন তুমি কারেক্টটা শিখবা এবং
এটাই পরীক্ষার হলে দিবা ঠিক আছে বোর্ডে
এটাই ফলো করবে যেটা যেভাবে করব এটাই ফলো
করবে ঠিক আছে তো সবাই ভালোভাবে আগে বুঝ
সঠিকটা আগে বুঝ বারবার বলতেছি এটা আসবে
পরীক্ষায় এখন কিভাবে করতে হবে ভালোমতো
দেখো আগে তোমার মাথার মধ্যে সেট করো তুমি
আগে বল এখানে 20% দেওয়া আছে এটা কি আলফা
কিনা আলফা কিনা তোমার যে 20% দেওয়া আছে
এটা কি আলফা কিনা তুমি খেয়াল করো সাম্য
অবস্থায় বিক্রিয়া পাত্রে 20% এমোনিয়া
থাকলে বা সাম্য অবস্থায় 20% এমোনিয়া
উৎপন্ন হলে ওকে এখন এটা তোমার আলফা কিনা
এটা কোন আলফা কিনা না এটা তোমার আলফা না
আলফা হলে কি থাকা লাগবে পারসেন্ট দেখলে
আলফা না যদি বলতো যে 20% অ্যামোনিয়া
বিয়োজিত হইছে 20স নাইট্রোজেন বিয়োজিত হইছে
20স হাইড্রোজেন বিয়োজিত হইছে তাইলে আমি
বুঝতাম আলফা অথবা যদি বলতো বিক্রিয়কের
20সঅমোনিয়া উৎপাদে রূপান্তরিত হইছে 20%
এমোনিয়া উৎপাদ রূপান্তরিত বলছে 20%
এমোনিয়া থাকলে সামবস্থায় 20% এমোনিয়া
বিক্রি 20% এমোনিয়া থাকলে বা সামবস্থায়
20% এমোনিয়া উৎপন্ন হইলে তার মানে হচ্ছে
সাম্যবস্থায় পাত্রের মধ্যে 20% এমোনিয়া
আছে এটা বিয়োজন মাত্রা না বিয়োজন মাথা হতে
হলে পারসেন্টেজের সাথে বিয়োজিত বা
রূপান্তরিতটা থাকতে হবে একটু খেয়াল করো
এখানে কি বলছে যে বিক্রিয়কের 20% বিয়োজিত
হলে বিয়োজিত হইলে অথবা 20% উৎপাদে
রূপান্তরিত হলে বিক্রিয়কের 20% উৎপাদে
রূপান্তরিত হলে বুঝতে পার উদ্দীপকের
বিক্রিয়কের 20% বিয়োজিত হলে বা
উদ্দীপকের বিক্রিয়কের 20% উৎপাদে
রূপান্তরিত হলে খেয়াল করো বিক্রিয়কের
20% উৎপাদে রূপান্তরিত হইছে রূপান্তরিত
বিয়োজিত এই টাইপের ওয়ার্ডগুলো থাকতে হবে
তাইলে সেটা আলফা এখানে বলছে সাম্য
অবস্থায় বিক্রিয়া 20% এমোনিয়া থাকলে বা
সাম্যবস্থায় 20% এমোনিয়া উৎপন্ন হইলে
তার মানে এইটা বিয়োজন মাত্রা না এটার
সাথে বিয়োজিত ওয়ার্ডটা নাই তাহলে এই অংক
আমরা কিভাবে করব এই অংক আমরা কিভাবে করব
এটা আসলে কি এটা এটা আসলে কিছুই না। এটা
তোমার আসলে সাম্য অবস্থায় মানগুলো দেওয়া
আছে। এটা আসলে কিছুই না। তুমি তুমি দেখো
খেয়াল করো মানে জিনিসটা হচ্ছে এরকম যে
তোমার যে নাইট্রোজেন আছে না? নাইট্রোজেন
প্লাস তিন অনুড্রোজেন এরা মিলে কি তৈরি
করে? দুই অ্যামোনিয়া তৈরি করতেছে। এটাই
তোমাদের বিক্রিয়া। তাই না? এখন বিক্রিয়ার
শুরুতে আমরা কত ধরে নিছিলাম? এটা এক। এটা
এক। তো শুরুতে কোন কিছুর দরকার নাই। একদম
ডিরেক্টলি ইকুইলিব্রিয়ামে তোমারে বলে দিছে
যে এখানে 20%। মোটের মধ্যে 20% অ্যামোনিয়া
আছে। তোমারে বলে দিছে যে অ্যামোনিয়া আছে
20%। কোন জায়গায়? একেবারে সাম্য অবস্থায়।
তো এরকম ক্ষেত্রে এরকম ক্ষেত্রে যদি সাম্য
অবস্থায় উৎপাদের পারসেন্টেজ দেওয়া থাকে
যদি দেখো সাম্য অবস্থায় উৎপাদের
পারসেন্টেজ দেওয়া আছে তাহলে তুমি সুন্দর
মত করে একটা পাত্র আখবা বুঝলা কি রাখবা
পাত্র রাখবা পাত্র আইকা তুমি লিখবা এখানে
কি কি আছে নাইট্রোজেন তারপরে কি কি আছে
হাইড্রোজেন তারপরে কি আছে অ্যামোনিয়া তুমি
এদেরকে সুন্দর মত করে তিনজনের পাত্রের
মধ্যে লিখবা বুঝছো এই তিনজনরেই তুমি
পাত্রের মধ্যে লিখবা লেখার পর এখন তুমি
দেখো তোমাকে বলছে মোটের মধ্যে 20%
অ্যামোনিয়া আছে তাহলে এই অ্যামোনিয়া আছে
20% 20% আমি যদি ধরে নেই মোট মোল হচ্ছে
100 মোট মোল যদি 100 হয় মোট মোল যদি আমি
ধরে নি 100 তার 20সঅমোনিয়া তার মানে
এমোনিয়া কত পারসেন্ট আছে তোমরা বলতো
অ্যামোনিয়া কত পারসেন্ট আছে এমোনিয়া
কতটুকু আছে এমোনিয়া আছে 20 মোল মোট মধ
নিলাম যেহেতু পারসেন্টে দেওয়া আছে বলছে
মোটের 20সঅমোনিয়া আছে সাম্য অবস্থায় 20%
এমোনিয়া যদি মোল হয় তার মধ্যে 20 মোল হবে
এমোনিয়া এখন তুমি অ্যামোনিয়া যদি 20 মোল
হয় এমোনিয়া যদি 20 মোল হয় এই দুজন মিলা কত
এরা দুজন মিলা কত বল যদি 20 মোল হয় তাহলে
এরা দুজন মিলা কত? এরা দুইজন মিলা কত? 80
মোল। এই দুইজন মিলা কত? 80। অ্যামোনিয়া
যদি অ্যামোনিয়া একাই যদি হয় 20 মোল। তাহলে
এই দুইজন মিলা কত? 80 মোল। এখন তুমি কও
নাইট্রোজেনের এক মোল বিক্রিয়া করলে
হাইড্রোজেন কয় মোল বিক্রিয়া করে? তিন মোল।
রেশিও কত? তাহলে নাইট্রোজেনের দুই মোল
করলে কত? মোল। তাহলে নাইট্রোজেনের যদি এক
মোল বিক্রিয়া করে কত? তিন মোল। তাহলে
নাইট্রোজেনের এক্স মোল বিয়োগ করলে
বিক্রিয়া করে বিক্রিয়া করবে মোল। পাত্রের
মধ্যে নাইট্রোজেন যদি থাকে হাইড্রোজেন
থাকবে কত? অনুপাতে আছে। দেখ এমোনিয়া আছে
পাত্রের মধ্যে 20 মোল তাহলে বাকিটা কি
দুইজন মিলে আছে 80 এখন এখন তোমরা আমাকে বল
যে বাকি এই দুজন নাইট্রোজেন যদি এক মোল
থাকে হাইড্রোজেন আছে তিন মোল নাইট্রোজেন
যদি এক্স মোল থাকে হাইড্রোজেন মোল তারানে
দুইজন মিলে হচ্ছে তা বলতেই পারি এক্স
প্লাসথ এক্স ইকুয়াল হচ্ছে 80 তারানে বলতেই
পারিফ এক্স ইকুয়াল হচ্ছে 80 সরিফ কত 80
হচ্ছে আমাদের 80 তাহলে এক্স এর মান কত
দেখতে আমাদের 20 এক্স এর মান 20 এই দুইটা
মিলে হচ্ছে আমাদের 80 তাহলে এই দুইটা কত
এটা এথলে 4x = 80 তাহলে এক্স এর মান
আসতেছে 20। তার মানে আমি বলতেই পারি
আমাদের নাইট্রোজেন হচ্ছে এক্স মোল।
হাইড্রোজেন কত থাকবে? এক্স মোল। সো এখান
থেকে আমি কি বলতে পারি? এক্স এর মান হচ্ছে
20। তাহলে এটা কত? 60। আর অ্যামোনিয়া আছে
কত? 20 মোল। এই যে ভ্যালুগুলা আছে এরা
সবাই কোথায় আছে? কোথায় আছে ভাইয়া একটু
খেয়াল করো তো। এরা প্রত্যেকে কোথায় আছে?
এগুলো কোথায় দেওয়া। প্রশ্নগুলো দেওয়া
আছে সাম্য অবস্থায়। কোথায়? সাম্য।
অবস্থায়। তার মানে তুমি যে মানগুলো এবার
পাইতেছ এই যে অ্যামোনিয়া আছে 20 মল।
নাইট্রোজেন আছে 20 মল। হাইড্রোজেন আছে 60
মল। এগুলো কইতে পাইছ? এগুলা কোথায় পাইছো?
এগুলা কোন জায়গায়? সাম্যবস্থায়।
ইকুইলিব্রিয়ামে মোল এত মোল। আমি আসলে এই
জায়গাতে পাইছি। নাইট্রোজেন আছে 20 মোল।
হাইড্রোজেন আছে 60 মল। অ্যামোনিয়া আছে 20
মোল। অ্যামোনিয়া আছে 20% ইকুয়ালটু কয় মোল?
20 মল। তো এগুলা কোন জায়গায়? সাম্যবস্থায়।
কোন জায়গায়? সাম্যবস্থায়। বুঝছো? সাম্য
অবস্থায়। তুমি কি বের করতে বলছে তোমাকে
প্রশ্নে? খেয়াল করো। কি বলছে? কেপি কত বের
করতে বলছে। কি? কেপি বের করতে বলছে। এখন
আমরা সবাই জানি। এই বিক্রিয়ার কেপি কেম
বের করে? কানা ভাই অন্ধ জানে ভাইয়া। এই
বিক্রিয়ার কেপি ইকয়ালটু হবে এই যে
নাইট্রোজেনের অ্যামোনিয়ার আংশিক চাপ উপরে
হবে স্কয়ার নিচে যাবে নাইট্রোজেনের আংশিক
চাপ ইনটু হবে কি হাইড্রোজেনের আংশিক চাপ
তারপরে কি কিউব খেয়াল করে ঘটনাটা হ্যাঁ তো
আমার এখানে আংশিক চাপ লাগবে কোন জায়গার
সাম্য অবস্থার তো দেখো আমি কিন্তু সাম্য
অবস্থার প্রত্যেকের মোল সংখ্যা জানি এখন
আমি কি করবো আংশিক চাপ বের করবো তাহলে এখন
তুমি বলতো ভাইয়া সুতরাং তোমরা এখন বের
করবা পি অফ তোমরা বের করবা পি অফ
নাইট্রোজেন নাইট্রোজেনের আংশিক চাপ কেম
বের করে বল এই একটা জিনিস আংশিক চাপ কেমনে
বের করে নিজের মৌল এটা সাম্য অবস্থায়
নাইট্রোজেনের মোল কত 20 এই যে নিজের মোল
সাম্য অবস্থায় নাইট্রোজেনের মোল সংখ্যা
হচ্ছে
মোট মত
মোট চাপ মোট কত প্রশ্টি
কর কাটাবা
এবার দেখ আমাদের প হাইড্রোজেন হাইড্রোজেন
চাপ কত হবে কেমনে বের করব হাইড্রোজেনের
নিজের মল এইযে হাইড্রোজেন সাম্য অবস্থায়
সাম্য অবস্থার মল সংখ্যা লাগবে তাহলে
হাইড্রোজেনের নিজের মট মল হচ্ছে 100
কাটাকাটি করে ফেলি এখান থেকে আসবে উপরে
যাবে কত দেখ কাটা থাকতেছে আমাদের 12বা
ওকে আচ্ছা এবার খেয়াল করো আমাদের এমোনিয়া
পট নাইট্রোজেনের আংশিক চাপ কত খেয়াল কর
এমোনিয়াম
আংশিক চাপ কত খেয়াল কর এমোনিয়া 20 ম নিজের
মোলবা মোট মোল ইটু হচ্ছে মোট চাপ মোট চাপ
কতদ কাটাকাটি করলে আবার আসবে 4বা এই
মানগুলা আমরা এখানে বসা দিলেই আমরা এখান
থেকে কেপি পেয়ে যাব তাহলে এমোনিয়ার আংশিং
চাপ কত ভাই খেয়াল করি আমরা এমোনিয়ার জন্য
কত 4বাট উপরে যাবে স্কয়ার নিচে কত আসতেছে
দেখতো নাইট্রোজেনের জন্য 4বাট
হাইড্রোজেনের জন্য কত 12বা
এখান থেকে ক্যালকুলেশন করো ক্যালকুলেশন
করলে তুমি এই জায়গা থেকে কেপির মানটা
পেয়ে যাচ্ছ কেপির মানটা পেয়ে যাচ্ছ বুঝ
কিনা কনসেপটা বুঝছো কিনা কনসেপটা এই
জায়গায় কিন্তু করতে পারতোবা করতে বললে
এখানে চাপ দেয়া চাপের জায়গায় আয়তন
দেওয়া থাকতো কি থাকতো তখন এইযে মলগুলো
আছে এইযে 20 মোল 60 মল 20 মোল এগুলার
আয়তন দিয়ে ভাগ করতাম করে কেসির
ইকুয়েশনে বসাইতামতো এই জায়গায় যে 20%
এটা যে বিয়োজন মাত্র না এটা মানে যে
সাম্যবস্থায় পারসেন্টেজ দেওয়া এটা কি
তোমরা বুঝ মানে সাম্য অবস্থার পরিমাণ বলে
দিছে এটা মানে সাম্য অবস্থা অংক করার
অর্ধেক সহজ সহজ করে দিছে এটা মানে সাম্য
অবস্থার পরিমাণ বলে দিছে এটা কি তোমরা
বুঝতে পারছো এটা সুপার ডুপার ইম্পর্টেন্ট
একটা ম্যাথ ওকে এটা অনেকবার বর্ডে আসছে
এবং রিসেন্টলি এই অংকটা পরীক্ষায় আসে এবং
পিতার জানে এটা পোলাপান ভুল করব এজন্যই
দেয় জানে যে পোলাপান এটা ভুল করে এ বিয়োজন
মাত্রা ধরে অংক করে অংক করে প্রবলেম করে
দেখ আগের অংকটা বেসিক ডিফারেন্সটা দেখ
তাহলেই বুঝতে পারবা উদ্দীপকের বিক্রি 20%
বিয়োজিত হলে বা 20% উৎপাদে রূপান্তরিত হলে
কার বিক্রিয়কের 20% উপাদে রূপান্তরিত হলে
কেস নির্ণয় করো কনফিউশনটা খেয়াল করো আর
এখানে বলছে সাম্যবস্থায় বিক্রিয়া পাত্রে
20% অ্যামোনিয়া থাকলে বা সাম্য অবস্থায়
20% এমনি উৎপন্ন হলে বুঝ কিনা কনসেপটা এটা
যে বিয়োজন মাত্রা না এটা কি বুঝ বিয়োজন
মাত্র না হয় তাহলে অংক কেমনে করতে হবে
বুঝা গেছে তো এই বেসিক ডিফারেন্সটা
বোঝানোর জন্য তোমাদেরকে এত কষ্ট করলাম
আমরা তারপরে অংকটা করি আয়তনের তিন মোল
নাইট্রোজেন ও পা মোল হাইড্রোজেন বিক্রিয়া
করলে সাম্য অবস্থায় দুই মোল এমোনিয়া
উৎপন্ন হয় কত সিম্পল অংক আস দেখি আমরা বলে
দিছি এবার দেখো নাইট্রোজেন প্লাস তিন অণু
হাইড্রোজেন যা বলবে আমরা তাই লিখবো
বিক্রিয়া করে দুই অণু কি তৈরি করে এমোনিয়া
উৎপন্ন করে আচ্ছা ফাইন এখন এবার আসো একদম
এবার এবার এবার এবার এবার এবার এবার এবার
এবার এবার একবার খেয়াল করে কি বিয়োজন
মাত্রা দেওয়া আছে কোন জায়গায় পারসেন্ট কোন
কিছু দে নাই দেওয়া না থাকে তাহলে আমরা
একদম বেসিক নিব আমাদের সেকেন্ডে খেয়াল কর
সেকেন্ডে কোন কিছু বলছে কিনা বলছেদ লিটার
আয়তনের পাত্রে তিন মোল নাইট্রোজেন ও পা
মোল হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে যদি এই কথাটা
বলা না থাকতো তাহলে আমি ধরে নিতাম এ সহ এক
মল সংখ্যা সত ম সংখ্যা ধরে অ করতাম যেহেতু
আমাকে বলে দিছে তিন মোল নাইট্রোজেন ও পা
মোল হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করলে সাম্য
অবস্থায় দুই মোল এমনি উৎপন্ন হয় তার মানে
কি তার মানে এখানে বিক্রিয়ার শুরুতে তিন
মোল নাইট্রোজেন আছে পাচ মোল হাইড্রোজেন
আছে আর একদম বিক্রিয়ার শুরুতে সবসময়
উৎপাদের পরিমাণ কত শূন্য উৎপাদের পরিমাণ
হচ্ছে শূন্য। এখন ইকুলিব্রিয়াম ইqউই কিউ
মানে ইকুইলিব্রিয়াম। তোমরা চাইলে বাংলা
সাম্যবস্থাও লিখতে পারো। সাম্য অবস্থায়
গেলে এখন দেখো এখানকার সহকার এখানকার মূল
সংখ্যা কি সমান? ওয়ান আর এটা থ্রি। সমান
সমান না। এটা তিন সহগ হচ্ছে তিন মূল
সংখ্যা হচ্ছে কি সমান? সমান না। যদি সহকার
মূল সংখ্যা সমান না হয় তাহলে আমরা আলফা
