শেষ মুহূর্তে ভোট ঘুরছে? পশ্চিমবঙ্গের আসল অংক কী বলছে? নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ!
全トランスクリプト
পশ্চিমবঙ্গে 26শে নির্বাচনের আগে বড় বড়
তিনটে টার্নিং পয়েন্ট তৈরি হয়েছে।
এসআইআর শেষ হওয়া হুমায়ুন কবিরের উত্থান
আর পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে হিন্দু মুসলিমের চরম
মেরুকরণ হয়ে যাওয়া। আর তাই এখন লাখ
টাকার প্রশ্ন হলো পশ্চিমবঙ্গে কি সত্যিই
পালাবদল হচ্ছে? কারণ 26 এর নির্বাচনে
লড়াইটা শুধু বিজেপি বনাম তৃণমূল নয় বরং
এটা হয়ে উঠেছে একদম মার্জিনের খেলা।
বিশ্লেষকরা বলছেন মাত্র তিন থেকে পাঁচ
শতাংশ ভোট যদি এদিক থেকে ওদিকে সরে যায়
তাহলে গোটা ফলাফলটাই উল্টে যেতে পারে।
একদিকে রয়েছে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল যারা
যেকোনভাবে নিজেদের দখলকে ধরে রাখতে চায়
অন্যদিকে বিজেপি যারা গত কয়েক বছরে দ্রুত
নিজেদের ভোট ব্যাংকে বাড়িয়েছে এবং এবার
সরাসরি ক্ষমতারা লড়াইয়ে নেমেছে। আর এর
মাঝখানে আবার তৈরি হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকী
আর হুমায়ুন কবিরের তৃতীয় ও চতুর্থ
ফ্রন্ট। যারা নির্দিষ্ট একটা ভোট ব্যাংকে
বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আন্দাজ করা
হচ্ছে। তাছাড়া একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস
টানা এক দশকের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায়
থেকে এবার অন্টি ইনকম্বেসির চ্যালেঞ্জের
মুখে অন্যদিকে বিজেপি সব ইস্যু ছেড়ে
কেবলমাত্র হিন্দুত্বকেই হাতিয়ার করে
এবারের ভোটে নেমেছে আর অন্যদিকে নওশাদ
সিদ্দিকী হুমায়ুন কোভিদ আর আসাউদ্দিন
ওয়েসি মুসলিম ভোট কেটে তৃণমূলের ক্ষতি
করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে আর তাই ভোট
বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন এসআইআর এর বিপুল
সংখ্যক ভোটার ভোটার লিস্ট থেকে বাদ
যাওয়ার পর যে নতুন গ্রাউন্ড রিয়ালিটিটা
তৈরি হয়েছে অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে
যেরকম প্রকট হিন্দুত্বের হাওয়া বইছে আর
হুমায়ুন কোভিদ আর নওশাদ সিদ্দিকীদের
মুসলিম ভোটকে কনসলিডেট করার যে মরিয়া
চেষ্টা হচ্ছে এই ত্রিফলা আক্রমণে শেষ
মুহূর্তে কি সত্যিই সেই 5 পারসেন্ট ভোট
সরে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে আর যদি 5
পারসেন্ট ভোটের এই ক্রিটিক্যাল শিফটটা
হয়েই যায় তাহলে কি বাংলার ক্ষমতার
সমীকরণ পুরোপুরি বদলে যেতে বসে এসেছে।
কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলার মত রাজ্যে
মাত্র 5 পারসেন্ট ভোটের হেরফেরেই 50 থেকে
