ইরানে মার্কিন অ্যাটাক যেভাবে হবে 🚀 How Will America Strike Iran?
FULL TRANSCRIPT
আসসালামু আলাইকুম ডিয়ার ভিউয়ার্স। ইরানে
মার্কিন সামরিক হামলা অবধারিত। সবাই ভাবছে
ইরাকের মত পরিণতি হতে যাচ্ছে ইরানেরও।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের চারপাশে থাকা সামরিক
ঘাড়িগুলোতে অত্যাধুনিক সমরাষ্ট্র এবং
বাড়তি সেনা মোতায়ন করেছে। ফলে ধারণা করা
হচ্ছে ইরানে মার্কিন নেতা ক্রিমিনাল।
কিন্তু প্রশ্ন হলো ইরানে মার্কিন সামরিক
হামলা হবে কিভাবে? এটাও কি ইরাক আগ্রাসনের
মত পূর্ণ যুদ্ধে পরিণত হবে? সেক্ষেত্রে
মুসলিম বিশ্ব অথবা চীন রাশিয়ার ভূমিকায়
বা কি হতে পারে? কোশ্চেন অনেক জটিল আর
কঠিন। তবে উত্তরটা সহজভাবে দেখাবো
আপনাদের। সেই সাথে ইরানকে ঘায়েল করতে
আমেরিকা কি ধরনের সমরাষ্ট্র মোতায়ন করেছে
তা দেখলেও চমকে যাবেন। কারণ এই পরিমাণ
মিলিটারি পাওয়ার অনেক ইউরোপিয়ান দেশের
কাছেও নেই। এই থেকে ইরান নিয়ে আমেরিকা
কতটা সিরিয়াস সেটাও টের পাবেন। সো লেসি
অবকালিপতিক সিনারিও।
মোতায়নকৃত সমরাষ্ট্রের পরিমাণ ও ধরণ
দেখলেই বোঝা যায় যে আমেরিকা ইরান
আক্রমণের জন্য ফুললি রেডি। স্টিল ফাইটার
এন্ড বম্বার, নিউক্লিয়ার সাবমেরিন,
এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার, হেভি গাইডেড
মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, ক্রুজার এবং শত শত
ক্রুজ মিসাইল ইরানের দিকে তাক করা আছে।
ইরান ঘিরে থাকা 50 টি সামরিক ঘাটিতে
বাড়তি সেনা, লেটেস্ট এয়ার ডিফেন্স
সিস্টেম, ল্যান্ডবেজ মিসাইল ওপেন সিস্টেম
এবং অল ডোমেন, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার
সিস্টেম মোতায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
অর্থাৎ পূর্ণ আক্রমণের প্রস্তুতি সম্পন্ন
করেছে তারা। ইরানের চারপাশে মোতায়ন করা
মার্কিন সমরাষ্ট্রের মাঝে অন্যতম একটি হলো
ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ। ক্যারিয়ার
স্ট্রাইক গ্রুপে একটি এয়ারক্রাফট
ক্যারিয়ার, তিন চারটি গাইডেন মিসাইল
ডেস্ট্রয়ার অন্তত একটি নিউক্লিয়ার অটাক
সাবমেরিন, একটি হেভি ক্রুজার এবং একটি
সাপ্লাইশিপ থাকে। ইরানের কাছে ইউএসএস
আব্রাহাম লিংকন মোতায়ন করেছে
যুক্তরাষ্ট্র। এটি এফ 35 সি ও এফ8 সুপার
হর্নেটের মত সাতটি অত্যাধুনিক ফাইটারজেট,
10টি এমএ6 সি হক হেলিকপ্টার, অন্তত পাঁচটি
গ্রাউলার ইলেকট্রনিক এটাক এয়ারক্রাফ,
দুটি ইটুডি হক আই আর্লি ওয়ার্নিং
এয়ারক্রাফট ইত্যাদি বহন করে। স্ট্রাইক
গ্রুপে থাকা তিনটি আর্লি বর্গ ডেস্ট্রয়ার
এবং একটি টাইকন ডেরোগা ক্রুইজার সর্বমোট
250 থেকে 300 টি টমাহ ক্রুইজ মিসাইল 350
টি এসএম ও এসএম সিক্স এয়ার ডিফেন্স মিসাইল
120 টি টরপেরো 50 টি হারপুন এন্টিশিপ
মিসাইল এবং অন্যান্য সমরাষ্ট্রে সূচিত
একটি ওহিয় গ্লাস সাবমেরিন 154 টি টোমাহ
বহন করে এর বাইরে উল্লেখিত যুদ্ধ জাহাজের
স্টোরেজ ও সাপ্লাইশিপ আরো অন্তত 600
মিসাইল ক্যারি করে অর্থাৎ টোটাল ল্যান্ড