লিখতে পারবো না। তাহলে আমরা এখানে আলফা
লিখতে পারবো না। তাহলে আমাদের কি করতে
হবে? এখানে আমাদের বিয়োজন মাত্র আলফা
লেখা যাবে না। তাহলে বিয়োজনের পরিমাণ
অর্থাৎ এক্স দিয়ে অংক করতে হবে। তাহলে
এখন আমাকে লিখতে হবে এক্স। তাহলে এখানে কি
লিখবো? এইযে মাই সহ কত এক তহলে একটা এক্স
বিয় এখানে আছে কত পা লিখব পা মাই সহ কত
তিন এ হাইড্রোজেন সহ কত তিন তাহলে এখানে
তিনটা আলফা লেখা যাবে না এ জায়গায় ওকে
এখানে দেখ উৎপাদের ক্ষেত্রে আমরা কি লিখব
যোগ যোগ দিয়ে উৎপাদের এখানে সহ কত দুই
তাহলে এখানে আমি লিখব এক্স সহ কত দুই লিখব
এক্স এগুলা সব কি সংখ্যা এগুলা সব হচ্ছে
আমার মূল সংখ্যা এগুলা সব কি সংখ্যা মোল
সংখ্যা এখন একটু খেয়াল করো আমার কি করতে
হবে আমাকে বলছে k বের করতে তো এই
বিক্রিয়ার জন্য আমরা কে ইকুয়েশনটা লিখবো
বলতো কে যখন বের তখন কি নিয়ে কাজ করি
ঘনমাত্রা তাহলে কি হবে দেখো এইযে এমোনিয়ার
ঘনমাত্রা সামনে আছে দুই এটা কি যাবে
স্কয়ার তারপরে কি ভাই বলতো নাইট্রোজেনের
ঘনমাত্রা ইবে আমাদের হাইড্রোজেনের
ঘনমাত্রা সামনে আছে তবে কি কিউ এখানে
ঘনমাত্রা বসাইতে হবে আমি যদি ঘনমাত্রা
বসাইতে চাই তাহলে অবসলি আমার এখানে মূল
সংখ্যা জানতে হবে তুমি মনে রাখবা এইযে
এখানে এক্স আছে না এই এক্স এর মান বের
করার জন্য সবসময় প্রশ্ন একটা ইনফরমেশন
দেওয়া থাকবে সাম্যবস্থার একটা ইনফরমেশন
দেওয়া থাকবে অলওয়েজ রিমেমবার এইযে এই মান
বের করার জন্য সাম্যবস্থার একটা ইনফরমেশন
প্রশ্নে দেওয়া থাকবে। তো তুমি প্রশ্নটা
একটু পড়। পড়ে দেখো। খেয়াল করো। তুমি
প্রশ্নটা একটু পড়ে দেখো। খেয়াল করো বলছে
সাম্য অবস্থায় মোট দুই মোল এমোনিয়া উৎপন্ন
হয়। পড়ে দেখো কি বলছে? সাম্য অবস্থায় মোট
দুই মোল অ্যামোনিয়া উৎপন্ন হয়। সাম্য
অবস্থায় মোট দুই মোল অ্যামোনিয়া উৎপন্ন
হয়। তার মানে কি? তার মানে বলছে যে দেখো
খেয়াল করো সাম্য অবস্থায় মোট দুই মোল
এমোনিয়া উৎপন্ন হয়। তার মানে সাম্য
অবস্থায় একটা ইনফরমেশন দেওয়া আছে। এখন
তুমি খেয়াল করো যে ভাইয়া আমি জানি আমি কি
জানি? আমি জানি আমি জানি যে সাম্য অবস্থায়
আমি জানি যে সাম্য অবস্থায় এইযে দেখো
সাম্য অবস্থায় আমি ক্যালকুলেশন করে বের
করলাম আমি ক্যালকুলেশন করে কি বের করলাম
আমি ক্যালকুলেশন করে বের করলাম যে
ইকুলিব্রিয়াম মানে বাংলায় হচ্ছে সাম্য
অবস্থা সাম্য অবস্থায় এমোনিয়ার মোল সংখ্যা
হচ্ছেটু এক্স আমি বের করলাম টু এক্স আর
প্রশ্নে বলে দিছে দুই মোল তাহলে আমি এখান
থেকে বলতেই পারি যে আমাদেরটু এক্স
ইকুয়ালটু হচ্ছেট তাহলে এক্স এর মান কত
ওয়ান এক্স এর মান কত ওয়ান এক্স এর মান যদি
ওয়ান হয় দেখ বুঝছ কিনা কনসেপ্টটা এখানে
লিখতেই পারি আমাদের প্রশ্ন মতে এযে এখানে
লিখে ফেলবা প্রশ্ন মতে প্রশ্ন মতে আমরা
এখানে লিখবো প্রশ্ন মতে
প্রশ্ন মতে যে আমি জানিটু এক্স আর ওরা
কইছেট আমি বের করে দেখলাম এমোনিয়া আছেটু
এক্স আর ওরা হল যে মোট মমোনিয়া আছে দুই
মোল এখানে দেখ এক্স এর মান কত আসতেছে এক্স
এর মান যদি আসে সিম্পল তিন থেকে এক বিয়োগ
করো তাহলে এটা আসবেদ মোল এটা আসবে কত এক
হলে পা থেকেদ মোল আর এটা কতদ মোল বুঝ কিনা
বুঝ কিনা মোট মোট দুই মোল অ্যামোনিয়া
উৎপন্ন হয় মোল এমোনিয়া উৎপন্ন হয় তাহলে
এমোনিয়া হচ্ছেট এক্স ইকট তাহলে এক্স এর
মাইও তো আমরা বিয়োগ করে দিব তাহলে দেখো
আমি কিন্তু এখন প্রত্যেকের মোল সংখ্যা
পেয়ে যাচ্ছি এটাও দুই মোল এটাও দুই মোল
এটাও দুই মোল মানগুলা কেবল বসা দিবা এখন
তুমি যে মানগুলা বসাবা বলতো ভাইয়া বলতো
ভাইয়া আমাকে কি করতে হবে এগুলা সব কি
সংখ্যা এগুলা সব মোল সংখ্যা তাহলে আমি
ঘনমাত্রা বসাইতে হবে ঘনমাত্রার জন্য আমাকে
কি করতে আয়তন দ্বারা ভাগ করতে হবে তাহলে
এইযে নাইট্রোজেনের অ্যামোনিয়ার ঘনমাত্রা
দুই একে আয়তন দুই দ্বারা ভাগ আমরা স্কয়ার
করে দিব নাইট্রোজেনের ঘনমাত্রা দুই সবগুলা
দুই আসলে কেমনে এই ক্যালকুলেশন ঠিক করছি
কি দেখতো এটা কত পা মদ দুই তো আসতেছে ওকে
এটা কত 2বাদ আয়তন দুই উপরে কিউ এখানে আয়তন
যদি সবসময় দুই দিয়ে ভাগ আয়তন যদি তাহলে
তিন দিয়ে ভাগ আয়তন যদি লিটার তাহলে চার
দিয়ে ভাগ শেষ ক্যালকুলেশন কর মান চলে আসছে
হয় কিনা ভাইয়া কেপিসির একক নাই তো একক
লিখলেও নাম্বার দিবে না লিখলেও নাম্বার
দিবে ঠিক আছে সমস্যা নাই একক বের করার
নিয়ম কি একটু লিখে দেই কেপি এর একক কেপি
এর একক হচ্ছে কেপি এর একক কেপি এর একক
কেপি এক কেম বের করে এইযে অটমসফিয়ার টু দি
পাওয়ার ডিন এই বিক্রিয়া ডিন এর মান কত মাই
আগেই করে আসছি আর কেসি এর একক কেমনে বের
করে ভাইয়া? কেসি এর একক হচ্ছে এই দেখো মোল
পার লিটার মোল পার লিটার টু দি পাওয়ার ডলন
ডলনের মান কত? মাইনাস টু। সো তুমি জাস্ট
এখানে মাইনাস টু বসা দিবা তাহলে একক পেয়ে
যাবা। যদিও কে আসলে একক নাই। ওকে? আই গেস
তোমরা বুঝতে পার অংকটা। এই ধরনের অংক
আমাদের পরীক্ষায় কম বেশি রাফলি আসে। আশা
করি তোমরা পারবা ইনশাল্লাহ। ঠিক আছে?
তারপরেরটা আমরা যাই। আয়তনের পাত্রে তিন
মোল নাইট্রোজেন ও পাঁচ মোল হাইড্রোজেন
বিক্রিয়া করলে সাম্য অবস্থায় 20%
নাইট্রোজেন বিজিত কত? আমরা আবার আগের মত
অংকটা করে ফেলব আমাদের। বলছে নাইট্রোজেন
প্লাস তিন অণু হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে কি
তৈরি করে ভাইয়া দুই অণু অ্যামোনিয়া তৈরি
করে হ্যাঁ আচ্ছা এখনটি শূন্য সেকেন্ডে
একদম শূন্য সে বলছে নাইট্রোজেন আছে বলে
দিছে তিন মোল হাইড্রোজেন বলে দিছে পা মোল
অমোনিয়া কত বলতো শূন্য ইকুলিব্রিয়ামে গেলে
আমি এখানে লিখব মাই এক্স লিখতে হবে কারণ
সহ সমান নাই এখানে কত লিখব 5 মথ আর এখানে
আমি কত লিখব জ প্ লেখা লাগে না এজন্য লিখি
এখানে প্লাসট এখন আমি এখানে কি করব খেয়াল
কর ভাইয়া দেখ আমার এখানে কি করতে হবে আমার
এখানে হচ্ছে এখন আমাকে বলছে সামদ্রবক কেসি
বের করতে। আমি যেহেতু কেসি বের করবো কেসি
করার জন্য আমাকে কি করতে হবে বলতো গাইজ?
আমার এই যে উপরে অ্যামোনিয়ার ঘনমাত্রা
স্কয়ার নিচে যাবে নাইট্রোজেনের ঘনমাত্রা
ইনটু আসবে আমাদের হাইড্রোজেনের ঘনমাত্রা।
ওকে? কিউব দ্যাটস ইট। এবার তোমরা খেয়াল
করো এখন এখন আমাকে বলছে তিন মোল
নাইট্রোজেন ও পাঁচ মোল হাইড্রোজেন
বিক্রিয়া করলে সাম্য অবস্থায় 20% এমোনিয়া
উৎপন্ন বিয়োজিত হয় কে কত? তো আমাকে কেসি
বের করতে হবে। মানে আমাকে সামহা ওই কেসির
মানটা বের করে? KCর মান বের করতে গেলে
এইখানে এক্স এর মান বের করতে হবে। যেমন
কেপির মান বের করতে গেলে কি করতে? মোট মূল
বের করতে হয় না। এরকম কি সর মান বের করতে
হলে আমাদের এক্স এর মানটা জানা লাগবে। এখন
এক্স এর মান কোত থেকে বের করবো? শোনো এক্স
এর মান বের করার জন্য সবসময় প্রশ্নে সাম্য
অবস্থার একটা ইনফরমেশন দেওয়া থাকে। তো
তুমি দেখো তোমার এখানে সাম্য অবস্থার কোন
ইনফরমেশন দেওয়া। দেওয়া আছে সাম্য অবস্থায়
20% নাইট্রোজেন বিয়োজিত হয়। একটু খেয়াল
করো। বলতো এটা কি আলফা কিনা? এটা কি আলফা
কিনা? তোমরা বল সাম্য অবস্থায় 20%
অ্যামোনিয়া বিয়োজিত হয়। তোমরা আমাকে বল
এটা আমাদের আলফা কিনা? এটা কি আলফা? এটা
আলফা। এটা আলফা। কেন? 20% নাইট্রোজেন
বিয়োজিত হয়। মানে বিয়োজিত ওয়ার্ডটা আছে।
তার মানে আমার এখানে এই যে নাইট্রোজেন এই
নাইট্রোজেনের আলফা দেওয়া আছে। তা আমরা
দেখতে পারি আমি বলতে পারি এখানে দেওয়া আছে
নাইট্রোজেনের বিয়োজন মাত্রা। আলফা হচ্ছে
কত বলতো? 20%। এখন তোমরা সবাই কিন্তু এই
জিনিসটা জানো। বলতো ভাইয়া বিয়োজন মাত্রা
মানে কি? আলফা মানে কি? আলফা কেমনে বের
করে? দেখো কার বিয়োজন মাত্রা দেওয়া। কার
বিয়োজন? দেখো এটা কার আলফা দেওয়া?
নাইট্রোজেনের আলফা দেওয়া। খেয়াল করো একটু
খেয়াল করো। নাইট্রোজেনের আলফা দেওয়া।
তাইলে আমাকে নাইট্রোজেনকে সিলেক্ট করছি।
নাইট্রোজেনের বিয়োজন মাত্রা নাইট্রোজেনকে
সিলেক্ট করছি। কোন জায়গায় দেওয়া? সাম্য
অবস্থায়। তাহলে তুমি সাম্য অবস্থাকে
সিলেক্ট করো তাহলে নাইট্রোজেনের সাম্য
অবস্থার মানটা কত 3 মাই এখন এইখান থেকে
আলফা কেমনে বের করে তোমাদেরকে একটু আগে
দেখাইছি দেখতো আলফা কেমনে বের করে এইযে
আগের অংকটা দেখছি আলফা কেমনে বের করে কই
এইযে ক আগে কেমনে বের করে 5 মট আলফা কেমনে
বের করে আল কি হবে বিয়োজনের পরিমাণ বা মোট
পরিমাণ বিয়োজনের পরিমাণ বা মোট বিয়োজনের
পরিমাণ কত উপরে যাবেট নিচে আসবে মোট
পরিমাণ মানে বিয়োগ চিহ্নের পরেরটা
বিয়োজনের পরিমাণ বিয়োগ চিহ্নের আগেরটা
হচ্ছে মোট পরিমাণ তাহলে 2বা 2বা ওকে 2বা 2
বাই ফাইভ তাহলে এবার আসো আমরা একটু দেখি
আমরা একটু দেখে ফেলি আমাদের চলো তো
নাইট্রোজেনের বিয়োজন মাত্রা দেওয়া আমরা
নাইট্রোজেনকে সিলেক্ট করলাম কোন জায়গার
দেওয়া সাম্য অবস্থায় আমি সাম্য অবস্থাকে
সিলেক্ট করলাম এখন সাম্য অবস্থার এই মান
থেকে কি আমি আলফা বের করতে পারি আমি
কিন্তু এখান থেকে লিখতে পারি আমার আলফা
ইকুয়ালটু হচ্ছে এক্সবাথ উপরে যাবে বিয়োগ
চিহ্নের পরেরটা নিচে আসবে বিয়োগ চিহ্নের
আগেরটা আলফার মান কত দেখ 20% মানে কত2
লিখতে পারি এক্সবা এখান থেকে দেখ এর মান
কত আসতেছে 06
এর মান জানি এই মান তুমি এখানে বস দিবা
এক্স এর মান এখানে বসা দিবা। এক্স এর মান
এখানে বসায় দিবা। যে মানটা পাবা সেই
মানগুলোকে এখানে বসা দিবা আয়তন দিয়ে ভাগ
করে। কি করে? আয়তন দিয়ে ভাগ করে। ঠিক আছে?
আয়তন দিয়ে ভাগ করে মানগুলো এখানে বসা
দিবা। ইট। ডান। আশা করি সবাই বুঝতে পারছো।
ঠিক আছে? আশা করি সবাই বুঝতে পারছো। চল
আমরা সেম অংকটাই করি। আবার এখানে সেম অকটা
বলছে। 2লিটার আয়তনের পাত্রেতলি। তোমরা পড়
তোমরা পড়। এবার দেখ ডিফারেন্সটা কোথায়?
নাইট্রোজেন প্লাস তিন অনুড্রোজেন এরা
বিক্রিয়া করে দুই অমোনিয়া তৈরি করে। ওকে?
ওকে। ইকুয়াল শূন্য সেকেন্ডে একদম শুরুতে
নাইট্রোজেন আছে তিন মোল হাইড্রোজেন আছে
পাঁচ মোল আর এমোনিয়া কত থাকে শূন্য তাহলে
ইকুলিব্রিয়ামে গেলে আমি কত লিখবো 3 ম এক্স
কেন লিখবো কারণ সহকার মূল সমান না 5 মথ
এক্স এখানে কত হবেট এক্স ওকে আচ্ছা আমাকে
কি বের করতে হবে কেসি বের করতে হবে আমি কি
করব কেসি বাই করমু ভাই কেবা করতে গেলে
তোমরা এই বিক্রিয়ার জন্য কেসির ইকুয়েশন
লেখো আমি আর পুরাটা করাচ্ছি না বাকিটা আশা
করি তোমরা পারবা হ্যা তাহলে এমোনিয়ার
ঘনমাত্রা কারণ অলরেডি এমনভাবে তোমাদের
পড়াইছি স্কয়ার নিচে কি যাবে নাইট্রোজেনের
ঘনমাত্রা ইনটু কি হাইড্রোজেনের ঘনমাত্রা
ইনটু কি কিউব তাই ওকে ফাইন আসো এবার খেয়াল
করো এখন এখন আমাকে কি করতে হবে কেসি বের
করতে হবে বের করতে গেলে কি আমার এক্স এর
মান জানা লাগবো এক্স এর মান জানা লাগব এখন
আমি যে এক্স এর মান বের করবো আমি যে এক্স
এর মান বের করব এক্স এর মান বের করার জন্য
অবশ্যই প্রশ্নে কোন ইনফরমেশন দেওয়া থাকবে
কার সম্পর্কে সাম্য অবস্থা সম্পর্কে আমি
দেখি আমার এখানে কি দেওয়া আছে সাম্য
অবস্থায় 20% হাইড্রোজেন বিয়োজিত হয় জাস্ট
থিবাট সাম্য অবস্থায় 20% হাইড্রোজেন
বিয়োজিত হয় তোমরা আমাকে বল হাইড্রোজেন
বিয়োজিত হয় বলছে বিয়োজিত হয় আলফা কি আলফা
কার আলফা হাইড্রোজেনের আলফা সিলেক্ট
হাইড্রোজেনের আলফা দেওয়া আছে কোথায় কোথায়
সমবস্থায় সিলেক্ট সাম্য অবস্থা এই দুইটা
ইন্টারসেট করতেছে এই জায়গায়। তাহলে আমি
লিখতে পারি এখানে হাইড্রোজেনের
হাইড্রোজেনের বিয়োজন মাত্রা কত বলতো?