100 আসনের ফলাফল বদলে যেতে পারে। আর তাই
আজকের এই ভিডিওটাতে আমি কোন রাজনৈতিক পক্ষ
নিচ্ছি না। শুধু তথ্য পরিসংখ্যান এবং
গ্রাউন্ড লেভেল ট্রেন্ডের ভিত্তিতে একটা
নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ তুলে ধরছি। সিদ্ধান্ত
আপনার। আপনি নিজেই বিচার করবেন ভোট আসলে
কোন দিকে ঘুরছে। তো চলুন শুরু থেকে শুরু
করি। তবে তার আগে একটা রিকোয়েস্ট
ভিডিওটাকে একটা লাইক করে দিন। আর নতুন হলে
চ্যানেলটাকে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে নিন।
এই লাইক আর সাবস্ক্রাইব করার ব্যাপারটা
আপনাদের কাছে ফ্রি হলেও আমাদের চ্যানেলের
গ্রোথের জন্য এটা ভীষণ ভীষণ রকমের
ইম্পর্টেন্ট। সো আই রিকোয়েস্ট ইউ টু
প্লিজ লাইক দিস ভিডিও এন্ড সাবস্ক্রাইব টু
আওয়ার চ্যানেল। থ্যাংক ইউ ফর ইওর লাইক
এন্ড সাবস্ক্রাইব। তো চলুন শুরু থেকে শুরু
করি। তবে যেহেতু আলোচনাটা দীর্ঘ হবে তাই
পুরো আলোচনাটাকে আমরা পাঁচটা চ্যাপ্টারে
ভাগ করে আলোচনা করব। আর প্রতিটা
চ্যাপ্টারের মাঝে থাকবে একটা ছোট্ট
বিরোতি। আজকের ভিডিওটার প্রথম চ্যাপ্টার
হলো পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরিসংখ্যান।
চ্যাপ্টার ওয়ান ভোট পরিসংখ্যান। দেখুন
পশ্চিমবঙ্গে 2026 এর বিধানসভা নির্বাচনে
ভোটের অংকটা বুঝতে হলে আগে আমাদের
পশ্চিমবঙ্গের সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচন
2024 এর ভোট শেয়ারটা একটু ভালো করে জানতে
হবে। লোকসভা নির্বাচন 2024 এ টিএমসির ভোট
শেয়ার ছিল 46.16%।
তবে এখানে মনে রাখতে হবে যে গত লোকসভার
ভোটে টিএমসি শুধু যে প্রথম শক্তি হিসেবে
উঠে এসেছিল তাই নয় 2019 সালের তুলনায়
ভোট শেয়ার প্রায় 2.4
বৃদ্ধি পেয়েছিল। আই রিপিট 2019 সালের
তুলনায় টিএমসি তাদের ভোট শেয়ার প্রায়
2.4% বাড়িয়ে নিয়েছিল। অন্যদিকে বিজেপির
ভোট শেয়ার ছিল 39.08%।
এখানে মনে রাখতে হবে বিজেপির আসন সংখ্যা
অনেকখানি কমেছিল। আর ভোট শেয়ারও কিন্তু
সামান্য কমে গিয়েছিল। কিন্তু কতখানি ভোট
শেয়ার কমেছিল? 2019 সালের লোকসভায়
বিজেপির ভোট শেয়ার ছিল 40.64%।
আর 2024 এর লোকসভায় সেই ভোট শেয়ার
সামান্য কমে গিয়ে দাঁড়ায় 39.08%
মানে ভোট শেয়ার কমেছিল 1.56%
মানেদেড় পারসেন্ট এর মত। মানে ভোট শেয়ার
খুব বেশি কমেনি মাত্রদেড় পারার% কমেছিল
কিন্তু সিট সংখ্যা কমেছিল। আর ভোট
কনভার্শন এফিশিয়েন্সিও কিন্তু সেবার কমে
গিয়েছিল। অন্যদিকে 2024 এর লোকসভায়
কংগ্রেসের ভোট শেয়ার ছিল 4.72%
সিপিআইএম বা কম্বাইনড লেভ বোটের আনুমানিক
ভোট শেয়ার ছিল 3 থেকে 4 পারসেন্ট মত। এখন
পশ্চিমবঙ্গে বামেরা ঐতিহাসিকভাবে
শক্তিশালী হলেও বর্তমানে বামেদের ভোট