এটা ক্রুজ মিসাইল মোতায়ন আছে প্রায় 1000
এয়ার ডিফেন্স মিসাইলও প্রায় একই পরিমাণ
এবং এন্টিশিপ মিসাইল রয়েছে 150 থেকে 200
টি। এছাড়াও বাহরাইন ও আরব আমিরাতের নেভেল
বেসগুলোতে পাঁচটি লিরাল কম্ব্যাটশিপ
অর্থাৎ ফ্রিগেট মোতায়ন আছে। সেগুলোতেও
ক্রুজ এবং এন্টিশিপ মিসাইল যেমন আছে
তেমনিই আছে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। এটি
দৃশ্যমান হিসেব। এর বাইরে আরো মিসাইল ও
স্মার্ট মিউনিশন মোতায়ন থাকতে পারে। যার
হিসেব প্রকাশ করা হয়নি। সৌদি, কুয়েত,
কাতার, আরব আমিরাতরা, জর্ডান এবং ইরাকের
ঘাটিগুলোতে অন্তত 12 টি প্যাট্রিয়ট ও
থার্ড সিস্টেম মোতায়ন রয়েছে। এসব ঘাটিতে
প্রায় 500 সেনা, মিশরের ঘাটিতে এব্রামস
ট্যাংক, কাতার, বাহরাইন ও আরব আমিরাতে লং
রেঞ্জ আর্টিলারি রকেট এবং ল্যান্ড বেসড
মিসাইল ওপেন সিস্টেমও মোতায়ন করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় প্রতিটি বিমান
ঘাটিতে সর্বাধুনিক এফ35 ও এফ সুপারহনেট
যুদ্ধবিমান এবং সি7 ও সি55 কার্গো প্লেন
মোতায়ন করেছে। পাশাপাশি ইলেকট্রনিক
ওয়ারফেয়ারের জন্য ইসি 37 বি আরসিও 135
রিভেট জয়েন্ট আর কিউফর গ্লোবাল হক পি8
পোসাইডন ইত্যাদি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার
আর্লি ওয়ার্নিং এন্ড স্টেন মোতায়ন করেছে
যুক্তরাষ্ট্র এসব এয়ারক্রাফট দিয়ে
ইরানের মিলিটারি কমিউনিকেশন ও এয়ার
ডিফেন্স সিস্টেমের উপর যেমন ইলেকট্রনিক
অ্যাটাক চালাতে পারবে তেমনি বিভিন্ন ধরনের
গোয়েন্দা মিশনও বাস্তবায়ন করতে পারমঙ্গ
এই অ্যাটাকে ইরানের কমিউনিকেশন সিস্টেম
নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত
হয়ে পড়তে পারে পাশাপাশি ভূমি ও সমুদ্রে
অবস্থিত সামরিক এবং বেসামরিক টার্গেটের
নিখুত ছবি লোকেশন ডেটা এবং ভিডিও ধারণ
করতে সক্ষম। এসব ইনফরমেশন ইউজ করে সেসব
টার্গেটের নিখুত মিসাইল হামলা চালানো হয়।
মোট কথা ইরানে এটাকের জন্য মধ্যপ্রাচে
আমেরিকা প্রায় 250 যুদ্ধবিমান, 10টি বড়
যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন, 12টি এয়ার
ডিফেন্স সিস্টেম, 20 থেকে 25 টি স্পেশাল
মিশন এয়ারক্রাফট এবং হাজার দুই এক মিসাইল
মোতায়ন করেছে। আর আক্রমণ শুরু করার স্থান
হিসেবে বেছে নিয়েছে আরব দেশগুলোকে। পুরো
অপারেশন চালানো হবে কয়েকটি লোকেশন থেকে।
কাতারের আলুদেদ আরব আমিরাতের আল দাফরা
জর্ডানের মোয়াফাক সালতি এবং সৌদির
প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস হবে প্রধান মিশন
সেন্টার। এছাড়া মিডল ইস্টে আরো 19 টি
সামরিক ঘাটি আছে যুক্তরাষ্ট্রের। এই
ঘাটিগুলো সরাসরি ইউজ করা হবে। আমেরিকার
ইতিহাসে মোস্ট সফিস্টিকেটেড এন্ড বিগেস্ট
মিলিটারি এর প্রিপারেশন নিয়েছে তারা।
ইতিপূর্বে আমেরিকা যেসব দেশে সামরিক
অভিযান চালিয়েছে তার সবগুলোই ছিল
চূড়ান্ত দুর্বল দেশ। বছরের পর বছর
আন্তর্জাতিকভাবে এক ঘরে করে রেখে সেসব
দেশকে দুর্বল করা হয়েছে। তারপর করেছে
তারা। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে এমনটা