হাইড্রোজেনের বিয়োজন মাত্রা হচ্ছে তোমার
20%। তাহলে আমার এখন বল হাইড্রোজেনের জন্য
আলফার মান কত? তোমরা বল তোমরা বল আলফা
কেমনে বের করবা? আলফা কি ভাইয়া? বিয়োক
চিহ্নের পরেরটা যাবে উপরে। বিয়োগ চিহ্নের
আগেরটা যাবে নিচে। আলফার মান কত?2 ইকয়াল
উপরে যাবে 3বা। তাহলে এখান থেকে লিখতে
পারি এক্স ইকয় হচ্ছে 5 *2
আসবে 5 *2বাথ।
সো এই এক্স এর মানগুলো এখানে বসায় দিয়ে
মানটা বের করবা। সেই মানটারে আয়তন দিয়ে
ভাগ করে এখানে বসায় দিবা শেষ। বাকি কাজটু
তোমরা নিজেরা করো। সেই মানটাকে আয়তন দিয়ে
ভাগ করে এখানে বসায় দিবা। বাকি কাজ তোমরা
নিজেরা করো। ঠিক আছে? বাকি কাজ তোমরা
নিজেরা করো। দ্যাটস ইট। কেপিকেসি শেষ।
কেপিকেসি শেষ। আরেকটা অংক আছে দেখো
কেপিসির। এর বাইরে কোন অংক আসার চান্স
নাই। এর বাইরে কিছু আসার চান্সই নাই। এর
বাইরে কিছু আসার চান্সই নাই। তুমি কেপিসি
থেকে পুরো এক্সে কোশ্চেন উত্তর করতে
পারবা। পুরো এক্সে
দেখব দেখবা বাকি সবগুলো নিজেরা পারবা। ঠিক
আছে? বলছে দুই লিটার আয়তনের পাত্রে তিন
মোল নাইট্রোজেন পাঁচ মূল হাইড্রোজেন
বিক্রিয়া করলে সাম্য ধ্রুবক কেসির মান এত
হয় সাম্য অবস্থায় প্রত্যেকের ঘনমাত্রা
নির্ণয় করো। মানে এবার সাম্য ধ্রুবক দিয়ে
দিছে। সাম্য অবস্থায় প্রত্যেকের ঘনমাত্রা
নির্ণয় করতে বলছে। ওকে? একদম আগের অংক
তোমরা নিজেরা করবা এটা। নাইট্রোজেন প্লাস
তিন অণু হাইড্রোজেন এরা বিক্রিয়া করে তৈরি
করতেছে দুই অণু অ্যামোনিয়া। হ্যাঁ। এখন
বলে দিছে ইকুয়ালটু শূন্য সেকেন্ডে।
কোশ্চেন যদি কঠিন করে এই ধরনের অংক দিবে।
এরা আছে তিন মোল। এরা আছে পাঁচ মোল। এটা
আছে শূন্য। ইকুলিব্রিয়াম বা সাম্য অবস্থায়
গেলে লিখবো 3 মাই X। এখানে লিখবো 5 - 3
এক্স। আর এখানে লিখবো হচ্ছে কত? এক্স। তাই
না? এখন তুই ক তোর এক্স এর মান জানা লাগব।
কারণ এক্স এর মান বের করার জন্য এক্স এর
মান বের করার জন্য সাম্য অবস্থার কোন না
কোন ইনফরমেশন দেওয়া থাকবে। তো দেখো এবার
সাম্য অবস্থার কোন ইনফরমেশন দেওয়া অংক
করতে গেলে এক্স মান্ বের করার জন্য সাম্য
অবস্থার কোন ইনফরমেশন দেওয়া থাকবে। তো
সাম্য অবস্থার কোন ইনফরমেশন দেওয়া সাম্য
ধ্রুবকের মান দেওয়া। এতক্ষণ কি করছ? সাম্য
ধ্রুবক দেওয়া ছিল। বের করছো আর এখন সাম্য
ধ্রুবক দেওয়া আছে। বলছে সাম্য অবস্থার
প্রত্যেকের ঘনমাত্রা। মানে এই সাম্য
অবস্থায় প্রত্যেকের ঘনমাত্রা। অর্থাৎ এবার
আমি সাম্য ধ্রুবকই দিয়ে দিছে। তাহলে এর
মান কার কাছ থেকে বের করব? সাম্য ধ্রুবক
থেকে। সো আমি এবার এখান থেকে লিখতে পারি
সো কেসি ইকুয়ালটু আমরা জানি আচ্ছা এই
অংকটা কিন্তু আমি একটু বলে দেই এই অংকটার
ডেটা ঠিক আছে কিনা আমি সে চেক দেই নাই আমি
জাস্ট রেন্ডমলি অংক মিলানোর জন্য বসা দিছি
সো কোনভাবে যদি দেখো যে ক্যালকুলেশন করতে
গিয়ে মান উলটপট হয়েছে প্যারা খেও না
পরীক্ষা হলে সুন্দর মান দেওয়া থাকবে ঠিক
আছে পরীক্ষা হলে সুন্দর মান দেওয়া থাকবে
প্যারা খেও না আমি ক্রস চেক করি নাই
কনসেপটা বুঝানোর চেষ্টা করতেছি তোমাদেরকে
জাস্ট কনসেপ করানোর তারপর ক্যালকুলেশন করে
দেখটা কত আসে মান কত দেওয়া আছে 0 এখন আমি
এখানে কি করব এমোনিয়ার কি করব এমোনিয়ার
ঘনমাত্রা বসাবো। এগুলা সব কি সংখ্যা?
এগুলা সব মূল সংখ্যা। তাহলে কি করতে হবে?
এটাকে আয়তন দ্বারা ভাগ করতে। আয়তন কত? 2
লিটার। তাহলে আমি এখানে লিখবো 2x /ট
স্কয়ার। ওকে? নিচে কত? নিচে যাবে আমাদের 3
ম এক্সবাট। 3 ম এক্সবাট
ইটু কত? 5 মথ এক্সবা মথবাট। তারপরে হবে
কিউ। এখান থেকে তুমি একটু ক্যালকুলেশন
করবা। এক দুই লাইন ক্যালকুলেশন করে নিশ্চ
সিমপ্লিফাই করে ক্যালকুলেটরে বস দিলে
কিন্তু উত্তর পেয়ে যাবা। আমরা সবাই আশা
করি এটলিস্ট সাইন্সের স্টুডেন্টরা জানে
ক্যালকুলেটরে কিভাবে ইকুয়েশন সলভ করতে হয়।
দুই তিন লাইন ক্যালকুলেশন করবা। দুই তিন
লাইন নিজেরা নিজে ক্যালকুলেশন করবা। করে
তারপর এখান থেকে এক্স এর ভ্যালুটা বের করে
ফেলবা। এই এক্স এর সবসময় পজিটিভ মান নিবা।
কি মান নিবা? পজিটিভ মান নিবা। পজিটিভ মান
নিয়ে এইযে এখানে এখানে বসায় দিবা। এখানে
এখানে বসায় দিবা। ঠিক আছে? সো এই হচ্ছে
আমাদের কাহিনী। আশা করি সবাই বুঝতে পারছো।
আশা করি সবাই বুঝতে পারছ। ঠিক আছে? এবং
এরকম ভাবে কোন অংক যদি কখনো দেখো যে
বোর্ডে কোন অংকের মধ্যে এরকমভাবে এক্স এর
মান নেগেটিভ আসে। তার মানে বুঝ বিক্রিয়াটা
পশ্চাৎমুখী হবে। ওই বিক্রিয়াটা কি হবে?
পশ্চাৎমুখী হবে। ঠিক আছে? ওকে ফাইন। তো এই
হচ্ছে কাহিনী এক্স এর মান বের করবা। তো
তুমি এখান থেকে এক্স এর মান পেয়ে গেছ। এখন
তোমাকে বলছে সাম্য অবস্থায় প্রত্যেকের
ঘনমাত্রা নির্ণয় করো। তো সুতরাং সুতরাং
এখন কি করবো? সুতরাং সাম্য অবস্থায় সাম্য
অবস্থায় ঘনমাত্রা বের করব। তো সাম্য
অবস্থায় আমার অ্যামোনিয়ার ঘনমাত্রা কত?
দেখো সাম্য অবস্থায় অ্যামোনিয়ার ঘনমাত্রা
হবে। এইযে এক্স এর মানটা বের করে ফেলছি
না। তো এগুলা সব কি সংখ্যা? সাম্য অবস্থার
মূল সংখ্যা। তাহলে সাম্য অবস্থায় কত হবে?
অ্যামোনিয়ার মান 2 ই বাক্স। এক্স এর মান
ডিভাইডেড বাই কি? ডিভাইডেড বাই হচ্ছে
আয়তন। আয়তন কত? কেন আয়তন দ্বারা ভাগ করতে?
ঘনমাত্রা বের করতে বলছে তাহলে সাম্য
অবস্থা নাইট্রোজেনের ঘনমাত্রা কত
সাম্যবস্থা নাইট্রোজেনের ঘনমাত্রা কত হবে
এই দেখ কত 3 ম এক্স মাই বাবা সমস
হাইড্রোজেনের ঘনমাত্রা কত হবে বলতো মক্বা
এই হচ্ছে কাহিনী আশা করি সবাই বুঝ এই
অংকটা একেবারেই মানে মানে তোমার যদি খুব
অংক কঠিন করতে চাই কেবল তখনই দিবে আদারাই
দিবে না এই হচ্ছে তোমার পুরো 15টা কোশ্চেন
আমরা আরেকবার রিভিউ করব বাবা আমি জিনিস
দেখাবো এন্ড আই হোপ তোমরা সবাই পারবা ঠিক
আছে চলো দেখি প্রথমে বলছে সর্বোচ্চ পরিমাণ
উৎপাদ পাওয়ার শর্ত তাহলে তুমি লাসা তিলের
নীতি দিয়ে ব্যাখ্যা করবা তাপমাত্রা চাপ
ঘনমাত্রার প্রভাব সাম্যদ্রবকের উপর
তাপমাত্রার প্রভাব তো এটা হচ্ছে আমাদের
সাম্যদ্রবকের উপর তাপমাত্রা প্রভাব এটা
কার জন্য তাপ উৎপাদী বিক্রিয়ার জন্য যদি
আমাকে বলে ভাই তাপহারী বিক্রিয়ার জন্য কি
হবে তাপহারী বিক্রিয়ার জন্য কি হবে
তাপহারি তাপহারী বিক্রিয়ার জন্য
তোমাদেরকে বলছিলাম কি করব আমরা কি করব
তাপহারী বিক্রিয়ার জন্য গ্রাফটারে
তাপহারী বিক্রিয়ার জন্য নিচের দিকে যাবে
তাপ বিক্রি জন্য উপরের দিকে উঠবে কার
ভারসেস কার গ্রাফলন কেপি ভারসেস বাটি এর
গ্রাফ এখানে ঢালের মান জানি কেমনে বের
করবি ঢাল ইকয়ালটু হবা আর ওকে ঢাল কি নিচের
দিকে নিচের দিকে কি মাইনাস শেষ এখন আমরা
জানি যে এই বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে তাপমাত্রা
বাড়লে কেপির মান বাড়ব এ ক্ষেত্রে
তাপমাত্রা বাড়লে কেপির মানে কমে তাহলে
ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বাড়লে মান বাড়বে এটা
কার জন্য এটা হচ্ছে আমাদের এটা হচ্ছে
আমাদের তাপ তাপ হারির জন্য এটা হচ্ছে
তাপহারির জন্য এটা এটা হচ্ছে আমাদের উত্তর
হচ্ছে এক্সট্রা শিখে নিলাম তারপর
স্থিতিশক্তির গ্রাফ তাপ উৎপাদীর জন্য
তাপহারীর জন্য দুইটাই দেখা রাখছি ঠিক আছে
এবং সেখান থেকে বার এটাও দেখায় রাখছি। ওকে
ফাইন চলো। সামদ ধ্রুবকের মান কখনোই শূন্য
বসমিত পারে না সবাই পারবা। এই যে একটা
বিক্রিয়া উলটায় গেলে ওই বিক্রয় সামদ
ধ্রুবকের মান কেমনে উল্টায় যায়? আশা করি
পারবা। তারপরে কেপিতি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা
করতে বললে কেমনে করবা? আশা করি দেখায়
দিছি। শর্টকাট হচ্ছে এটা। এটা করলে দুই
নাম্বার পাবা। আর এটা করলে ফুল নাম্বার
পাবা। ওকে? আচ্ছা এরপরে আসো তারপরে কেপি
একটা কেপি দিয়ে কেসি বের করতে বলছে কানার
ভাই অন্য পারবে। উদ্দীপকের রাশিমালা
প্রতিপাদন। রাশিমালা প্রতিপাদন করার সময়
সবসময় মূল সংখ্যা সহ সমান ধরে নিব। সমান
ধরে নিব। নিয়ে আলফা দিয়ে করব। তো সবসময়
যখন কেপি রাশিমালা বের করতে বলব তখন মোট
মূল বের করব। নিজের মোলকে মোট মূল দ্বারা
ভাগ করে দিব প্রত্যেকে। তারপর ইকুয়েশনের
মধ্যে বসা দিব ঠিক আছে ইকুয়েশনের মধ্যে
বসা দিব ওকে চল এবার বলছে যে বিয়োজন
মাত্রা এত পারসেন্ট বিয়োজিত হলে হ্যা এবং
সাম্যবস্থা মোট দলে কেপি কত চাপ দেওয়া
থাকলে কেপি বের করি আর আয়ন দেওয়া থাকলে
বের করি শর্টকাট নিয়ম আর কি তো এখান থেকে
দেখো আমরা মত করে এখানে মত করে করব জাস্ট
মানগুলো বস দিব বিয়োজন মাত্রা 20% মান বসা
দিবা তাপের মান বসা দিবা অংকটা করে ফেলবা
চল অথবা আগের মত করে এখানে বসতে পার ইচ্ছা
তোমার ইচ্ছা কেসি বের করতে ঠিক একই নিয়ম
বিয়োজন মাত্রা দেওয়া আছে কিভাবে বের করছি
সবাই অংকগুলা স বুঝতে যাওয়ার কথা এখন তাই
না? এই অংকটা সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট। তো
এইখানে তোমরা অনেকেই 20% কে মনে করো এটা
মনে হয় বিয়োজন মাত্রা। বাট আসলে এটা
বিয়োজন মাত্রা না। এটা বিয়োজন মাত্রা না।
ঠিক আছে? এটা হচ্ছে আমাদের সাম্য অবস্থায়
পারসেন্টেজ দেওয়া আছে এগুলার। একদম
ডিরেক্ট সাম্য অবস্থার মান দেওয়া আছে। এটা
এইভাবে করতে হবে। অনেক বেশি ইম্পর্টেন্ট।
দেখেন মারছি। এটা কোন বোর্ডে কিন্তু পেয়া
যাবা এটা। চল তারপরে।দুলির আয়তনে পা তিন
মোল না।
এই সবগুলাই পারবা আশা করি। তো এই হচ্ছে
কাহিনী। আশা করি তোমরা প্রত্যেকে বুঝে
গেছ। কি কি টাইপের অংক হইতে পারে। যত
ভেরিয়েশন হইতে পারে সবই দেখায় দিলাম।
হ্যাঁ। এবার আসো। এবার হচ্ছে আমাদের
বিখ্যাত পিসিএল ফাইভ এটা পিসিএলফ বিয়োজিত
হয়ে পিসিএল3 প্লাসট তৈরি করে ডচ এর মান এত
এখন এই পিসিএলফ পরীক্ষায় যে সবসময় পিসিএলফ
আকারেই আসবে এরকম না এটা মোস্টলি এভাবে
আসে এবিফ বিয়োজিত হয়ে এবি3 আর বিট তৈরি
করে অথবা এক্সওয় বিয়োজিত হয়ে এক্স3 আরওয়ট
তৈরি করে অথবা এ বিয়োজিত হয়ে বি প্লাস সি
তৈরি করে এটাও সেম তুমি বলতে পার এটা
কেমনে সেম ভাই নিয়মটা কি তুমি দেখ এ কত এক
বুঝছো দেখছো সহগ এক সহগ এক সহগ এক এর সহগ
এক এর সহ সহ এ থেকে বি প্লাস সি এটাও আসলে
সেম যদি বলে এ এ থেকে বি প্লাস এ কেপি
রাশিমালা বের করো আসলে এটার কেপি রাশিমালা
বের করতে বলছে এখন আমরা একটু প্রশ্নগুলো
পড়ি আশা করি সবাই পারব হ্যা দেখ উদ্দীপকের
বিক্রিয়া সর্বোচ্চ পরিমাণ উৎপাদপ শর্তগুলো
লেখো এটা আমাদের একটা তাপহারী বিক্রিয়া
তাপহারী বিক্রিয়া কি করলে এই বিক্রিয়াটা
সামনের দিকে যাবে এই বিক্রিয়াকে আমি যদি
সামনের দিকে নিতে চাই তাহলে আমাকে তাপহারী
বিক্রিয়া তাপমাত্রা বাড়াইতে হবে বিক্রি
তাপমাত্রা বাড়াইতে হবে এরপরে কি করলে
বিক্রিয়াটা সামনের দিকে যাবে দেখ চাপ দিলে
বড় থেকে ছোট হয় তাহলে উৎপাদক গ্যাস মোল
সংখ্যা দুই বিক্রিয়ক এক চাপ দিলে
পশ্চাৎমুখী হবে আমাকে কি করতে হবে সম্মুখী
করতে হবে তাহলে চাপ কমাইতে
এবং ঘনমাত্রা কি করতে উৎপাতের ঘনমাত্রা
উৎপাদ থেকে কোন একটা উৎপাদকে সরিয়ে নিতে
হবে শেষ তিনটা জিনিস উদ্দীপকের বিক্রিয়া
সাম্যদ্রবের উপর তাপমাত্রা প্রবলেচিত্রের
সাহায্যে ব্যাখ্যা কর সমীকরণ হারির
ক্ষেত্রে কি হবে আসছি উদ্দীপকের বিক্রিয়া
স্থিশক্তি অংকন করে কিভাবে বিক্রি তাপ
সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় ব্যাখ্যা কর
পারবা তোমরা নিজেরাই আমার করাইতে হবে না
প্রমাণ কর উদ্দীপকের বিক্রিয়ার সামকের
মান কখনোই শূন্য বা অসীম হতে পারে না
তোমরা পারবা উদ্দীপকের বিক্রিয়ার জন্য
কেপিসি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করো পারবা না
সবচেয়ে বলি না করা দিয়ে আসছি এটা পারবে
না সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে এর মান কত
উৎপাদ্যের গ্যাসীয় মাইনাস বিক্রিটি
পাওয়ার ওকে ফাস্টে কে তারপরে কেপি লিখবা
এর জায়গায় লেখবা লিখে যেভাবে করা ট্রাই
করলে
কত পাওয়ার ক্যালকুলেশন কর অংক শেষ
উদ্দীপকের বিক্রি জন্য কেপি রাশিমালা
প্রতিপাদন কর এমোনিয়া রাশিমালা প্রতিপাদন
করে দিছি এ রাশিমালা অং পারবে এমোনিয়াটা
দিয়া করবা এার জন্য কেপি রাশিমালা কত আসবে
জানস
স্ক পবা স্কয়ার ওকে আসো উদ্দীপকের
বিক্রিয়া 20% বিয়োজিত হলে বা 20% উৎপাদে
রূপান্তরিত হলে এবং সাম্যবস্থা মোট চাপ
দুটো কেপি নির্ণয় করো কানা ভাই অন্ধ পারবে
20% বিয়োজিত হলে তাহলে আলফা দেওয়া আছে চাপ
দেওয়া আছে আলফার মান বসা দিবা চাপের মান