শেয়ার মারাত্মকভাবে কমে গেছে। 2019 এ 6%
ছিল 2024 এ আরো কমে হয়েছে তিন থেকে 4%।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছে এবার পশ্চিমবঙ্গে
যেভাবে হিন্দু মুসলিম মেরুকরণ হয়েছে তাতে
বামফ্রন্টের ভোট শেয়ার আরো অনেকখানি কমে
যাবে। অন্যদিকে 2024 এর লোকসভায় আইএসএফ
এর ভোট শেয়ার ছিল 0.5%
মানে হাফ মতো। আইএসএফ কিছু নির্দিষ্ট
মুসলিম অধ্যষিত এলাকায় প্রভাব রাখলেও
রাজ্যব্যাপী তাদের ভোট শেয়ার কিন্তু
নগণ্য পরিমাণে ছিল। সংক্ষেপে বললে 2024 এর
লোকসভার ভোটে টিএমসির ভোট শেয়ার ছিল
46.16%।
বিজেপির ভোট শেয়ার ছিল 39.08%।
কংগ্রেসের ভোট শেয়ার ছিল 4 72% বামেদের
ভোট শেয়ার ছিল তিন থেকে 4 শতাংশ আর
আইএসএফ এর ভোট শতাংশ ছিল হাফ শতাংশ মানে
0.5% মতো। এখানে লক্ষণীয় যে টিএমসি এবং
বিজেপির ভোট শেয়ারের পার্থক্য ছিল 7%
মতো। অর্থাৎ টিএমসিকে পেছনে ফেলে বিজেপি
যদি এগিয়ে যেতে চায় তাহলে তার চার থেকে
5% ভোটের শিফট লাগবে। ভোটের শিফট মানে চার
থেকে পাঁচ পারসেন্ট ভোট তৃণমূলে কমবে এবং
সেটা বিজেপিতে যাবে। এইটা হলে কিন্তু
বিজেপি এগোতে পারে। এখন যেহেতু শেষ
লোকসভায় নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে টিএমসি
পেয়েছিল প্রায় 46.16%
ভোট। আর বিজেপি পেয়েছিল প্রায় 39.08%
ভোট। দুটির মধ্যে পার্থক্য ছিল আনুমানিক 7
থেকে 8% মতো। তাই এখন যদি ধরা যায় প্রায় 4
শতাংশ ভোট সরাসরি টিএমসি থেকে বিজেপিতে
শিফট করে তাহলে হিসাবটা গিয়ে দাঁড়ায়
টিএমসি প্রায় 42 শতাংশ হবে। আর বিজেপি
প্রায় 43 শতাংশ হবে। অর্থাৎ ভোটের অংকে
বিজেপি তখন এগিয়ে যেতে পারে। কিন্তু
কিভাবে হতে পারে এই চার থেকে 5% ভোটের
শিফট? দেখুন রিপোর্ট অনুযায়ী
পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু ভোট যেটা মোটামুটি
30% মতো এই ভোট ব্যাংক কিন্তু গত লোকসভায়
অনেক আসনে নির্ধারক ভূমিকা নিয়েছিল। এই
মুসলিম ভোটের বড় অংশ মানে প্রায় পুরোটাই
টিএমসির দিকে গেছিল। সামান্য কিছু
কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ এ গেছিল বটে।
কিন্তু সেটা কিন্তু খুবই কম পরিমাণে। তবে
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি যেহেতু মুসলিম ভোট
প্রায় পায় না বললেই চলে। তাই গত আট 10
বছর ধরে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে শুধুমাত্র
হিন্দু ভোটেই কনসেন্ট্রেট করেছে। অবশ্য
হিন্দু ভোটকে টার্গেট করে বিজেপি তার ফলও
কিন্তু হাতে নাতে পেয়েছে। কারণ 2011 সাল
থেকে আজ পর্যন্ত দিন যত এগিয়েছে বিজেপি
তত বেশি পরিমাণে হিন্দু ভোট নিজেদের পক্ষে
আনতে পেরেছে। একটা পরিসংখ্যান দিলে
বিষয়টা আরো সহজে বুঝবেন। প্রথম 2011 সালে