হয়নি। উল্টো তারা নিজস্ব ডিফেন্স
ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলেছে। রাইফেল থেকে
মিসাইল প্রায় সবই তারা উৎপাদন করে। সো
ইরান টাফ টার্গেট। এবার ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রে টার্গেট হবে মিলিটারি
হেডকোয়ার্টার, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ
খামিন, মিসাইল প্রোডাকশন, স্টোরেজ এন্ড
লঞ্চিং সাইট, নিউক্লিয়ার ফ্যাসিলিটিস,
এয়ার ডিফেন্স লোকেশন, রাডার, কনভেনশনাল
ওয়েপন্স ফ্যাসিলিটিজ, ইলেকট্রিক এন্ড
ফুয়েল ডিপো, টপ ইরানি মিলিটারি কমান্ডার
এবং বড় পোট সমূহ। তবে ইরানের শুরুতেই ফুল
স্কেল ইনভেনশন করবে না। ইনিশিয়াল অটাক
হতে পারে দূর থেকে ল্যান্ড এটা, ক্রুজ
মিসাইল দিয়ে হামলা অথবা বিটু স্পিরিট এবং
স্টিল ফাইটার দিয়ে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক
চালানো। কিংবা এই দুটো সংমিশ্রণ। প্রাইম
এরিয়াটাকে ইউএস এয়ারফোর্স ও নেভি
পার্টিসিপেট করবে। সাইবার ওয়ারফেয়ার
ইউনিট ইরানি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ডাউন
করে আকাশ অরক্ষিত করে ফেলার চেষ্টা করবে।
তখন এয়ারফোর্সের স্টিল ফাইটার ও
বম্বারগুলো ইরানের আকাশে প্রবেশ করে
স্পেসিফিক টার্গেটে মিসাইল অটাক চালাবে।
পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় ইনফরমেশন
ওয়ারফেয়ার তো চলবেই। ওদিকে ইরানের
অভ্যন্তরে থাকা পশ্চিমা অনুগত গ্রুপগুলো
আবারো লাগিয়ে দিতে পারে। ফলে আভ্যন্তরে
আইন শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে। একদিকে
বহিঃশত্রুর আক্রমণ অন্যদিকে ঘরের শত্রু
বিভীষণ। এমতা অবস্থায় টপ মিলিটারি এন্ড
সিভিল লিডারশিপকে যদি করতে পারে তাহলেই
লাফ হতে। ইরাক, সিরিয়া কিংবা লিবিয়ার মত
ইরানেরও আল্টিমেট পতন ঘটবে। কেবল এমন
সিচুয়েশন হলেই ইরানে মার্কিন বাহিনী
প্রবেশ করতে পারে। অন্যথায় গ্রাউন্ড
অ্যাটাক করার মত সাহস আপাতত নেই। খুঁচিয়ে
খুঁচিয়ে তার কৌশল নিয়ে গেছে তারা।
শক্তিশালী জাতীয় দেশ হিসেবে ইরানের
অবস্থান পুরোপুরি ধ্বংস করতে চায়। আর ঠিক
এই উদ্দেশ্য মাথায় রেখে ইরানকে ইন্টিমিনেট
করার চেষ্টা করছে আমেরিকা। এজন্যই বিপুল
পরিমাণ অ্যাধুনিক সমরাস মোতায়ন করা
হয়েছে ইরানকে ঘিরে। তবে দুঃখের বিষয়
ইরানে আক্রমণের লঞ্চিং গ্রাউন্ডের
প্রত্যেকটাই মুসলিম দেশ।
যুদ্ধের আগে সব দেশই কূটনীতির মাধ্যমে
অধিশ লক্ষ্য অর্জন করার ট্রাই করে। মানে
যুদ্ধ ছাড়াই যদি কূটনৈতিক চ্যানেলের
স্বার্থ হাসিল করা যায় তাহলে ডিরেক্ট
ফাইটে কেউ চায় না। যেকোনো যুদ্ধে
উভয়পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর ইরানের মত
প্রতিপক্ষ হলে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি
হবে এটাই স্বাভাবিক। যুক্তরাষ্ট্র চায়
ইরান যেন তার কাছে আত্মসমর্পণ করে আরব
দেশগুলোর মত অনুগত হয়ে যায়। ইরান সেটি
করবে না। তবুও আমেরিকা ডিপ্লোমেটিক
চ্যানেলে ইরানকে পিছনে ঠেলে দিয়ে বিপ্লবী