বসা দিবা অংক শেষ প্রতিপাদন করার মত করে
করবা ওভাবে ভাইঙ্গা ভাইঙ্গা করবা হ্যা
উদ্দীপকের বিক্রি 20% বিয়োজিত হলে এবং 20
উৎপাদে রূপান্তরিত হলে মোট আয়তন 2 লিটার
হলে কেসি কত যদি না পারো
নিজে নিজে পারবাদ দুই এটমসফিয়ার চাপে
উদ্দীপকের বিক্রিয়কের 20% বিয়োজিত হলে কত
চাপে এর 30% বিয়োজিত হবে? সো দিস ইজ দা
কোশ্চেন যেটা আমি তোমাদের এখন করা দিব।
ওকে? দুই এটমসফিয়ার চাপে উদ্দীপকের
বিক্রিয়কের 20% বিয়োজিত হলে কত চাপে এর
30% বিয়োজিত হবে? উদ্দীপকের বিক্রিয়াটা
কি? আমরা জানি আমাদের পিসিফ বিয়োজিত হয়ে
তৈরি করে পি3 প্লাসট। ওকে? এখন এই
বিক্রিয়ায় এটার কেপি রাশিমালাটা আমরা
জানি। কত? লিখে দিয়ে আসছি। আলফা স্ক মাই
আলফা স্কয়ার। কয় নাম্বার থেকে পাই? সাত
নাম্বার থেকে পাই ঠিক আছে সাত নাম্বার
থেকে পাই কেপি আফা স্কয়ার সিডি মাই আলফা
স্কয়ার তো তুমি তোমাকে অবশ্যই প্রশ্নে আগে
কেপি রাশিমালা প্রতিষ্ঠা করে নিতে হবে
অবশ্যই প্রতিষ্ঠা করে নিবা ঠিক আছে বা গ
নাম্বারে এটা দেয় গ নাম্বারে এটা দেয় সো
আলটিমেটলি তোমার গ নাম্বারে করাই থাকে তো
কেপি কি আলফা স্কয়ার সি ডিভ মাইনাস আলফা
স্কয়ার এখন দেখো বলছে যে দুই এমটমসফিয়ার
চাপে 20% বিয়োজিত হলে তারমানে আমার যে চাপ
চাপের মান দুই এটমসফিয়ার বিয়োজন মাত্রা
20% বিয়োজিত তাহলে এটা বিয়োজন মাত্রা
তাহলে আমি লিখতে পারি 20% বিয়োজিত হয়
তাহলে .2
ই আলফা স্কয়ার ইটু প লিখলাম কেন আফ স্কয়ার
আফ স্কয়ার ই প এর মান কতদমসফিয়ার ডিভবাও
মাইনাস পট স্কয়ার মাই স্কয়ার এখান থেকে
ক্যালকুলেশন করলে তুমি কিন্তু কেপির মান
পেয়ে যাচ্ছ মান পেয়ে যাচ্ছ ভালো কথা
প্রথমে যে চাপ আয়তন চাপ দেওয়া আছে আর আলফা
দেওয়া আছে এটা দিয়ে কিন্তু আমি কেপির মান
পেয়ে গেছি হ্যা এ
খুবই ইম্পর্টেন্ট কোশ্চেন খুবই
ইম্পর্টেন্ট কোশ্চেন
ওকে বাকিগুলো তুমি নিজে পারবা এখন দেখলে
কেপির মান বাক্স কে বাক্স আমি পেয়ে গেলাম
আচ্ছা ভালো কথা এবার পরে কি বলছে পরে
কোশ্চেনটা পড় বলছে পরে কোশ্চনটা পড় সবাই
কি বলছে বলছে কত চাপে 30% নিয়োজিত হবে এখন
তুমি বলতো চাপ চেঞ্জ করলে কি কেপির মান
চেঞ্জ হয় আমি তোমাদেরকে বলছিলাম কেপিসি
আল্লাহ দুনিয়ায় শুধুমাত্র একজন চেঞ্জ
করলেই চেঞ্জ হয় সেটা কি তাপমাত্রা তুমি
যদি তাপমাত্রা চেঞ্জ করো তাইলেই কেবল
তোমার কেপিসি চেঞ্জ হবে আদারওয়াইজ কিন্তু
কখনোই কেপিসি চেঞ্জ হবে না কেপিসি কখন
চেঞ্জ হয় অনলি এন্ড অনলি এন্ড অনলি যখন
তুমি তাপমাত্রা চেঞ্জ করবা সো যেহেতু তুমি
এখানে কোন তাপমাত্রা চেঞ্জ করছো না করো
নাই তুমি কি চেঞ্জ করছো চাপ চেঞ্জ করছো
তাহলে কেপির মান চেঞ্জ হবে না তাহলে এখন
কত চাপে এর 30% বিয়োজিত হবে তাহলে দেখো
এবার আলফা কত আলফাট কত দেখোতো তুমি খেয়াল
করো তো এবার α α কত 30% বুঝছো কি বের করতে
বলছে চাপ বের করতে বলছে আমি কি আবারও
সূত্রটা এপ্লাই করতে পারি না আমি কি এখান
থেকে আবার এপ্লাই করতে পারি না আমাদের
আলফা স্কয়ার ইনটু পি ডিবা মাইনাস আলফা
স্কয়ার কার সমান কেপি ইকুয়ালটু তুমি কও
কেপির মান কত কেপির মান হচ্ছে 100 ইকুয়াল
আলফার মান কত 30% মানে কত স্কয়ার ইটু পি
এর মান বের করতে বলছে নিচে কি হবেও মাই3
স্কয়ার ম্থিং
এখান থেকে তুমি প এর মান বের করে ফেলবা
এখান থেকে তুমি প এর মান বের করে ফেলবা
বুঝ এই হচ্ছে কাহিন মানে বুঝটা কিস চাপে
20 বিজিত হলে কত চাপে 30 বিয়োজিত হবে একটা
আলফা দেওয়া আছে চাপ দেওয়া আছে আলফার চাপ
ব্যবহার করে আমি কি আমি তো সূত্রটা জানি
নাম্বার বের করছি বা নাম্বার বের করছি
এখান থেকে আমি কি করতে পারি বাসার মান বের
করে নিতে পারি মানে কেপির মান বের করে
নিতে পারি পরবর্তীতে চাপ চেঞ্জ লে চেপির
মান সেম থাকবে তো আলফার মানটা বসাব চাপের
মানটা বের করে নিব ঠিক আছে এই ধরনের অংক
পরীক্ষায় আসে ঠিক আছে মানে আসছে বিগত
বছরগুলোতে আসছে এবং এটা বেশ ভালো রকমের
ইম্পর্টেন্ট আশা করি এ সবগুলো তোরা পারবি
এগুলা ফাকা জায়গায় রাখছি তোমাদের
প্র্যাটিস করার জন্য এগ নিজেরা প্র্যাটিস
করবা ঠিক আছে মানে তোমাদের জাস্ট নিজেরা
একবার একটা দুইটা প্র্যাকটিস করে নিলে আর
তুমি আটকাবা না এগুলো প্র্যাকটিস করে তুমি
বিগত বছরে বোর্ডের প্রশ্ন সলভ করতে যাও
এমন কোন প্রশ্ন পাবা না যে তুমি পারবা না
এগুলো সলভ করার পরে এমন কোন প্রশ্ন যে
তুমি পারবা না এই আরেকটা
ঠিক আছে দেখ তিনটা সবচেয়ে বেশি তিনটা
পড়বা এটা এবং হচ্ছে এইটা আমাদের এমোনিয়া
পিএ5 আর এটা ঠিক আছে এমোনিয়া প5 এগুলা
সবচেয়ে
এ সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট এগুলা এইটা কিভাবে
আসতে পারে পরীক্ষায়
থেকে এখানে স এখানে থেকে এটাও কিন্তু এটা
মাথায় রাখবা থেকে এটাও কিন্তু বাকি
সবগুলা নিজেরা ট্রাই করবা নিজেরা করবা আমি
এগ দিব না ঠিক আছে আমি দিব না নিজেরা করবা
এগুলা সব
কোশ্চেনটা
উদ্দীপকের বিক্রি হলে কত চাপে 30% একই
কোশ্চেন কোশ্চেন বিক্রি ডিফারেন্ট জাস্ট
বিক্রি ডিফারেন্ট এটা রাশিমালা প্রতিপাদন
কর উদ্দীপকের বিক্রি কেপি রাশিমালা
প্রতিপাদন করার না পারব না রাশিমালা
প্রতিপাদন করতে কেপিসি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা
করো পারবা না সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে
সর্বোচ্চ করে সত্যগুলা লেখো ঠিক আছে দেখ
কি সুন্দর প্রশ্ন সব বলছে সাম্য অবস্থা
আংশিক চাপ 0 কেপি62
আংশিক চাপ কত দেখো এই অংকটা পারবা এই
অংকটা পারবা এটা এমসিকউতে আসে অবশ্য হ্যা
দেখ খেয়াল করো এটা খুবই ঢাকা খুব পছন্দের
অংক সম্ভব এমসিকউ জন্য এ2 এর আংশিক চাপ
দেওয়া আছে 0 এটমসফিয়ার সাম্যদ্রবক কেপির
মান দেওয়া আওয়াছে NO2 আংশিক চাপ কত এই
বিক্রিয়ার জন্য কেপি ইকুয়ালটু কত পি অফ
NO2 স্কয়ার নিচে যাবে পি অফ N2O4 বুঝছো না
এখন দেখো আমার কোন জায়গায় আংশিক চাপ লাগবে
সাম্য অবস্থায় প্রশ্নের সাম্য অবস্থায়
আংশিক চাপ দেওয়াই আছে তো কেপির মান দিয়ে
দিছে 1.6
এরপরে তোমার পট আংশিক চাচা প2 স্কয়ার এই
মানটা বের করুম চাপ দিয়ে ক্যালকুলেশন করে
সুতরাং প2
এ মানটা কত বের করে নিবা শেষ একদম সোজা
ঠিক আছে সাম্য অবস্থা কি একটা বের করতে
তারপরেরটা নিজেরা করবা এটা তোমরা নিজেরা
করবা ঠিক আছে প্রত্যেকটা অংক তোমরা নিজেরা
পারবা প্রতিটা প্রতিটা প্রতিটা ম্যাথ
তোমরা নিজেরা পারবা প্রত্যেকটা অংক বের কর
প্রতিষ্ঠা করো শর্তগুলো লেখ ঠিক আছে একই
কি কোশ্চেন এগুলা তোমরা নিজেরা করবা। তো
এই ছিল আমাদের তোমার সিকিউ মাস্টার সিকিউ
ফর কেপিসি। ঠিক আছে? এগুলা সব কিন্তু
তোমরা এখন নিজেরাই করতে পারবা। লাস্টের যে
লাস্টের যেই নয় নাম্বারটা আছে এটাতে দেখো
ভর দেওয়া আছে। ঠিক আছে? ভর দেওয়া আছে।
আমাদের কিন্তু ভর নিয়ে কোন কাজ নাই। এই
অংক তুমি করতে পারবা। জাস্ট একটা কাজ করবা
সেটা হচ্ছে ভরগুলাকে মোলে কনভার্ট করে
নিবা। যদি এরকম ভর দেওয়া থাকে সেটাকে মোলে
কনভার্ট করে নিবা। যেমন 10 গ্রাম
হাইড্রোজেন মানে তুমি এখানে বলবা পাঁচ মোল
হাইড্রোজেন। এইযে 1270 গ্রাম আয়োডিন এটাকে
আণবিক আয়োডিনের আণবিক ভর। 254 দ্বারা ভাগ
করলে এটাও আসবে পাচ মোল। ঠিক আছে? আর 256
গ্রাম হাইড্রোজেন আয়োড উৎপন্ন হয় এটা করলে
আসবে দুই মোল। তো এই অংক তোমাদেরকে অলরেডি
করা ফেলছি। অলরেডি করা ফেলছি। পাচ মোল
হাইড্রোজেন পা মোল আয়োডিন বিক্রিয়া করলে
সাম্য অবস্থায় উৎপন্ন সাম্যদ্রবক বের করো।
কেসি নির্ণয় করো। তুমি পারবা এটা। তুমি
পারবা। কিভাবে করতে হবে? আশা করি তুমি
জানো। ঠিক আছে? তো ট্রাই করো। তোমরা
নিজেরা এটা চেষ্টা করলেই পেরে যাবা। তো
সবগুলা কেপিকেসির কনসেপ্ট তোমাদেরকে দেখায়
দিলাম। তোমাদেরকে এর বাইরে থেকে কেপিকেসি
কোন প্রবলেম আসার চান্স নাই। নাই মানে
নাই। মানে এর বাইরে থেকে কি আসবে? ঠিক আছে
এগুলা সবই তোমাদের ইনশল্লাহ দেখায় দিছি
আশা করি তোমরা সবাই এগুলা পারবা ঠিক আছে
সবাই এগুললা পারবা এই জিনিসগুলো একটু
ভালোমতো দেখে যেও ঠিক আছে আর যারা খুব
ভালো স্টুডেন্ট আছো তারা কিউপি কিউসির অংক
দেখে যেতে পারো কিউসি মানে বিক্রিয়ার দিক
নির্ণয় সম্মুখমুখী বিক্রিয়া হবে নাকি
পশ্চাৎমুখী বিক্রিয়া হবে সেটা তোমরা চাইলে
দেখে যেতে পারো ঠিক আছে বাট আসার চান্স
খুবই কম ওকে তো আমরা আমাদের কেপিসি শেষ
করে নিলাম আমরা এবার দেখব আমাদের অম্লখার
সাম্যবস্থাতো অম্লখার সাম্যবস্থা খুবই সহজ
ঠিক আছে অলরেডি আমরা কেপিকে যেহেতু পড়ে
ফেলছি এটা আমাদের পড়তে একেবারেই সময় লাগবে
না খুবই সহজ একটা জিনিস অম্লকার সমবস্থা।
তবে অম্লকার সাম্য অবস্থা থেকে কিছু জিনিস
তোমরা নিজেরা দেখবা। গয়নমূলক অনুধাবন
মূলকের জন্য। ব্রনেনস্টেড লাউর মতবাদ কি?
লুইসের মতবাদ কি? অনুবন্ধী অম্ল কি?
অনুবন্ধী ক্ষার কি? কি? কি? কি? কি? কি?
কি? কি? কি? কি? এগুলো সংজ্ঞা দেখবা। ঠিক
আছে? তারপরে হচ্ছে তোমার বাইকার্বনেট
উপধর্মী পদার্থ কেন? বাইসালফেট উপধর্মী
পদার্থ কেন? ঠিক আছে? তো এরকম যে কিছু ছোট
ছোট টপিক আছে এগুলো একটু দেখে নিবা তোমরা
সবাই। কারণ এগুলা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন
আসতে পারে। ঠিক আছে? জ্ঞানমূলক এবং অনুধবন
মূলকে। তো তোমরা যখন আমাদের এমসিকিউ
ক্লাসটা করবা, এমসিকউ ক্লাসটা করলে ওই
জিনিসগুলো তোমাদের আসলে ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
জ্ঞানমূলক অনুধন মূলকের জন্য যা যা জানা
লাগবে সেগুলো দেখবে এমসিকউ ক্লাসে তোমার
ক্লিয়ার হয়ে গেছে। ওকে তো চলো আমরা আমাদের
অম্লকার সাম্যবস্থা শুরু করি। এখন দেখো এই
যে অম্লকার সাম্যবস্থা এইটা হচ্ছে আমাদের
সেই বিখ্যাত অম্লকার সাম্যবস্থার তোমার
হচ্ছে মাস্টার সিকিউ। এই একটা সিকিউ করলে
এই একটা সিউ ভালো মত বুঝে করলে তুমি
অম্লকার সাম্যবস্থা থেকে যত প্রশ্নই আসবে
বাফার দ্রবণ থেকে যত প্রশ্ন আসবে তুমি
ইনশল্লাহ করতে পারবা। ঠিক আছে? তো দেখ
আমার এবি সি তিনটা পাত্র দেওয়া আছে। এখন এ
পাত্রে 50 মিলি 0.3 মোলার এসিটিক এসিড
আছে। এখন দেখ এইযে এটা আমাদের একটা দুর্বল
এসিড আমরা জানি। এটা আমাদের একটা দুর্বল
এসিড যেহেতু দুর্বল এসিড দুর্বল এসিড আমরা
জানি এটা একটা দুর্বল এসিড এখন যদি এটা না
থেকে এইচ এ থাকে যদি এটা না থেকে এইচ এ
থাকে তাহলে কি ভাই দুর্বল এসিড হবে ভাই
তখনও দুর্বল এসিড হবে কেন জান কারণ এই
পাত্রে কে দেওয়া আছে এই পাত্রে কি দেওয়া
আছে কে দেওয়া আছে যদি প্রশ্নে কে দেওয়া
থাকে যদি দেখছো কোন একটা পাত্রে কে দেওয়া
আছে তাইলে তুমি বুঝবা অবশ্যই সেখানে সেটা
দুর্বল এসিড হবে এই দিয়ে দিছে দিয়ে নিচে
কে দিয়েছে তাহলে এই দুর্বল এসিড শেষ কোন
কথা নাই এই দুর্বল এসিড কোন কথা নাই এবার
দেখ এই পাত্রটা এই পাত্রের মধ্যে 15 / 0
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড আছে। তো সোডিয়াম
হাইড্রোক্সাইডটা সবল ক্ষার এটা আমরা জানি।
কিন্তু যদি সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড না
দিয়ে বিo দেয় এখন এটা যে সবল এটা আমি
কেমনে বুঝবো? ভাই পাত্রে কি তোমার কেবি
দেওয়া আছে? ক্ষারের ক্ষেত্রে কেবি দেওয়া
থাকে। পাত্রে কি কেবি দেওয়া আছে? নাই।
তাহলে এটা সফল কষার। তাহলে এটা সফল ক্ষার।
এবার সি পাত্রে যে এসিড দেখো সি পাত্রে
সালফিউরিক এসিড দেওয়া আছে। 150 সালফরিক
এসিড দেওয়া আছে পাত্রে। এখন বল এইযে
পাত্রে যে সালফিউরিক এসিড দেওয়া আছে।
তাকাও ধর এসিড সালফিউরিক এসিড সবল এসিড
আমরা জানি। সালফিউরিক এসিড মনে করো না
দিয়ে এইচ2 এ দিছে। এখন এইট2 এ দিয়ে সবল
এটা আমি কেমনে বুঝবো? ভাই পাত্রের মধ্যে
কে দেওয়া নাই। তার মানে এটা সবল। যদি কে
দেওয়া থাকে তাহলে দুর্বল কে দেওয়া না থাকে
সবল। সোজা সাপটা কথা শেষ। আর যদি একেবারেই
এসিটিক এসিড, মিথানোইক এসিড দেওয়া থাকে
ওগুলা দেখলে তো বুঝাই যায়গুলা দুর্বল
এসিড। ওগুলা ক্ষেত্রে কে না দেখলেও বুঝবো।
কে না থাকলেও বুঝবো দুর্বল। বুঝছো? তবে
এইটার কেটা মনে রাইখো। ঠিক আছে? এসিটিক
এসিডের কে
যদিও প্রশ্ন দেওয়া থাকে। বাট না দেওয়া
থাকলে মনে রাইখো। আরেকটা জিনিসের কে মনে
রেখো। এইটা এইচ মিথানোইক এসিড। এটার কে এর
মান হচ্ছে কে এর মান হচ্ছে কত? 1.8 * 10
টু দি পাওয়ার মাইনাসফ। ঠিক আছে? 1.10
মাইফ। তো কে মানে কি? এসিডের বিয়োজন
ধ্রুব। K কে মানে কি? এসিডের বিয়োজন
ধ্রুব। কাদের ক্ষেত্রে দেওয়া থাকে?