বিজেপির ভোট শতাংশ ছিল মাত্র 3%। এরপরের
নির্বাচনে অর্থাৎ 2016 তে এটি 17% এ
গিয়েছিল। 2019 এর লোকসভায় বিজেপির ভোট
শেয়ার ছিল 40.64%
এবং 2021 এ একটু কমে দাঁড়িয়েছিল 38% এবং
2024 এর লোকসভার ভোটে ভোট শেয়ার সামান্য
বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল 39.08%
মতো। অর্থাৎ 2011 থেকে আজ পর্যন্ত বিজেপি
তার ভোট শেয়ার কেবল বাড়িয়েই গেছে এবং
এই ভোট শেয়ার এসেছে মূলত হিন্দু ভোটারদের
কাছ থেকে আর এজন্যই এবারের বিধানসভা
নির্বাচনে বিজেপি অন্য সমস্ত ইস্যুকে বাদ
দিয়ে কেবলমাত্র হিন্দুত্বের ইস্যুতেই
ভোটের লড়ছে আর এটা যে লড়ছে সেটা তাদের
ক্যান্ডিডেট লিস্ট দেখলেই কিন্তু বোঝা
যায় এবং স্লোগান থেকেও পরিষ্কার হয়ে
যায় বিজেপির ক্যান্ডিডেট লিস্ট দেখলে
লক্ষ্য করবেন সেখানে 294 টি সিটের মধ্যে
294 টা সিট কিন্তু হিন্দু ক্যান্ডিডেট
দিয়েছে বিজেপি। আবার বিজেপির ভোট
ক্যাম্পেইনে শুভন্দু অধিকারী বলছে হিন্দু
হিন্দু ভাই ভাই দিলীপ ঘোষ বলছে মুসলিম ভোট
চায় না এমনকি মোদি তার ব্রিগেডের সভায়
এসে বলে গেছেন যে হিন্দুরা একত্রিত না হলে
এই রাজ্যে তাদেরকে আর বাঁচানো যাবে না
মানে মেসেজটা একেবারে স্পষ্ট যে বিজেপি
হিন্দুত্বের হাওয়া তুলে হিন্দু ভোটকে আরো
বেশি কনসলিডেট করতে চাইছে মানে আর মাত্র 5
শতাংশ হিন্দু ভোটকে তৃণমূলের থেকে নিজেদের
দিকে টেনে আনতে চাইছে একদিকে বিজেপি
হিন্দু ভোটকে টার্গেট করছে। আর অন্যদিকে
হুমায়ুন কোভিদ এবং নওশাদ সিদ্দিকরা যদি
মুসলিম ভোটটাকে কেটে দেয় কিছুটা হলেও
সেক্ষেত্রে 5 শতাংশ এই ক্রিটিক্যাল
ভোটশিপটা কিন্তু হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা
মনে করছেন। মানে যদি চার থেকে পাঁচ শতাংশ
ক্রিটিক্যাল ভোটের সুইং হয় মানে ভোটশিপ
ঘটে তাহলে শুধুমাত্র ভোট শেয়ারের হিসেব
অনুযায়ী বিজেপির এ রাজ্যে ক্ষমতা দখলের
সম্ভাবনা কিন্তু তৈরি হতে পারে। তবে এখানে
মনে রাখতে হবে যে ভোট শতাংশ আর আসন সংখ্যা
মানে সিট কনভারশন কিন্তু এক জিনিস নয়।
ওয়েস্ট বেঙ্গলে অনেক আসনে লড়াইটা খুব
কাছাকাছি হয়। মানে ক্লোজ মার্জিনে ফাইট
হয় আর কি। তাই ছোট্ট সুইংও কিন্তু বড়
さらにアンロック
無料でサインアップしてプレミアム機能にアクセス
インタラクティブビューア
字幕を同期させ、オーバーレイを調整し、完全な再生コントロールでビデオを視聴できます。
AI要約
動画コンテンツ、キーポイント、および重要なポイントのAI生成された要約を即座に取得します。
翻訳
ワンクリックでトランスクリプトを100以上の言語に翻訳します。任意の形式でダウンロードできます。
マインドマップ
トランスクリプトをインタラクティブなマインドマップとして視覚化します。構造を一目で理解できます。
トランスクリプトとチャット
動画コンテンツについて質問します。AIを利用してトランスクリプトから直接回答を得られます。
トランスクリプトをもっと活用する
無料でサインアップして、インタラクティブビューア、AI要約、翻訳、マインドマップなどをアンロックしてください。クレジットカードは不要です。