সরকারকে উৎখাত করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু
সেটি ব্যর্থ হয়। মানে ডিপ্লোমেসি এবং
স্যাপটা মিশন দুটোই ব্যর্থ। বাকি থাকে
সামরিক হামলা। অনেক সময় আক্রমণের ভয়
দেখিয়েও স্বার্থ হাসিল করা যায়। অনেকে
ভাবছেন যে আমেরিকা সেটাই করছে। ইরানের
চারপাশে ভয় পাওয়ার মত সামরিক শক্তি
মোতায়ন করে তেহরানকে ভয় পাওয়াতে চাইছে।
যেন ইরান ভয়ে পিছু হাটে। কিন্তু
রিয়েলিটি হলো আক্রান্ত হবার ভয় থাকলেও
ইরানের পিছু হাটার কিছু নেই। ওদিকে
যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিয়ার মেসেজ হলো ইরান
যেনকে শত্রুর তালিকা থেকে বাদ দেয়। আর
10টি আরব দেশের মত অনুগত হয়ে যায়।
কিন্তু বেশিরভাগ ইরানী এবং তাদের সরকার
সেটা করবে না। এজন্য তারা বিপ্লব করেনি।
সো পিছু হটা বা অনুগত হবার প্রশ্নই আসে
না। তা করলে বিগত 47 বছর ধরে ক্ষতবিক্ষত
হবার কোন দরকার ছিল না। যাই হোক ইরান
ইস্যুতে ও আমেরিকার রেডলাইন ক্রস করে
ফেলেছে। ইরানও জানে যে এখন নতি স্বীকার
করলেও মরতে হবে না করলেও। তাই হাজার বছরের
ঐতিহ্য নিয়ে টিকে থাকা ইরানীরা যুদ্ধ
করেই বাঁচতে চায়। এজন্য তারা মার্কিন
সামরিক হুমকির জবাব দিয়েছে পাল্টা হামলার
হুমকি দিয়ে। ইরানি মিলিটারি কমান্ডাররা
স্পষ্ট বলেছেন যে আক্রান্ত হলে মধ্যপ্রাচে
থাকা প্রতিনি মার্কিন সামরিক ঘাটি এবং
ইসরাইলের মিসাইল অটাক চালাবেন তারা। এমনকি
আমেরিকান এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারও ডুবিয়ে
দিবেন। এবার আর কোন ছাড় দেয়া হবে না। ডু
আর দায়। আমেরিকার টার্গেট ইরানকে
সম্পূর্ণ করা। সাদামের পতনের পর ইরাকশ
করেছে জাহান্নামীরা। লিবিয়া মাটির সাথে
মিশে গেছে। সিরিয়া পুরোপুরি বিধ্বস্ত।
ইরানের বর্তমান ক্ষমতাসীনদের উৎখাত করে
সেখানেও স্বর্গ বানাবে না তারা। এটি
ইরানীরা ভালো করেই বোঝে। সো ইরান অনুগত
হতে রাজি নয়। তাই তাদের টার্গেট পাল্টা
জবাব দেয়া এবং অদুর্ভবিষ্যতে দেশকে মুছে
ফেলা। অর্থাৎ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে
কোন শান্তিপূর্ণ অবস্থান নেই। যুদ্ধই
একমাত্র নিয়তি। আর ইরান তারই প্রস্তুতি
নিচ্ছে। তাছাড়া গ্রেটার বাস্তবায়নের পথে
প্রথম বাধা ইরান। আগের এক ভিডিওতে বলেছি
যে সে যুদ্ধ অলরেডি শুরু হয়ে গিয়েছে।
অনেকে দ্বিমত করেছেন। কিন্তু বিগার পিকচার
হলো দা ফায়ার হ্যাভ অলরেডি স্টার্টেড।
ধাপে ধাপে তা সম্পন্ন হবে। ইরানকে দিয়ে
সেকেন্ড স্টেজ শুরু করা হচ্ছে। সো ইরানে
এটাক একটা হবেই। দুঃখের বিষয় কোন মুসলিম
দেশ ইরানের পাশে দাঁড়াবে না। হয় গোলামীর
কারণে নয়তো প্রয়োজনীয় শক্তি নেই বলে।
ইরানের মার্কিন অটাক হলে মিডল ইস্টের কোন
মুসলিম দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে
দাঁড়িয়ে ইরানকে বাঁচানোর দোষ সাহসও করবে
না। অথচ এটাই হওয়ার কথা ছিল। এর কারণ
প্রতিটি আরব দেশ মূলত পশ্চিমের পোশাক।
তাদের সম্পদের 90%ই ইউরোপ আমেরিকায়।
ভোগবিলাসের যাবতীয় আঞ্জামও সেখান থেকেই