দুর্বলের ক্ষেত্রে দেওয়া থাকে। তো যাই হোক
এখন আমরা প্রশ্নগুলা দেখি। বলছে এ পাত্রের
দ্রবণের পিএইচ কত? এ পাত্রে একটা দুর্বল
এসিড আছে। তারমানে দুর্বল এসিডের পিএইচ
বের করতে বলছে। বি পাত্রের দ্রবণের পিএইচ
কত? সি পাত্রের দ্রবণের পিএইচ কত? আবার
বলছে ওই দ্রবণে 15 মিলি পানি যোগ করলে
পিএইচ কত? ঠিক আছে? এ প্লাস বি মিশ্রণের
পিএইচ কত? বি প্লাস সি মিশ্রণের পিএইচ কত?
এ পাত্রের এসিডের বিয়োজন ধ্রুবকের
রাশিমালা নির্ণয় করো। এ পাত্রের এসিডের
অনুবন্ধী ক্ষারের বিয়োজন ধ্রুবকের
ধ্রুবকের মান কত? পাত্র তিনটিতে যে
বিশুদ্ধ দ্রাবক ব্যবহৃত হয়েছে তার আয়নিক
গুণফল থেকে পিএস স্কেল প্রতিষ্ঠা করো। এ
প্লাস বি এর মিশ্রণে সামান্য পরিমাণ এসিড
বা ক্ষার যোগ করলে পিএস এর পরিবর্তন হবে
কিনা ব্যাখ্যা করো। এ প্লাস বি এর মিশ্রণে
0.0 এ যোগ করলে পিএস এর পরিবর্তন হবে কি?
গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ করো। এই 10টা
কোশ্চেন। এই 10টা কোশ্চেন যদি ভাইয়া তুমি
সলভ করে যাও আমার মনে হয় না যে তুমি পিএস
বাফার থেকে কোন প্রশ্ন আসলে কোনদিন
আটকাবা। ঠিক আছে? তো চল আমরা সলভ করব। তো
ভাইয়া কি অলরেডি আমি একবার রেকর্ড করে
ফেলছিলাম তারপরও সাউন্ড আসে নাই সাউন্ড
লাস্টের দিকে এই অংশ প্রশ্নটুকু সাউন্ড
ছিল না সো দ্যাটস হোয়াই আমি তোমাদেরকে
জাস্ট বুঝায় দিব জিনিসগুলো সব লেখা আছে
বাট আমি সুন্দর মত তোমাদের বুঝায় দিচ্ছি
একটু খেয়াল করো প্রথমটাতে বলছে দেখো একদম
প্রথম অংক এ পাত্রে দ্রবণের পিএচ কত বল এ
পাত্রে যে দ্রবণটা আছে এটা কি দ্রবণ এটা
আমাদের একটা কি এসিড দুর্বল এসিড এটা
আমাদের একটা কি এসিড দুর্বল এসিড কেন
পাত্রে কে দেওয়া আছে তাহলে এটা আমাদের
একটা দুর্বল এসিড এবং এটা সুপার ডুপার
ইম্পর্টেন্ট পরীক্ষায় এটা সবচেয়ে বেশি আসে
তো একটা দুর্বল এসিডের জন্য এস এর
ঘনমাত্রা নির্ণয়ের সূত্র হচ্ছে আলফা সিটার
এ প্লাস ইকয় হচ্ছে আলফা ইকয় রটার অফ কে ই
আলফা মানে কি আমরা জানি বিয়োজন মাত্রা এখন
এই পাত্রে কি কোথাও বলছে বিয়োজন মাত্রার
কথা বিয়োজন মাত্রা কিন্তু দেওয়া নাই কি
দেওয়া এস ঘনমাত্রা দুইভাবে বের করা যায়
দুর্বলের আলফা অথবা রটার দুইটা একভাবে বের
করা যায় আমি এখন কোনটা নিব এ প্লাস মানে
কি আমরা জানি পয় কি মাই লগ এ পহলে মাই লগ
আমার এস জায়গায় কি লিখতে হবে কোন ফর্মুলা
লিখব অবশ্যই এটা লিখব এর মান প্রশ্নে
দেওয়া আছে এর মান ঘনমাত্রা দেওয়া আছে 0.3
বসা দাও আমার পিএচ বের হয়ে গেছে দেখো বলছে
বিপাত্রের দ্রবণের পিএচ কত বলবি পাত্রে কি
দুর্বল ক্ষার না সবল কষার এখন ক্ষারের
ক্ষেত্রে কি বের করে পচারের ক্ষেত্রে কি
বের করে ভাই পচ তাহলে পি কত মাইনাস লগ
হাইড্রোক্সিল আয়নের ঘনমাত্রা এখন
হাইড্রোক্সিলের ঘনমাত্রা কত 0.1 এখন বল যে
এসিডটা দেওয়া আছে যেটা দেওয়া আছে এই খাটের
মধ্যে কয়টা ও আছে একটা ওচ তাই এক দ্বারা
গুণ যদি দুইটা ও থাকতো দুই দ্বারা গুণ
করতাম ঠিক আছে করলে আমি কি পাচ্ছি পিএচ
পাচ্ছি খাের ক্ষেত্রে সবসময় পচ বের করা হয়
পচ পয়ে গেছি এখন আমাকে তো পচ বের করতে বলে
নাই প্রশ্ন পচ কত তুমি পচ কেমনে বের করবা
ভাই পিচ আর পিচ যোগ করলে 14 পাওয়া যায় পচ
আর পি যোগ করলে কত হয় 14 তো পচলে কত পচ আর
পি তুমি পচ বের কর তাইলে পচ এর মান কত হবে
14 থেকে পচ বিয়োগ করে দিলেই কি আমি পেয়ে
যাচ্ছি আমাদের পচ তাইতো আমাকে পিচ পিএইচ
বের করতে বলছে পিচ না তো কষারের ক্ষেত্রে
সবসময় পিচ বের করা যায় বের করে 14 থেকে
বিয়োগ করলে পিএইচ চলে আসে ওকে এবার আসো
আমাদের তিন নাম্বার পাত্রে বলছে এই
পাত্রের পিএইচ কত এখন এই পাত্রে আমাদের
একটা এসিড আছে এটা কি সবল এসিড এখন এটা
যদি এসিড তাহলে এজন্য কি বের করব পিএ বের
করব পান সমান কত মাই লগ এ প ঠিক আছে এখন
সবের ক্ষেত্রে আবার এসব সূত্র লেখা লাগে
না এগুলো লেখার কার জন্য শুধু দুর্বলের
জন্য
ঘনমাত্র কত 0
এসিডটা আছে এসিড কয় প্লাস আছে দুইটা মানে
তুল্য সংখ্যা দুই কি করতে দ গুণ করতে হবেদ
গুণ করলে আমরা হচ্ছে এর ঘনমাত্রাটা পেয়ে
পটা পেয়ে যাচ্ছি ওকে এখন এই অংকটাতে বলছে
ওই দ্রবণে মিলিটার পানি যোগ করলে পিএ কত
তুমি যখন কোন একটা কিছুর মধ্যে পানি যোগ
করবা তখন তার ঘনমাত্রা কমে যায় মনে একটা
চিনি শরবত বানাচিনি শরবতে তুমি পানি যোগ
কর তাহলে কি বৃষ্টি কমে যাবে পানি যোগ
করলে কি হয় ঘনমাত্রাটা কমে যায় তো তুমি
যখন পানি যোগ করবা তখন ঘনমাত্রা কমে যাবে
এখন পানি যোগ করলে এটাকে বলা হয় লঘুকরণ
করা লঘুকরণ একটা বিখ্যাত ফর্মুলা আছে এভিট
আমার পানি যোগ করার আগে আগে দেখো আয়তন ছিল
150 ঘনমাত্রা ছিল 0.1 পানি যখন যোগ করে
ফেলছি তখন 50 ml পানি দিছি আয়তন হয়ে গেছে
200 মিলিলিটার তখন ঘনমাত্রাটা কত এটা
আমাকে বের করতে হবে তো দেখো এওভি এ2ভিট
করে এই আয়তন ঘনমাত্রা বসা দিলে আমি এট
মানটা বের করে ফেলতে পারব এখান থেকে ঠিক
আছে দেখো এখানে 150 প 50 মানে 200 মিলিলি
মানে পানি এখন 50 মিলি যোগ করলে 200 হয়ে
যাবে আমরা ঘনমাত্রা বের করে ফেললাম এটা
কার ঘনমাত্রা এটা কি আছে সালফিউরিক এসিড
তাহলে পানি যোগ করার পরে সালফিউরিক এসিডের
ঘনমাত্রাটা আমি পেয়ে গেলাম এখন আমার কি
লাগবে পিএইচ লাগবে তো পিএইচ সমান সমান কি
মাইনাস লগ এ প্লাস এখন এখানে সালফিউরিক
এসিডের ঘনমাত্রা জানি তো সালফিউরিক এসিডের
তুল্য সংখ্যা কত সালফিকের ঘনমাত্রা মনে কর
তাহলে যেটা পাবা সেটাকে দুই দারা গুণ
করলেই তুমি এখান থেকে পিএচ বের করে ফেলতে
পারবা আশা করি সবাই বুঝতে পারগ
খুবই সহজ এগ তোমাদের পারার কথা এটলিস্ট আর
কিছু না পারলে এটা আমি জানি এবার আমাদের
সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট সবথেকে আরবি পাত্র
মিশ্রিত করলে সেই পাত্রের পিএইচ কত এ আর
বি দ্রব মিশ্রণের পিএইচ কত খেয়াল কর কি
বলছে এ আর বি এর মিশ্রণের পিএইচ কত একটু
লক্ষ কর এখানে চার নাম্বার কোশ্চেনটা এ
প্লাস বি মিশ্রণের পিএইচ কত সবচেয়ে
ইম্পর্টেন্ট হ্যা এখন দেখ এ পাত্রে কি আছে
এ পাত্রে আছে একটা দুর্বল এসিড। বি পাত্রে
কি আছে? সবল ক্ষার। মনে রাখবা যখনই তুমি
দুর্বল আর সবলকে মিশায় দিবা একসাথে। যখনই
একটা দুর্বল একটা সবলকে তুমি মিশায় দিবা
তখন সেখানে বাফার দ্রবণ তৈরি হবে। শেষ।
তোমার জন্য এটাই শেষ। যখনই দুর্বল আর সবল
তুমি মিশায় দিবা ওখানে কি হবে? বাফার
দ্রবণ তৈরি হবে। তোমার পরীক্ষায় এটাই
আসবে। দুর্বল আর সবল মিশায় দিলে কি হবে?
বাফার দ্রবণ তৈরি হবে। আমরা যখনই এ আর বি
মিশায় দিচ্ছি তখন সেখানে কি? বাফার দ্রবণ
তৈরি হবে। শর্ত কি? শর্ত হচ্ছে দুর্বলের
মূল সংখ্যা সবলের থেকে বেশি হতে হবে।
দুর্বল যেটা দুর্বল তার মৌল সংখ্যা সবলের
থেকে বেশি নিতে হবে। তাইলে বাফার হবে।
আদারওয়াইজ হবে না। তো আমরা একটু চেক করবো
আমাদের এখানে বাফার দ্রবণ হবে কিনা। তো
দেখ প্রথমেই এই এসিটিক এসিডের সাথে আমাদের
এইযে আছে এই দুর্বল আর সবল এদের বিক্রিয়া
করাইতে হবে। প্রথম কাজ এদের বিক্রিয়া
করাব। তো দেখ একটা এসিডের বিক্রিয়া করলে
লবণ আর পানি তৈরি করে। এখানকার এখানকার
পানি তৈরি করবে। আর সোডিয়ামটা এখানে চলে
যাবে। ঠিক আছে? পানি। এবার তাকাও সবাই।
একটু দেখ প্রসেসটা খেয়াল কর। শুরুতেই দেখ
এসিটিক এসিড দেওয়া আছে 0.3 মোলার সোডিয়াম
হাইড্রোক্সাইড দোর মোলার আমাদের প্রথম
কাজ হচ্ছে এদেরকে সেম মোলারিটিতে নিয়ে
আসা সেম মোলারিটিতে নিয়ে আসা এখন সেম
মোলারিটিতে কেমনে আনে তাহলে আমার হিসাব
করতে সুবিধা হবে সেম কেমনে আনে এইযে 50
এখানেযেটা
50 আর দুইটা সংখ্যা এখানে 50 এখানে এই 50
আর গুণ করবা গুণ করে ব্রকেট দিয়ে লেখবা
এমl পাশে লেখবা মোলার 50 আর গুণ করবা
ব্র্যাকেট দিয়ে লেখবা এমl পাশে লেখ মোলার
ঠিক আছে এখানে
50 পয়েন্ট
গুণ করবা ব্রকেট দিয়ে লেখ পাশে লাগ মোলার
তাহলে দেখতো এখানে কত আসতেছে এই 50
মিলিটার মোলার এখানে মিলিটার মোলার তুমি
দেখতো এবার তুমি খেয়াল কর দেখতো ভাইয়া যে
দুর্বলটা বেশি আছে কিনা এটা পাল মোলার
দুর্বল আছে মোলার দুর্বল বেশি আছে কিনা
দুর্বল বেশি আছে তাহলে বাফার দ্রবণ হবে
বাফার দ্রবণ হবে কি বাফার দ্রবণ তৈরি করবে
সেটা আমরা দেখি খেয়াল কর একদম শুরুতে
এক মল এ সাথে বিক্রিয়া সামনে সহ এর সামনে
সহ এই লবণটার সামনে সহগার এক মোল এ মোলের
সাথে বিক্রিয়া করে লবণ তৈরি করে এক মোল
দুই মোল দুই মোলের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ
তৈরি করবে দুই মোল এটা তিন মোল তিন মোলের
সাথে বিক্রিয়া করে লবণ তৈরি করবে তিন মোল
তাই না এখন তুমি বল এ পা এমও মোলার এ কটু
বিক্রিয়া করবে পাওয় মোলার এ লবণ তৈরি
করবে কত পা এম মোলার পাম মোলার এ পাওয়
মোলারের সাথে বিক্রিয়া করে শেষ হয়ে
যাইয়া কি তৈরি করবে লবণ তৈরি করবে পাম
মোলার আফটার রিকশন বিক্রিয়া করার পরে
দেখতো তোমার লবণ আছে কত পা এমও মোলার এখন
এখন তুমি দেখো তোমার এসিড ছিল কতদূর বলেছি
15 মিলিটার ওয়ান মোলার এটার পা এমlওয়
মোলার এ কতটুক খাইছে 5 mlওয় মোলাররে খাইছে
তাইলে এটার বাকি আছে কত 10 ml ওয় মোলার কত
বাকি আছে 10 ml ওয় মোলার তাহলে আফটার
রিএকশন বিক্রিয়া করার পরে এই এসিড আছে 10
ml ওয়ান মোলার লবণ আছে 5 mমl ওয়ান মোলার
তাহলে দেখো একটা দ্রবণের মধ্যে কোন একটা
দ্রবণের মধ্যে যদি দুর্বল এসিড থাকে আর ওই
এসিডের লবণ থাকে তাহলে সেটাকে বলা হয়
বাফার দ্রবণ অম্লীয় বাফার দ্রবণ। তাহলে এই
যে দুর্বল এসিড এবং তার লবণ আছে তাহলে এটি
একটি অম্লীয় বাফার দ্রবণ হবে। যেহেতু
অম্লীয় বাফার দ্রবণ অম্লীয় বাফার দ্রবণের
পিএইচ নির্ণয়ের একটা সূত্র আছে এটাকে বলা
হয় হন্ডারসন হেসেলমার্ক ইকুয়েশন পিএচ
নির্ণয় সূত্রটা কি পিএচ ইকয় পি কে প্লাস
লগ এফ সলবা এফ এসিড কি বলতো পই প্লাস লগ এ
সবা এসিড তুমি ডিরেক্টলি এই ফর্মুলাটা ইউজ
করতে পারবা আবার তুমি চাইলে এই ফর্মুলাটা
ইউজ করতে পারবা পকে প্লাস লগ সল্টের
ঘনমাত্রা বা এসিডের ঘনমাত্রা এক লাইন বেশি
করতে পারবা একলাইন বেশি করলে টিচাররা খুশি
হয়তো তুমি এই লাইনটা লিখে তারপরের লাইনে
লিখবা প্লাস লগ দেখ আমরা সবাই জানি এ
ইকুয়ালটু হচ্ছে কি দেখতো আমরা সবাই জানি
আমাদের এ হচ্ছে এ ইভি তুমি দেখো এটা
কিন্তু আমরা কানার ভাই অন্ধ আমাদের যে
আমাদের এন ইকয় হচ্ছে এ ইভি মানে মোল
সংখ্যা কেমনে বের করে এ আয়তন ঘনমাত্রা গুণ
করলে মোল সংখ্যা পাওয়া যায় তাহলে বল কি
হবেবা তাই না তার মানে কি মোলকে আয়তন
দ্বারা ভাগ করলে ঘনমাত্রা পাওয়া যায় তাহলে
দেখ এই ঘনমাত্রা সল্টের ঘনমাত্রার
পরিবর্তে লিখতে পারি কি এ সল্টবাভি আবার
এসিডের ঘনমাত্রার জায়গায় কি লিখতে পারি
এবাভি এখন তুমি বলতে পারো ভাইভি অফ সল্ট
বাভি অফ এসিড কেন লিখলেন না কারণটা কি আগে
একটা কথা শন এইযে দুইটা বাফার দ্রবণ এরা
বাফার দবন তৈরি করছে। এরা কি একই পাত্রে
আছে না ভিন্ন ভিন্ন পাত্রে আছে? এদেরকে
তুমি মিশায় দিছো না। এদেরকে এক পাত্রে
মিশায় দিছো না। তো তুমি যদি এক পাত্রে
মিশায় দাও তাহলে এখন এরা যে পাত্রে ওই
পাত্রের আয়তন কি সেম না ডিফারেন্ট? সেম।
এইজন্য ভি অফ সল্ট আর ভি অফ এসিড আলাদা
করে লিখতে হয় না। এটা কাটাকাটি চলে যায়।
কাটাকাটি চলে যায়। বুঝছো? তো এজন্য তোমার
এই লাইনটা লিখতে হবে নট নেসেসারি। তুমি
ফার্স্টে এই লাইনটা লিখবা। সেকেন্ড এই
লাইনটা লিখবা। লিখে অংক করা শুরু করবা।
অংক এই লাইন থেকেই করতে হবে। ঠিক আছে?
তাহলে তোমার অংক করা সহজ হয়ে যাবে। এখন
দেখো এখন একটা জিনিস দেখো যে খেয়াল করো
ভাই। আমি যখন তোমাকে বলি আমি যদি তোমাকে
বলি ভাই এরকম যে দেখো তোমাকে আমি বললাম
পিএইচ পিএচ সমান সমান কি বলতো মাইনাস লগ
অফ এইচ প্লাস তাই না তাহলে তুমি বলতো ভাই
পি কে সমান সমান কি হবে মাইনাস লগ অফ কে
মাইস লগ অফ কি কে তাই না পি অফ সৈকত কি
হবে মাইনাস লগ অফ সৈকত তাহলে এখন দেখো
এখানে পি কে আছে এর পরিবর্তে লিখতে পারি
মাই লগ অফ কে প্লাস লগ দেখ সল্টের মোল
সংখ্যা লাগবে এখন দেখো সল্টের আয়তন
ঘনমাত্রা দেওয়া আয়তন আর ঘনমাত্রা দেওয়া
থাকলে মোল সংখ্যার জন্য কোন ফর্মুলা বসাই
এ ইভি তাহলে এখানে বসাবো sওভিও এবার দেখো
এসিড নিচে যাবে এন অফ এসিড এসিড এর কি
লাগবে মোল সংখ্যা লাগবে কি দেওয়া আয়তন
ঘনমাত্রা তাহলে এটার জন্য s2 ইভি2 আমরা
জাস্ট খালি মানগুলা বসায় দিব দেখো কে এর
মান প্রশ্নে দেওয়া আছে সব বসায় দিলে এখান
থেকে আমরা পিএচ পেয়ে যাব ঠিক আছে তো যদি
এরকম আমাদের দুইটা পাত্র মিশায় দেয় দুর্বল
আর সবল তখন প্রথমে বিক্রিয়া করে আগে বাফার
দ্রবণ যে তৈরি করবে সেই বাফার দ্রবণে এসিড
কতটুকু থাকবে ক্ষার লবণ কতটুকু থাকবে সেটা
বের করতে হবে তারপরে হ্যান্ডারসন হ্যালো
ইকুয়েশনে বসা দিলেই আমরা এখান থেকে পিএচটা
বের করে ফেলতে পারব বুঝ এটা হচ্ছে আমাদের
অম্লীয় বাফার দ্রবণ আচ্ছা আমি আরেকটু
দেখাবো তোমাদের প্যারাওয় না এবার আসো এখন
আমাকে বলছে বি পি মিশ্রণের পিএচ কত এবার
খেয়াল করো এবার এ প্লাস বি বলে নাই এবার
বলছেবি প্লাস মিশ্রণের পিএচ কত তুমি
চিন্তা করতো বি পাত্রে কি আছে সবল কষার
কারণ কেবি দেওয়া নাই পাত্রে কি আছে সবল
এসিড কারণ কি কে দেওয়া নাই সবলার সল এসিড
মিশ দি তুমি যদি ভাই সবলার সব এসিড মিশাও
মিশাও তাহলে পরিমাণগত রসায়নের মিশ্রণের
অংক পরিমাণগত রসায়নের মিশ্রণের অংক এটা
তোমরা করছো না মিশ্রণের প্রকৃতি নির্ণয়
করো ঘনমাত্রা নির্ণয় কর পিএস নির্ণয় করো
পরিমাণগত রচনায় করছো না তো মাঝে মধ্যে এই
এইটার মধ্যে এই চ্যাপ্টারের মধ্যে বিটমি
করে অংকটা ঢুকায় দেয় তোমরা খেয়াল করতে
পারো না তোমরা মনে কর এ বাফা দ্রবণ হইব তো
যদি দেখ দুর্বল আর সবল মিশ তখন ভাবা দ্রবণ
আর সবল সল মিশ দিছে তখন বুঝবি পরিমাণগত
রসায়নের তো পরিমাণগত রসায়নের অংক তোরা
করছস না আমি সেকেন্ড পেপারের অংক অলরেডি
করে ফেলস এবং তোমাদেরকে আমি যদি এখনো না
বুঝে থাকো তাহলে আমার হাউস অফ কেমিস্ট্রি
চ্যানেলে যাবা ওই চ্যানেলে গিয়ে দেখবা যে
মিশ্রণের প্রকৃতির ঘনমাত্র নির্ণয়ের একটা
ক্লাস দেওয়া আছে আধা ঘন্টা ওই ক্লাসটা করে
নিও তাহলে দেখবা তোমার কনসেপ্ট ক্লিয়ার
হয়ে গেছে বুঝছো
কনসেপ এটা হচ্ছে আমাদের মিশ্রণের প্রকৃতির
অংক পরিমাণ ঠিক আছে যদি সেকেন্ডে বেশি আসে
খুব একটা
বিজন রাশিমালা নির্ণয় করার
কোন সমস্যা নাই কোন সমস্যা নাইতে পারি বের
করব কেমনে বুঝতে মানতো
দুর্বল এসিড বিজন ধুক রাশি বিোধ মানে কিবা
জিনিসটা কি হচ্ছে কি সোথা এসিড নির্ণয়
করতে কইছে এসিড রাশিমালা বের করতে কইছে তো
তুমি কেমনে করবা আও দেখি আওবাতি যারা দেখো
এ পাত্রে একটা এসিড আছে CH3COH এটা দুর্বল
এসিড এ উপমুখী বিক্রিয়া দেয় ভাইঙ্গা কি
যারা দুর্বল তারা উপমুখী বিক্রিয়া দেয়
ভাইঙ্গা কি তৈরি করবে এটা বিয়োজিত CH3
মাইনাস আর তৈরি করবে এচ প এখন তোমাকে
রাশিমালা বের করতে কইছে না রাশিমালা বের
করতে বললে তুমি বল কি করব সহকার মূল
সংখ্যা সমান ধরে নিব ধরলাম উৎপাদের
ক্ষেত্রে কত জির এখন যেহেতু সহকার মূল
সংখ্যা সমান তাহলে কি লিখব্রিয়ামে গেলেও
মাই আলফা এখানে কত আফা এখানে কত আগ সব কি
মূল সংখ্যা এখন তোমাকে কি করছে এার কেসির
রাশিমালা বের করতে কে মানে কেসি এসিডের
কেসিটাকে আদর করে কে রাখে এই বিক্রিয়ার
কেসি কি হবে উৎপাদের ঘনমাত্রা এটার
ঘনমাত্রা ইনটু এ ঘনমাত্রা ডিভেডবা
বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা এই কেসিটাকে আদর করে
এসিডের ক্ষেত্রে কে রাখে আর কষারের
ক্ষেত্রে আদর করে কেবি রাখে এখন আমার
এখানে কি বসাইতে হবে ঘনমাত্রা বসাইতে হবে
তুমি রাশিমালা প্রতিপাদন করবা এখানে কি
কোথাও আয়তন দেওয়া আছে নাই আয়তন দেওয়া নাই
ঠিক আছে বাট কেপি রাশিমালা বের করার
ক্ষেত্রে তো আয়তন লাগে না এতদিন তুমি কেপি
রাশিমালা বের করসি রাশিমালা বের করতে আয়তন
লাগবে বাট আয়তন তো দেওয়া নাই এষেত্রে আমরা
কি করি আমরা হচ্ছে এক মোলের ঘনমাত্রাকে সি
ধরে নেই ধরি এক মোলের ঘনমাত্রা সি ধরে
নিলাম এক মোলের ঘনমাত্রা সি মোলার এক
মোলের ঘনমাত্রা সি মোলার ঠিক আছে তো এক
মোলের ঘনমাত্রা যদি হয় তাহলে দুই মোলের
ঘনমাত্রা কতটু সি তিন মোলের ঘনমাত্রা কতথি
তার চার মোলের ঘনমাত্রা কতফি তাহলে আলফা
মোলের ঘনমাত্রা কত আলফা তাহলেও মাই আলফা
মোলের ঘনমাত্রা কতও মাই আফ ই তাহলে মাই আফ
ই আলফা আলফা এবার কিন্তু ঘনমাত্রাতে
কনভার্ট হয়ে গেছে কারণ আমার এখানে
ঘনমাত্রা বসাইতে হবে আমি কি করব জাস্ট এই
মানগুলো এখানে বসা দিব বসা দিলে দেখ আসতে
আলফা আলফাই
কাটাকাটি কর আলফা স্কয়ারবা মাই আলফা এখন
এইটা কি এসিড এসিডিক এসিড একটা দুর্বল
এসিড দুর্বল এসিডের বিয়োজন মাত্রা টেন্স জ
প্রায় শন্য শূন্য না প্রায় মানে দুর্ খুবই
কম পরিমাণ বিয়োজিত হয় ঠিক আছে প্রায় শন্য
প্রায় যদি শূন্য হয় তাহলে বলতো একের থেকে
শূন্যের কাছাকাছি কিছু একটা জিনিস বিয়োগ
করলে মানটা কত হবে একই হবে না ওয়ান থেকে
আলফা বিয়োগ করলে মানটা কত হবে ওয়ানই হবে
না আমি এই সমীকরণেও মাই আলফা ছিল তার
জায়গায় আমি লিখতে পারি ওয়ান কারণ মানটা
অলমোস্ট ওয়ান এখান থেকে ক্যালকুলেশন করলে
কে আসতেছে আলফা স্কয় ই এটাই হচ্ছে দুর্বল
এসিডের বিয়োজন ধ্রুবকের রাশিমালা এটাই
হচ্ছে আমাদের দুর্বল এসিডের বিয়োজন
ধ্রুবকের রাশিমালা এখন যদি ক্ষারের
ক্ষেত্রে কইতো সেম এটাই হইতো কেবি ইকয়
আলফা স্ক আস ঠিক আছে এখানে একটা মনে
এমোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড বিয়োজিত এমোনিয়াম
আয়ন আর হাইড্রোক্সিল আয়ন এটা ওয়ান এটা
শূন্য এটা শূন্য মাইনাস আলফা আলফা আলফা সব
সেম আসতো ঠিক আছে দেখো তোমরা দেখবা সেম
আসছে সো সামনের অংকটাই তোমরা এটা করবা ঠিক
আছে মাস্টার সিকিউ টুতে এটা থাকবে আশা করি
তোমরা বুঝতে পারছো যে অলরেডি কেপিকে
ড্যাশমেলা যেহেতু করছো এটা তোমাদের কাছে
কোন ঘটনাই হ্যা ওকে এবার বলছে দেখো এ
পাত্রের এসিডের অনুবন্ধী ক্ষারের বিয়োজন
ধ্রুবকের মান কত তো অনুবন্ধী ক্ষার বলছে
হ্যা অনুবন্ধী ক্ষার কি কোন একটা এসিড
একটা এ প্লাস দান করলে যেটা পাওয়া যায়
সেটি অনুবন্ধী ক্ষার মনে কর সৈকত ভাইয়া
একটা এ প্লাস দান করে দিলে যেটা অবশিষ্ট
থাকবে সেটাই হচ্ছে সৈকত ভাইয়ার অনুবন্ধী
ক্ষার সালফিউরিক এসিড একটা এ প্লাস দান
করে দিলে বাইসালফেট থাকে তাহলে বাইসালফেট
হচ্ছে সালফিউফরিক এসিডের অনুবন্ধী ক্ষার
ওকে তো আমার এখানে এ পাত্রে এসিডটা কি
এসিটিক এসিড তাহলে সে যদি একটা প্রোটন সরা
দেয় তাহলে কি থাকবে? CH3 CO- এটাই হচ্ছে
তার অনুবন্ধী ক্ষার। তোমরা বল এসিডের
বিয়োজন ধ্রুবককে কি বলে? কে। আর ক্ষারের
বিয়োজন ধ্রুবককে কি বলে? কেবি। এটা যেহেতু
অনুবন্ধী ক্ষার তাহলে ক্ষার কেবি। এই
এসিডের অনুবন্ধী ক্ষার এসিডের বিয়োজন
ধ্রুবক আর তার অনুবন্ধী ক্ষারের বিয়োজন
ধ্রুবক। এই দুইটা জিনিসের গুণফল কত হয়
জান? 10 টু পায়ার মাইফ। এটা একটা সূত্র।
কে ইবি পায়ার মাই। এটা একটা সূত্র। ঠিক
আছে? কে এর মান আমি জানি 10 মাই।
কেবির মান জানি না জাস্ট কেবির মানটা বের
কর একদম সোজা একদম সোজা ঠিক আছে আমাদের
সাত নাম্বারটা শেষ এবার চল আট নাম্বারটা
কি বলছে যে পাত্র তিনটিতে যে বিশুদ্ধ
দ্রাবক ব্যবহৃত হয়েছে তার আয়নিক গুণফল
থেকে পিএ স্ক প্রতিষ্ঠা করো তিনটা পাত্রের
মধ্যে এই পাত্র এই পাত্র এই পাত্র এগুলার
একটা দ্রবণ 0 মোলার তাই না এগুলা কার
মধ্যে আছে তো মনে হয় এগ কে আছে পানি এগ
কার মধ্যে পানির মধ্যে আছোনে পাত্র
তিনটিতে পানিতে দূত করা হয়েছে দ্রাবক
হচ্ছে পানি তার মানে পানির আয়নিক গুণফল
থেকে পিএল প্রতিষ্ঠা করতে
তো পানির আয়নিক গুণফল কি? পানির আয়নিক
গুণফল হচ্ছে এইচ প্লাস আর ও মাইনাস গুণ
করলেট টু দি পাওয়ার মাইনাসফ পাওয়া যায়।
এটা কি আমরা বলি পানির আয়নিক গুণফল কেড।
ঠিক আছে? এটাকে বলি পানি। এখন তোমাকে বলছে
প স্কেল প্রতিষ্ঠা করতে। এখানে প নিয়ে
আসতে হবে। কোন কিছুর পনতে গেলে কি করতে
হয়? মাইস লগ দিয়ে গুণ করতে হয়। কি করতে
হয়? মাইলগ। আমি এটাকে মাইনাস লগ পক্ষ গুণ
করে দি। গুণ করে এটা কি আসে? মাইনাস এই যে
দেখো লগ a * b এটা মানে কি লগ a + লগবি
তাহলে দেখো মাই লগ a + লগ এইযে মাইনাস
লগবি ইকুয়ালটু এটা ক্যালকুলেশন করে দেখো
আসবে 14 এইযে মাইনাস লগ এ প্লাস এটাকে
আমরা লিখতে পারি পিএইচ এই মাইনাস লগ
মাইনাস এটাকে লিখতে পারি পচ মানে পিএচ আর
পি যোগ করলে হয় 14 ঠিক আছে তো বিশুদ্ধ
নিরপেক্ষ দ্রবণে আমরা জানি পিএচ আর পিচ এর
মান হচ্ছে সমান সা প এর মান যদি সাতের
থেকে কম হয় এসিড পি এর মান যদি সাতের থেকে
বেশি হয় তাহলে সেটাকে আমরা বলি বেসিক
আমাদের একটা পিএস লাগতে হবে এরকমভাবে দাগ
দিবা এই পাশে দিবা পিএচ এর মান শূন্য ওই
পাশে দিবা 14 মাঝখানে দিবা সাত এইযে সাত
এটাকে আমরা বলি নিরপেক্ষ সাত থেকে শূন্যর
মধ্যে যে এটাকে আমরা বলি এসিড আর সাত থেকে
14 মধ্যে এটাকে বলি আমরা খার এটা তোমরা
জানো মাঝে আরো দুইটা পয়েন্ট নিবা তিন আর
10 ইচ্ছা তোমার মত করে নিবা এখানে আমরা
পিএচ এর ভ্যালুটা বসা দিলাম সেখান থেকে
আবার এসটা বস দিলে খুশি হয় সেটা কেমনে করে
দেখ পচ এর মান মনে করচ পচ এর মান যদিচার
হয় পিএচ এর মান যদিচার হয় তাহলে এস
ঘনমাত্রা কত হবে শর্টকাট নিয়মটা হচ্ছে
পাওয়ার মাইনাস চার মানে এ প্লাস এর
ঘনমাত্রা হচ্ছে 10 টু দি পাওয়ার মাইনাস
পিএচ জিনিসটা কি 10 টু দি পাওয়ার মাইনাস
পিএইচ হ্যা ধর তোমারে বললাম পিএইচ এর মান
ক তাহলে এ প্লাস এর ঘনমাত্রা কি হবেট টু
দি পাওয়ার মাইনাস কম বললাম যে পিএইচ এর
মান হচ্ছে ধর তোমাকে আমি বললাম যে পিএইচ
হচ্ছেদ ঘনমাত্রা কি হবে 10 টু দি পাওয়ার
মাইদ
এখন দেখো এখানে শূন্য ঘনমাত্রা হবে 10 টু
পাওয়ার মাইনাস তো মাইনাস বলে কিছু নেই 10
এখানে পিএচ এর মান তিন এপ্লাস ঘনমাত্রা কত
হবে 10 পাওয়ার মাইথ এখানে পচ এর মান সে
ঘনমাত্রা কত 10 টু দি পাওয়ার মাই সে 10
মাই 14 মাই 14 বুঝছো না বুঝছো না তো দেখো
আমরা কিন্তু এভাবে একটা পাত্রে তিনটা যে
দ্রাবক ব্যবহার করা হইছে যেখান থেকে আমরা
পিএস স্কেল প্রতিষ্ঠা করে ফেললাম মজা নাতো
এটাও পরীক্ষায় আসতে পারে যদি প্রশ্ন কঠিন
করতে চাই এই ধরনের ভারিয়েশন দিতে পারে
এবার আস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটা যেটা
তোমার পরীক্ষায় আসে সেটা হচ্ছে এ আরবির
মিশ্রণে সামান্য পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ
করলে পিএস পিএস এর পরিবর্তন হবে কি
ব্যাখ্যা কর তুমি এ আরবি মিশাইলে কি পাওয়া
যায় বাফার দ্রবণ আমরা একটু আগে প্রমাণ করে
আসি আরবি মিশাইলে কি পাওয়া যায় বাফার দবন
পাওয়া যায় বাফার দ্রবণ মানে বাফার দ্রবণ
মানে হচ্ছে যেই দ্রবণে সামান্য পরিমাণ
এসিড বা ক্ষার যোগ করলে মিশ্রণের পিএইচ এর
তেমন কোন পরিবর্তন হয় না তাকে বলে বাফার
দ্রবণ। মানে পিএইচ পরিবর্তন হইব না। বাফার
দ্রবণ এসিড দিয়ে খাদ দিয়ে যাই দিয়ে পিএ
পচ পরিবর্তন হইব না। তোরে কইছে এ এবং বির
মিশ্রণের সামান্য পরিমাণ এসিড বা যোগ করলে
পিএচ এর পরিবর্তন হবে কি ব্যাখ্যা কর।
তুমি আগে উত্তর দিবা না। হবে না। পিএচ কোন
পরিবর্তন হবে না। আগেই উত্তর পচ পরিবর্তন
হবে না। কেন হবে না? সে আগে আমরা একটু
ব্যাখ্যা করি। হ্যা তো বাফার দ্রবণের
বাফার দ্রবণের আমি একটু তোমাদের দেখা
খেয়াল কর। আস এটা তোমাদের একটু বুঝ দেই।
হ্যা বাফার দ্রবণের ক্রিয়া কৌশল কেমনে
করবা? বাফার দ্রবণের ক্রিয়া কৌশলটা কেম
করবা? এইটা একটু তোমাদের ব্যাখ্যা করে
দেই। দেখো শর্টকাটে কেমনে মারবা এডারে।
এটারে শর্টকাট মারবা কেমনে? দেখো দেখাই
দিতেছি। দেখো এই দেখো নিয়মটা কি করবা?