আসে। মোট কথা তাদের জানমাল ও ক্ষমতার
চাবিকাঠি আমেরিকার হাতে। এরপরও কেউ যদি
ইরানের পাশে দাঁড়াতে চায় তাহলে সে দেশের
রাজা বাদশাহকে মুহূর্তে সরিয়ে দিবে তারা।
কারণ প্রতিটি আরব দেশে মার্কিন ঘাঁটি আছে
বিপুল সমরাষ্ট্র মোতায়ন করা। এসব দেশের
আর্ম ফোর্সেস এক ঘন্টাও ফাইট দিতে সক্ষম
নয়। আর শাসকদের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র।
সো আনুগত্য ছাড়া আর কোন উপায় নেই।
তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যোগ না দিলেও
ইরানকে বাঁচাতে পারবে না। একেতো ডলার বেস
ইকোনমি তার উপর পরমাণু শক্তি নেই। ইরান
আক্রমণের ক্ষেত্রে হয়তো ন্যাটোর কোন
ভূমিকা থাকবে না। তথাপি ন্যাটো মেম্বার
হিসেবে তুরস্ক আরেক ন্যাটো মেম্বারের
বিরুদ্ধে ফাইট করতে পারবে না। সেক্ষেত্রে
উল্টো আক্রান্ত হবে। আর নিউক্লিয়ার
পাওয়ারের বিপরীতে খেলতে হলে নিউক্লিয়ার
পাওয়ার হতে হয়। এখন প্রশ্ন করতে পারেন
যে পাকিস্তান তো নিউক্লিয়ার পাওয়ার।
তারা কেন বাঁচাতে যাবে না? ওয়েল এটি
পুরোপুরি অক্ষমতার ইস্যু। অর্থনৈতিক এবং
কৌশলগত কারণে পাকিস্তান আমেরিকার বিরুদ্ধে
টু শব্দটি করার অবস্থানে নেই। এজন্য
দেশটির রাজনৈতিক নেতৃত্ব দায়ী। দক্ষ
দেশপ্রেমিক কোন নেতা নেই। একজন যাও ছিলেন
তাকেও জেলেবন্দী করা হয়েছে। এমত অবস্থায়
ইরানের পক্ষে গেলে আমেরিকা ইন্ডিয়াকে
লাগিয়ে দিবে। আর পাকিস্তান প্রশ্নের
সাপোর্ট পেলে দিল্লি আবারও ওয়াশিংটনেরদের
ফুট ছাড়তে দ্বিধা করবে না। ওদিকে বিশ্বের
বাকি মুসলিম দেশগুলোর কেউই মার্কিন এটাকের
বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মত শক্তিশালী নয়।
সামরিক অর্থনৈতিক কিংবা রাজনৈতিক কোনভাবেই
না। রাশিয়া চায়না সমরাষ্ট্র এবং
গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে।
অলরেডি করছে। কিন্তু ইরানের হয়ে সরাসরি
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিবে
না। সো ইরান একা যা করার তা একাই করতে
হবে। আশা করি ক্লিয়ার বোঝাতে পেরেছি।
থ্যাংকস ফর ওয়াচিং দিস ভিডিও। স্টেলার
স্টে ইউনাইটেড। লাভ বাংলাদেশ লং বাংলাদেশ।
UNLOCK MORE
Sign up free to access premium features
INTERACTIVE VIEWER
Watch the video with synced subtitles, adjustable overlay, and full playback control.
AI SUMMARY
Get an instant AI-generated summary of the video content, key points, and takeaways.
TRANSLATE
Translate the transcript to 100+ languages with one click. Download in any format.
MIND MAP
Visualize the transcript as an interactive mind map. Understand structure at a glance.
CHAT WITH TRANSCRIPT
Ask questions about the video content. Get answers powered by AI directly from the transcript.
GET MORE FROM YOUR TRANSCRIPTS
Sign up for free and unlock interactive viewer, AI summaries, translations, mind maps, and more. No credit card required.