খেলাটা মজা আছে। তোমার কিচ্ছু করা লাগবে
না। বুঝছো? তুমি কিচ্ছু করবা না। দেখো
খুবই সোজা কাম। খুবই সোজার কাজ। সোজা কাজ।
এখানে কাজটা খুবই সোজা। ওকে? কাজটা খুবই
সহজ। তো কাজটা হচ্ছে তুমি একপাশ দিয়ে এই
প্লাস যোগ করবা ও মাইনাস যোগ করবা। বুঝলা?
একপাশে এইচ প্লাস যোগ করবা। আরেক পাশে কি
যোগ করবা? ও মাইনাস যোগ করবা। তোমার কাম
এটা। তুমি ফাস্টে একটা বাফার দ্রবণ নিলা।
এখন দেখো এ আরবি মিশালে কি পাওয়া যাওয়া
যায়? অমলীয় বাফার দ্রবণ। তোমরা পড়ে
আসছো। তোমরা দেখছো না ওযে এসিড থাকে 10
এমlল ও মোলার। আর লবণটা পাওয়া গেছিল পা
এমl ওয়ান মোলার। চার নাম্বার অংকটা
করছিলাম না। আমরা দেখছিলাম যে পাত্রটার
মধ্যে দুইটা জিনিস থাকবে। দুর্বল এসিড আর
এসিডের লবণ। যদি কোন একটা দুর্বল এসিড আর
এসিডের লবণ থাকে তাহলে সেটা অম্লি বাফার
দ্রবণ তৈরি করবে। তো যেটা দুর্বল এসিড
যেটা সবসময় এসিডরে যেটা দুর্বল আর কি
দুর্বল উপমুখি সাইন দিবা। এটা বিয়োজিত কি
তৈরি করে? CH3 CO- আর এইচ প্লাস এভাবে
লেখবা আর যে লবণটা থাকবা লবণডার একমুখী
সাইন দিবা সাইন দিয়ে ভাগাইবা মাগায় লেখবা
CH3 CO মাইনাস আর Na প বুঝছো মানে যেটা
দুর্বল ধর একটা আমি কি জানি এই দুইটা মিল
একত্রে থাকবে CH3OH
এটার লগে যদি এটা থাকে CH3 থাকে তাহলে এরা
কি করবা অফ দ্রবণ বানাইব এমুখি সাইন দিবা
সাইন দিয়ে ভাবা CH3 ম লেখবা আর এটারে
একমুখী সাই দিয়ে ভাবা ভাই লেখবা CH3 ম আর
লেখবা এ প্লাস বুঝ এ ভাবা ভঙ্গ লেখবা
এভাবে লেখবা লেখার প একটা বাক্স রাখবা
হ্যা বক্সের মধ্যে লেখবা লেখা একপশ দিয়ে
এইচ প্লাস দিবা আরেক পাশ দিয়ে এ মাইনাস
দিবা ধান্দা প্রথম ধান্দা পানি বানানো
একপশ দিয়ে এইচ প্লাস আরেক পাশ দিয়ে মাইনাস
এক পাশ দিয়ে এ প্লাস ঢুকাবা আরেকশ দিয়ে
মাইনাস ঢুকাবা প্রথম ধান্দা পানি বানানো
তো আমার কাছে দুইটা জিনিস আছে এ প্লাস আছে
আর মাইনাস আছে আমি দুইটা জিনিসকে ঢুকাবো
তো কোনদিক দিয়ে ঢুকাইলে পানি বানানো যাবে
কোন ঢুকাইলে পানি বানানো যাবে দেখ এখানে এ
আছে পানি বানাইলে তাইলে কি লাগবে মাই
তাহলে কি করব আমি সবার আগে মাই দিব ঠিক
আছে এই ও মাইনাসটা এ প্লাস এর সাথে গিয়ে
কি বানাবে পানি বানাবে ও মাইনাসটা এস সাথে
গিয়ে কি বানাবে পানি বানাবে তাহলে ওই পাশ
দিয়ে ও মাইনাস তাহলে এখন তাহলে বল এবার
আমি কি করব এই প্লাস দিব এ পলাস প্লাস
গিয়ে কার লগে বিক্রিয়া করে ক প্লাস কার
লগে বিক্রিয়া করে মাইনাসের লগে তাহলে এই
প্লাসটাযে এখানকার যে নেগেটিভ চার্জ আছে
এটার লগে বিক্রিয়া করে এই ch3co মাইনাস
আর এ পলাস3 বানায় ফেলাবে শেষ তাহলে এ
পলাস দিচ্ছি বিক্রিয়া করে ফেলতেছে মাইনাস
দিচ্ছি বিক্রিয়া করে ফেলতেছে সুতরাং
পিএইচ এর কোন পরিবর্তন হবে না এই জায়গায়
একটা মজার খেলা আছে একটা লাইন লিখ একটা
লাইন না লেখ টিচার নাম্বার দেয় না কি
যেখানে পানি বানাইবা মনে রাখবা যে জায়গায়
পানি বানাবা যেই জায়গায় পানি বানাবা এই
কোন জায়গায় পানি বানা যে ঢুকাই পানি
বানাইটা
কারে খাইছে এই উপমুখী বিক্রিয়ার কারে
খাইছে খাইছে কারে খাইছে খাইছে তাই তুমি এই
জায়গায় লেখবা এইযে জাস্ট এই চিত্রা দিলেই
তিন মার্কশিওর এরপরে আবিজাবি কথার এক
মার্ক বুঝছস তো তুই তিন মার্ক পাই গেছ
চিত্র তিন টিচার এটা দেখে খুশি যে জায়গায়
পানি বানাবি ওখানে দেখবি যে কার লগে কারে
খাইছে ও প্লাস খাইছে তুই কবি এখানে এ
প্লাস এর ঘনমাত্রা কমে যাবে তখন লাসাতিলের
নীতি অনুযায়ী উপমুখী বিক্রিয়াটি
সম্মুখমুখী হয়ে এ প্লাস এর ঘনমাত্রা ফিলাপ
করে দিবে এ প্লাস এ প্লাস এখানে এস এর
ঘনমাত্রা কমে যাবে তো এ প্লাস এর ঘনমাত্রা
কমে গেলে এই উপমুখী বিক্রিয়ার এসিটিক এসিড
লাস্ট তিলের নীতি অনুযায়ী সামনের দিকে
অগ্রসর হয়ে এ প্লাস এর ঘনমাত্রাকে আবার
প্রসমিত করে দিবে এ প্লাস এর ঘনমাত্রা কমে
গেছিল সেটাকে আবার বাড়িয়ে দিবে শেষ বুঝ যে
খাইছো যেখানে পানি বানাবা ওখানে লাশ তিলার
নীতি মারবা যেই জায়গায় পানি বানাবা ওখানে
লাশ তিলার নীতি মারবা শেষ দেখ আমার কিন্তু
অম্লি বাফার দ্রবণের ক্রিয়াকৌশল শেষ। এখন
ধরো তোমারে ক্ষারী বাফার দ্রবণের
ক্রিয়াকৌশল বানাইতে বলল। ক্ষারীয় বাফার
দ্রবণ। দেখো আমি আবার একটা শর্টকাট মারি
তোমারে দেখো।
ঠিক আছে? আবার একটা শর্টকাট মেরে দিছি।
দেখো ক্ষারীয় বাফার দ্রবণ তোমারে কইছে।
ঠিক আছে? একটু খেয়াল কইরো। কি কইছে?
ক্ষারীয় বাফার দ্রবণ। তাহলে তুমি কি
করবা? তুমি কি করবা? একটু বুঝ ধান্দাটা
খেয়াল করো। দেখো ঠান্ডাটা খেয়াল করো। কি
থাকবে? ক্ষারীয় বাফার দ্রবণে কি থাকবে?
ভাই একটা দুর্বল ক্ষার থাকবে। আর ওই
কষারের লবণ থাকবে। একটা দুর্বল ক্ষার আর
ওই কষারের কি থাকবে? লবণ। তো দুর্বল
ক্ষারকে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড। এটা
একটা দুর্বল ক্ষার। অ্যামোনিয়া যেহানে
ওটাই এমোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড। হ্যাঁ।
অ্যামোনিয়া অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড একই
কথা। যেখানে এমোনিয়া দেখবে ওরে এমোনিয়াম
হাইড্রোক্সাইড লিখবি। এমোনিয়াম
হাইড্রোক্সাইড কি একটা দুর্বল ক্ষার
আরেকটা লবণ। অ্যামোনিয়াম কলের একটা লবণ।
তাহলে এটা একটা বাফার দ্রবণ। এখন দেখো
দুর্বল ক্ষার তাহলে উভমুখী বিক্রিয়া দিব।
যে দুর্বল উভমুখী ভাই অ্যামোনিয়াম আয়ন আর
হাইড্রোক্সিল আয়ন। এটা কি লবণ? তাহলে
একমুখী। লবণ হইলেই একমুখী। অ্যামোনিয়াম
আয়ন আর ক্লোরাইড আয়ন। ভাঙবা। ভাঙ্গার পর
প্রথম ধান ধান্দা দুইটা জিনিস তোমার এখানে
ঢুকাইতে হইব। একটা হাইড্রোক্সিল একটা এই
Hচ। কোন দিক দিয়ে কানে দিবা? প্রথম ধান্দা
পানি বানানো। প্রথম ধান্দা পানি বানানো।
এখন ক পানি বানাইতে হইলে কি দেওয়া লাগবো?
পানি বানাইতে হলে দেখো এখানে OHচ মাইনাস
আছে। তাইলে এখানে কি ঢুকাইতে হইবো? H+
প্লাস। এই যে এখানে Hচ+ দিবা। এটা এখানে
গিয়ে কি বানাইবো? পানি বানাইবো শেষ। তাইলে
এখন আমার আরেকটা কি ঢুকাইতে? OHচ মাইনাস।
অপোজিট সাইড দিয়ে OHচ মাইনাস দিবা। বলে OH
মাইনাস গিয়া নেগেটিভ কার সাথে বিক্রিয়া
করবে? পজিটিভ। এটার সাথে বিক্রিয়া করে
তৈরি করবে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
বিক্রিয়া শেষ। তিন মার্কশিওর কনফার্ম। এখন
যেখানে পানি বানাইছো লায়ার মারবা। এখানে
পানি বানাইছো না কারে খাইয়া লাইছে ওএস
মাইনাস কইবা যে এখানে ওচ মাইনাস কে খেয়ে
ফেলেছে তাহলে ওচ মাইনাসের ঘনমাত্রা কমে
গেছে তখন আমাদের অ্যামোনিয়াম
হাইড্রোক্সাইড সম্মুখমুখী হয়ে ওচ মাইনাস
এর ঘনমাত্রাকে আবার ফিলাপ করে দিবে ঠিক
আছে বুঝতে পেরেছ শেষ কাহিনী শেষ কাহিনী
শেষ এখানে লাসা তিলের নীতি মাইরা দিবা এই
লাসা তিলার নীতি মাইরা দিবা কোন জায়গায়
যেখানে পানি বানাব লাসা তিলের নীতি তাহলে
দেখো অমী বাফার বাফার ক্রিয়াটাও শেষ একই
সাথে ক্ষারী বাফারের ক্রিয়াটাও দেখায়
দিলাম ওকে তো এটা পরীক্ষায় আসবেই তোমার
হ্যাঁ ইদার অমলীয় অথবা ক্ষারীয় একটা আসবেই
এখন এবার আমাদের লাস্ট কোয়েশ্চেন বলছে এ
প্লাস বি এর মিশ্রণে অলরেডি একটা বাফার
দ্রবণ 0.00 মল এসিএল যোগ করলে পিএইচ এর
পরিবর্তন হবে কি গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ করো
তো সাধারণত তোমার এখানে গাণিতিকভাবে
বিশ্লেষণ চায় না সাধারণত তোমাকে বলবে
ব্যাখ্যা করো কি বল ব্যাখ্যা করবে এ যোগ
করলে পিএচ এর পরিবর্তন হবে কি ব্যাখ্যা
করো যদি বলে ব্যাখ্যা করো যদি বলে ভাইয়া
ব্যাখ্যা করো হ্যা তাহলে আগেরটাই
গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণটা সাধারণত আসে না
হ্যাঁ যদি আইসা পড়ে তাহলে কি করবা সেটা
সেটা তোমাদের দেখায় দিচ্ছি সাধারণত আসবে
না তো গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ আসে না আসে
ব্যাখ্যা করো ব্যাখ্যা করলে আগেরটাই মানে
বাফার দবনের ক্রিয়া কৌশল যদি যে এত মোল এ
যোগ কর পরিবর্তন হবে কিনা ব্যাখ্যা কর
তুমি কি করবা তুমি আগেরটাই করবা মানে
বাফার দ্রবণ গোসল করবা যদি কখনো কোন বাফার
দ্রবণে এক্সট্রা করে এই যোগ করে বা
এক্সট্রা করে ও মাইনাস যোগ করে বলে এখন
পিএস এর কি পরিবর্তন হবে গাণিতিকভাবে
বিশ্লেষণ করো তখন আমাদের সূত্রটা একটু
মডিফাই করতে হয় আমাদের সূত্রটা কি বাফার
দ্রবণে এক্স মোল এ প্লাস যদি আমরা যোগ করি
বাফার দ্রবণে এক্স মোল এ প্লাস যোগ করলে
নরমালি বাফার দ্রবণের সূত্রটা কি দেখো
একটু খেয়াল করো দেখ খেয়াল করে আসো
নরমালি বাফার দ্রবণের সূত্র কি অমলীয়
বাফার দ্রবের সূত্র কি খেয়াল করতো বলতো
তোমরা বল অমলীয় বাফার দ্রবের সূত্র কি
একটু চিন্তা করি আমরা হ্যা তাহলে আমাদের
বুঝতে সুবিধা হবে সূত্রটা চেঞ্জ করব
কিভাবে করব একটু খেয়াল করব অম্ল বাফার
দ্রবণের সূত্র কি পই পলগ
সবা এসিড সবা
নরমাল বাফার দ্রবণের সূত্র নরমালি এটাই
করব বাট যদি বলে একটা বাফার দ্রবণে
এক্সট্রা কইরা 0
এখন পচ এর কি পরিবর্তন গাণিতিকভাবে
বিশ্লেষণ কর। তো চার নাম্বার অংকে আমরা
একবার পিএ বের করছি। এখন আমাকে আবার পিএ
বের করতে হবে এই এতটুকু এ যোগ করার কারণে।
সেটা কিভাবে করব? সূত্রটা মডিফাই করে
কিভাবে করে? মডিফাই করে কিভাবে দেখ তুমি
যদি এসিড যোগ করো তাহলে এসিডের সাথে যোগ
হবে। এখানে কি কর যোগ করছো তাহলে এই
সূত্রে এসিড আছে না? এসিডের সাথে এক্স যোগ
হবে। আর একই সাথে এসিডের সাথে যা করবা
সল্টের সাথে উলটা করবা। এসিডের সাথে যোগ
করছো থেকে বিয়োগ করে দিবা। শেষ। দেখো পরের
সূত্রটা দেখো বলছে বাফার দ্রবণে এক্স মোল
ষার যোগ করলে কি হবে এক্স মোল ক্ষার যোগ
করলে কি হবে এখন তুমি দেখ এসিড যোগ করলে
এসিডের সাথে যোগ করো তাহলে কষার যোগ করলে
এসিড থেকে কি করবা বিয়োগ এসিড থেকে যদি
বিয়োগ কর তাহলে সল্টের ক্ষেত্রে উলটা করবা
যোগ করে দিবা শেষ যোগ করে দিবা শেষ ওকে
অংকটা করি চার নাম্বার থেকে আমরা কি পাইছি
চার নাম্বার থেকে আমরা পাইছি যে আমার
এসিটিক এসিড আছে 10 মোলার বাফার লবণ আর
সোডিয়াম এসিডের লবণটা আছে পাল মোলার তাই
না পাচ এম ও মোল এখন তাহলে সূত্রটা কি হবে
পি ইক পি কে প্লাস লগ যেহেতু তুমি সল এসিড
যোগ করছো এসিডের মধ্যে তাহলে এসিডের সাথে
যোগ সল থেকে বিয়োগ এখন এইযে প জায়গায়
মাইনাস কে প্লাস লগ এখন তুমি জানো আমার যে
সল আয়তন ঘনমাত্রা দেওয়া তাহলে এভিওয় আমার
যে এসিডটা আছে সেটার আয়তন ঘনমাত্রা দেওয়া
এজন্য মানগুলো বসা দিলে আমার অংকটা হয়ে
গেছে শেষ ঠিক আছে এখান থেকে আমরা কি করব
এখান থেকে আমরা পচটা বের করব এই জায়গা
থেকে আমরা আমাদের পচটা বের করে নিব এই
পচটা বের করে আমাদের আগে চার নাম্বারের যে
পচ আছে ওই চার নাম্বার পিএইচ এর সাথে
কম্পেয়ার করবো। কম্পেয়ার করে দেখবো পিএইচ
এর তেমন পরিবর্তন হইছে কি হয় নাই। ঠিক
আছে? পিএইচ এর তেমন পরিবর্তন হইছে কি হয়
নাই। ওকে? চার নাম্বারের সাথে কম্পেয়ার
করব। চার নাম্বারে আগে একবার পিএচ বের
করছো না? এইটুকের জন্য এই যোগ বিয়োগ ছাড়া
একটা নরমাল পিএ বের কর ওটার সাথে এই যোগ
বিয়োগের পরে পিএস করলে কত হয় সেটা একটা
কম্পারিজন কর। ওকে আরেকটা চমৎকার কোশ্চেন
তোমাদের পরীক্ষায় আসছে। এটা আসার মত একটা
কোশ্চেন। সেটা হচ্ছে তাপমাত্রা বৃদ্ধি
করলে পানির আয় গুণফল বৃদ্ধি পায় কেন? এই
তাপমাত্রা বাড়াইলে
পানির আয়নিক গুণফলের মান কি? কেড মান বেড়ে
যায়। এটা কেন হয়? এই কোশ্চেনটা আসতে পারে
তোমাদের। কোন না কোন বোর্ডে এই কোশ্চেনটা
চলে আসবে এ বছর। তাপমাত্রা বাড়াইলে পানির
আয়নিক গুণফল বাড়ে কেন? তাপমাত্রা বাড়াইলে
পানির আয়নিক গুণফল বাড়ে কেন? কারণ কি
জানো? কারণ হচ্ছে এইযে পানি যখন ভাঙ্গে
ভেঙে যখন এ প্লাস আর ওচ মাইনাস তৈরি করে
তখন পানি ভেঙে এ প্লাস আর ওচ মাইনাস তৈরি
করলে পানি কি করে জানো? পানি ভেঙে এ প্লাস
আর ও মাইনাস তৈরি করলে পানি কি করে জান?
এটা একটা আমাদের একটা তাপহারী বিক্রিয়া
হয়। কি বিক্রিয়া? তাপহারী বিক্রিয়া। এই
বিক্রিয়া ড এর মান হচ্ছে প্লাস 57.3 কিলজ।
এ প্লাস আর পানি ভেঙে
মাই তৈরি করে এই বিক্রি এর মান কত প্লাস
57.3 কিলজ তার মানে কি? তার মানে একটা
তাপহারী বিক্রিয়া। তাপমাত্রা বাড়াইলে
তাপহারী বিক্রিয়া কোন দিকে যায়? তাপমাত্রা
বাড়াইলে বিক্রিয়া সামনের দিকে যায়।
তাপহারী বিক্রিয়ায় তাপমাত্রা বাড়ালে
বিক্রিয়া সামনের দিকে যায়। বিক্রিয়া যদি
সামনে যায় বেশি বেশি এ প্লাস আর বেশি বেশি
মাইনাস তৈরি হবে। বেশি বেশি এ প্লাস আর
বেশি বেশি ও মাইনাস যদি তৈরি হয় তাহলে
আমরা জানি পানির আয়নিক গুণফল কি বলতো?
পানির আয়নিক গুণফল কেড সমান সমান কি? কি?
কি? কি? কি? কি? কি? কি? কি? কি? এ প্লাস
এর ঘনমাত্রা ই মাইনাস এর ঘনমাত্রা। এখন
তুমি বল আমার যদি এ প্লাস আর এ মাইনাস এর
ঘনমাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাহলে এগুলা গুণ
করলে মানটা কি হবে? কেডবর মানও কি হবে?
বৃদ্ধি পাবে। ঠিক আছে? এই কোশ্চেনটা বেশি
ইম্পর্টেন্ট আছে। কোন না কোন বোর্ডে চলে
আসতে পারে। এটলিস্ট খ নাম্বারের প্রশ্ন
চলে আসতে পারে। ঠিক আছে? সবাই একটু আমরা
দেখে নিব। ওকে?
এই ছিল আমাদের মাস্টার সিকিউ। আশা করি
সবাই বুঝস। যদি কেউ না বুঝে থাকে অবশ্যই
জানাবা আমাদেরকে। বাট এই সিকিউটা যদি কেউ
সলভ করে যাও বুঝে শুনে নিজে নিজে একবার
করবা। এটা নিজে নিজে একবার করলে এইখান
থেকে যে সিকিউটা আসবে এটলিস্ট উত্তর করতে
পারবা ইনশাল্লাহ। ঠিক আছে? চল আমরা আরেকটা
প্রবলেম দেখি। হ্যাঁ আসো ধরো এটা আমাদের
মাস্টার সিকিউ দুই নাম্বারটা এ একটা পাত্র
বলছে এটার মধ্যে 50 মিলিটার 0.3
এমোনিয়া আছে এমোনিয়া দেখলেই চোখ বন্ধ করে
আগে এমোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড লিখবি বা
এমোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড আছে একটা পাত্র
যার মধ্যে 50 মিলি
আছে এখন এই পাশে কি আছে এমোনিয়ামনি
হাইড্রোক্সাইড এমো হাইড্রক্সাইডটা কি এটা
একটা দুর্বল কষার কেন দোর
থাকলে কি দুর্বল দুর্বল এটা একটা সবল এসিড
কেন কারণ দেওয়া নাই সব প্রথম বলছে এ পাত্র
পচ বের করতে এতে কি আছে দুর্বল কষার আছে
দুর্বল কষারের জন্য পের জন্য কি পিচ হয় না
পিohচ হয় পিohচ কি হয় মাইনাস হাইড্রক্সিল
এখন বলো হাইড্রোক্সিলের দুর্বলের ক্ষেত্রে
জানি প্লাস বা OHচ মাইনাস এর জায়গায় কি
বসায় দেখো দুর্বলের ক্ষেত্রে আমাদের OHচ
মাইনাস এর ঘনমাত্রা কি হবে ইকুয়ালটু হবে
আলফা C ইকুয়ালটু হবে রুট ওভার অফ K কেবি ই
আর এসিডের ক্ষেত্রে কি হয় আলফা C ইকুয়াল
রুট ওভার অফ কে ই একই জিনিস তাহলে মাইনাস
লগ যেহেতু এখানে কেবি দেওয়া আছে রটার কেবি
ই মানগুলা বসাইলেই তুমি এখান থেকে পয়ে
যাবা কিন্তু আমার প্রশ্ন কিন্তু তাহলে কি
করতে হবে 14 থেকে বিয়োগ করে দিতে হবে ওকে
সেকেন্ড বিপাত দ্রবণের পিএচ কত এটা কানার
ভাই অন্ধ পারবে না পারলে মাই খাবি 20 ওই
দ্রবণ 50 পানি যোগ করলে পিএচ কত ওই দ্রবণ
50 পানি যোগ করলে পত কানার ভাই অন্ধ পারবে
এ প্লাস বি মিশ্রণের পিএচ কত এ প্লাস বি
এই পাত্র পাত্র মিশ দিবা দুর্বল ক্ষার
দুর্বল ক্ষার আর সবল এসিড একটা দুর্বল
একটা সবল মিশালেই কি হয় বাফার দ্রবণ একটা
দুর্বল একটা সবল মিশাইলে কি বাফার দ্রবণ
যে দুর্বল তার ধর্মী বাফার যে দুর্বল তার
ধর্মী বাফার কে দুর্বলার দুর্বল এবার হবে
ক্ষারী বাফার কি হবে ক্ষারীয় বাফার দ্রবণ
হবে তো তুমি কি করবা ওইযে আগের মত
বিক্রিয়া করবা বিক্রিয়া করলে দেখবা এই
ষার আছে 10 এমlও মোলার আর দেখবা লবণ তৈরি
হছে পালার আগের মতই এবার ক্ষারীয় বাফারি
বাফারের সূত্রটা কি পিএচ এর জায়গায় হবে
প
জায়গায় হবে কেবি এসিডের জায়গায় হবে সব
পবিল
সবাধ
মান বস দি অংক শেষ ঠিক আছে অংক শেষ্য
পরিমাণ এসিডার যোগ করলে পিএচ এর পরিবর্তন
হবে কি ব্যাখ্যা করার বাফার দ্রবণের
মেকানিজম অলরেডি আমরা পড়ে ফেলছি ওকে এবার
আস এ প্লাস বির মিশ্রণ 0 যোগ করলে এর পিএচ
এর পরিবর্তন হবে কি গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ
করব বলযে গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণটা আসে না
তোমার সাধারণত ব্যাখ্যা যাবে বাট যদি যায়
এটা কি ক্ষারীয় বাফার খেয়াল কর এটা কি
ক্ষারীয় বাফার সূত্রটা কি পবি প্লাস লগ
সবা বেস তুমি চিন্তা করতো কষারের মধ্যে কি
যোগ কর সূত্রটা কি সবা
এটা হচ্ছে আমদের ক্ষারী বাফারের সূত্র
যেহেতু বাফারি বাফারের সূত্র লিখা তুমি
যোগ কর কি এসিড যোগ করসি যোগ করলে থেকে কি
হবে বিয়োগ হবে আর এখান থেকে যে বিয়োগ করবা
সল্টের সাথে উলটা করবা শিখছিলাম ঠিক আছে
এই সূত্র দিয়ে তুমি হচ্ছে আবার পচ বের
করবা আমরা তিন নাম্বার একবার পের করছি
বাফারের আবার বের কর কম্পেয়ার করে দেখব যে
আসলে আমাদের কি অবস্থা ঠিক আছে এই হচ্ছে
কাহিনী আশা করি সবাই বুঝতে পারছো এই দুইটা
করে যাও ইনশাল্লাহ কমন পড়বে মাঝে মধ্যে
এগুলো তোমাদেরকে দিয়ে রাখলাম। এই যে
ফাঁকা জায়গা এগুলোতে তোমরা নিজেরা সলভ
করবা। এই যে ফাঁকা জায়গাগুলো আছে এগুলো
যদি তোমরা নিজেরা সলভ করো না আমার মনে হয়
না তোমরা কোথাও আটকাবা। একবার সলভ করে যাও
বিশ্বাস করো পরীক্ষার হুবহু সেম জিনিস চলে
আসবে। হুবহু সেম জিনিস চলে আসবে। ঠিক আছে?
আচ্ছা এখন আমাদের লাস্ট সিউ এখানে
দেখোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড এমোনিয়াম
ক্লোরাইড আছে। এখন একটা পাত্র আছে। এই
পাত্রের মধ্যে দুর্বল লবণ আছে। কি এটা কি?
এটা অটোবাফার দ্রবণ। এটা অটোবাফার দ্রবণ।
এমোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড দুর্বল ক্ষার
কেবি দেওয়া আছে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
দুর্বল ক্ষার আর লবণ আছে দুই পাত্র
মিশানোর কাহিনী নাই এখানে এ ডিরেক্টলি
বাফার দ্রবণ যে বাফার দ্রবণে দুর্বল
ক্ষারের মোল সংখ্যা এত মানে আয়তন
ঘনমাত্রা দেওয়া লবণের আয়তন ঘনমাত্রা
দেওয়া বলছে এই পাত্রটার পিএচ বের করতে
পাত্র পিএ কেমনে বের করবাটা ক্ষারীয়
বাফার দ্রবণ তো পবি প্লাস লগ সবা বেস এখন
পবির মান দেওয়া আছে মাইনাস লগ কেবি লগ
এইযে এইযে সল্ট আয়তন ঘনমাত্রা দেওয়া
এওভি এসিডারের আয়তন ঘনমাত্র এজন্য
মানগুলো বস দাও শেষ অংক শেষ। এবার বলছে
পাত্রে সামান্য পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ
করলে পিএইচ এর পরিবর্তন হবে কি? বিশ্লেষণ
করো। এটা কি ধরনের বাফার দ্রবণ দুর্বল
ক্ষার ওই ক্ষারের লবণ। ক্ষারীয় বাফার
দ্রবণ। তাহলে ক্ষারীয় বাফার দ্রবণের
ক্রিয়া কৌশল ব্যাখ্যা করতে বলছে। ঠিক
আছে? একটা কোশ্চেন দেখা দিলাম এটা বোর্ড
কোশ্চেন। তো বাকি যে জিনিসগুলো তোমাদেরকে
পড়াইছি। আই হোপ তোমরা সবাই জিনিসটা বুঝতে
পারছো। আই হোপ তোমাদের প্রত্যেকের
কনসেপ্টটা ক্লিয়ার হইছে। ঠিক আছে? তো
থিং। এভাবে যদি পড়ো, একটা সিকিউ যদি এভাবে
আসলে এতভাবে এত আঙ্গিকে একটা সিকিউ তুমি
এনালাইসিস করো। তোমার আটকানোর আসলে কোন
প্রশ্নই আসে না। ঠিক আছে? যেই সিকিউটা
করাইলাম পিএস বাফার থেকে এই সিকিউটা
আল্লাহর ওয়াস্তে নিজেরা একবার করে যাবা।
ঠিক আছে? প্লিজ এই 10 টা প্রথম এটলিস্ট
মাস্টার সিকিউ এক নাম্বার যেটা এটা নিজেরা
একবার করে যাবা। তুমি দেখবা পরীক্ষা হলে
গিয়ে হুবহু একই টাইপের একটা সিকিউ তুমি
পেয়ে যাচ্ছ। হয়তো ডাটা সেট চেঞ্জ থাকবে।
ঠিক আছে? আশা করি সবাই বুঝতে পারছো। আর
তোমাদেরকে কেপিএসসিতে যা পড়াইছি এরই আসবে।
এর বাইরে আসবে না। ঠিক আছে? এখানে যা করলে
এর আসবে না আমি ওভারঅল রাসায়নিক পরিবর্তন
তোমাদেরকে চমৎকারভাবে একটু বুঝা দেওয়ার
চেষ্টা করছি আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা
করছি তোমরা যদি এগুলা দেখে যাও আমার মনে
হয় তোমরা পরীক্ষাতে খুব ভালো করবা
ইনশল্লাহ ঠিক আছে ফারস্ট পরীক্ষা দিয়ে
আসো তোমাদের সাথে পরীক্ষার পরে কথা হবে যা
পড়াইছি ভালোমতো একটু প্র্যাকটিস করে যেও
যে জিনিসগুলো ফাঁকা রাখছি বলছি এটা তোমরা
করবা এটা তোমরা করবা ওগুলো তোমরা করে যেও
প্লিজ তুমি করে যেও একবার তুমি করে গেলে
পরীক্ষার হলে দেখবা তোমার জন্য খুব
পরীক্ষার হলে ইজি হয়ে গেছে ঠিক আছে আর
একই সাথে তোমরা যখন এই এমসিকউ ক্লাসটা
করবা আমাদের এমসিকউ ক্লাস করলে দেখবা
তোমার কখর অনেক কনসেপ্ট ক্লিয়ার হয়ে
গেছে কখন অনেক উত্তর তুমি পেয়ে গেছো। ঠিক
আছে? সো এমসিকিউ এবং সিকিউ সবকিছুই তোমার
পারফেক্টলি ডান হয়ে যাবে। তো সবার জন্য
অনেক শুভকামনা থাকলো। অনেক দোয়া থাকলো।
সবার পরীক্ষা অনেক ভালো হবে। অল দা বেস্ট।
সবাই ভালো থাকবা, সুস্থ থাকবা, ভালোমত
পরীক্ষা দিবা। তোমাদের জন্য অনেক
শুভকামনা। আজকের মত বিদায়
UNLOCK MORE
Sign up free to access premium features
INTERACTIVE VIEWER
Watch the video with synced subtitles, adjustable overlay, and full playback control.
AI SUMMARY
Get an instant AI-generated summary of the video content, key points, and takeaways.
TRANSLATE
Translate the transcript to 100+ languages with one click. Download in any format.
MIND MAP
Visualize the transcript as an interactive mind map. Understand structure at a glance.
CHAT WITH TRANSCRIPT
Ask questions about the video content. Get answers powered by AI directly from the transcript.
GET MORE FROM YOUR TRANSCRIPTS
Sign up for free and unlock interactive viewer, AI summaries, translations, mind maps, and more. No credit card required.